চাঁদনী রাতের পাহাড়ের দৃশ্য অঙ্কন || ডিজিটাল আর্ট #164
হে লো আমার বাংলা ব্লগ বাসী। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালো আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি। আবার ও হাজির হলাম একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্ট। কি খবর সবার। আজ হালকা একটু বৃষ্টি হয়েছে। আর বৃষ্টির দিন আবহাওয়া ঠান্ডা থাকাতে আমার মন ও ভালো থাকে অনেক। যাক আজ আবারো একটি আর্ট নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের।
ডিজিটাল আর্ট করতে বেশি কিছু লাগেনা। আমার যা যা লেগেছে-
- কম্পিউটার
- Adobe Photoshop CC 2019
- ফ্রি কাস্টম ব্রাশ Brusheezy! থেকে। এখান থেকে কপিরাইট ফ্রি কাস্টম ব্রাশ প্রিসেট নামাতে পারবেন)
প্রথমে আমি ফটোশপ ওপেন করে নিউ ফাইল তৈরি করি যার সাইজ রেশিও ২০০০X১১২৪ পিক্সেল।
প্রথমেই আমি নতুন একটি লেয়ার খুলে নেই।
এবার আমি লেসো টুল ব্যবহার করে দুই পাশের ছোট পাহাড় এর মতন খাজ এঁকে দিলাম।
এবার ব্যাকগ্রাউন্ড এ কিছু পাহাড় আঁকতে শুরু করলাম। এগুলো ডিজাইন বৃদ্ধি করবে।
এবার পেছনের দিকে আরো কিছু পাহাড় যুক্ত করি। এগুলো একটি থেকে আরেকটি আলাদা আকার এর হয় এবং আলাদা রঙ এর হয়ে থাকে।
এবার আগের পাহাড় গুল একটু ছোট করে পেছনে বড় আরো একটি পাহাড় এঁকে দেই।
এবার পুরো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড এ গ্র্যাডিয়েন্ট রঙ যুক্ত করি।
এবার কাষ্টম ব্রাশ টুল এর মাধ্যমে প্রতিটা লেয়ার এ নানান ডিজাইনের পাইন গাছ যুক্ত করি।
এবার এলিপ্টিক্যাল মারকিউ টুল ব্যবহার করে চাঁদ এঁকে দেই। এরপর ব্লেন্ডিং অপশন ব্যবহার করে চাঁদ এর উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করি। এরপর পাহাড় এর কিছু অংশ একটু উজ্জ্বল করি যেনো মনে হয় চাঁদের আলোতে এমন হয়েছে।
এবার আমার নাম যুক্ত করে ড্রইং শেষ করি।
তো এই ছিলো আজকের পোস্ট এ। কেমন হলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। সবাই সাবধানে থাকবেন ভালো থাকবেন।
░▒▓█►─═ ধন্যবাদ ═─◄█▓▒░
আমি রাজু আহমেদ। আমি একজন ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি থেকে। আমি বাঙ্গালী তাই বাংলা ভাষায় লিখতে ও পড়তে পছন্দ করি। ফোন দিয়ে ছোটখাট ছবি তোলাই আমার সখ। এছাড়াও ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমার কাছে তো গরম বৃষ্টি থেকেই মনে হয় শীতকাল অনেক ভালো লাগে। এখন চারপাশের আবহাওয়ার যে কি অবস্থা। আপনি তার সাথে চমৎকার আর্ট করেছেন। দেখতে তো খুবই সুন্দর দেখাচ্ছে। আমার নিজের কাছেও চাঁদনী রাতের অথবা গভীর রাতের আর্ট গুলো অনেক ভালো লাগে। কারণ তখন চাঁদের আলোটা যেন অসাধারণ ভাবে ফুটে ওঠে। চারপাশের পরিবেশটাও খুবই সুন্দর দেখায়। আপনার আর্ট ও ভালো লেগেছে আমার কাছে।
শীতকাল আমারো অনেক পছন্দের। তবে বৃষ্টি ভালো লাগে পরিবেশ ঠান্ডা করে দেয় দেখে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আপনি খুব সুন্দর চাঁদনী রাতের পাহাড়ের দৃশ্য অঙ্কন করেছেন। দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগছে। ডিজিটাল আর্টগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার কাছে চাঁদটি বেশি ভালো লেগেছে। সুন্দর একটি ডিজিটাল আর্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
চাঁদনী রাতে পাহাড় দেখতে বেশ লাগে কিন্তু।
বৃষ্টির দিনে তো আবহাওয়া ঠান্ডা থাকবেই। আসলেই বৃষ্টিমুখর দিনে যখন আবহাওয়া ঠান্ডা থাকে তখন মন বেশ ভালো লাগে। যাইহোক আপনার ডিজিটাল আর্ট দেখে বেশ ভালো লাগলো। এই আর্টটিও সুন্দর ছিল।
তা ঠিক বলেছেন। তবে এখন আর আগের মতন অত বেশি ঠান্ডা আবহাওয়া থাকেনা।
ডিজিটাল আর্ট সম্পর্কে আমার তেমন একটা ধারণা নেই। তবে আপনি ধাপে ধাপে সুন্দর করে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং বর্ণণা করেছেন। ফাইনাল আউটলুক টি দেখতে বেশ দারুণ হয়েছে। আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে চাঁদনী রাতের ডিজিটাল আর্টটি। ঠিক যেন কোন এনিমেশন মুভির অংশ।
একটা সময় আমারো ডিজিটাল আর্ট সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা ছিলোনা। পরে করতে করতে হয়ে গেলো আরকি।
ভাই নিয়মিত আপনি আমাদের মাঝে ডিজিটাল চিত্র শেয়ার করেন আমার খুব ভাল লাগে এবং অনুপ্রেরণা হয় শেখার।কতো সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন অনেক ভাল লেগেছে।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করার জন্য।
চেষ্টা করি ভাই । সুন্দর ভাবে সব কিছু করার।
ভাইয়া আমাদের এখানে তো টানা কয়েকদিন থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। এই রোদ এই বৃষ্টি আবহাওয়া কিছু বোঝা যাচ্ছে না ।যাইহোক আপনার চাঁদনী রাতের পাহাড়ের ডিজিটাল পেইন্টিংটি সত্যিই চমৎকার লাগলো ।পাহাড় গুলো দেখতে বেশ ভালো লাগছে। ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আসলে এই বৃষ্টি তো এই রোধ। আবহাওয়া বুঝা কষ্টকর।
চাঁদনী রাতের পাহাড়ের দৃশ্য অঙ্কন দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আপনার এই ডিজিটাল আর্ট আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ করে চাঁদের আর্ট সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর ডিজিটাল আর্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আসলে ধাপে ধাপে শেয়ার করি যেনো সবাই বুঝতে পারে।
চাঁদনী রাতে পাহাড়ে দারুন একটি ডিজিটাল চিত্র অংকন করেছেন ভাইয়া। অংকন টি দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। আপনি ধাপে ধাপে অনেক সুন্দর ভাবে আর্ট গুলো বুঝিয়ে দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ আপু এতো সুন্দর প্রশংসা করার জন্য।