সুন্দর একটি গ্রামের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তোলা কিছু ফটোগ্রাফি (পর্ব -০২)
নমস্কার,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি, সবাই অনেক অনেক ভাল আছো । |
|---|
আজকের নতুন একটি ব্লগে সবাইকে স্বাগতম । আজকের ব্লগে তোমাদের সাথে সুন্দর একটি গ্রামের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তোলা কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব।
কিছুদিন আগে একটি পর্বের মাধ্যমে ঐ গ্রাম থেকে তোলা কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছিলাম। আজকের পর্বে আরো কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব ।
ফটোগ্রাফি -০১
জমিতে বীজতলা তৈরী ধানের চারা করা হয়েছে এখানে। প্রথম দেখাতে এই ফটোগ্রাফিটি তোমাদের অবশ্যই ভালো লাগবে। সবুজে সবুজময় এরকম ফটোগ্রাফি সবারই ভালো লাগে এই জন্য কথাটা বললাম। গ্রামের পথ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে এরকম দৃশ্য দেখলে সত্যিই চোখ জুড়িয়ে যায়। আমি যে সময়টাতে রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম ধানের এই চারা গুলো জোরালো হাওয়ায় দোল খাচ্ছিল, সেই দৃশ্য সত্যিই দেখার মত ছিল। আমি সেই দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করেও রেখেছিলাম সেই দিন। তবে আজকের ব্লগে সেই সময়ে তোলা এই ফটোগ্রাফি শেয়ার করলাম।
ফটোগ্রাফি -০২
বীজতলা থেকে ধানের চারা এনে পুনরায় জমিতে লাগানো হয় মূলত ধানের ফলন এই জমি থেকেই পাওয়া যায়। উপরের ফটোগ্রাফিতে তোমরা সেরকম দৃশ্যই দেখতে পাচ্ছ। এগুলো বড় হতে কয়েক মাসের মত সময় লেগে যাবে। সেই সময়ে এর সৌন্দর্য আরো বেশি ফুটে উঠবে। ধান রোপণের মৌসুমে গ্রামে গেলে রাস্তার পাশে এরকম দৃশ্য প্রায় সময় দেখা যায়। যাই হোক সেই দিন এই গ্রামের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় এরকম দৃশ্য কয়েক জায়গায় আমি দেখেছিলাম। এত সুন্দর দৃশ্য ফোনে ধারণ না করে রাখলে ঠিক হতো না, তাই সেই মুহূর্তে এসব দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করে রেখেছিলাম আমি। বেশ কিছুদিন পর সেই ফটোগ্রাফি শেয়ার করলাম তোমাদের সাথে।
ফটোগ্রাফি -০৩
এই ফটোগ্রাফিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন মানুষ একটি পাওয়ার টিলার এর কাছে দাঁড়িয়ে কিছু একটা করছে। আমি একটু দূরেই ছিলাম তাই দূর থেকে দেখে পরিপূর্ণভাবে বোঝা যাচ্ছিল না তারা কি করছে। তবে আমি ধারণা করে নিয়েছিলাম তারা পাওয়ার টিলারের কোন কিছু ঠিক করছিল। এই পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করা হয়। তবে এই ফটোগ্রাফিটিতে শুধু লোকে পাওয়ার টিলার ঠিক করছে তা দেখলে হবে না, আশেপাশে প্রকৃতির দিকে খেয়াল করলে দেখা যাবে গ্রামীণ প্রকৃতি কতটা সুন্দর। এরকম দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য সবার সব সময় হয় না তবে আমার সেদিন সেই গ্রামের মধ্য দিয়ে আসার সময় হয়েছিল।
ফটোগ্রাফি -০৪
রাস্তার পাশে থাকা কাছে কয়েকটি গরু বাধা রয়েছে। এই দৃশ্য গ্রামে একদমই কমন। আমি অনেক গ্রামে গিয়েই এরকম দৃশ্য দেখার সুযোগ পেয়েছি। গ্রামের লোকজন তাদের গবাদি পশুকে রাস্তার পাশে কোথাও বেঁধে রেখে দেয় এবং সেখানেই তাদের খাবার খেতে দেয় । রাস্তার পাশে এভাবে গরু বাঁধা দেখলে আমার পাশ দিয়ে যেতে অনেকটা ভয় করে। তবে এই গরু গুলোকে দেখে অনেকটা শান্ত লাগছিল সেই জন্য তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেদিন তেমন একটা ভয় করছিল না । যাই হোক তাদের পাশ কেটে যাওয়ার সময় সেখান থেকে যে ফটোগ্রাফি করেছিলাম সেটি আজকে শেয়ার করলাম।
ফটোগ্রাফি -০৫
ছোট্ট একটি তালগাছ দেখা যাচ্ছে এই ফটোগ্রাফিতে। পুকুর পাড়ে, রাস্তার পাশে, ঘেরের পাড়ে এইভাবে তালগাছ লাগাতে আমি বিভিন্ন জায়গায় দেখেছি । রাস্তার পাশে, ঘেরের পাড়ে অথবা পুকুরের পাড়ে এরকম তালগাছ লাগানোর রাখার কারণ হলো এগুলো মাটির ক্ষয় রোধে সাহায্য করে খুব ভালোভাবে। একটি তালগাছ পরিপূর্ণভাবে বড় হতে অনেক বছরই সময় লেগে যায়। এইখানে যে গাছটি দেখা যাচ্ছে সেই গাছ থেকে তাল পেতে গেলে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে সেটা স্পষ্ট।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান: বালিয়াড়ি গ্রাম, ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা সুন্দর একটি গ্রাম থেকে তোলা দ্বিতীয় পর্বের কিছু ফটোগ্রাফি তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
জমিতে বীজতলা তৈরী ধানের চারা করা হয়েছে এখানে। প্রথম দেখাতে এই ফটোগ্রাফিটি তোমাদের অবশ্যই ভালো লাগবে। সবুজে সবুজময় এরকম ফটোগ্রাফি সবারই ভালো লাগে এই জন্য কথাটা বললাম। গ্রামের পথ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে এরকম দৃশ্য দেখলে সত্যিই চোখ জুড়িয়ে যায়। আমি যে সময়টাতে রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম ধানের এই চারা গুলো জোরালো হাওয়ায় দোল খাচ্ছিল, সেই দৃশ্য সত্যিই দেখার মত ছিল। আমি সেই দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করেও রেখেছিলাম সেই দিন। তবে আজকের ব্লগে সেই সময়ে তোলা এই ফটোগ্রাফি শেয়ার করলাম।
বীজতলা থেকে ধানের চারা এনে পুনরায় জমিতে লাগানো হয় মূলত ধানের ফলন এই জমি থেকেই পাওয়া যায়। উপরের ফটোগ্রাফিতে তোমরা সেরকম দৃশ্যই দেখতে পাচ্ছ। এগুলো বড় হতে কয়েক মাসের মত সময় লেগে যাবে। সেই সময়ে এর সৌন্দর্য আরো বেশি ফুটে উঠবে। ধান রোপণের মৌসুমে গ্রামে গেলে রাস্তার পাশে এরকম দৃশ্য প্রায় সময় দেখা যায়। যাই হোক সেই দিন এই গ্রামের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় এরকম দৃশ্য কয়েক জায়গায় আমি দেখেছিলাম। এত সুন্দর দৃশ্য ফোনে ধারণ না করে রাখলে ঠিক হতো না, তাই সেই মুহূর্তে এসব দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করে রেখেছিলাম আমি। বেশ কিছুদিন পর সেই ফটোগ্রাফি শেয়ার করলাম তোমাদের সাথে।
এই ফটোগ্রাফিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন মানুষ একটি পাওয়ার টিলার এর কাছে দাঁড়িয়ে কিছু একটা করছে। আমি একটু দূরেই ছিলাম তাই দূর থেকে দেখে পরিপূর্ণভাবে বোঝা যাচ্ছিল না তারা কি করছে। তবে আমি ধারণা করে নিয়েছিলাম তারা পাওয়ার টিলারের কোন কিছু ঠিক করছিল। এই পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করা হয়। তবে এই ফটোগ্রাফিটিতে শুধু লোকে পাওয়ার টিলার ঠিক করছে তা দেখলে হবে না, আশেপাশে প্রকৃতির দিকে খেয়াল করলে দেখা যাবে গ্রামীণ প্রকৃতি কতটা সুন্দর। এরকম দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য সবার সব সময় হয় না তবে আমার সেদিন সেই গ্রামের মধ্য দিয়ে আসার সময় হয়েছিল।
রাস্তার পাশে থাকা কাছে কয়েকটি গরু বাধা রয়েছে। এই দৃশ্য গ্রামে একদমই কমন। আমি অনেক গ্রামে গিয়েই এরকম দৃশ্য দেখার সুযোগ পেয়েছি। গ্রামের লোকজন তাদের গবাদি পশুকে রাস্তার পাশে কোথাও বেঁধে রেখে দেয় এবং সেখানেই তাদের খাবার খেতে দেয় । রাস্তার পাশে এভাবে গরু বাঁধা দেখলে আমার পাশ দিয়ে যেতে অনেকটা ভয় করে। তবে এই গরু গুলোকে দেখে অনেকটা শান্ত লাগছিল সেই জন্য তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেদিন তেমন একটা ভয় করছিল না । যাই হোক তাদের পাশ কেটে যাওয়ার সময় সেখান থেকে যে ফটোগ্রাফি করেছিলাম সেটি আজকে শেয়ার করলাম।
ছোট্ট একটি তালগাছ দেখা যাচ্ছে এই ফটোগ্রাফিতে। পুকুর পাড়ে, রাস্তার পাশে, ঘেরের পাড়ে এইভাবে তালগাছ লাগাতে আমি বিভিন্ন জায়গায় দেখেছি । রাস্তার পাশে, ঘেরের পাড়ে অথবা পুকুরের পাড়ে এরকম তালগাছ লাগানোর রাখার কারণ হলো এগুলো মাটির ক্ষয় রোধে সাহায্য করে খুব ভালোভাবে। একটি তালগাছ পরিপূর্ণভাবে বড় হতে অনেক বছরই সময় লেগে যায়। এইখানে যে গাছটি দেখা যাচ্ছে সেই গাছ থেকে তাল পেতে গেলে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে সেটা স্পষ্ট।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান: বালিয়াড়ি গ্রাম, ওয়েস্ট বেঙ্গল।
গ্রামীণ দৃশ্যগুলো ফটোগ্রাফি করতে আমারও বেশ ভালো লাগে ভাইজান আজকে আপনি আমাদের মাঝে খুব সুন্দরভাবে একটি গ্রামের দৃশ্য ফুটে তোলার চেষ্টা করেছেন আর প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি অনেক অনেক সুন্দর যেখানে ঘন সবুজ ফসলের মাঠ, পুকুর, ধান খেত আপনার ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। খুবই ভালো লাগলো অপরূপ এই গ্রাম বাংলার দৃশ্য দেখতে পেরে।
এমন অপরূপ গ্রাম বাংলার দৃশ্য সবারই ভালো লাগে ভাই। ধন্যবাদ এত সুন্দর করে আমার ফটোগ্রাফির প্রশংসা করার জন্য।
গ্রামের অপরূপ সুন্দর দৃশ্যগুলো যাতে দেখি ততই ভালো লাগে। আর গ্রামের এই সুন্দর মুহূর্তগুলো আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। সত্যিই গ্রামের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যেতেও খুবই ভালো লাগে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যময় এই পরিবেশের বাতাস যখন গায়ে লাগে তখন গায়ে মন মুগ্ধ হয়। ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিলো।
গ্রামে গিয়ে প্রকৃতির শীতল হাওয়া শরীরে লাগলে শরীরটাও হালকা হয়ে যায়। খুব ভালো লাগে মনের মধ্যে। যাই হোক আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।