ফটোগ্রাফি || এলোমেলো ভাবে তোলা সাতটি ফটোগ্রাফি [১৮ মার্চ ২০২৪]
নমস্কার,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি, সবাই অনেক অনেক ভাল আছো । আমিও বেশ ভালো আছি। |
|---|
আজকের নতুন একটি ব্লগে সবাইকে স্বাগতম। আজকের ব্লগে আমি তোমাদের সাথে এলোমেলো ভাবে তোলা সাতটি ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। বন্ধুরা, তোমরা সবাই জানো যে, আমি ফটোগ্রাফি করতে অনেক বেশি ভালোবাসি। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন রকমের ফটোগ্রাফি করে তোমাদের সাথে আমি শেয়ার করে থাকি। তবে অধিকাংশ সময় সব ফটোগ্রাফি শেয়ার করা হয় না। শেয়ার না করা কিছু কিছু ফটোগ্রাফি গ্যালারিতে পরে থাকে যা দেখতে বেশ ভালই লাগে। আজকে সেরকম কিছু ফটোগ্রাফি তোমাদের সাথে শেয়ার করব। সেই সাথে আজকে সকালবেলা ছাদে গিয়ে টুকটাক কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম, সেখান থেকেও তিনটি ফটোগ্রাফি তোমাদের সাথে শেয়ার করব। এই ফটোগ্রাফি করতে সত্যিই অনেক ভালো লাগে আমার। আমাদের এই কমিউনিটিতে যোগদানের পর থেকেই এই ফটোগ্রাফি করার নেশা হয়েছে আমার এক প্রকার। যাইহোক, আর কথা না বাড়িয়ে এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে নেওয়া যাক।
স্থান : বারাসাত ,নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল।
প্রথমে ফটোগ্রাফিতে তোমরা দেখতে পাচ্ছো সুন্দর একটি ঝাড়বাতি। এখানে ঝাড়বাতির পাশের অংশগুলোতে খুব সুন্দর ডিজাইন করাও রয়েছে। আমাদের বারাসাতে প্রত্যেক বছর কালীপুজোর সময় বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেলে এরকম ঝারবাতি লাগানো হয় প্যান্ডেলের একদম ভিতরে। আমি ২০২৩ এর কালীপুজোর সময় বারাসাতের একটি পুজো প্যান্ডেল থেকে এই ছবিটি তুলেছিলাম। পুজো প্যান্ডেলের মধ্যে এরকম সুন্দর ঝাড়বাতি গুলো দেখতে বেশ দারুন লাগে।
স্থান : বারাসাত , নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল ।
দ্বিতীয় এই ফটোগ্রাফিতে তোমরা দেখতে পাচ্ছো উপজাতি একজন পুরুষ দাঁড়িয়ে রয়েছে, তার মূর্তি বানানো। এই ফটোগ্রাফিও কালী পুজোর সময় তুলেছিলাম। আমাদের এখানে কালী পুজোর সময় বিভিন্ন থিম করা হয় পুজো প্যান্ডেল গুলোতে। এই ফটোগ্রাফিটি আমি যে পুজো প্যান্ডেল থেকে করেছিলাম সেই পুজো প্যান্ডেলের থিম ছিল উপাজাতিদের নিয়ে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের উপজাতি রিলেটেড মূর্তি তৈরি করা ছিল। সেখান থেকে এই ফটোগ্রাফিটি করা। বেশ কিছুদিন পর এই ফটোগ্রাফিটি হঠাৎ নজরে আসলো তাই তোমাদের সাথে শেয়ার করলাম।
স্থান : বারাসাত , নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল ।
তৃতীয় এই ফটোগ্রাফিতে তোমরা দেখতে পাচ্ছো, জবা ফুলের কুঁড়ি। এই ফুলের সাথে তোমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। যাইহোক, আজ সকাল বেলা বাড়ির ছাদে গিয়ে এই জবা ফুলের কুঁড়ি টি আমার নজরে আসে। সেখান থেকে এই ফটোগ্রাফিটি করেছি। আসলে ছাদ থেকে অনেক দিন হয়ে গেছে কোন ফটোগ্রাফি করা হয় না। সেজন্য আজ সকাল বেলা ছাদে গেছিলাম একটু ফটোগ্রাফি করার জন্য। সেইখানে গিয়ে এই ফুলের কুঁড়ি টি দেখতে পেয়ে আমি এই ফটোগ্রাফিটি করেছিলাম।
স্থান : বারাসাত , নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল ।
এই ফুলটির নাম হচ্ছে নয়নতারা ফুল। এই ফুলটির ফটোগ্রাফিও আজ সকালে ছাদ থেকে তুলেছিলাম। এই নয়নতারা ফুল কমবেশি আমাদের প্রত্যেকেরই পরিচিত। এই ফুলের কোন ঘ্রাণ নেই তবে এই ফুল আমাদের পুজোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়। আমাদের ছাদে থাকা এই নয়নতারা ফুল গাছে দেখি সারা বছর ধরেই কমবেশি ফুল ফোঁটে, যা আমাদের পুজো দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। এই ফুলগুলো বিভিন্ন কালারের হয়ে থাকে। তবে এইখানে যে ফুলটির ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছি তা গোলাপি রঙের দেখতে।
স্থান : বারাসাত ,নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল।
আমাদের ছাদ বাগানে বেশ কিছু লেবু গাছ লাগানো আছে। মাঝে মাঝেই দেখি লেবু গাছগুলোতে ফলন আসে। আজকে ছাদে গিয়ে হঠাৎ নজরে আসে, লেবু গাছে কিছু বড় লেবু হয়েছে আবার কিছু ছোট লেবুও হয়েছে। আমার কাছে ছোট লেবুগুলো বেশ ভালো লাগছিল। আমাদের এই গাছে প্রচুর পরিমাণে লেবু হয় । বাজার থেকে আমরা যেসব লেবু কিনে খাই, তার থেকেও অনেক সুন্দর হয় খেতে আমাদের গাছের এই লেবুগুলো।
স্থান : শিয়ালদহ স্টেশন, কলকাতা, ওয়েস্ট বেঙ্গল।
এই ফটোগ্রাফিটি অনেকদিন আগে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে তুলেছিলাম। শিয়ালদহ স্টেশনে "জন আহার" নামে একটি খাবারের দোকান রয়েছে। যেখানে ন্যায্য মূল্যে বিভিন্ন ধরনের খাবার পাওয়া যায়। আমি আমার এক বন্ধুকে এই স্টেশন পর্যন্ত যেদিন এগিয়ে দেওয়ার জন্য গেছিলাম, সেদিন আমি কিছু খাবার কিনতে এই জন আহারের মধ্যে ঢুকেছিলাম। সেখান থেকেই এই ফটোগ্রাফিটি করা।
স্থান : নিউ ব্যারাকপুর, নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল।
এই ফটোগ্রাফিটি আমাদের পূর্বের কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতর থেকে তোলা। কিছুদিন আগে সরস্বতী পুজোর সময় আমি আমার পূর্বের কলেজে গেছিলাম। অনেকদিন পর পূর্বের কলেজে গিয়ে অনেক বেশি ভালো লেগেছিল। পুরনো স্মৃতিগুলো বার বার মনে পড়ে যাচ্ছিল। এই কলেজে আমি অনেকটা সময় কাটিয়েছি। যাইহোক, কলেজের চারপাশে দেখতে দেখতে বেশ কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম। সেখান থেকে একটি ফটোগ্রাফি এখানে শেয়ার করলাম।
🍂🍂পোস্ট বিবরণ🍂🍂
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @ronggin |

চমৎকার কিছু আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনারফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে বেশ ভালোই ভালো লেগেছে। এমনিতেই আপনি অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারেন। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আমার শেয়ার করা এলোমেলো এই ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে, এটা আমার জন্য অনেক আনন্দের বিষয় ভাই। আপনার সুন্দর এই মন্তব্যটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সু স্বাগতম ভাই।
ভাইয়া আপনি দারুন কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। প্রথমেই রেখেছেন একটি আশ্চর্যজনক ঝাড়বাতি একে একে বিভিন্ন এলোমেলো ফটোগ্রাফি দিয়ে হাতে আপনি আপনার অ্যালবাম কে খুবই দৃষ্টি নন্দনভাবে সাজিয়েছেন। টগর ফুল ,জবা ফুল, লেবু, আপনার কলেজের পুরনো সেই ক্যাম্পাস সহ সবগুলো ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া। এরকম ফটোগ্রাফি গুলি আমাদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার শেয়ার করা এই ফটোগ্রাফি গুলো যে আপনার কাছে অসাধারণ লেগেছে, সেটা জেনে খুব ভালো লাগলো ভাই । ধন্যবাদ আপনাকে, আপনার এই প্রশংসা মূলক মন্তব্যটির জন্য।
এলোমেলো ভাবে তোলা সাতটি ফটোগ্রাফি দেখে সত্যিই মুগ্ধ হলাম ভাইয়া। নয়ন তারা ফুলের ফটোগ্রাফি এবং লেবুগুলোর ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। তাছাড়া প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফির সাথে খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে বর্ণনা গুলো লিখেছেন। সবমিলিয়ে খুবই ভালো লাগলো আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি পোস্টটি।
ধন্যবাদ আপু, আমার শেয়ার করা এই সাতটি ফটোগ্রাফির এত সুন্দর প্রশংসা করার জন্য। আমার এই পোস্টটি যে আপনার ভালো লেগেছে, সেটা জেনে অনেক খুশি হলাম।
আপনার পোস্টটি পড়ে মনে হলো যে আপনি ফটোগ্রাফির প্রতি অসাধারণ এক আবেগ এবং দক্ষতা রাখেন। প্রতিটি ছবি নিজের এক একটি গল্প বলে, এবং আপনার চোখ দিয়ে আমরা সেই গল্পগুলো দেখতে পাই। আপনার এই সৃজনশীল প্রচেষ্টা এবং অনন্য দৃষ্টিকোণের জন্য ধন্যবাদ।
এত সুন্দর ভাবে আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
জি দাদা এটা ঠিক বলেছেন যে আমাদের কমবেশি সবার ফোনে গ্যালারিতে অনেক ছবি থেকে যায় ৷ আর আমিও মাঝে মধ্যে এসব দিয়ে ফটোগ্রাফি করি ৷ যা হোক দাদা প্রথম ঝাড়বাতির ফটোগ্রাফি দূদান্ত ছিল ৷ আপনাদের দেশে বাসা বাড়ি থেকে পুজো প্যান্ডেল সবখানে এমন ঝাড়বাতি ব্যবহার করে ৷ সত্যি দেখতে দারুন দেখায় ৷ সেই উপ-জাতি মানুষের বানানো ৷ সবমিলে প্রতিটি ফটোগ্রাফি দারুন ছিল ৷ অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা আর ফটোগ্রাফি করতে আমিও ভীষন ভালোবাসি ৷
সব মিলিয়ে আমার শেয়ার করা এই ফটোগ্রাফি গুলো যে আপনার কাছে দারুন লেগেছে, এটা জেনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে, আপনার এই মন্তব্যটির জন্য।
খুবই সুন্দর সুন্দর রেনডম ফটোগ্রাফপ করেছেন এবং সাথে বর্ণনা করেছেন। আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো। বিশেষ করে জবা ফুলের কুড়ি আর নয়নতারা ফুলের ফটোগ্রাফি দেখে খুবি ভালো লেগেছে আমার।
প্রশংসা মূলক মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে উৎসাহ প্রদান করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
ভাই আপনাদের এলোমেলোভাবে অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি ধারণ করেছেন। সত্যি বলতে কি আমার কাছে এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো বেশি ভালো লাগে। বিভিন্ন ধরনের ফটো দেখতে পাই। আপনি আপনাদের পূর্বের কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতর থেকে অনেক সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি ধারণ করেছেন। তাছাড়াও ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো দারুন ছিল। ফটোগ্রাফি সাথে বর্ণনা গুলো পরে খুবই ভালো লাগলো ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার কাছে এরকম এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো যে বেশি ভালো লাগে, সেটা জেনে খুশি হলাম আপু । ধন্যবাদ, আপনার সুন্দর এই মন্তব্যটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন দাদা। আপনার ফটোগ্রাফির হাত যে ভালো সেটা আপনার ফটোগ্রাফি দেখেই বুঝা যাচ্ছে। নয়নতারা, লেবু,জবা ফুলের ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে ৃ
আমার শেয়ার করা এই ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে চমৎকার লেগেছে, জেনে অনেক খুশি হলাম ভাই। প্রশংসামূলক এই মন্তব্যটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আর যাই বলুন ভাই লেবু আর নয়ন তারা ফুলের ফটো আমার একদম মন ছুঁয়ে গেছে। বৃষ্টিভেজা যেকোনো ফুল বা ফল দেখতে খুবই ভালো লাগে। আর যাই হোক পাশাপাশি অন্যান্য ফটোগুলো দারুন ছিল। চমৎকারভাবে বর্ণনার সাথে তুলে ধরেছেন দেখে খুশি হলাম।
বৃষ্টি ভেজা ছিল না ভাই এইগুলো। সকালবেলা লেবু গাছে জল দিয়েছিলাম, সেই জলই লেগেছিল ওই লেবুগুলোর উপর।
বাহ দারুন দারুন কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। প্রথম ফটোগ্রাফি তারপর ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে দারুন লেগেছে, জেনে অনেক খুশি হলাম ভাই।