ঝালমুড়ি সিঙ্গারা!!
.হ্যালো বন্ধুরা।
আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। গত দুদিন ধরে পরিবেশটা আগে তুলনায় ঠান্ডা মনে হচ্ছে আজ। গ্রামের অবস্থা অনেক বেশি সুন্দর। গ্রামে অনেক শীত পড়তেছে এখন। যদিও শহরে এখন নাতিশীতোষ্ণ একটা অবস্থা। হয়তো শীত পড়বে শুধু ডিসেম্বরের ১৫ থেকে জানুয়ারি ১৫ অব্দি।
এই শীতের সময় বেশি করে ঝাল দিয়ে মুড়ি মাখানো খেতে কার না ভালো লাগে? আজকে আমি ঝাল মুড়ি আর সিঙ্গারা নিয়ে কিছু অনুভূতি শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। সিঙ্গারা আমার খুব ছোটবেলা থেকেই প্রিয় একটি মুখরোচক খাবার। স্ট্রিট ফুড গুলোর মধ্যে আমার জীবনে সবচেয়ে বেশি খেয়েছি ঝাল মুড়ি আর সিঙ্গারা। চপ আর পিয়াজু ও আমি খেয়েছি অনেক, কিন্তু চপে অনেক বেশি তেল থাকার কারণে এখন তেমন একটা খাই না।
আমাদের বাড়ির পাশে একটা বাজার আছে সেই বাজারের একটা দোকান আছে যে দোকানের সিঙ্গারা আমাদের পরিবারের সবাই পছন্দ করে। আপু যখন আমাদের বাড়ি আসে বেড়াতে তখন বাজারের ওই সিঙ্গারা দোকান থেকে সিঙ্গারা নিয়ে আসতে বলে আমাকে। গ্রামে যখন আমরা একটু ঘুরাঘুরি করি আর তার মাঝখানে যখন সিঙ্গারা খেতে ইচ্ছা হয় সোজা চলে যাই ওই বাজারে। নির্দিষ্ট ওই দোকানটা থেকে সিঙ্গারা নিয়ে চলে যাই রাস্তার ধারে নদীর পাশে। পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে গরম সিঙ্গারা খেতে ভীষণ ভালো লাগে।
এই শীতের বিকেলে ধোয়া ওঠা গরম সিঙ্গারা আর সাথে কাঁচামরিচ আর দুএক টুকরো পেঁয়াজ হলে বিকেলটা জমে যায়। ছোটবেলায় দেখতাম এক টাকার দুটো সিঙ্গারাও পাওয়া যেত আমাদের বাজারে। পরে দাম বেড়ে এক টাকা হলো। এরপর ২ টাকা, তারপর ৩ টাকা এরপর ৫ টাকা। অনেক জায়গায় ১০ টাকা বা ১৫ টাকা হয়ে গেছে কিন্তু আমাদের বাজারে ঐখানে পাঁচ টাকায় বিক্রি হয় এখনো।
নদীর পাশে একটা রাস্তা, সেই রাস্তাটা নদী থেকে অনেক উঁচু। রাস্তা থেকে নেমে গেলে অনেক সুন্দর একটা জায়গা আছে নদীর পাশে বসার। রাস্তার পাশে অনেকগুলো চটপটি ঝাল মুড়ির দোকান হয়েছে নতুন। ঝাল মুড়ি খেতে হলে আবার ঐখান থেকেই খাই। ওইখানের ঝালমুড়িটা অসাধারণ। খেয়াল করবেন কিছু কিছু জায়গা আছে যেখানে একটা খাবার হয় একটু স্পেশাল। আর ওইটার জন্যই ওই দোকান বা ওই জায়গাটার নাম হয় বেশি।
আগের মত অবশ্য এখন আর ঝালমুড়ি সিঙ্গারা এগুলো খাওয়া হয়না কারণ এগুলো খুবই অস্বাস্থ্যকর হয়। অতিরিক্ত মশলা তেলের খাবার গুলো আমাদের সবসময়ই পরিহার করা উচিত। কিন্তু মাঝে মাঝে মন মানে না। এজন্য মাঝে মাঝে খাওয়াটা তেমন সমস্যা ও না। তবে অবশ্যই আমাদের উচিত যতদূর সম্ভব এই অস্বাস্যকর খাবার গুলো পরিহার করা। শুধু কোন অকেশনে বা অনেক বেশি ইচ্ছে হলে মাঝেমধ্যে খাওয়া যেতে পারে। আজ আমি তাহলে এখানেই বিদায় নিচ্ছি। পরবর্তী পোস্টে দেখা হবে ইনশা আল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
সেদিনে নদীর পাড়ে বসে সিঙ্গারা ঝাল মুড়িটা খেয়ে বেশ মজা পেয়েছিলাম। তবে সত্যি বলেছেন ভাই এসব খাবার আমাদের এভয়েড করা উচিত। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই পোস্টটি সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
হয়তো এখানকার গল্প নিয়েই ভাবি এর আগে ঝাল মুড়ি খাওয়ার ঘটনা শেয়ার করেছিল বিকেলে আপনি আর ভাবি নাকি সেখানে গিয়েছিলেন। হ্যাঁ আসলে আমাদের এই অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবারগুলো পরিহার করা উচিত যেটা স্বাস্থ্যের জন্য একটু ক্ষতিকারক।
না, ও অন্য দিনের গল্প শেয়ার করছিলো।
আসলে ভাইয়া ঝাল মুড়ি সিঙ্গারা যদিও আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তবে দেখলে জিভে মানে না। আপনার ঝালমুড়ি খাবার খাওয়ার অনুভূতি গুলো পড়ে অনেক ভালো লাগলো। আসলে ভাইয়া একেক জায়গা একেক জিনিসের জন্য বিখ্যাত। ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলে ভাইয়া এখানকার সিঙ্গারাটা সবথেকে বেশি টেস্ট লাগে। বিশেষ করে শীতের দিনে মরিচের সাথে সিঙ্গারা খেতে বেশ ভালো লাগে তবে আমার খুব ঝাল লেগে যায়। আর শীতের রাতে কান গরম করার জন্য তো কাচা সুপারি পান খেলে যথেষ্ট😄।
৫ টাকার সিঙ্গারা এখন পাওয়া কষ্টকর। আপনাদের বাজারের ওই দোকান থেকে সিঙ্গারা আমিও খেয়েছি সম্ভবত। বেশ ভালো তৈরি করে। সত্যি বলেছেন ভাই বিকেল টা সিঙ্গারা এবং চপ সঙ্গে ঝালমুড়ি হলে একেবারে জমে যায়। অস্বাস্থ্যকর হলেও খাওয়ার ইচ্ছা হলে ওগুলো কিন্তু আর মাথায় থাকে না। বেশ দারুণ লাগল আপনার পোস্ট টা পড়ে ভাই।
বাহ রে কি দেখলাম ভাইয়া এত চমৎকার ভাবে শেয়ার করলেন আপনি। সিঙ্গারার কালার গুলো দেখে মনে হচ্ছে ভীষণ মজার হবে। যেহেতু আপু বাড়িতে আসলেই আপনাকে নিয়ে আসতে বলে। তাহলে বুঝতে হবে খাবার গুলো খুবই মজাদার। তাছাড়া ঝালমুড়ির কালার গুলো খুবই চমৎকার ছিল। এরকম মজার খাবার যদি কাঁচা মরিচ দিয়ে খোলামেলা পরিবেশে বসে খাওয়া যায় সবাই মিলে দারুন ভালো লাগে। অনেক ভালো লাগলো আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে।
আপনার মতো আমারও ঝালমুড়ি এবং সিঙ্গারা খুব পছন্দ। মাঝেমধ্যে বিকেল বেলা এইসব খাবার গুলো খেতে দারুণ লাগে। যতই অস্বাস্থ্যকর হোক না কেনো, মাঝেমধ্যে না খেয়ে থাকা যায় না। হ্যাঁ ভাই কিছু কিছু জায়গা একেকটি খাবারের জন্য বেশ জনপ্রিয়তা পায়। সিঙ্গারা এবং ঝালমুড়ি দেখে তো খেতে ইচ্ছে করছে ভাই। যাইহোক এতো সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
যদিও বাইরের খাবার খুব একটা খাওয়া হয় না আমার।তবে আপনার হাতে সিঙারা আর ঝালমুড়ি দেখে ভীষণ খেতে ইচ্ছে করছে।এটা ঠিক কিছু কিছু দোকানে কিছু আইটেমের জন্য খুব নাম করে ফেলে।সেই খাবারগুলো খেতে অনেক সময় ই ইচ্ছে করে।নদীর পাড়ের দোকানের মুড়ি মাখানো দেখে সত্যিই খুব মজার বোঝা যাচ্ছে।খেয়েছেন খুব মজা করে তাই না? সুন্দর পরিবেশে দাঁড়িয়ে এমন খাবার গুলো সত্যিই খুব ভালো লাগে খেতে। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে সুন্দর অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।