শিশু পার্কে সুন্দর কিছু মুহূর্ত উপভোগ ও ফটোগ্রাফি
হ্যা লো বন্ধুরা,কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সকলেই সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় খুব ভাল আছি। আমি @rayhan111 🇧🇩 বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে।
আমাদের সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পাড়ে অপরূপ সৌন্দর্যময় শিশু পার্ক গড়ে উঠেছে। এই শিশু পার্কের দৃশ্য সত্যিই অসাধারণ। সিরাজগঞ্জে শিশুদের জন্য এই পার্ক অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য খুবই বড় ভূমিকা রাখে শিশু পার্ক।বিশেষ করে নদীর পারে এই শিশুটি হওয়ার কারণে সেখানে হাজার হাজার মানুষ ভ্রমণ করতে আসে।নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করে আর এই পার্কের দৃশ্য উপভোগ করি।সত্যি নদীর পাড়ে এই রাসেল পার্কের সৌন্দর্যময় মুহূর্তগুলো আমার খুবই ভালো লেগেছে। তাই পার্কে ভ্রমণ করার মুহূর্তের কিছু ফটোগ্রাফি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম। আশা করছি ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আপনাদের ভালো লাগবে।
সিরাজগঞ্জের আমাদের এই রাসেল পার্কে প্রবেশের আগে টিকিট কাউন্টারে গেলাম টিকিটের মূল্য আগে ছিল দশ টাকা করে। আজকে এসে শুনতে পেলাম টিকিটের মূল্য ৩০ টাকা। তখন একটু খারাপই লাগলো। তার পরেও ৩০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আমার ভাগ্নিদের নিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। ঢুকে দেখতে পেলাম আগের চাইতে অনেক অনেক গুণ সৌন্দর্যময় করেছে।আর অনেক রকমের খেলাধুলার ব্যবস্থা যুক্ত করেছে। সত্যিই ৩০ টাকা নিলেও ভেতরে পরিবেশটা ছিল আগের তুলনায় অনেক ভালো।পার্কের ভিতরে ঢুকে দেখতে পেলাম তরমুজ আকৃতির একটি কাউন্টার করেছে। সত্যিই এই দৃশ্যটি দেখে খুবই ভালো লাগলো এবং দোলনাতে অনেকেই দোল খাচ্ছে, সেই দৃশ্যগুলো উপভোগ করলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
পার্কের সৌন্দর্যময় দৃশ্যগুলোর মধ্যে হাঁটতে ছিলাম আর উপভোগ করতেছিলাম। তারপরে সন্ধ্যা নেমে আসলো। সন্ধ্যার সময় পার্কের ভিতরে আরও বেশি ভালো লাগে। কারণ অনেক সুন্দর সুন্দর লাইটিং এর ব্যবস্থা করা হয়।তার জন্য আমি অপেক্ষা করতেছিলাম। দেখতে ছিলাম লাইটিং এর সুন্দরর্য আর আমি তখন শিশুদের খেলাধুলার দৃশ্যগুলো ফটোগ্রাফি করতে ছিলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
পার্কের ভিতর ঈগল পাখির একটি সুন্দর ভাস্কর্য রয়েছে। সত্যিই এই পাখিটির দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এত সুন্দর ভাবে ঈগল পাখি উড়ে যাচ্ছে। এই দৃশ্যটি ভাস্কর্য আকারে পার্কের ভিতর তৈরি করে রেখেছে। সত্যিই এখানে সকলেই ফটোগ্রাফি করছে।আমার খুবই ভালো লেগেছে। তাই এই ঈগল পাখির একটি ফটোগ্রাফি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম, ভাস্কর্যটি সত্যি অসাধারণ ছিলো।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
এই পার্কের ভিতরে শিশুদের জন্য অনেক রকমের খেলাধুলার ব্যবস্থা রয়েছে। আমি দেখতে পেলাম অনেক শিশুরা একটি বড় গোলকের ভিতরে ঢুকে তারা খেলাধুলা করছে। পানির ভিতর দৌড়াদৌড়ি করছে। সত্যিই অসাধারণ। অনেকেই পড়ে যাচ্ছিল। আমার খুবই ভালো লেগেছে। আমার দাঁড়িয়ে শিশুদের এই খেলার দৃশ্য উপভোগ করতে ছিলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
আমি আমার দুই ভাগ্নিকে নিয়ে শিশুপার্কে এসেছিলাম। তাই ভাগ্নিদের আবদার পূরণ করতে ওদেরকে আমি দোলনায় উঠিয়ে দিলাম। ওরা আনন্দের সাথে দোল খাচ্ছিল। ওদের মুখে হাসি দেখতে পেয়ে আমারও খুবই ভালো লাগলো। তাই দোলনায় দোল খাওয়ার মুহূর্তের কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম। সেখান থেকে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
তারপরে পানির ভিতর ইলেকট্রিক হাঁসের খেলনা ছিলো।আমার ভাগ্নিদের ইচ্ছা জাগল তাই আমি আমার ভাগ্নিদের এই হাঁসের উপরে চড়িয়ে দিলাম। ইলেকট্রিক হাঁস প্রায় ১০ মিনিট চলে ১৫০ টাকা দিতে হয়।তারপরেও অনেক চাহিদা। সকলেই হাঁসগুলো চালাচ্ছে। পানির ভিতর এ হাঁসগুলো চালানোর মুহূর্তটা অসাধারণ। তাই আমি ওদেরকে এই হাঁসের খেলনাতে চড়িয়ে দিলাম আর ফটোগ্রাফি করতে লাগলাম।
ক্যামেরা.মডেল - Note 6 Pro
অবস্থান
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | Redmi Note 6 Pro |
|---|---|
| ধরণ | শিশু পার্কে সুন্দর কিছু মুহূর্ত উপভোগ ও ফটোগ্রাফি |
| ক্যামেরা.মডেল | Note 6 Pro |
| ক্যাপচার | @rayhan111 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ |
শিশু পার্কটি দেখে বেশ ভালই মনে হচ্ছে। আসলে ভিতরে জায়গা সুন্দর করেছে বলে হয়তো তারা টিকিটের দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে। যাই হোক শিশু পার্কের মধ্যে সবথেকে আমার যেটা ভালো লাগলো সেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে বড় গোলের ভিতরে ঢুকে পানি মধ্যে খেলাধুলা করার জিনিসটা। এরকম জিনিস আমি আজকেই প্রথম দেখলাম। আর ওটা দেখে আমারও মনের মধ্যে একটু ইচ্ছা জাগছে যে আমিও একটু ওটার মধ্যে খেলা খেলতে পারলে ভালো হতো। 😁 যাই হোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
বাহ বেশ চমৎকার শিশু পার্কটি। খুবই নিখুঁতভাবে সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি ও করেছেন আপনি। আপনার শিশু পার্কে কাটানো সময় আমাদের মাঝে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আপনার এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
শিশু পার্কে খুবই সুন্দর সময় উপভোগ করেছেন, আর অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেছেন। শিশু পার্কের মুহূর্তগুলো সত্যিই অসাধারণ দেখে খুবই ভালো লাগলো।
আপনি আপনার ভাগ্নিদের নিয়ে সিরাজগঞ্জের রাসেল পার্কে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন দেখছি। আসলে পার্কে গিয়ে সময় কাটাতে ভীষণ ভালো লাগে আমার কাছে। আসলে শিশুদের নিয়ে শিশু পার্কে ভ্রমণ করলে তাদের মন অনেক ভালো হয়ে যায়। ভালোই কাটলো তাহলে আপনাদের মুহূর্তটি। সম্পূর্ণটা পড়ে ভালো লাগলো আমার কাছে।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের কারণে আমার খুবই ভালো লেগেছে, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শিশু পার্কে আমি তো দেখছি শিশুদের থেকে বৃদ্ধরা বেশি। দোলনাতে ও বৃদ্ধ মানুষগুলো বসে আছে। যাই হোক আপনি তো দেখছি আপনার ভাগ্নিদের কে নিয়ে শিশু পার্কে বেশি ভালোই ঘুরাঘুরি করেছেন। এভাবে যে কোন জায়গায় ঘুরাঘুরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে পার্কে ঘোরাঘুরি করতে আমি একটু বেশি পছন্দ করি। আপনার ভাগ্নিরা অনেক খুশি হয়েছিল নিশ্চয়ই। আসলে ছোটদেরকে নিয়ে এরকম জায়গা গেলে তারা অনেক খুশি হয়।
আপনার এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
বাচ্চাদের বিনোদন কেন্দ্রগুলো অনেক সুন্দর ভাবে সাজানো হয়। যাতে করে বাচ্চারা সেখানে অনেক আনন্দ পায়। আসলে এত সুন্দর পার্কে গেলে যে কারো ভালো লাগবে। সত্যি কথা বলতে পার্কের চারপাশে এত সুন্দর ভাবে সাজানো হয়েছে দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে। ভাইয়া আপনি অনেক সুন্দর ভাবে আপনার কাটানো মুহূর্ত ফটোগ্রাফির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পাড়ে সুন্দর এই পার্কের ভেতরে চমৎকার একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন জেনে ভালো লাগলো। সত্যি নদীর পাড়ে যদি ছোট্ট একটি পার্ক থাকে সেখানে মানুষের ভিড় থাকবে এটাই স্বাভাবিক কারণ পার্কের ভেতরে প্রবেশ করে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে। শিশু পার্কের ভেতরে আপনার এই সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে খুবই ভালো লাগলো দারুন ভাবে ফটোগুলো ক্যাপচার করেছেন। শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার প্রশংসা শুনে আমার খুবই ভালো লেগেছে আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা
ভাইয়া আপনার নিজ জেলা সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত শিশুপার্কে ঘুরাঘুরির অনুভূতি পড়ে অনেক ভালো লাগলো। 10 টাকার টিকিট 30 টাকা হয়ে গেছে। এটাই বাংলাদেশের নিয়ম। কোনকিছু যদি ভালোভাবে চলে তাহলে সেটার দাম বাড়িয়ে দেয়। সব কিছুর দাম বেড়ে গেছে তাই তারাও পিছিয়ে থাকবে কেন। পার্কের ভিতর শিশুদের খেলনার জিনিস বেশি দেখলাম। তরমুজটি দেখে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া।