কর্মব্যস্ত জীবন ও একঘেয়েমিতা
Copyright Free Image Source:PixaBay
কর্মব্যস্ত জীবন আমার । সকাল থেকে গভীর রাত অব্দি আমার কাটে ল্যাপটপের সামনে । পাহাড়সম চাপে দিন দিন আমি কেমন যেনো হয়ে যাচ্ছি । সারা দিন রাত কাজ করেও ডেইলি আমার প্রচুর কাজ পেন্ডিং রয়ে যাচ্ছে । আমি সময় করে উঠতে পারছি না । আমার শখের আমার বাংলা ব্লগেও এখন তাই তেমন একটা টাইম দিতে পারছি না । শুধুমাত্র নিজের পোস্টটি করা এবং বিভিন্ন কমিউনিটিতে পোস্ট কিউরেট করার কাজটা শত ব্যস্ততার মাঝেও করে যেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত ।
কিন্তু, নিজের প্রাত্যাহিক কাজগুলোর একটা বড় অংশ পেন্ডিং রয়ে যাচ্ছে আগামী দিনগুলোর জন্য । আমার আগামী দিনগুলোতে কি পরিমাণ কাজের চাপ পড়বে ভাবতেই আমি শিউরে উঠছি । কাজের চাপে আস্তে আস্তে জাস্ট আমি একদম একা একজন মানুষে পরিণত হচ্ছি । সেদিন আর খুব বেশি দূরে নেই যেদিন আমি একদিন ঘুম থেকে উঠে নিজেকে আবিষ্কৃত করবো একা একজন নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে ।
পরিবারে সবার মাঝে থেকে আমি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছি । কাজ ছাড়া আমার নিত্যসঙ্গী এখন আর কেউ নেই বলতে গেলে । সময় এসেছে এখন কঠিন শিডিউল করার । কাজ এবং নিজের একান্ত ব্যক্তিগত সময় উদযাপন দুটোকেই সমন্বয় সাধন করার এটাই উপযুক্ত সময় । এটা করতে যদি ব্যর্থ হই তবে ভবিষ্যত আমার জন্য আরো ভয়ঙ্কর হবে । এগুলো সবই আমার উপলব্ধি হয় । সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি ।
কর্মব্যস্ত জীবনে সব চাইতে বড় প্লাস পয়েন্ট আমার জন্য হলো যে কাজে আমার কোনো একঘেয়েমিতা নেই । যে কোনো কাজেই আসলে একটানা বিরতিহীন করলে একঘেয়েমি আসা স্বাভাবিক । আমার ক্ষেত্রে কিন্তু সেটা হয় না । আমার কোনো কাজেই কখনো একঘেয়ে লাগে না । বরং আমি কাজগুলোকে ছোট ছোট অনেকগুলো সেগমেন্টে ভাগ করে সেগুলোকে এক একটা টার্গেট করে নিই । এক একটা সেগমেন্ট কমপ্লিট করতে পারলেই এক একটা টার্গেট ফিলআপ । এক একটা এচিভমেন্ট গেইন ।
এখন থেকে কাজের সাথে সাথে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছুটা সময় অন্তত একান্ত ভাবে প্রিয়জনদের সাথে কাটানোটাকেও একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেবো । এক একটা চ্যালেঞ্জ এক একটা এচিভমেন্ট টার্গেট । পূরণ তো করতে হবেই । তবেই না জীবনের স্বার্থকথা ।
------- ধন্যবাদ -------
পরিশিষ্ট
আজকের টার্গেট : ৫৫৫ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 555 trx)
তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
টাস্ক ৩৯৯ : ৫৫৫ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৫৫৫ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : 6f682931a750855fafa67de946a2b547ff52c3d0f31e1a94be7c6caaee818395
টাস্ক ৩৯৯ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR
কেন যেন আজকের পোস্ট পড়তে পড়তে হারিয়ে যাচিছলাম। বেশ ভালো লাগলো। জীবনে একজন মানুষ তো দেখলাম যে কাজের পাশাপাশি পরিবার কে সময় দিতে সময় খুঁজে নিচ্ছে। আর রইল কাজ। গুছিয়ে করতে পারলে সব কাজই বেশ সহজ লাগে। আশা করি আপনি দাদা নিঃসঙ্গ হবেন না। বরং আপনার মেধা দিয়ে এগিয়ে যাবেন অনেক দূর।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
দাদা আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো। সত্যি দাদা আপনি এতো কাজ করার পরেও আপনার একঘেয়েমি নেই জেনে অনেক ভালো লাগলো। আসলে দাদা হাজার ব্যস্ততার মধ্যে ও নিজের পরিবারের সাথে সময় দেওয়ার প্রয়োজন। আপনি এখন ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন প্রিয়জনের সাথে একান্ত কাটানোটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করার জন্য। আশাকরি আপনি সফল হবেন।
দাদা সত্যিই আমরা কাজের মধ্যে থাকতে থাকতে কেমন যেন একঘেয়েমির মধ্যে পরে যাই। আপনার কাজের চাপ দিন দিন বেড়েই চলেছে তা আমরা অনুভব করতে পারি। যাইহোক আপনি আবারো জীবনের ছন্দে ফিরে আসুন এই কামনা করছি।
নরমালি আমরা ফোনে র স্ক্রিনে তাকিয়েই কেমন জানি লাগে! আপনি সারাদিন ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকেন। আমরা মনে হয়, এখন সময় ম্যানেজমেন্ট করা দরকার। প্রিয়জনদের সাথে জীবনের কিছুটা সময় হলেও উপভোগ করার জন্য রাখা দরকার! আশা করছি দাদা আপনার সবকিছু সহজ হয়ে যাবে।
আসলেই দাদা আপনি লং টাইম ল্যাপটপে কাজ করেন। আপনি এতক্ষণ কিভাবে কাজ করেন, সেটা ভেবেই তো অস্থির লাগে। তবুও ভালো যে এতো কাজ করার পরও আপনার একঘেয়েমি লাগে না। একঘেয়েমি না লাগার কারণ হচ্ছে, আপনি কাজটাকে খুব ভালোবাসেন। তবে প্রিয়জনদেরকে সময় দেওয়া উচিত। কারণ আমাদের কাছে প্রিয়জনেরা এমনটাই আশা করে। যাইহোক আপনি সবকিছু ব্যালেন্স করে নিতে পারবেন সেই কামনা করছি। আপনার জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইল দাদা।
আসলে দাদা অনবরত কাজ করলে একঘেয়েমিতা আসার কথাই। তবে আপনি সেই একঘেয়েমিতার বিপরীতে কাজ গুলোকে বিভিন্ন সেগমেন্টে ভাগ করে রাখেন এটা যেন অনেক বেশি ভালো লাগলো। আর আসলেই এরকম ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করলে এক একটা করে যদি কাজ শেষ করা যায়, তখন অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করে। ধন্যবাদ দাদা ভালো থাকবেন।
এতো কাজ করা প্রতিদিন কিন্তু আপনার একঘেয়েমি লাগে না।কারন কাজগুলোকে আপনি সেগমেন্টে ভাগ করে নেন।এটা খুব ভালোই করেন।এতে করে কাজের প্রতি বিতৃষ্ণা আসেনা।এসবের মধ্যে ও পরিবারের সদস্যদের সাথে সুন্দর মূহুর্ত কাটাবেন আশাকরি।ধন্যবাদ দাদা আপনাকে কাজ,সময় ও পরিবার প্রতিটি বিষয় কে সমান গুরুত্ব দেয়ার জন্য।
দারুন একটি চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন দাদা। প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো টাকেউ একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন। সত্তি মজার ব্যাপার ।প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো এটা কেউ আপনি কাজের একটা অংশ হিসেবে ধরতে পারেন। ভাববেন যে এটিও আপনার গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ ।তাহলেই দেখবেন এই কাজটি বাধ্যতামূলকভাবে আপনাকে করতেই হবে। না হলে আপনি কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে রোবোট এ পরিণত হবেন । আগেভাগেই আপনাকে সাবধান করে রাখলাম। জীবনে কাজের পাশাপাশি আনন্দ উপভোগের বিষয়টাও কিন্তু অনেক খানি জড়িত। যাইহোক আপনার জন্য শুভকামনা।
আমি বলব অসাধারণ একটা পোস্ট ছিল দাদা। প্রথমে নিজেকে কাজের পাহাড়ে ডুবিয়ে নিজেকে নিঃসঙ্গ ব্যাপারটা তুলে ধরলেন। কিন্তু ঠিক তার পরেই কাজের মধ্যে যে আনন্দ একঘেয়েমি না থাকা । কাজগুলো কে বিভিন্ন সেগমেন্টে ভাগ সম্পন্ন করা এই বিষয়টি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। এবং বিষয়টি আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আশাকরি আপনার কাজের পাহাড় ক্রমেই যেন কমে যায়।