টিনটিনবাবুর তৃতীয় জন্মদিন উদযাপনের কিছু মুহূর্ত
আজ সন্ধ্যায় ছিলো আমার ছেলে টিনটিন বাবুর তৃতীয় জন্মদিন । প্রথম জন্মদিনটা বিশাল জাঁকজমক ভাবে উদযাপন করা হয়েছিল, কিন্তু দ্বিতীয় আর তৃতীয় জন্মদিন পালিত হলো খুবই অনাড়ম্বরভাবে, একদম ঘরোয়া ভাবে । তার একমাত্র কারণ বর্তমানের সবচাইতে মারাত্মক সমস্যা, covid-19 সিচুয়েশন ।
যাইহোক, সন্ধ্যা থেকে লিভিং রুম যখন বেলুন দিয়ে সাজানো হলো টিনটিনবাবুর সে কি উৎসাহ ।ঘুরে ঘুরে সব কিছু দেখছিলো আর হাত তালি দিচ্ছিলো । যদিও টিনটিনের প্রকৃতি অনেকটাই আমার মতো, গম্ভীর; কিন্তু আজকে ভীষণ খুশি ছিলো । কারণ, বার্থডে সেলিব্রেশন সে খুবই এনজয় করে থাকে ।
রাত ৮টা ২৫শে আমি, তনুজা, টিনটিনবাবুর কাকা সবাই এক এক করে ধান, দূর্বা, তুলসী পাতা দিয়ে টিনটিনবাবুকে তার জন্মদিনের আশীর্বাদ করলাম ও দীর্ঘায়ু কামনা করলাম ।
ঠিক রাত ৮ টা বেজে ৩০ মিনিটে কেক কাটা হলো । আমি, তনুজা আর টিনটিনবাবু একসাথে মিলে কেক কাটলাম আর "হ্যাপি বার্থডে সং" গাইলাম । এরপরে, সবাই এক এক করে টিনটিনবাবুকে জন্মদিনের কেক আর পায়েস খাওয়ালো । আমরাও সবাই খেলাম কেক, পায়েস, কোল্ড ড্রিঙ্কস ।
তারপরে অতিথিদের নিয়ে ডিনার টেবিলে বসে গেলাম । সারাদিনের ধকলের পর টিনটিনবাবু তখন ঘুমের অতলে ।
আমাদের উইঙ্কলেস বাবু মুখ দেখাবে না বলে পিছন থেকে একটা শট নিলাম
হ্যাপি বার্থডে'র টুপি পরে টিনটিন বাবু
টিনটিনবাবুকে জন্মদিনের আশীর্বাদ
আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২১, সন্ধ্যা ৭ টা বেজে ৪৮ মিনিট থেকে ৯ টা বেজে ৩০ মিনিট পর্যন্ত
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ
Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Please consider to approve our witness 👇
Come and visit Italy Community
দাদা আজকের দিনটা সেরা। প্রতিটা সময় মনে হয়েছে আপনি আর টিনটিন আমরা সবাই এক সাথেই ছিলাম। আজকের দিন টা স্টিম এ চলার পথে বেস্ট একটা দিন ছিল দাদা। ভালোবাসা রইল টিনটিন বাবাই এর জন্য।
টিনটিন বাবুরা বাস্তবে যা আনন্দ করতে পারে নি,আমরা ডিসকর্ডে তার চেয়ে বেশি করেছি পুরা দুই ঘন্টা জুড়ে।অ-নে-ক মজা হয়েছে।টিনটিন বাবুর জন্মদিনের ক্ষণটাতে।আবার শুভেচ্ছা রইল।সেই সাথে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও আপনার পরিবারের জন্য শুভকামনা রইল।
হ্যাপি বার্থডে টিনটিন বাবু💞❤️। দাদা, আপনে যখন টাইম টু টাইম জন্মদিনের পিকগুলো দিচ্ছিলেন মনে হচ্ছিল যেন আমরাও টিনটিন বাবুর জন্মদিনের সামনে উপস্থিত আছি। বেশ ভালো লাগছিল। টিনটিন বাবুর জন্য প্রাণঢালা ভালোবাসা, শুভেচ্ছা এবং দোয়া। যাতে সে আগামিতে একটা ভালো মামুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে।
আপনে এবং টিনটিন বেশ সুন্দর মুূহূর্ত কাটিয়েছেন। টিনটিনকে দেখে বেশ সুন্দর লাগছিল। সে সব সময় হাসি খুশি ছিল।
এটা হলেন আপনে দাদা। কিন্তু লাইট এর আলোর জন্য আপনার মুখটা ভালো ভাবে দেখা যাচ্ছে না। অনেক অনেক ভালোবাসা বাসা দাদা।
হ্যাপি বার্থডে "টিনটিন"। যাইহোক ঘরোয়া পরিবেশে সুন্দর একটি বার্থডে উদযাপন দেখতে পেলাম। ভগবানের কাছে আশীর্বাদ করি "টিনটিন" বাবু যেন তার পিতা(দাদা)মত একজন সৃজনশীল ও কাব্যিক ধারার মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।জন্মদিনের এই প্রাণবন্ত মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, দাদা।
অনেক অনেক শুভকামনা রইল তোমার জন্য। উপর ওয়ালা তোমাকে দীর্ঘায়ু দান করুন। আমরা আজ সবাই একসাথে তোমার জন্মদিন পালন করলাম। মনে হচ্ছিল ঠিক তুমি আমাদের সাথেই ছিলে। ভালো থেকো সুস্থ থেকো, এই কামনা করছি।

টিনটিন বাবুর জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইল। টিনটিন বাবু যেনো অনেক বড় হতে পারে সেই দোয়া রইল।টিনটিন বাবুর জন্মদিনের ছবি গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে।
টিনটিন বাবুকে জানাচ্ছি শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা - "হ্যাপি বার্থডে"টিনটিন বাবু"। টিনটিন বাবুর তৃতীয়তম জন্মদিন ঘরোয়া ভাবেই পালন হলো।আমি টিনটিন বাবুর জন্য দীর্ঘায়ু কামনা করছি সৃষ্টিকর্তার কাছে। ধন্যবাদ দাদা টিনটিন বাবুর জন্মদিনের মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
মন বলছে "দাদা"। দাদাই হবে। নাহ দেখলে ভয়েজটা অনেক অনেক পরিচিত।
শুভ জন্মদিন টিনটিন
দীর্ঘ জীবন এবং সুস্বাস্থ্য সবসময়
আমি আশা করি আপনি আরও স্মার্ট হবেন এবং আপনার বাবা -মাকে গর্বিত করতে থাকবেন।
আশা করি টিনটিন যা আশা করছেন ভবিষ্যতে তা অর্জন করা যাবে।
🥰🥰🤗🤗🤗
শেষের টা আমাদের সবার প্রাণপ্রিয় দাদা। 🥰
যে আমাদের সুখের সময়েও ভুলে যায়না, নিজের ঘরের অনুষ্ঠানের সময়েও আমাদের সময় দেয়,আমাদের সাথে নিজের খুশি ভাগ করে নেয়।
টিনটিনকে খুব ভালো লাগে।বিশেষ একটা কারণ আছে, টিনটিন বাবুর চোখ গুলো একদম ডাগর ডাগর,দেখলেই কেমন একটা মায়া লাগে।
আমাদের পুরো এই আমার বাংলা ব্লগ পরিবার থেকে টিনটিন সোনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা আর আশীর্বাদ। দোয়া করি সে যেনো আপনার মতোই ভালো মনের মানুষ হয় দাদা। টিনটিন সোনা কে কাছে পেলে হয়তো জড়িয়ে ধরে আদর করে আশীর্বাদ করতাম তবে এখন তো তা সম্ভব নয় তাই দূর থেকেই সকল মঙ্গল কামনা।
অনেক ধন্যবাদ দাদা আমাদের সাথে সবটা ভাগ করে নেওয়ার জন্য।