রাজহাঁস দিয়ে পিকনিক।
হ্যালো বন্ধুরা।
আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। গত পোস্টে আমি শেয়ার করেছিলাম আমরা সবাই একসাথে ঘুরতে গেছি চরের ভেতর। সন্ধ্যা অব্দি থাকার ইচ্ছা থাকলেও থাকতে পারিনি কারণ আমাদের পিকনিক ছিলো। পিকনিকের হাঁস চর থেকে কিনে নিয়ে গিয়ে তারপর আবার বাজার করতে হবে। এজন্যই আমরা বেলা থাকতে থাকতে জনবসতিপূর্ণ চরের একটা গ্রামের মধ্যে ঢুকে গেলাম।
প্রত্যেকবার একটা বাড়ি থেকে আমরা হাঁস কিনি। সেখানে আগে থেকেই ফোন করে রেখেছিলাম। এদিক-ওদিক আর কোথাও খোঁজখবর না নিয়ে সরাসরি চলে গেলাম সেই বাড়িতে। অনেকগুলো হাঁস ছিলো। সেখান থেকে একটা মোরগ রাজহাঁস কিনে নিলাম। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার একটু বেশি দাম দিয়ে কিনতে হলো। যাই হোক বেশি দেরি করবো না বলে দ্রুতই চলে আসলাম চর থেকে।
হাঁস নিয়ে আসার পর কয়েকজনকে পাঠালাম বাজার করতে। দু তিনজনকে পাঠাইলাম পিকনিকের স্পট ঠিক করতে। আমি আর রাহুল গেলাম অন্য একটি বাজারে দই কিনে আনতে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দই কিনে নিয়ে আমরা চলে আসলাম। এসে খেয়াল করলাম এক ছোট ভাইদের জমি থেকে ওরাই আসার সময় কয়েকটা গাজর তুলে নিয়ে এসেছে। ভালোই হলো, সালাদ করা যাবে।
মোটামুটি সবকিছু রেডি। পিকনিক করার জন্য লোকেশন হিসেবে ঠিক করেছি বাজারের রাস্তার পাশের একটি দোকানের ছাদে। মেইন বাজার শুরু না হতেই এই জায়গাটা। নিরিবিলি থাকায় এটা অনেক ভালো হলো আমাদের জন্য।যাই হোক, সব কিছু রেডি হওয়ার পর রান্নাবান্নার কার্যক্রম শুরু হলো।
ঠান্ডা পরিবেশ, চুলার পাশে বসে জ্বাল দিতে খুব ভালো লাগতেছিল। ১০-১২ জন একসাথে বসে ভীষণ আড্ডা দিচ্ছি আর পিকনিকে রান্নাবান্না করছি। বহুদিন পর এত সুন্দর একটি পিকনিকের আয়োজন আমাদের মাঝে। সবাই একসাথে ছুটিতে বাড়ি থাকলে এমন আনন্দ করার সুযোগ একেবারেই ছাড়তে ইচ্ছে করে না।
আমাদের খাবার আইটেমগুলোর মধ্যে ছিল ডিম ভুনা, হাঁসের মাংস, সাদা ভাত আর দই। আমাদের রান্না শেষ হতে হতে সাড়ে ১১ টা বেজে গেছিল। ১১ঃ৩০ টার দিকে রান্না শেষ হলে এরপর সব কিছু নিয়ে নিচে একটি ফাঁকা দোকানের মধ্যে গেলাম। খাওয়া দাওয়ার কার্যক্রম সেখানেই সেরে নিলাম। ভাত সবাই অল্প খেয়েছে কিন্তু মাংস খেয়েছে অনেক বেশি। ভরপুর তৃপ্তি সহকারে খেয়ে শেষে দই খেয়ে খাওয়ার ফিনিশিং দেওয়াটা বেশি জোস ছিল। অভারল ১০০ তে ১০০।
যাইহোক, আমাদের সাথে পিকনিক করতে পেরে বন্ধু পাপ্পু খুবই খুশি ছিল। এরকম সার্কেলের সাথে এত সুন্দর সময় কাটিয়ে কখনোই পরের দিনেই চলে যেত না। ওর একটা চাকরির ইন্টারভিউ থাকায় একদিন থেকেই চলে যেতে হল। দিনটি খুবই সুন্দর কেটেছে। মনে থাকবে সবারই।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
শীতকালে রাজহাঁস বাহ বিশাল একটি পিকনিক করলেন। সত্যি বলতে রাজহাঁস আমার অনেক প্রিয়। যাইহোক দিন দিন যেভাবে সবকিছুর দাম বাড়ছে তাতে রাজহাঁসের দাম অবশ্যই বাড়ার কথা। আর অনেক জায়গাতে তো রাজহাঁস পাওয়াই যায় না। তবে রাজহাঁসের মাংস পেলে ভাত আর বেশি খেয়ে কি লাভ হবে।😂 আমি হলে ভাতই খেতাম না শুধু হাঁসের মাংস খেতাম। কারণ রাজহাঁস আমার অনেক প্রিয়। যাইহোক অনেক ভালো একটি সময় কাটিয়েছেন। আর পুরো খাবারের শেষ ফিনিশিং দিলেন দই দিয়ে এটাও বেশ ভালো হয়েছে। সব মিলিয়ে ভালো ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
গতদিন বন্ধুদের সাথে চরে গিয়ে বেশ চমৎকার একটা সময় কাটিয়েছেন, তারই পরবর্তী সময় হাঁস দিয়ে একটা পিকনিক করার কথা ছিল, বেশ ভালই মজা করেছেন, বন্ধুদের সাথে অনেক বারবিকিউ করা হয়েছে কিন্তু হাঁস রান্না করে খাওয়া হয়নি এটা ট্রাই করা যেতে পারে।
রাজহাঁসের মাংস খেতে দারুণ লাগে। কিছুদিন আমার শ্বাশুড়ি একটি রাজহাঁস কিনে আমাদের বাসায় পাঠিয়েছিল, আমি রাজহাঁসের মাংস পছন্দ করি বলে। যাইহোক বন্ধুদের সাথে এভাবে পিকনিক করতে দারুণ লাগে। একসাথে সবাই মিলে সবকিছুর আয়োজন করা, আড্ডা দেওয়া, খাওয়া দাওয়া করা,সবমিলিয়ে বেশ উপভোগ করা যায় পুরোটা সময়। আমরাও আজকে পিকনিক করলাম সন্ধ্যার পর ১১ জন মিলে। যাইহোক আপনারা দারুণ সময় কাটিয়েছেন ভাই। পোস্টটি দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। এতো সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হাঁসের গোসের কথা শুনলে যেন খিদে বেড়ে যায়। সেদিন বিকেলটা অসম্ভব সুন্দর ছিল চড়ে ঘোরাঘুরি পরে রাজহাঁস কিনে নিয়ে আশা এবং রাতে রান্না করা সবমিলিয়ে চমৎকার একটি সময় পার করেছি। শেষমেষ খাওয়াটাও বেশ ভালো হয়েছিল
আসলেই রাজহাঁস দিয়ে সেদিনের পিকনিক অনেক বেশি ভালো লেগেছিল আমার কাছে। তবে এটাও সত্য যে প্রত্যেকবারে তুলনায় এবার রাজহাঁসের দাম একটু বেশি ছিল। বাজারে নিরিবিলি পরিবেশের মাঝে এরকম পিকনিক করার মজাই আলাদা। সবশেষে তৃপ্তি সহকারে খাওয়া হয়েছে মাংসের পরিমাণ টা একটু বেশি ছিল যার কারণে সকলেই তৃপ্তি নিয়ে খেয়েছিল। এরকম মুহূর্ত বারবার কাটাতে মন চায়।
আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো। আসলে ভাইয়া এমন পিকনিক করতে অনেক ভালো লাগে। সত্যি শীতের সময় চুলার পাশে থাকলে সত্যি অনেক ভালো লাগে। আপনার রাজ হাঁস দিয়ে পিকনিক করেছেন। আসলে আমাদের এদিকে রাজ হাঁস তেমন পাওয়া যায় না। যাইহোক ১০০ তে ১০০ পেয়েছেন এটাই অনেক। ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার পিকনিকের পোস্টগুলো পড়ে শুধু আফসোস হয়। মনে হয় যদি এইভাবে একটা পিকনিক করতে পারতাম। দেখি সামনের কোন অকেশনে বন্ধু-বান্ধবকে কাছে পেলে তখন এই ধরনের একটা আয়োজন করার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ ভাই চমৎকার এই পোস্টের জন্য।
হোক ভেড়া বা রাজহাঁস আপনারা এগুলো একেবারে বাড়ি থেকেই কিনে নিয়ে আসেন। পিকনিক মানেই সবাই কাজ করবে। এতেই তো আসল মজা হা হা। সঙ্গে ডিম এবং দই ছিল। যদিও বললেন সবাই ভাতের চেয়ে রাজহাঁসের মাংস বেশি খেয়েছে। আপনাদের প্রতি সিজেনে এই পিকনিকের ব্যাপার টা আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাই আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য আপনাকে।
আপনারা বন্ধুরা মিলে আবারও একটি পিকনিক করে ফেললেন।বাড়িতে গেলে বেশ মজা হয় দেখছি আপনাদের।চরে গিয়ে প্রথমে রাজহাঁস কেনা তারপরে রাতে সবাই মিলে পিকনিক করে মজা করা।ভালো লাগলো পোস্টটি।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।