পদ্মা নদীর চরে এক মনকাড়া খামারবাড়ি পর্ব-২৭
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের মাঝে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে চলে এসেছি আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ২৭ নম্বর পর্ব। আশা করি আমাদের পুরো গল্পটি আপনাদের সবার কাছে খুবই ভালো লাগবে। ইতিমধ্যে আমি আপনাদের মাঝে প্রথম থেকে ২৬ নম্বর পর্ব পর্যন্ত শেয়ার করেছি। তাহলে কথাটা বারিয়া চলন শুরু করা যাক আমার আজকের পর্বের গল্প।
তাদের কাজের মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া নেই আবার আলসেমিও নেই। ধীর কিন্তু নিয়মিত। এই ধৈর্যই হয়তো চরের মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি। চরের মাটির রাস্তা ধরে হাঁটার সময় বারবার মনে হচ্ছিল এই রাস্তা শুধু চলার পথ নয় এই রাস্তার সাথে জড়িয়ে আছে কত গল্প কত জীবন। এই পথ দিয়েই ফসল মাঠে যায় এই পথ দিয়েই মানুষ বাজারে যায় আবার এই পথ দিয়েই শিশুরা হেঁটে স্কুলে যায়। শহরে আমরা যখন বাজার থেকে সবজি কিনি তখন খুব কমই ভাবি এই সবজির পেছনে কত পরিশ্রম লুকিয়ে আছে। কিন্তু এখানে এসে প্রতিটা শাকপাতা প্রতিটা সবজি যেন আলাদা করে কথা বলে। বলে যায় পরিশ্রমের কথা অপেক্ষার কথা আর প্রকৃতির সাথে লড়াই করে টিকে থাকার গল্প।
চরের মানুষদের সাথে কথা বলে একটা বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা গেল তারা প্রকৃতিকে শোষণ করতে চায় না। তারা জানে প্রকৃতিকে ভালো রাখলেই প্রকৃতি তাদের ভালো রাখবে। তাই তারা যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক উপায়ে চাষাবাদ করার চেষ্টা করে। গোবর সার জৈব সার কম রাসায়নিক এই বিষয়গুলো এখন তাদের কাছে নতুন নয়। এটাই ছিল আমার আজকের গল্প আশা করি আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে তাহলে আজ এখানে বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সেই কামনা রইল আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |