আমার বাংলা ব্লগ। কোভিড - ১৯ ভ্যাকসিন নিয়ে আমার অনুভূতি। ১০% পে- আউট লাজুক খ্যাক এর জন্য।
আর দেরি না করে চলুন যাওয়া যাক মূল পর্বে।
কভিড - ১৯ ভ্যাকসিন নেয়ার অনুভূতি।
ফটোগ্রাফি - ১
প্রথমে আমি সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমার খালিগায়ে এভাবে আমি ছবি দিতে চাইনি। তারপরও না দিয়ে পারলাম না। কারণ যেহেতু আমি কভিড - ১৯ এর ভ্যাকসিন নিয়েছি সেটা দেখানো মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। আর সকালে একটু ঠান্ডা বেশি পড়ে।আর ঠান্ডার কারণে আমার গায়ের টি-শার্টটি অনেক ফিটিং ছিল বিধায় আমার গেঞ্জিটি খুলতেই হলো এবং খালি গায়ে আমাকে ছবি নিতে হলে। আশা করি বিষয়টি আমার বন্ধুরা বুঝতে পেরেছেন।
করুণায় বাংলাদেশ হাজারো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে কোভিড ভ্যাকসিন সহায়তায় সংগ্রহ করেছিল জনসাধারণের জন্য। কিন্তু আমাদের বাঙালিরা একটু অদর্য। আমাদের ধৈর্য ধারণ ক্ষমতা নেই বললেই চলে। প্রথমে কোভিড - ১৯ এর ভ্যাকসিন নিতে সবাই অনীহা প্রকাশ করলেও পরবর্তীতে সবার আগ্রহ জাগে। আমিও চিন্তা করছি দেবো দেবো কিন্তু ঝড়-ঝাপটা ঝামেলার কারণে যাওয়া হয়নি। অবশেষে গতকালকে সিদ্ধান্ত নিলাম কোভিড - ১৯ টিকা নিয়ে নেই যেহেতু স্বাস্থ্য সচেতনতা খুবই জরুরী।
ফটোগ্রাফ - ২
করোনার টিকা নিচ্ছে সবাই। এবং শুক্রবারে এলাকায় অ্যালাউন্স করা হয়েছে এরপরে আর কোন ভ্যাকসিন দেবে না। এটা শুনে আগ্রহ প্রকাশ করার পর চিন্তা করলাম কিভাবে যাব কিভাবে দেবো। লোকের মুখে শুনছি রাতের দুইটা তিনটা বাজে গিয়ে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল দিতে হয়। এটা কথা শুনে ভীষণ চিন্তায় পড়ে গেলাম। অবশেষে অফিসের একজনকে ঠিক করলাম যে ভোর পাঁচটা বাজে গিয়ে সিরিয়াল দেওয়ার জন্য। যে কথা সেই কাজ তাকে 50 টাকা দিলাম নাস্তা খাওয়ার জন্য। সেই সিরিয়াল দিলো এবং ঐ খানে নয়টার দিকে গিয়ে উপস্থিত হলাম। সিরিয়াল পেলাম সাত নম্বরে। অনেক কাছে সিরিয়াল টা পেয়ে আমি রীতিমত অনেক খুশি।এখানে আপনারা দেখছেন আমি লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এবং আপনাদের জন্য একটা সেলফি নিলাম। জনসাধারণের উপস্থিতি দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গেলাম।
ফটোগ্রাফি - ৩
সিরিয়াল নাম্বার টা দেওয়ার পর আমাদেরকে ভিতরে নিয়ে যাওয়ার পর খুবসুন্দর পার্কের মতো একটা খোলামেলা জায়গায় সবাইকে বসতে দিল। আর আমার সিরিয়াল টা ছিল ০৭ নাম্বার।
ফটোগ্রাফি - ৪
সিরিয়াল ধরে ডাক দিয়ে রুমে নিয়ে বসাল। এবং এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ফটোগ্রাফির মধ্যে নার্সরা ওদের কার্যক্রম ও করণীয় কাজ করে যাচ্ছে। ওরা এখান থেকে আমাদেরকে পুনরায় নাম ধরে ডেকে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য প্রসেসিং করছে কাগজপত্রগুলো।
ফটোগ্রাফি - ৫
এখানে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য তুলো দিয়ে মুসছে। কিন্তু আমাকে টি-শার্ট টা খুলতে বাধ্য করল।
ফটোগ্রাফি - ৬
অবশেষে আমার কোভিড - ১৯ ভ্যাকসিন নেওয়া সম্পন্ন হল। এই ভ্যাকসিনে আমাদের করুনার ঝুঁকি কমলেও আমাদের স্বাস্থ্য সচেতন ভাবে চলতে হবে। কারণ এটা সম্পূর্ণ কার্যকর কোনো ভ্যাকসিন নয়। তবে আমি যে ভ্যাকসিন পেয়েছি সেটা অনেক ভালো ভ্যাকসিন সুইজারল্যান্ড এর।
বন্ধুরা আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে। এবং আপনারা নিজেরা ও স্বাস্থ্য সচেতন হোন। যদি কেউ করুনার ভ্যাকসিন না নিয়ে থাকেন তাহলে অতিদ্রুত করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে নেন। এবং আশা করি সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন এই কামনায় করি। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।
আল্লাহ হাফেজ।
করোনা কে মোকাবেলা করতে ভ্যাকসিনের গুরুত্ব অপরিসীম। ভালো লাগলো দেখে আপনিও ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। আশা করছি সুস্থ আছেন। আমিও কিছু দিন পূর্বে আমার দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করেছি। সব কিছু মিলিয়ে ভালো একটা অভিজ্ঞতা ছিল। হালকা কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে । গা ব্যাথা, হালকা জ্বর। এসব নিয়ে ভয় পাবেন না। 2 দিনের মাঝে এমনি সব ঠিক হয়ে যাবে। শুভেচ্ছা রইলো।
আপনার সু পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না, আপনার প্রতি ভালোবাসা সীমাহীন। জানি টিকা নেওয়ার পরে কিছু শারীরিক সমস্যা হয়। হালকা জ্বর গায়ে ব্যথা তবে আমি আল্লাহর রহমতে এখন সুস্থ আছি। দোয়া করবেন যাতে সুস্থ থাকি। আপনার জন্য রাশি রাশি ভালোবাসা।
আপনি একজন সচেতন নাগরিক এর কাজ করেছেন। কোভিট ১৯ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের ভ্যাকসিন এর গুরুত্ব অপরিসীম। সবচেয়ে বড় কথা হল আপনি নিজে ভ্যাকসিন নিয়েছেন এবং অন্যদের ভ্যাকসিন নেয়ার বিষয়টি উৎসাহিত করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোষ্ট করার জন্য। আপনার আগামীর জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
ডক্টর গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ভালোবাসা অবিরাম। আপনি ঠিক বলেছেন আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে।
প্রথমেই শুভেচ্ছা জানাচ্ছি আপনাকে কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিন আপনি নিয়েছেন। ভাই দেখি একেবারে খালি গায়ে ইঞ্জেকশন নিয়েছেন বেথা পাইছিলেন নাকি ভাই, আপনার যে বডি তারে বেথা পাবার প্রশ্নই আসে না৷
ভাই আমার বডি আগে অনেক সুন্দর ছিল। এখন নেই বললেই চলে, একসময় আমাকে সবাই বডিবিল্ডার বলতো। আমি দীর্ঘ এক বছর জিম করছিলাম। মাঝখানে প্রায় 10 বছরের মতো গ্যাপ। যাইহোক আপনি অনেক সুন্দর মন্তব্য করেছেন। তবে ইনজেকশনের দিয়েছে মাছি বসছে না মশা বসছে আমি আলাপ পাইনি,হাহাহা। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়া মানে এই ভাইরাস থেকে আমরা একবারে নিরাপদ নই। স্বাস্থ্যবিধি আমাদের এখনো মেনে চলা উচিত। করোনা ভাইরাসের ঠিকা দেয়ার অনুভূতি বেশ ভালই ছিল। লম্বা লাইন অতিক্রম করে টিকা দিতে পারার অনুভূতি ভিন্ন রকমের। ভালোবাসা নিবেন ভাই।
আপনি 100 পার্সেন্ট সত্যি বলেছেন তবুও স্বাস্থ্য সচেতনতা থাকা ভালো। আপনার জন্য শুভকামনা রইল
এটি আপনি দারুণ কাজ করেছেন করোনার টিকা নিয়ে।কারণ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এখন।তাছাড়া ওখানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছবি দেখেই বুঝতে পারছি।আপনার জন্য শুভকামনা রইলো ভাইয়া।
যে আমাদের সবারই স্বাস্থ্য সচেতন থাকা দরকার। আপনার এত সুন্দর কমেন্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।