জেনারেল রাইটিং : জীবনের স্বাধীনতা /by ripon40
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ripon40 বাংলাদেশের নাগরিক
- জীবনের স্বাধীনতা
- ২৩, নভেম্বর ,২০২৩
- বৃহস্পতিবার
আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন ,আর আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ। আজ আমি আপনাদের মাঝে প্রতিদিনের মতো আবারো একটি পোস্ট শেয়ার করতে চলে এসেছি। হয়তো আজ আমি আপনাদের মাঝে আমার মনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা শেয়ার করব। আসলে মাঝে মাঝে কিছু কথা মনে উঁকি দেয় যে কথাগুলো যদি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারি তাহলে আসলে খুবই ভালো লাগে। তো সেরকমই কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করব আশাকরি আমার আজকের পোস্ট আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
যদি আমরা জীবনে আমাদেরকে চালাতে চাই তাহলে আসলেই আমাকে যে জিনিসটা সবথেকে বেশি দরকার সেটা হল স্বাধীনতা। যদি আমরা স্বাধীন ভাবে চলতে না পারি তাহলে আসলে আমরা কোন কাজ ঠিকভাবে করতে পারব না এটাই কিন্তু সঠিক। কোন কাজ করতে না পারলে সেই কাজ করতে যেমন ভালো লাগে না। তেমনি ভাবে মন দিয়ে কিন্তু সেই কাজ করাও যায় না ধরুন যদি আমি ঘর থেকে কোথাও বের হতে চাই আর যদি সেটা আমাকে কারো কাছে জিজ্ঞেস করে বের হতে হয় কিংবা সে বের হতে না দেয় তারে বের হতে পারব না এমন মন-মানসিকতা আমার ভিতরে থাকে।
তাহলে কিন্তু আমি খুবই বিপদে পড়ি এবং যেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে সেটা সম্পূর্ণ করতে পারবোনা। যদি জীবনকে সহজ ভাবে চালাতে চাই তাহলে অবশ্যই স্বাধীনতা দরকার আসলে আমরা যখন পরাধীন ছিলাম মানে বাংলাদেশ যখন পরাধীন ছিল তখনো কিন্তু আমরা আমাদের মোটামুটি ইচ্ছামত চলতে পারতাম। কিন্তু যেখানে আসলে স্বাধীনতা থাকার কথা ছিল সেখানেই আমাদের স্বাধীনতা ছিল না। সেজন্যই কিন্তু আমরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতাকে ফিরিয়ে এনেছি।
এটা দিয়ে আসলে আমরা বুঝতে পারি যে স্বাধীনতাটা কতটা বেশি দরকার। স্বাধীনতা আসলে আমাদের জীবনে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা যদি আমরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারি কাজ করতে পারি তাহলে আসলে আমাদের জন্য অনেক ভাল হয় এবং আমরা সেই কাজে সফলতা অর্জন করতে পারি। এখন যদি আপনারা বলেন ছেলে-মেয়েদেরকে যদি স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে দেওয়া হয় তাতে তারা যেদিকে যাওয়ার কথা সেদিকে না গিয়ে অন্যদিকে যায়। এটা আসলে অন্য কথা এই স্বাধীনতা সেই স্বাধীনতা নয়।
আসলে আমাদের সকলের জীবনে একটা ধরাধামে থাকে। কিন্তু সেটা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায়, সেখানেই কিন্তু আসলে পরাধীনতা হয়ে যায়। পরাধীনতাকে আসলে আমরা বিভিন্নভাবে আখ্যায়িত করতে পারি যদি আমরা আসলে পরাধীন ভাবে অনেক দিন চলতে থাকি তাহলে আসলে আমাদের জীবনটা আটকে যায়। এই পরাধীনতাকে আসলে আমাদেরকে না বলতে হবে যে আমরা স্বাধীনভাবে জীবন পরিচালনা করতে পারি।
তাহলে সেই জীবনটা সব থেকে বেশি ভালো হয়। যেমনঃ মনে করেন আপনি একটি পাখি পালন করেন এবং তাকে আপনি খুবই আপয়ান করেন কিন্তু আপনি সেই পাখিটি খাঁচায় বন্দি করে রেখেছেন। আপনি তাকে যত ভালোবাসেন না কেনো, সে এই পরাধীন থাকতে ভালো বাসছে না৷ সেটা আপনি তখনই বুজবেন যখন তাকে ছেরে দিবেন। আসলে কোন পাখি তার স্বাধীনতা চায় হয়তো আমরা সেটা দিতে পারি না। যদি আমরা স্বাধীনতা ঠিকভাবে দিতে পারি তাহলে কিন্তু সেটাই সবথেকে ভালো হয়।
এজন্য আসলে আমি মনে করি যে আমাদের আমাদের স্বাধীনতা টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকে আমি এই স্বাধীনতা নিয়ে আপনাদের সামনে কিছু কথা লিখলাম আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। আজ এই পর্যন্তই আমাদের সকলের সুস্থতা কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন সেটাই কামনা করি।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি মোঃ রিপন মাহমুদ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ripon40। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমার সবচেয়ে বড় গুণ হলো কারোর উপর রাগ করলে সহজেই ভুলে যাই।
প্রতিটা মানুষের স্বাধীনতা থাকা উচিত। আমরা অন্যের স্বাধীনতা জোর করে আটকাতে পারি না। প্রতিটা মানুষ নিজের মতো করে স্বাধীন ভাবে বাঁচা উচিত। জি ভাইয়া এখন তো আমরা কোন জায়গায় বের হতে হলে আমার অভিভাবকের পারমিশন নিতে হয়।তারা যদি অনুমতি দেয় তবে গা আমরা বের হতে পারব। আগে যখন দেশ স্বাধীন ছিল না আমরা কিন্তু ইচ্ছামত চলতে পারতাম না অন্যের আন্ডারে আমরা চলতাম। অন্যরা যা কথা বলতো তাই শুনতাম কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমরা কিন্তু স্বাধীনভাবে চলতে পারি। আমাদের যেটা ভালো লাগে আমরা সেটাই করি। প্রতিটা মানুষকে স্বাধীনতা দেয়া উচিত কারো উপর অতিরিক্ত জোর না খাটানো উচিত আমাদের। জীবনটাকে যদি সুন্দর ভাবে উপভোগ করতে হয় তাহলে নিজের স্বাধীন মত চলতে হবে। আপনি পাখির মাধ্যমে অত্যন্ত সুন্দর একটি উদাহরণ দিয়েছেন আমরা পাখিটাকে যতই ভালোবাসি না কেন? খাঁচায় বন্দি করে রেখেছি তার কোন স্বাধীনতা নেই।তাই আমাদের প্রতিটা জিনিসকে স্বাধীনতা দিতে হবে এবং মুক্ত করে দিতে হবে।অনেক সুন্দর আলোচনা করেছেন আপনি
দারুন উদাহরণ দিয়েছেন হ্যাঁ পাখিকে যতই আপ্যায়ন করি ভালোবাসি সে চাইবে মুক্ত আকাশে উড়তে, কেননা সবাই চায় জীবনের স্বাধীনতা।
জীবনটা সুন্দর করে চালানোর জন্য অবশ্যই একটা মানুষের ভেতরে স্বাধীনতা থাকাটা জরুরী। জীবনে যদি স্বাধীনতা থাকে তাহলে সবকিছুই করা যায়, একটা আবদ্ধ জীবনে কোন কিছু হয় না। একটা মানুষকে মুক্ত করে দিলে সে স্বাধীনতা পাবে এবং স্বাধীনতা থেকে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। জীবনকে সহজ ভাবে চালানোর জন্য জীবনে স্বাধীনতা থাকাটা জরুরী। অনেক সুন্দর একটা টপিক তুলে ধরে আপনি আজকের এই পোস্টটা সম্পূর্ণ লিখেছেন দেখে খুব ভালো লেগেছে।