ভ্রাম্যমান বইমেলায় ঘুরতে যাওয়ার কিছু মূহুর্ত
হ্যালো,
আমার বাংলা ব্লগবাসী কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।কয়েকদিন যাবত রেসিপি, আর্ট,ডাই এসব পোস্ট শেয়ার করছিলাম।আজ ভিন্ন ধরনের একটি পোস্ট শেয়ার করব আপনাদের সাথে। গতকাল আমরা ভ্রাম্যমান বইমেলায় গিয়েছিলাম।সেদিনেরই কিছু মূহুর্ত আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
বৃহস্পতিবার বিকেলেই আমরা শুনেছিলাম যে আমাদের বাসার কাছেই একটা হাইস্কুলে বইমেলা হচ্ছে। আমি আর বৌদি খবর টা শুনে ডিসিশন নিয়েছিলাম যে বাচ্চাদের নিয়ে শুক্রবার বিকেলে বইমেলায় নিয়ে যাব।বৌদির মেয়েরা আর আমার মেয়ে শুনে তো অনেক খুশি।তখন থেকেই ওদের নানা প্ল্যান শুরু হয়েছে।
আমাদের বাসায় যেহেতু অনেকগুলো পরিবার থাকে । শুক্রবার সকালে বাসায় সবাই থাকে।আমরা বই মেলায় যাব শুনে আরও এক ভাবী আমাদের সাথে যাওয়ার জন্য আগ্রহী হয়েছে।আমাদের একসাথে ঘুরতে যাব ভালোই লাগছিল।আসলে সবাই এভাবে কখনো ঘুরতে যাওয়া হয় না তবে হঠাৎ করে প্ল্যান করে। ঘুরতে যাওয়াটা আসলে খুব বেশি প্ল্যান করলে আর শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয় না।
শীতকালে যেহেতু দিন অনেকটা ছোট মানে তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা নামে আর অনেক ঠান্ডা তাই আমরা ঠিক করলাম একটু তাড়াতাড়ি বের হবো মানে দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে সবাই বেরিয়ে যাব।যেমন কথা ছিল তেমন কাজ।তাড়াতাড়ি রান্না শেষ করেছিলাম।দুপুরের খাবার তাড়াতাড়ি খেয়ে মা মেয়ে রেডি হওয়া শুরু করছিলাম।জাহিরাকে আগে রেডি করে দিয়েছি।কারণ ছোট মানুষ রেডি না হতে পারলে বারবার ডিস্টার্ব করবে।আমি রেডি হচ্ছিলাম আর বৌদিকে তাড়া দিচ্ছিলাম যাতে বৌদি ও তাড়াতাড়ি রেডি হয়।মেয়েদের তো রেডি হতে অনেকটা সময় লাগে।
এরপর আমরা সবাই বের হয়েছি তখন প্রায় ৩ঃ৩০ টা বাজে।বাসার কাছাকাছি যেহেতু মেলা হচ্ছিল তাই আমরা সবাই হেঁটেই গিয়েছিলাম। আমরা যখন গিয়েছিলাম তখন মেলায় তেমন কেউ ছিল না। আমরা অনেকটা ফাঁকায় পেয়েছিলাম।আমাদের মেয়েরা গিয়ে তো সেই মজা পেয়েছে।মাঠের এক পাশে গান বাজচ্ছিল।জাহিরা তো গান শুনেই নাচতে আরম্ভ করেছে।আমি কিছু ফটোগ্রাফি করেছি মাঝে মাঝে।
আমার মেয়ে আর ওর বন্ধু দুজন মিলে মাঠের মাঝখানে নাচ্ছিল। আমি কিছু কিছু নাচ ভিডিও করে রেখেছি। আমার সাথে অনেকেই ওদের নাচ দেখছিল আর বৌদির মেয়েরা বই দেখায় ব্যস্ত। ওরা তো নতুন নতুন অনেক বই দেখে বুঝতে পারছিল না কোনটা কিনবে।
জাহিরা যেহেতু অনেক ছোট তাই বই কেনার ব্যাপারে ও তেমন কিছু বুঝতে পারছিল না। তবে ঘুরে ঘুরে দেখছিল বইমেলায় গিয়ে আরো অনেক মজা পেয়েছে। বৌদির মেয়েরা অনেকগুলো বইও কিনেছে খুব ভালো লেগেছেওদের।বই মেলায় অনেক বইয়ে ছাড় ছিল।আর বই মেলায় গেলে বাচ্চাদের বই পড়ার প্রতি ও আগ্রহ বাড়ে।
বইকেনা শেষ হলে আমরা মেলা থেকে বেরিয়ে ছিলাম হালকা কিছু খাওয়া দাওয়া করার উদ্দেশ্য। আজ এ পর্যন্তই।আমরা মেলা থেকে বেরিয়ে কোথায় গিয়েছিলাম সেটা অন্য একদিন শেয়ার করব।ধন্যবাদ সবাইকে।
ভ্রাম্যমান বই মেলায় সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। আসলে ছোট ছেলে মেয়েরা বাইরে গেলে অনেক দুষ্টামি করে থাকে। আপনার মেয়ে মাঠের মধ্যে নাচছে আর আপনি ভিডিও করেছেন শুনে ভালো লাগলো। জ্ঞান আহরণের জন্য বইয়ের কোন বিকল্প নেই। বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার মাধ্যমে অনেক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা যায়। ভ্রাম্যমান বইমেলা সকলেই নিজের পছন্দের বই কিনতে পারবে। এত সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু। ভালো থাকবেন।
বেশ ভালই করেছেন আপু বৃষ্টি আপু এবং তার মেয়েদেরকে নিয়ে একসাথে বইমেলায় ঘুরতে গিয়েছেন। আপনাদের আরও একজন ভাবি দেখছি আপনাদের সাথে যোগ দিয়েছে। আসলে সবাই মিলে বইমেলায় ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলাদা। আপনার মেয়েটাকে ভীষণ কিউট লাগছিল দেখতে। বই সম্পর্কে কিছু না বুঝলেও ভীষণ খুশি হয়েছে। বৃষ্টি আপুর মেয়েরা তো অনেক বই কিনলো। সব মিলিয়ে বেশ সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।
জ্বি আপু সবাই মিলে সময় টা বেশ ভালোই কাটলো।অনেক ধন্যবাদ আপু।
ঠিকই বলেছেন আপু শীতকালে যেন সন্ধ্যাটা অনেক তাড়াতাড়ি চলে আসে। আর সবাই মিলে বইমেলায় ঘুরতে গিয়েছেন পরিচিতজনদেরকে দেখতে পেরে ভালো লাগছে । আপনার মেয়েটিতো অনেক মজা করে ছবিগুলো তুলেছে, ছবিগুলো কিন্তু ভালই হয়েছে সবার ।বই পরুক আর না পড়ুক বই কেনা দিয়ে কথা। সবাই মিলে অনেক ভালো একটি সময় কাটালেন ভালো লাগলো।
ঠিক বলেছেন আপু খুব ভালো একটা সময় কাটিয়েছে সবাই মিলে।অনেক ধন্যবাদ আপু।
ভ্রাম্যমাণ বই মেলার আয়োজন করেছে দেখে ভাল লাগছে এতে ছোট বড় সবাই বিভিন্ন ধরনের বই দেখতে পড়তে ও কিনতে পারবে। আসলে যেকোন মেলা হলেই সবারই কম বেশি আগ্রহ তৈরী হয় যাওয়ার। আপনার মেয়ে খুব এনজয় করেছে লেখা পড়ে এবং ছবির মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে। বই মেলার ছবিগুলো দেখতে ভাল লাগছে। ধন্যবাদ আপু।
অনেক ধন্যবাদ আপু চমৎকার মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য। ভালো থাকবেন।