শারদীয়া দুর্গোৎসব ১৪২৯ : পূজা পরিক্রমা পর্ব ০৭
আপনারা সবাই জানেন যে দূর্গা পুজো মেইনলি হয় পাঁচদিন ধরে । ষষ্ঠীতে বোধন, এরপরে সপ্তমী, মহা অষ্টমী, মহা নবমী এবং সব শেষে বিজয়া দশমী । এই পাঁচদিন ধরেই চলে খুব ধুমধাম । এর আগে আপনাদের সাথে ষষ্ঠী আর সপ্তমীর মানে অক্টোবরের এক আর দুই তারিখের ফোটোগ্রাফগুলি শেয়ার করেছি । আজকে শেয়ার করতে চলেছি মহা অষ্টমীর ফোটোগ্রাফগুলি ।
অষ্টমীর দিনে সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা লাগে । অঞ্জলী দেওয়ার একটা ব্যাপার থাকে । তনুজা আবার শাড়ী, গয়না এসব পুরোহিতের মাধ্যমে দেবী প্রতিমার পায়ে উৎসর্গ করবে । তাই, সে খুব ভোরে উঠে স্নান করে টরে একদম রেডি হয়ে গেলো । আমার ওঠার কথা ছিল ন'টার মধ্যে । বাট, দেরি করে ফেললাম । উঠতে উঠতে প্রায় দশটা বেজে গেলো । দ্রুত আমি আর টিনটিন রেডি হয়ে পাড়ার পুজো প্যান্ডেলে হাজির হয়ে গেলাম ।
আমরা প্যান্ডেলের শেষের দিকে নানান ধরণের স্টাইল দিয়ে ফোটো তুলতে লাগলাম আর ওদিকে টিনটিনের মাম্মা অঞ্জলি দিতে ব্যস্ত । ঘুম ঘুম চোখে পাজামা আর পাঞ্জাবি পরে টিনটিনবাবু পোজ দিতে থাকলো, আর আমি ফটো তুলতে থাকলাম । কিছুক্ষনের মধ্যে তনুজার অঞ্জলি দেওয়া শেষ হয়ে গেলে আমরা বাড়ি ফিরে এলুম ।
এরপরে সন্ধ্যায় সবাই সেজেগুজে বেরুলাম অষ্টমীর পুজো দেখতে । এইদিনে বিস্তর ভীড় ছিল প্রত্যেকটা পুজো প্যান্ডেলে । তিন তিনটে মেলায় গিয়েছিলাম এই দিন । সন্ধ্যা ছ'টা থেকে শুরু করে রাত সাড়ে ন'টা অব্দি দেখেছিলাম । তবে, সব গুলো পুজো প্যান্ডেলই আমাদের এলাকার আশেপাশে । দূরে কোথাও যাইনি এবার ।
তবে একটা রেকর্ড করেছিলাম । মাত্র এই তিন ঘন্টার পুজো পরিক্রমায় অনেক গুলো পুজো প্যান্ডেল ঘোরা সহ তিন তিনটে মেলায় ভ্ৰমণ করেছিলাম আমরা । মেলাতে টিনটিনবাবু খেলনা, বেলুন, জিলাপি, গজা, বাদাম, এগরোল, গোলা বরফ, আইস ক্রিম, চিকেন পকোড়া, লস্যি, ঘুগনি এইসব কিনেছিলো । অনেক মজা করেছিলাম মেলায় আমরা ।
নিচের যে পুজো প্যান্ডেলটির ছবি শেয়ার করেছি এই পুজো একটা বড় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছিল । ওই মাঠেই মেলা বসেছিল একটা । সারা মাঠটি আলো দিয়ে সাজানো । চারিদিকে নানান রঙের আলো দিয়ে সজ্জিত কৃত্রিম গাছের সারি । অন্ধকার মাঠের মধ্যে এই গাছগুলিকে জাস্ট অপূর্ব লাগছিলো । মাঠের একদিকে বিশাল পুজো মণ্ডপ । আর তার পাশেই বড় একটি সাংস্কৃতিক মঞ্চ ।
আমরা যখন যাই তখন সেই সাংস্কৃতিক মঞ্চে নৃত্য পরিবেশন করছিলো একপাল খুদে শিশুশিল্পী । আমরা বেশ কিছুক্ষন ধরে তাদের নৃত্য উপভোগ করেছিলাম । এরপরে পুজো মণ্ডপটি ঘুরে আরেকটি মন্ডপের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম ।
অষ্টমীর দিন সকালে অঞ্জলী দেওয়ার মুহূর্তে তোলা টিনটিনবাবুর ফটো । টিনটিনের মাম্মা অঞ্জলি দিচ্ছিলো, আর আমরা বাপ ব্যাটা প্যান্ডেলে স্টাইল দিচ্ছিলাম ।
তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২২
সময় : সকাল ১০ টা ০০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
পুজো প্যান্ডেলে ঢোকার যে মাঠটা রয়েছে তার পথের দু'ধারে এমন অসংখ্য আলোকময় গাছের সারি দ্বারা সজ্জিত । কৃত্রিম কিছু গাছের সর্বাঙ্গে নানান রঙের ইলেকট্রিক লাইট দ্বারা সজ্জিত এই আলোকসজ্জাটি দেখতে এক কথায় অপূর্ব লাগছিলো । নিকষ কালো আঁধারের পটভূমিতে বর্ণময় আলোক সজ্জিত গাছের সারি । আহা অপূর্ব ।
তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ০৬ টা ২০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
মণ্ডপে ঢোকার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে । দু'পাশে রঙিন আলোর ফোয়ারা, আর বেশ কিছুটা মানুষের ভীড় এখানে । সবাই ছবি তুলতে ব্যস্ত । অপূর্ব সুন্দর একটি পাখির খাঁচা যেটা কৃত্রিম ফুল, লতা-পাতা আর নিয়ন আলো দিয়ে সজ্জিত । জাস্ট অসাম একটা পরিবেশ । স্বপ্নময় এবং মোহনীয় ।
তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ০৬ টা ৩০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
বহু ভীড় ঠেলে অবশেষে মূল মণ্ডপ প্রাঙ্গনে ঢুকতে সক্ষম হলুম । এখানে আমরা বেশ কিছু সেলফি এবং নিজেদের ফোটোগ্রাফ তুললাম । সেই সাথে মূল মণ্ডপটি এবং দূর্গা প্রতিমার ফোটো তুলতেও ভুললাম না । নিজেদের ফটোগুলো এখানে আর শেয়ার করলাম না ।
তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ০৬ টা ৪০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ
পরিশিষ্ট
প্রতিদিন ৪০০ ট্রন করে জমানো এক সপ্তাহ ধরে - ৬ষ্ঠ দিন (400 TRX daily for 7 consecutive days :: DAY 06)
সময়সীমা : ০৯ অক্টোবর ২০২২ থেকে ১৫ অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত
তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২২
টাস্ক ৯০ : ৪০০ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৪০০ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : 89d7fee05f334010b985ff854d3f349af66736df1e45e3b2465063f34f5a833e
টাস্ক ৯০ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR

















নয়টা কি সকাল সকাল হলো নাকি দাদা? তাও উঠতে দেরি করে ফেলেছেন। যাক বৌদির অঞ্জলি দেয়ার সময় টিনটিন বাবু বেশ কয়েকটি সুন্দর ছবি তুলেছেন। দেখেই মনে হচ্ছে যে চোখে ঘুম ঘুম।
কৃত্রিম গাছগুলোর লাইটিং খুব চমৎকার হয়েছে। সামনা সামনি দেখতে না জানিয আরো কত সুন্দর লাগছিল । তাছাড়া শেষের মন্ডপটিও খুব সুন্দর করে সাজানো।
Hello friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
Congratulations!
Your post has been rewarded by the Seven Team.
Delegate Steem Power and receive more support!
| 100SP | 500SP | 1000SP | 2000SP | 5000SP |
Support partner witnesses
We are the hope!
দূর্গা উৎসবকে কেন্দ্র করে খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। দেখে খুবই ভালো লাগলো। তবে অষ্টমীর দিনে অঞ্জলি দেওয়ার সময় টিনটিন বাবুর ফটোগ্রাফি খুবই ভালো লেগেছে, বৌদি অঞ্জলী দিচ্ছি আর আপনারা বাপ-ছেলে স্টাইল করতে ছিলেন, সেই মুহূর্তটা অনেক আনন্দের ছিল।
মন্দিরের আলোকসজ্জা ও ডেকোরেশন নিয়ে কিছুই বলার নেই । কারণ সাজসজ্জা ও ডেকোরেশন একদম চোখ ধাঁধানো । সত্যি বলতে কি ভাই , টিনটিন কে পাঞ্জাবীতে বেশ দারুণ লাগছে দেখতে ।
ওর জন্য ভালোবাসা রইল।
আশা করি, দাদা ভালো আছেন? পূজাতে অনেক সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন । আসলে দুর্গাপূজার পরিক্রমা পর্ব ০৭ দেখে খুব ভালো লাগলো। আপনি কিছু চমৎকার ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। দাদা টিনটিন বাবুকে দেখতে তো বেশ সুন্দর লাগছে। তাছাড়া প্রতিমা গুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। এত অসাধারণ পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ভালো থাকবেন দাদা, ধন্যবাদ।
অষ্টমী মানেই অঞ্জলী দেওয়ার ধুম।আলোকময় গাছের সারিগুলি সত্যিই অপূর্ব দেখতে লাগছে।টিনটিন বাবুকে ও কিউট দেখতে লাগছে।মেলাতে জিলিপি, ঘুঘনি ,আইসক্রিম এগুলো আমার ও বেশ পছন্দের খাবার।ধন্যবাদ দাদা।
দুর্গাপূজার অপরূপ সৌন্দর্যময় কিছু ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। আসলে অষ্টমীর দিনে টিনটিন বাবুর ফটোগ্রাফি খুবই ভালো লেগেছে এবং মন্ডপের দুপাশ দিয়ে আলোকসজ্জা খুবই সুন্দরভাবে সাজিয়ে রেখেছেন। দৃশ্যগুলো আমার খুবই ভালো লেগেছে।