মায়ের হাতের মজাদার পুলি পিঠার রেসিপি
হে লো আমার বাংলা ব্লগ বাসী। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালো আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি। আবার ও হাজির হলাম একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্ট। তো আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার আম্মুর হাতে তৈরি একটি মজাদার পুলি পিঠা রেসিপি। তো কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি।
| উপাদান | পরিমাণ |
|---|---|
| আটা/ময়দা | ২০০ গ্রাম |
| নারিকেল | ২ টি |
| চিনি | পরিমান মত |
| বেলুন পিড়ি | এক সেট |
| পিঠা কাঁটার মেশিন | একটি |
| তেল | পরিমান মত। |
প্রথমেই আটা/ময়দা গরম পানির মাধ্যমে রুটি বানানোর কাই বানিয়ে নিতে হবে। এটা সবাই জানেন তাই এখানে দেখিয়ে পোস্ট বড় করলাম না।
এটা হচ্ছে পিটার ভিতরের পুর। এটা বানানো দেখাতে পারলাম না তাই প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি। কারণ আম্মু এটা রাতে বানিয়ে রেখেছিলো আগেই। তবে এটা বানানোর আরো একটি রেসিপি দেখাবো সামনে। চিনি ও কোরানো নারকেল দিয়ে এই পুর বানানো হয়।
এবার বেলুন ও পিড়ি দিয়ে প্রথমে কাই থেকে রুটি বানিয়ে নিতে হবে। তারপর পিঠা কাঁটার মেশিন দিয়ে অর্ধেক করে কাটতে হবে। চাইলে ছুরি ব্যবহার করতে পারেন। তবে স্মুথ ভাবে কাটতে হলে মেশিন ব্যবহার করাই ভালো। তারপর সেটার উপর পুর দিতে হবে।
পুর ভরার পর সেই রুটিটিকে ভাজ করে দিতে হবে। তারপর আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিয়ে সাইড গুলো জোড়া লাগিয়ে দিতে হবে। তারপর অতিরিক্ত অংশ পিঠা কাঁটার মেশিন দিয়ে কেটে দিতে হবে।
এভাবে এঁকে এঁকে সকল পিঠায় পুর ভরে প্রস্তুত রাখতে হবে।
এবার একটি প্যান এ তেল গরম দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে এই পিঠা ডুবু তেল এ ভাজলে ভালো হয়। আবার অনেকে তেল ছাড়াও রুটির মতন করে ভেজে নেয়। তেল এর যা দাম বেড়েছে সে হিসেবে ওটাই ভালো।
তেল গরম হলে এবার পিঠা গুলো ভেজে নিতে হবে। বেশি ভাজার দরকার নাই। হালকা করে ভেজে নিলেই হবে। চাইলে তেল ছাড়াও রুটির খোলা তে রুটির মত করে ভেজে নিতে পারেন। তবে তেলে ভাজলে স্বাদ বেশি লাগে একটু।
ভাজার কাজ শেষ হলে এভাবে উঠিয়ে তেল ঝরতে দিতে হবে। এবার কাজ শেষ এখন পরিবেশন করার পালা।
| বিভাগ | রেসিপি |
|---|---|
| ডিভাইজ | ওয়ানপ্লাস ৭টি |
| বিষয় | মায়ের হাতের পুলি পিঠার রেসিপি |
| লোকেশন | https://w3w.co/mouths.migrants.ruffling |
| ফটোগ্রাফার | @razuahmed |
তো এই ছিলো আজকের পোস্ট এ। কেমন হলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। সবাই সাবধানে থাকবেন ভালো থাকবেন।
ভাইয়া আপনি মায়ের হাতের মজাদার পুলি পিঠার রেসিপি শেয়ার করেছেন। দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য
অনেক সুন্দর হয়েছে ভাই পুলি পিঠার রেসিপি। পিঠা ভালবাসেনা এমন লোক হয়তো কমই পাওয়া যাবে। আমি মূলত পুলি পিঠা খুবই পছন্দ করি। আপনার উপস্থাপনা অনেক সুন্দর ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।
ধন্যবাদ ভাই এতো সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
পুলি পিঠা খেতে অনেক মজা। আমার অনেক বেশি পছন্দের আবার সেটা যদি হয় মায়ের হাতের তাহলে তো কোন কথাই নেই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এই মজাদার মায়ের হাতের পুলি পিঠা রেসিপি শেয়ার করার জন্য ভাই
ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আমার কাছে এই পুলি পিঠা অনেক বেশি ভালো লাগে। তবে চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করা পিঠা পুলি পিঠা বলি ।আর আটা ময়দা দিয়ে তৈরি করা পিঠাকে রসাপুলি বলা হয়। আটা দিয়ে তৈরি করা পিঠা ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখা যায় তাই পরেও খাওয়া যায়।অনেক ভাল লাগলো আপনার পিঠা রেসিপি।
ধন্যবাদ আপু এতো সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
ভাইয়া পিঠাটি আমার আম্মু মাঝে মাঝে বাসায় তৈরি করে খেতে দারুন লাগে। আম্মুর হাতের এই পিঠাটি ভাষার প্রায় সবাই অনেক অনেক বেশি পছন্দ করে। এখন আপনার পিছনে দেখে আমার খুব লোভ লেগে গেছে। ইচ্ছে করছে সব নিয়ে খেয়ে ফেলে। কিন্তু মনে পড়ল আমিতো রোজা খাওয়া তো যাবে না। যাইহোক ভাইয়া আপনি খুব সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। তবে আমার আম্মু পিঠাটি চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ আপু এতো সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
বাহ্ খুবেই চমৎকার । অসাধারণ হয়েছে আপনার মায়ের হাতের মজাদার পুলি পিঠার রেসিপিটি। আমার মা ও এই ভাবে পুলি পিঠা তৈরি করে। এমনিতে মায়ের হাতের পিঠা খাইতে বেশ সুস্বাদু হয়। পুলি পিঠা আমার খেতে খুব ভালো লাগে। ভাইয়া আপনার উপস্থাপনা টা অনেক সুন্দর হয়েছে। সুন্দর একটি পিঠা পুলি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে ভাগ করে নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।
পুলি পিঠা আমার কি যে পছন্দের জাস্ট বলার বাহিরে। বিশেষ করে এই পিঠার ভিতরে পুর আমার অনেক বেশি পছন্দের। আমার আম্মু ও বাসায় এ পিঠাটি অনেক বেশি তৈরি করে। তবে এই পিঠাতে আমরা আটা বা ময়দা ব্যবহার না করে,চালের গুড়ি ব্যবহার করে। খুবই মজাদার দেখাচ্ছে পিঠে পুলি। ধন্যবাদ ভাইয়া এত মজাদার একটি রেসিপি পোষ্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
বাহ অনেক ভালো লাগলো পুলি পিঠার রেসিপি দেখে। অনেক সুস্বাদু ও লোভনীয় একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন ভাইয়া। মায়ের হাতের বানানো পিঠা ভালো তো হবেই। আমার অনেক পছন্দের একটা পিঠা রেসিপি। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য
মায়ের হাতের মজাদার পুলি পিঠার রেসিপি শেয়ার করেছেন ভাই। তবে দেখতে অবশ্য ভালোই লাগতেছে। খেতে ইচ্ছে করছে কিন্তুু রোজা আছি 😁😁।
যাক আপনি খুবই সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল💞💞
গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।
পুলি পিঠা বরাবরই আমার খুব ফেভারিট মাঝেমধ্যেই প্রস্তুত করে খাওয়া হয় তবে আমিও মায়ের হাতের প্রস্তুত করা পিঠা খেয়েছি নিজে কখনো প্রস্তুত করি না আপনি খুব লোভনীয় ভাবে রেসিপিটি উপস্থাপন করেছেন শুভেচ্ছা রইল
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য