পানিহাটি উৎসব ও বই মেলা
নমস্কার সবাইকে,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছো । আমিও এখন মোটামুটি ঠিকঠাক আছি। |
|---|
কয়েকদিন ধরে আমার উপর দিয়ে কি যাচ্ছে আমার বিগত কয়েকটি ব্লগ পড়লেই তোমরা বুঝতে পারবে এবং যারা পড়েছো তারা নিশ্চয়ই জানো। যাই হোক কয়েকদিন আগে গেছিলাম পানিহাটি উৎসব ও বইমেলা অনুষ্ঠানে, নানা প্রবলেমের কারণে সেই সম্পর্কে তোমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেনি তাই ভাবলাম আজ সেই গুলো শেয়ার করি।
দিনটি ছিল 29 ডিসেম্বর ২০২২, এই দিনে একটু দেরি করেই ঘুম থেকে উঠেছিলাম। ঘুম থেকে উঠার পর পরই আমার এক বন্ধুর ফোন চলে আসে। সেই বন্ধুর বাড়ি ছিল সোদপুরে যা বলা যায় পানিহাটির অনেকটাই কাছে। বন্ধু ফোন করে প্রথমেই বলে আজ বিকাল সাড়ে চারটার মধ্যে যে করেই হোক হোক পানিহাটি উৎসব মেলায় উপস্থিত থাকার জন্য। সেই দিন সেইখানে উপস্থিত থাকার জন্য বলেছিল তার প্রধান কারণ ছিল বলিউডের খুবই বড় সিঙ্গার জাবেদ আলী আসবে তার গান শোনার জন্য। আমার বন্ধু ছিল জাবেদ আলীর খুব বড় একজন ফ্যান।
আমার এই বন্ধুর নাম হল সুরাজ , তার বাড়ি সোদপুরে হলেও পড়াশোনার কারণে সে ভোপালে থাকে বর্তমানে। কিছুদিনের ছুটি কাটাতেই সে সোদপুরে এসেছে। যেহেতু কিছুদিনের ছুটি কাটাতে এসেছিল তাই তার আবদার আর না করতে পারলাম না। তাই তার দেওয়া টাইম মতোই পৌঁছে গেলাম পানিহাটি উৎসব মেলায়। আমি মেলার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা বন্ধুকে ফোন করি তখন আমার বন্ধু ফোনে জানায় সে সোদপুর স্টেশনে অন্য দুই জন বন্ধুকে আনতে গেছে। যাইহোক আমার ১৫ মিনিটের মতো সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল তারপর সে আমাদের কমন অন্য দুই জন বন্ধুকে নিয়ে চলে আসে ।আমরা সর্বমোট চারজন এই পানিহাটি মেলায় ইনজয় করেছিলাম। এইখানে জামা, কাপড়, জুতো ,ফার্নিচার ,ঘরের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস, শোপিস ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান, পিঠাপুলি সব কিছুরই আয়োজন করা হয়েছিল।
যেহেতু আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাবেদ আলীর গান শোনা তাই আমরা যেখানে গানের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে তার এক কর্নারে গিয়ে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম। যদি আমরা পরে গিয়ে দাঁড়ায় তাহলে সুন্দর পজিশনে দাঁড়াতে পারবো না সেজন্য আমরা আগেভাগেই গিয়ে ভালো পজিশনে দাঁড়িয়ে পড়ি এবং দুই ঘন্টা অপেক্ষা করার পর আমরা জাবেদ আলীর গান শোনার সুযোগ পাই। জাবেদ আলীর গান শুনে খুবই ভালো লেগেছিল, এর গান আমরা সব সময় ইউটিউবে বা অন্যান্যভাবে শুনে থাকি কিন্তু সামনে থেকে গান শোনার অভিজ্ঞতা এক অন্যরকম ছিল।
গানের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগেই আমাদের বেরিয়ে আসতে হয়েছিল কারণ আমাদের অনেকটা দেরি হয়ে গেছিল । প্রায় রাত দশটার দিকে আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে ছিলাম এবং ১৫ মিনিটের মতো মেলার অন্যান্য দোকান একটু ঘুরে দেখে বাড়ি চলে আসি। এই মেলাতে সাধারণত আমরা গান শোনার জন্যই গেছিলাম যা আমরা মোটামুটি সফলভাবে শুনেই বাড়ি এসেছিলাম।
ক্যামেরা: স্যামসাং
মডেল: SM-M317F
ফটোগ্রাফার: @ronggin
অবস্থান: পানিহাটি, উত্তর 24 পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ।
পোস্ট দেখেই বোঝা যাচ্ছে আপনি আপনার বন্ধুর সঙ্গে খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন মেলার মধ্যে। বিশেষ করে আপনার বন্ধু জাবেদ আলীর অনেক বড় ভক্ত এটা শুনে খুবই ভালো লাগলো। সত্যিই বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে সকলেই অনেক বেশি পছন্দ করে গান শুনা শেষ করে মেলার মধ্যে আপনারা কিছুটা সময় অতিবাহিত করেছেন এবং সুন্দর কিছু মুহূর্তের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাই আমার বন্ধুর জাবেদ আলীর খুব বড় একজন ফ্যান। যেদিন সে জাবেদ আলীর গানের এই শো দেখতে যাবে, সেদিন সারাদিন ধরে নাকি সে জাবেদ আলী গান শুনেছিল এমনটাই আমাকে জানিয়েছিল সে।