বন্ধুর বাইকে ঘুরতে যাওয়ার অনুভূতি।
হে লো আমার বাংলা ব্লগ বাসী। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালো আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি। আবার ও হাজির হলাম একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
কি অবস্থা সবার। আশা করি আপনারা সবাই জোশ মুড এ আছেন। আমিও আছি চমৎকার। চমৎকার থাকতেই হয়। জীবনের সব সময়কে ভালো ভাবে কাজে লাগাতে হবে আমাদের। আর আমি সব সময়ই ভালো থাকার চেষ্টা করি। যাই হোক। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো বন্দুর সাথে একটু ঘুরতে যাওয়ার অনুভূতি।
সেদিন ছিলো শুক্রবার। যেহেতু আমার সেমিস্টার ব্রেক চলে তাই ক্লাস ছিলোনা। সকাল থেকেই বাসায় ছিলাম। কি যেনো একটা কাজ ছিলো সেটা সকালের মধ্যেই শেষ করে ফেলি। এরপর ফ্রি ছিলাম। তবে ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। মাঝে আমার বন্ধু কল দিলো। বললো বটতলা যাইতে। আমিও যেহেতু ফ্রি ছিলাম তাই চলে গেলাম। যেতে যেতে আরেক বন্ধুরে কল দিলাম। ও চলে আসলো। সাথে ওর এক কাজিন ও আসলো। এরপর আমরা ৪ জন মিলে আড্ডা দিলাম। তবে বেশিক্ষন আড্ডা দিতে পারিনি। যেহেতু শুক্রবার তাই আমাদের জুম্মার নামাজ পড়তে যেতে হবে। আমি আর শুভ বিদায় নিয়ে চলে আসলাম। এরপর বাসায় এসে গোসল করে নিলাম। এইদিকে শুরু হয়েছে সেই বৃষ্টি। কিন্তু নামাজ পড়তে তো যেতেই হবে। মনে মনে খুশি হলাম যে এবার আমার BMW ছাতা উদ্বোধন করতে পারবো। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। জায়নামাজ হাতে নিয়ে ছাতা নিয়ে রউনা দিলাম মসজিদ এর উদ্দেশ্যে। এরপর বৃষ্টিতো কমেনা। এইদিকে মসজিদ ও ভরে গিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় জায়নামাজ বিছালাম। ভিজে যাবে জানি। তবে কি আর করার। নিজের দোষেই। দেড়ি করে যাওয়াতে আরকি। যাক এরপর নামাজ শেষ করে বাসায় এসে পরলাম। খাওয়া দাওয়া সেরে ঘুমালাম কিছুক্ষন।
ঘুম থেকে উঠে দেখি ৫ টা বাজে বিকেল। তো আমি শুভো রে কল দিলাম। জিজ্ঞেস করলাম বাইক নিয়ে বের হবে কিনা। চাপটি খেতে যাওয়ার কথা। ও বললো ঠিক আছে। তখন আমিও প্রস্তুতি নিয়ে রউনা দিলাম শুভোর বাসার দিকে। ও ড্রাইভ করছিলো। আর আমি পিলিওন হিসেবে ছিলাম। ভেবেছিলাম ৩০০ ফিট রাস্তা হয়ে পুর্বাচল যাবো। কিন্তু আমার বন্ধু বাইকের কাগজ আনেনি সাথে। তবুও ভাবলাম রিস্ক নেই। ও মা। মেইন রোডে উঠবো আর দেখি পুলিশ এর গাড়ি। বাইক চেক করতেছে। সাথে সাথে আমার বন্ধু বাইক ঘুরাই টান। এবার ঠিক করলাম আমরা চাপটি খাবো তবে বরুয়া যেয়ে। তাই সেদিকেই রউনা দিলাম। বৃষ্টি হওয়াতে রাস্তায় কাদা ছিলো প্রচুর। তাই শুভো ধিরে ধিরেই চালাচ্ছিলো। এরপর একটা সময় পৌছে গেলাম গন্তব্যে। যেয়ে দেখি একটু আগেই চুলা বসিয়েছে। আর সিরিয়াল আছে দুইটা। ভাবলাম আমরা সামনের থেকে ঘুরে আসি। সামনে একটা পুল আছে। সেখানে যেয়ে বসলাম। কিছু ফটোগ্রাফি করলাম। ফটোগ্রাফি করতে কার না ভালো লাগে বলুন। যাক একটু পর মাগরিব এর আযান দিয়ে দিলো। তারপর আমরা সেখান থেকে আবার চাপটির দোকানে ব্যাক করলাম। এবারো দেখি একজন এর সিরিয়াল। ওনাকে দেওয়ার পর আমাদের পালা আসলো।
অর্ডার দিলাম। আগে এই চাপটি ছিলো ৫ টাকা। যেটা এখন হয়েছে ১০ টাকা। তবে ব্যাপার না। আগে ডিম দিয়ে চাপটি ছিলো ২৫ টাকা। সেটা এখন ৩৫ টাকা। প্রথমে আমরা সাধারন চাপটি নিলাম। প্রথম একটা হওয়ার পর আমি আর শুভো ভাগা ভাগি করে খেয়েনিলাম সেটা। এরপর দুইটা দিলেন এক সাথে। মজার বিষয় হচ্ছে ওগুলোতে ম্যাগি মশলা দেওয়া ছিলো উপর থেকে। এভাবে আমরা আরো দুইটা খেলাম। এরপর শেষে বললাম ডিম দিয়ে একটা বানাতে। ইতিমধ্যে ওনার দোকানে চিতই পিঠা নেওয়ার জন্য ভির পরে গেলো। কারো ১০ টা তো কারো ২০ টা। এক মহিলা তো পিঠা পাহারা দেওয়ার জন্য বসেই গিয়েছিলেন। যাক তারপর খেয়ে আমরা রউনা দিলাম। ছবি তুলার সুযোগ পাইনি। প্রথমত আলো ছিলোনা তেমন। আর মানুষ ছিলো অনেক। আর মানুষ এর সামনে এসব ছবি তুলতে আমার কেমন যেনো লাগে।
░▒▓█►─═ ধন্যবাদ ═─◄█▓▒░
আমি রাজু আহমেদ। আমি একজন ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি থেকে। আমি বাঙ্গালী তাই বাংলা ভাষায় লিখতে ও পড়তে পছন্দ করি। ফোন দিয়ে ছোটখাট ছবি তোলাই আমার সখ। এছাড়াও ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
বন্ধুর সাথে যে কোন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর মুহূর্তটা অন্যরকম। আমরা এখন পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে বেড়। আপনি আপনার বন্ধুর সাথে বেশ ভাল সময় কাটিয়েছেন ভাই। ঘোরার পাশাপাশি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি তুলেছেন। যেগুলো দেখতে ভীষণ ভালো ছিল। সব মিলিয়ে বন্ধুর সাথে খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
এটা দারুন বলেছেন ভাই। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার মুহুর্ত সহ সময় অন্য রকম লাগে।
আপনি তো আমার মত অলস। নিজে আলসেমি করে দেরি করে মসজিদে গিয়ে জায়গা না পেয়ে বাহিরে রাস্তায় জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়লেন। আমার মাসে চারবাই এমন হয়। কখনযে মানুষ হবো আল্লাহই জানে। ধন্যবাদ।
একদম ভাই৷ চাইলেই আগে যেতে পারি। কিন্তু আলসেমিতে তা আর হয়ে উঠে না।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন বন্ধুর বাইকে ঘুরতে যাওয়ার অনুভূতি। আসলে বন্ধুর বাইকে ছেড়ে যদি বিকেল বেলায় কোথাও বন্ধুর সাথে ঘুরতে যাওয়া যায় বেশ ভালই লাগে ভাই। আসলে আগের ডিমের দামের তুলনায় এখন ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে তাই হয়তো ডিমের চপের দাম আগের থেকে দশ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে ভাই। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
তবুও। ৩০ টাকা হলে আমার হিসেবে পার্ফেক্ট হতো।
যাইহোক আপনি তো বন্ধুর সাথে অনেক ঘুরেছেন দেখা যাচ্ছে। তবে জুমার নামাজের দিন মনে হয় একটু জলদি মসজিদে গেলে ভালো হয়। তবে ঘুরতে গিয়ে বাইকের কাগজ না নিয়ে আপনার বন্ধু ভুল করেছে। যদিও পুলিশ আপনাদেরকে দেখে নাই বা কাগজ চেক করে নাই তার আগে আপনারা ওখান থেকে সরে গেলেন। আর মনে হয় চাপাটিগুলো খুব মজা করে খেলেন দোকানে বসে। আসলে প্রিয় বন্ধুদের সাথে ঘুরার মজাই আলাদা। ধন্যবাদ আপনাকে বন্ধুর সাথে বাইক নিয়ে ঘুরার পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
চাই তো জলদি যেতে। তবে হয়ে উঠে না৷ ভার্সিটি থেকে আসতে যেয়ে দেড়ি হয়ে যায়।
বাইক নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে আমার কাছে ভালো লাগে। আপনি তো শুক্রবারে দেখতেছি সকাল বিকাল দুই টাইমে ভালোই ঘুরেছেন। তবে ভাইয়া শুক্রবার নামাজের সময় যত জলদি যাওয়া যায় ততই ভালো। শুক্রবারে আমি মসজিদে জলদি যাওয়ার চেষ্টা করি। যাইহোক বিকেলবেলা ঘুরতে গিয়ে বড় বিপদ থেকে বেঁচে গেলেন। যদি আপনাদের বাইকটি পুলিশে ধরতো তাহলে ঝামেলায় পড়ে যেতেন। ভালোই করেছেন করে পিছনের দিকে চলে এসে। আর মনে হয় নাস্তাগুলো খুব মজা করে খেয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর করে বন্ধুর সাথে বাইক নিয়ে ঘুরতে যাওয়া পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আমিও চেষ্টা করি ভাই৷ কিন্তু এদিক সেদিক দিয়ে সময় চলে যায়।