ক ঠি ন - বা স্ত ব তা।
হ্যালো বন্ধুরা। আপনাদের দিনকাল কেমন যাচ্ছে? আপনি কি মাঝে মাঝে নিজেকে একা অনুভব করেন? এই পৃথিবীটা অনেক বড়। আমি আপনি এই বিশাল পৃথিবীর কাছে কিছুই না। আপনার আসেপাশের মানুষ গুলো সমাজের ফ্রেমে আটকে আছে। তাই পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে সবার সাথে সবার। জীবন চলার পথে বহুবার হোঁচট খেতে হয়। প্রত্যেকবারই নতুন নতুন মানুষ চেনা যায়।
জীবনে আমি প্রচুর হোঁচট খেয়েছি। প্রতিবারই মানুষের নতুন নতুন চেহারা দেখেছি। অবাক হতে হতে আজ আমি ক্লান্ত। পৃথিবীতে যতদিন বেঁচে আছি ততই অচেনা হয়ে যাচ্ছে সবকিছু। এ উল্টো আচরণে আমি শক্তি হারিয়ে ফেলছি প্রতিনিয়ত। কল্পনার ওপারে নিজেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছি বারবার । বড্ড অসহায় ওই দৃশ্যটি। এ এক দুর্বিষহ জীবন্ত স্রোত। এখানে শিখছি অনবরত। কিন্তু এমন শিক্ষা জগতে যদি না থাকতো, না প্রয়োজন হতো, তবেই মন খুলে হাসা যেত ।
নিজের আঁকা স্বপ্নের ফ্রেমে আর কত সময় আটকে থাকা যায়। সময় আর বাস্তবতার শেকলের টান অনুভূত হয় সারাক্ষণ। অনিচ্ছায় পতিত হতে হয় বাস্তবতার অনলে। তাইতো পুড়তে শিখতে হয়। এ কঠিন উনুনে বরফ যেন বেশি তাপ ছড়ায়। গভীর ভুল মনেহয়, কিন্তু সে তো বিরাট বাস্তবতা। এ খেলা স্বপ্নের ফ্রেমে সহজেই ফাটল ধরায়। একদিন অন্যের সাজানো স্বপ্নের ফ্রেম হয়তো ভেঙে যায়, কিন্তু খারাপ কে বলবে সেটাকে? বলার লোক কই। জীবন বড়ই হাস্যকর। হা হা হা।।
এটা কারোর একার গল্প নয়। এভাবেই হেরে যেতে হয় প্রতিনিয়ত। তাই নিজেই পথ চলতে শিখে নেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। যদিও সেটা কখনোই সহজ হয় না। ভরসা সেই একমাত্র মালিকের উপরেই। আমি মনে করি, পরিবেশ যদি কারোর অনুকূলে থাকে স্ব-যত্নে মন দেয়া জরুরি। নিজের অবস্থান শক্ত করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পিঁপড়ার ঘরের পাশ দিয়ে যেতে থাকলে দু'চারটে পিঁপড়ের কামড় খাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আঘাত করতে সবাই রেডি থাকে, আপনার হাত ধরে টেনে তুলার লোক পাবেন না।
নিজের একটা জগৎ তৈরি করার বিকল্প কিছু নেই। নিজের চিন্তা ভাবনা, নিজের শরীর, নিজের মন এগুলোর দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। যতক্ষণ দৃষ্টিটা নিজের এরিয়াতে রাখা যাবে ততক্ষণ ভালো থাকা সম্ভব। নিজের এরিয়া থেকেও সুখ উঠে যাবে যদি বাইরে নজর যায়। দিনশেষে এটাও কঠিন কাজ। জীনটা টেম্পল রানের সাথে তুলনা করলে খুব একটা ভুল হবে না হয়তো। সব সমস্যার পাশ কাটিয়ে যেতে পারলে নিজের উপর ভরসা করা যায়। এটাই আপাতত শান্তির অবস্থা। মনে রাখবেন, নিজেকে একা মনে করা মানে মিথ্যা মহ থেকে বাস্তবতায় আসা।
আমার কথার আগামাথা কিছু বুঝতে পারবেন না অনেকেই। কিন্তু যে বুঝতে পারবে সে আমার মতোই ভাবে। আমি আর বেশি কিছু লিখবো না আজ। বিদায় নিতে হবে প্রতিদিনের মতো। নিজেকে নিয়ে ভাবুন, নিজের পরিবারের পাশে থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।
image source & credit: copyright & royalty free PIXABAY
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
হাঁটতে শেখার সময় যেমন হোঁচট না খেলে হাটা শেখা যায় না,তেমনি জীবনে কঠিন সময় না পরলে মানুষ চেনা যায় না।আসলে কেউ কারো নয়, নিজের সমস্যা গুলো নিজেকেই সমাধান করতে হয়।অন্যর আশায় থাকলে আর কষ্ট পেতে হয়।নিজের পথ নিজেকেই তৈরি করে নিলেই ভালো।কথা গুলো আসলেই বাস্তব,ভালো লাগলো পড়ে।ধন্যবাদ
ক ঠি ন - বা স্ত ব তা নিয়ে সুন্দর লিখেছেন দাদা।আসলে এই পৃথিবীতে আমরা খুবই ক্ষুদ্র।আর মানুষ সব সময় পরিবর্তনশীল।তবুও নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে হবে।ধন্যবাদ দাদা।
মানুষ স্বভাবত কল্পনাপ্রবণ কিন্তু জীবন বাস্তবতায় পরিপূর্ণ,আর এই কল্পনা ও বাস্তবের মধ্যে যখন অমিল দেখা যায় তখনই শুরু হয় মানসিক সংঘাত। তবে যাই হোক না কেন, যত কঠিন বাস্তব হোক না কেন আমাদের অবশেষে সেটিকেই মেনে নিতে হয় আর এটাই প্রকৃতির নিয়ম।জীবনে চলার পথে কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন না হলে মানুষ চেনা যায় না,আর যখন আমরা মানুষ চিনতে শিখে যাই তখন অনেকটাই দেরি করে ফেলি।ভাইয়া আপনার কঠিন বাস্তবতার গল্প পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। সুন্দর করে গুছি বাস্তবতা কে তুলে ধরার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই ভাইয়া।