স্পোর্টস : বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ম্যাচ (ব্রাজিল ^ চিলি )//by ripon40
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ripon বাংলাদেশের নাগরিক
- বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ম্যাচ (ব্রাজিল ^চিলি)
- ০৬, সেপ্টেম্বর ,২০২৫
- শনিবার
আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে ফুটবল ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
ছবিঃ Krira TV থেকে স্ক্রিনশট এর মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
ম্যাচের পরিসংখ্যান:
| ব্রাজিল | চিলি |
|---|---|
| মোট শট-২২ | মোট শট-০৩। |
| টার্গেটের শট-০৭ | টার্গেটের শট-০০। |
| দৈর্ঘ্য | ৯০ মিনিট । |
| বল পজিশন -৬৪% | বল পজিশন -৩৬% |
| পাস করে -৫৮৭ | পাস করে -৩৩৪ |
| পাস নির্ভুলতা-৮৯% | পাস নির্ভুলতা-৮০% |
| ফাউল-১৪ | ফাউল-১১ |
|---|---|
| হলুদ কার্ড- ০১ | হলুদ কার্ড - ০১ |
| রেড কার্ড- ০০ | রেড কার্ড-০০ |
| অফসাইডস-০২ | অফসাইডস-০৫ |
| কোণ-০৪ | কোণ- ০৩ |
| সময়কাল রাত ৬.৩০ টায় | ০৫.০৯.২০২৫ইং |
| ফলাফল : | ব্রাজিল-০৩ চিলি -০০ |
ম্যাচের সারসংক্ষেপ
আমার কাছে খেলাধুলা খুবই ভালো লাগে ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আলাদাভাবে নেশাটা রয়েই গেছে। এখনো সময় পেলে ছোট ভাই ব্রাদারের সাথে এলাকায় খেলাধুলার মেতে ওঠা। যেটা অনেক বড় একটি নেশা খেলাধুলা শরীরের পক্ষে যেমন ভালো তেমনি মানসিক সকল ধরনের অবসাদ দূর করে দেয়। ছোট্টবেলার সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে এখনো ফিরে যেতে মন চায়। আসলে সেই স্বাধীন মুহূর্ত চাইলে যখন তখন খেলাধুলা নিয়ে মেতে উঠতাম এখন আর পারি নাহ। মাঝে মাঝে ছোট্ট বাচ্চাদের খেলাধুলা গুলো দেখে সেই দিনগুলোর কথা স্মরণ করি আর খেলাধুলা এখন নিয়মিত না করা হলেও রাত জেগে খেলা দেখার অভ্যাসটা এখনো রয়েই গেছে।
ব্রাজিল বনাম চিলির এই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ব্রাজিল ৩–০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে। খেলার স্কোরলাইনই প্রমাণ করে ব্রাজিলের পূর্ণ আধিপত্য। গোলদাতাদের মধ্যে ছিলেন এস্তেভাও (৩৮’), লুকাস পাকেতা (৭২’) ও ব্রুনো গুইমারাইস (৭৬’)। গোলগুলো আসায় ম্যাচের শেষার্ধে খেলা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
প্রথমার্ধে চিলি কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ৩৮ মিনিটে এস্তেভাওয়ের গোল সেই প্রতিরোধ ভেঙে দেয়। ব্রাজিল আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যায় এবং খেলার গতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। চিলির রক্ষণভাগ একাধিকবার চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের আক্রমণ থামাতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল আরও বেশি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৭২ মিনিটে লুকাস পাকেতার গোল ব্যবধান বাড়িয়ে দেয়। এর কিছুক্ষণ পরেই (৭৬ মিনিটে) ব্রুনো গুইমারাইস গোল করে স্কোরলাইন ৩–০ তে নিয়ে যায়। এই দুই গোল চিলির খেলোয়াড়দের মনোবল ভেঙে দেয়। ফলে শেষ মুহূর্তে তারা আর প্রতিযোগিতামূলক হতে পারেনি।
ম্যাচের পরিসংখ্যানও ব্রাজিলের আধিপত্য স্পষ্ট করে। পুরো ম্যাচে ব্রাজিল ২২টি শট নিয়েছে, যার মধ্যে ৭টি ছিল টার্গেটে। বিপরীতে চিলি মাত্র ৩টি শট নিতে পেরেছে এবং একটি শটও টার্গেটে রাখতে পারেনি। এটা স্পষ্ট করে দেয় চিলি আক্রমণে কতটা অকার্যকর ছিল।
বল দখলেও ব্রাজিল এগিয়ে ছিল। ব্রাজিলের দখল ছিল ৬৪% সময়, আর চিলির মাত্র ৩৬%। ব্রাজিল ৫৮৭টি পাস সম্পন্ন করেছে, যা তাদের খেলার পরিপক্বতা ও পাসিং গেমের ধারাবাহিকতা বোঝায়। অপরদিকে চিলি ৩৩৪টি পাস দিয়েই সীমাবদ্ধ ছিল।
এই ম্যাচ থেকে বোঝা যায়, ব্রাজিল শুধু গোলেই নয় বরং খেলায় প্রতিটি দিকেই আধিপত্য দেখিয়েছে। আক্রমণ, মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণভাগ – সব জায়গাতেই ব্রাজিল ছিল এগিয়ে। চিলির পক্ষে বল দখল করা বা আক্রমণ তৈরি করাই ছিল কঠিন। ফলে তাদের গোলমুখে কার্যকর কোনো হুমকি তৈরি হয়নি। সবশেষে বলা যায়, এই জয় ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেল। নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, বিশেষ করে এস্তেভাওয়ের গোল, দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। অপরদিকে চিলিকে তাদের কৌশল ও আক্রমণভাগের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে, নইলে ভবিষ্যতের ম্যাচগুলোতেও এমন ফলাফল দেখা যেতে পারে।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত ভিডিওর লিংক সমূহ
আমি মোঃ রিপন মাহমুদ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ripon40। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমার সবচেয়ে বড় গুণ হলো কারোর উপর রাগ করলে সহজেই ভুলে যাই।
https://x.com/mahmudrr_r/status/1964376702848839983?t=Zcla6da5hYW954XNJStcvQ&s=19
https://x.com/mahmudrr_r/status/1964377036497338838?t=6q1WZs__XNvG9nSm08MTgQ&s=19