কাব্য আর তীর্থ দুই ভাই।একজন পড়ায় ভালো একজন খেলাধুলায়।আমাদের সবার উচিত যে যেই বিষয়ে দক্ষ তাকে সেই বিষয়টার উপর আরও উৎসাহ দেওয়া।কিন্তু এখানে লিটন সাহেব পরীক্ষার আগে ছেলের মুখে এরকম কথা শুনে রেগে যা ইচ্ছে তাই বলে দিলেন এবং পরিবারের লোকেরাও একই কাজ করলেন।যায় দরুন কাব্যের ছোট্ট হৃদয় এতো কষ্ট সহ্য করতে পারলো না।তাই শেষ পর্যন্ত তাকে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলতে হলো।এটা আসলে আমাদের জীবনের অন্যতম ভুল বলা যায়।বিশেষ করে বাবা মায়েরা সন্তানদের উপর নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়ে,তাদের সন্তানদের মতামতের গুরুত্ব দেন না।এজন্য অকালেই ঝরে যায় কিছু প্রাণ।সৃষ্টিকর্তা প্রতিটি মানুষকে একই মেধা দেননি,একেক জন একেক কাজে পারদর্শী।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
একটু হলেও সন্তানদের ইচ্ছেটাকে জানা দরকার, আমার তাই মনে হয় আপু।