পিৎজার নেশায় পুনরায়!
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছো। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আমিও মোটামুটি ঠিক আছি। |
|---|
গত মাসে একবার ডোমিনোজে আমি পিৎজা খাওয়ার জন্য গেছিলাম এবং একাই তিনটা পিৎজা খেয়ে এসেছিলাম। তাই নিয়ে তোমাদের সাথে আমি একটি ব্লগও শেয়ার করেছিলাম । পুনরায় কয়েকদিন আগে পিৎজার টেস্টের নেশায় ডোমিনোজে গেছিলাম বন্ধুর সাথে তাই নিয়েই আজকের ব্লগ।
শুরু থেকেই শুরু করি তাহলে ব্যাপারটা। কয়েকদিন আগে হালকা হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল বিকালের দিকটাতে। আর এই ঠান্ডা ওয়েদার আসলেই আমার বেশি করে পিৎজা খেতে ইচ্ছা করে। সেই কারণে আমি আমার এক বন্ধু যার নাম সৌরভ তাকে ফোন করি বিকালের সময়টাতে এবং পিৎজা খেতে যাওয়ার জন্য বলি। প্রথমে সে যেতে রাজি না হলেও অনেক কষ্টে তাকে ম্যানেজ করি, তার পিৎজার কিছু টাকা আমি দিয়ে দেব এই বলে। সে আমার এই প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায় এবং আমার সাথে সন্ধ্যায় পিৎজা খেতে যেতে চায়। আমাদের বাড়ি থেকে ডোমিনোজ পিৎজার স্টোরটি খুব একটা বেশি দূরে না, দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার এরকমই হয়তো হবে দূরত্ব বাড়ি থেকে। মোটামুটি ডোমিনোজ পিৎজার স্টোরটি কাছে হওয়ার কারণে আমরা সাধারণত এখানে পায়ে হেঁটেই যাই।
সেদিনের ওয়েদারটা অনেক ভাল ছিল। বাইরে বের হয়ে গরম লাগছিল না তেমন একটা । আমি আর আমার সেই বন্ধু সন্ধ্যার দিকটাতে বের হয়ে হাঁটতে হাঁটতে চলে যায় স্টার মলের সামনে অবস্থিত এই ডোমিনোজটিতে। এটি দোতলার উপর অবস্থিত ছিল। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের পছন্দমত একটি জায়গায় গিয়ে বসি। আমরা এমন একটা জায়গায় সিলেক্ট করেছিলাম যেখানে বসে অনেকটা সময় গল্প করলেও তেমন কারো নজরে পড়ব না, একেবারে কর্নারের একটা জায়গায় । পিৎজা অর্ডার করা শেষে আমি ও আমার বন্ধু বসে গল্প করতে থাকি। এইবার একটু অন্যরকমের পিৎজা অর্ডার করেছিলাম। এর আগে কখনো এই পিৎজার অর্ডার করিনি আমি। দুই জনে দুটি পিৎজা অর্ডার করেছিলাম । তার মধ্যে একটি ছিল পাস্তা পিৎজা অন্যটি ছিল ক্যাপসিকাম পাপরিকা পিৎজা। ক্যাপসিকাম পাপরিকা পিৎজা আগে খেয়ে থাকলেও এই পাস্তা আমি আগে কখনো খাইনি ।
যাই হোক অর্ডার দিয়ে আসার পর আমরা আমাদের মত গল্প করতে থাকি। কুড়ি মিনিটের মধ্যেই আমাদের পিৎজা আমাদের সামনে চলে আসে। গরম গরম পিৎজার ঘ্রানে পেট অর্ধেক ভরে গেছিল। পিৎজা আসার পরে আমি এবং আমার বন্ধু দুজনে শেয়ার করে পিৎজা খাওয়া শুরু করি। এই নতুন ফ্লেভার এর পাস্তা পিৎজা অসাধারণ লেগেছিল খেতে। এর উপরের যে চিজ ও সস তারা ব্যবহার করেছিল সেটা অত্যন্ত টেস্টি ছিল। পিৎজা খাওয়া শেষ করে আমি ও আমার বন্ধু অনেকটা সময় সেখানে বসে গল্প করি। সেখান থেকে সামনের একটা দারুন ভিউ পাওয়া যাচ্ছিল। চারপাশে কাঁচ ছিল সেই জন্য দোতালায় বসে আমরা রাস্তার মানুষের ছোটাছুটি, বিভিন্ন ধরনের গাড়ির চলাচল সাইলেন্ট ভাবে দেখতে পাচ্ছিলাম। এভাবে সেদিন পিৎজার নেশায় ছুটে গিয়ে বেশ ভালো একটা সময় কাটিয়েছিলাম ।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: মধ্যমগ্রাম, নর্থ ২৪ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল
আপনার পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম পিজ্জা খেতে আপনি খুবই পছন্দ করেন। সেজন্যই এর আগে তিনটা পিজ্জা একাই খেয়েছিলেন। বন্ধুকে সাথে নিয়ে গেছেন আসলে বন্ধুদের সাথে কোথাও যেতেও মজা খেতে মজা। যাইহোক আপনার পিজ্জা খাওয়া মুহূর্তের গল্পটি পড়ে খুবই ভালো লেগেছে।
হ্যাঁ ভাই পিৎজা খেতে আমি সত্যিই অনেক বেশি পছন্দ করি । এটা আমার খাদ্য তালিকায় সব থেকে উপরে থাকে।
এই বৃষ্টি ভেজা বিকেলে পিৎজ্জা দেখেই তো খেতে ইচ্ছে করছে ভাইয়া।আসলে নতুন নতুন যেকোনো কিছু একবার হলেও ট্রাই করতে ইচ্ছে করে।তাছাড়া আপনি যেহেতু অন্যগুলো আগে খেয়েছেন সে হিসেবে ভিন্ন আইটেম অর্ডার করে নতুন স্বাদ নিতে পেরেছেন।তবে একাই ৩টি পিৎজ্জা খেয়েছিলেন আগে সেটা শুনে বেশ অবাক লাগছে।
আমি একসাথে তিনটা পিৎজা খেতে পারি এটা শুনে অবাক লাগতে পারে কিন্তু এটাই সত্যি আপু।
তিনটি পিজ্জা খাওয়া কিছুটা কঠিন। কিন্তু ইচ্ছে করলেই খাওয়া যায়। আপনার সেই পোস্টটি আমি পড়েছিলাম। তবে ডমিনোজ এর পিজ্জার স্বাদ আসলেই অন্যরকম। যা আমারও খুবই পছন্দ। ভিন্ন স্বাদের পিজ্জা খেয়েছেন, দেখে খুব ভালো লাগলো। সবমিলিয়ে সন্ধ্যার পর দুই বন্ধু মিলে দারুণ সময় কাটিয়েছেন। পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো ভাই। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার শেয়ার করা পোস্টটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক খুশি হলাম ভাই । ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
পিৎজা দেখে তো লোভ লেগে গেল ভাইয়া। এমনিতেই পিৎজা খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। আপনারা দুই বন্ধু মিলে দুইটা পিৎজা অর্ডার করেছিলেন শুনে বেশ ভালো লাগলো। বিকেল টাইমে সুন্দর পরিবেশে পিৎজা খাওয়ার মজাটাই আলাদা। এরকম একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ভাই আমার মনে হয় আপনি পিৎজা লিখতে গিয়ে পিকজা লিখে ফেলেছেন। যাই হোক পিৎজা খুবই লোভনীয় খাবার ভাই, দেখলে সব সময় আমারও লোভ লেগে যায়।