প্রতিযোগিতা -০৬ (বর্তমান অথবা বিলুপ্ত প্রায় স্থানীয় লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য)//
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@rezaul-420 বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ - ২৩ ভাদ্র | ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |মঙ্গলবার | শরৎকাল |
আসসালামু আলাইকুম,আমি রেজাউল করিম। আমার ইউজার নাম @rezaul-420। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সকলে খুব ভালো আছেন। প্রথমেই আমি ধন্যবাদ জানাই @moh.arif ভাইকে এরকম প্রতিযোগিতা আমাদের সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। এই প্রতিযোগিতায় অনেক পুরনো বা বহালকৃত লোকসংস্কৃতি তুলে ধরবে। তা আমরা সবাই উপলব্ধি করতে পারবো। আজকে আমি শেয়ার করব, যুগের ঐতিহ্য প্রথা নবান্ন উৎসব। এই নবান্ন উৎসব আমাদের দেশ থেকে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
চলুন শুরু করা যাক
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হচ্ছে ধান। তাই যুগে যুগে মানুষ ধান চাষ করে আসছে। এই ধান চাষের মধ্যেই আমাদের দেশে একটা প্রথা বা ঐতিহ্য চালু ছিল তা হল নবান্নের উৎসব। তবে বর্তমানে বিজ্ঞান ও উন্নত প্রযুক্তির চাদরে ঢেকে গেছে আমাদের স্থানীয় লোকসংস্কৃতির ধারাবাহিকতা এবং সেই সংস্কৃতির ঐতিহ্যের মূলধারা। আমাদের দেশে এখনও ধান উৎপাদিত হয়, তবে অতীতে ফেলে আসা সেই সংস্কৃতির ঐতিহ্যের নবান্ন উৎসব আর এখন পালিত হয় না।
What's 3 Word Location:
https://w3w.co/farmhouse.birdies.equator
What's 3 Word Location:
https://w3w.co/farmhouse.birdies.equator
What's 3 Word Location:
https://w3w.co/laterally.automation.toboggans
আমাদের দেশের ৮০% লোক কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। সেই কৃষকরা তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম করে ফসল ঘরে তোলে। প্রতিবছর বাংলায় অগ্রহায়ণ মাসে গ্রামের কৃষকরা তাদের আমন ধান ঘরে তোলে। সেই ধানগুলো মাড়াই করার পর বাড়ির মহিলারা সেগুলো পরিষ্কার করতো। তাদের কাজের মধ্যে নবান্ন উৎসবের হাসিখুশি লেগে থাকত। বাড়ির মহিলারা সে ধান গুলোকে চুলার মধ্যে ভাপিয়ে নিয়ে রোদে শুকাতে দিতো।
What's 3 Word Location:
https://w3w.co/graph.pregnancies.eiderdown
রোদে শুকানোর ব্যবস্থা হয়ে গেলে, তখনকার সময়ে ঢেঁকিতে বা কোন মিল ভান্ডারে নিয়ে গিয়ে ভাঙিয়ে নিয়ে আসতো। নতুন ধানের চাউল দিয়ে কৃষকের ঘরে ঘরে তৈরি হতো বিভিন্ন ধরনের পিঠা। যেমন পিঠাপুলি,পায়েস,ক্ষীর নানা ধরনের পিঠা। একদিকে থাকতো পিঠা-বানানোর আনন্দ এবং অন্যদিকে হত মেলা। সারাদিন পরিশ্রম করার পর রাতের তারা আনন্দের জন্য বিভিন্ন ধরনের নাচ গান যেমন যাত্রাপালার, লোকগীতি,লালনগীতি, অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতো। মেলায় বিভিন্ন ধরনের কারুশিল্প,এবং মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যেত। এছাড়াও মাটির হাড়ি, কলস, পুতুল ইত্যাদি পাওয়া যেত। এছাড়াও আমরা বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবার পাওয়া যেত যেমন সন্দেশ, জিলাপি ইত্যাদি। এই নবান্ন উৎসব আমাদের মাঝ থেকে প্রায় হারিয়ে গিয়েছে।
What's 3 Word Location:
https://w3w.co/operating.fondest.sugarplum
আমি যখন খুব খুশি বোধ করি যখন কেউ আমাকে এবং আমার কাজের প্রশংসা করে। এটি আমাকে আমার কাজ সঠিকভাবে চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। সবসময় আমাকে সমর্থন করার জন্য ধন্যবাদ। আপনারা যারা আমাকে সমর্থন করেন তাদের প্রতি আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।
আমার পোস্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি আশা করছি আপনারা সবাই আমার পোস্ট উপভোগ করবেন এবং আপনারা সবাই আমাকে এই প্লাটফর্মটি থেকে অনুপ্রাণিত করবেন।
গ্রামে ছোট বেলায় দেখতাম নবান্ন উৎসব হত, তবে এখন শহরে থাকার কারণে এসব আর দেখতে পাই না। কন্টেস্ট এ অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনার পোস্টের মাধ্যমে আমরা সেই পুরুনো নবান্ন উৎসব আবার দেখতে পেলাম।
আপনি এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যান সেই আশাই করি।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর একটা পোস্ট নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করার জন্য। অভিন্দন রইল আপনার জন্য
ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
অনেক সুন্দর লিখেছেন আপনি।নবান্নের উৎসব নিয়ে আপনি খুব ভাবে উপস্থাপন করেছেন এই তো কিছুদিন আগেও নতুন ধানের চাল দিয়ে পায়েস খাওয়া।রং বাহারির পিঠা খাওয়ার উৎসব গুলো এখন আর নেই🤨।
অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার পোস্টটি।