রঙিন কাগজের তৈরি ঘর সাজানোর ডাই ।
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
১০ ই ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ।
২৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ।
আমার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী সদস্যগনকে আমার সালাম এবং আদাব। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে অনেক ভাল আছি। সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ
|
|---|
made by-@rahimakhatun
Device- Galaxy A13
ছেলের ছুটি থাকতে চলে এসেছি বাবার বাড়ি ,তাছাড়া সবার পরীক্ষা শেষ হওয়াতে সব এক সাথে।মাঝখানে আমার ভাইয়ের ছেলে মেয়ে গিয়েছিলো ওদের নানুর বাড়িতে ,তাই বাসা একে বারে ঠান্ডা ছিলো ,কাল সন্ধ্যায় আসতে ঘর আবার গরম গিয়াছে।আসলে ওরা সবাই মিলে এত মজা করছে ,যা দেখতেই ভালো লাগছে। এই দিকে প্রতিদিন রাতে জ্বর জন্য ঘুমাতে পারছি না। আসলে ভালো এবং খারাপ নিয়েই চলেছে। যাই হোক সকাল সকাল পোস্ট করে উদ্বার হতে পারলেই হয়। প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি ।
প্রয়োজনীয় উপকরণ |
|---|
প্রস্তুত প্রণালী |
|---|
১ম ধাপ
মাঝ বরাবর ভাঁজ করে নিব।
২য় ধাপ
লম্বালম্বি দাগ টেনে নিয়েছি।
৩য় ধাপ
এন্টি কাটার দিয়ে কেটে নিচ্ছি।
৪র্থ ধাপ
আঠা লাগিয়ে নিচ্ছি।
৫ম ধাপ
কালো কাগজ লাগিয়ে নিয়েছি।
৬ষ্ঠ ধাপ
পেঁচিয়ে নিচ্ছি।
৭ম ধাপ
পেঁচিয়ে আঠা দিয়ে লাগিয়ে নিয়েছি ।
৮ম ধাপ
আরেকটা কাগজ ভাঁজ করে দাগ টেনে নিয়েছি।
১০ম ধাপ
আঠা দিয়ে লাগিয়ে নিচ্ছি।
১১ তম ধাপ
তারপর ধরার জন্য চিকন করে কাগজ লাগিয়ে নিয়েছি।
হয়ে গেলো রঙিন পেপার দিয়ে ফুল । আজ এই অব্দি পরবর্তীতে আসবো অন্য কোনো সময় অন্য কোনো ব্লগ নিয়ে।সেই অব্দি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায়।
ধন্যবাদ সবাইকে
| device | Galaxy A13 |
|---|---|
| Location | Dhaka |
| photograpy | papers cutting |
VOTE @bangla.witness as witness OR >>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
ডিসেম্বর মাসে সকল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রায় শেষ হয়ে যায় আর এই সময়টাতে শিক্ষার্থীদের মায়েরা তাদের আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে যায় আপনার ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে। আসলে বর্তমান সময়ে কখনো ঠান্ডা আবার কখনো রাত্রে গরম পড়ে যার কারণে হয়তো বা অনেকের জ্বর এসে গিয়েছে আপনিও তাদের মধ্যে একজন। যাই হোক খুবই চমৎকার একটি রঙিন কাগজের ডাই প্রজেক্ট তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেকটা সময় এবং ধৈর্য নিয়ে আপনি এটা তৈরি করেছেন এ ধরনের রঙিন কাগজের ডাই যদি বাসায় ঝুলিয়ে রাখা হয় তাহলে দেখতে আরো বেশি আকর্ষণীয় দেখাবে।
ঠান্ডা গরমের জন্যই মানুষ বেশি অসুস্থ হয়ে গিয়েছে। আসলে এগুলো একটু সময় নিয়ে করে তারপরও সুন্দর হলে মনে একটা প্রশান্তি আসে।ধন্যবাদ
ছোটবেলায় আমরা সবাই ছুটি হলে মামার বাড়িতে বেড়াতে যেতাম। ছোটবেলায় অনেক মজা করা হতো কিন্তু বড় হয়ে আগের মত সেই মজাটা আর থাকে না। আপনি তো মনে হয় খুবই ভালো সময় মানে মুহূর্ত কাটাচ্ছেন। ছোট বাচ্চারা যদি এরকম নানার বাড়িতে বা মামার বাড়িতে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার পরে একসাথ হয় তাহলে তারা সবাই মিলে অনেক আনন্দ করে। আপনার বাবু এবং আপনার ভাইয়ের বাবুরা মিলে মনে হয় খুবই আনন্দ করছে। অসাধারণ তো আপনি রঙিন কাগজ ব্যবহার করে খুব ইচ্ছে চমৎকার একটি ডাই তৈরি করেছেন ঘর সাজানোর। আসলেই আমি তো দেখেই মুগ্ধ। এরকম ডাইগুলো তৈরি করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।
আর কই ভালো মহূর্তে কাটাচ্ছি বাবার বাড়িতে আসার পর থেকে অসুস্থ হয়ে আছি।যাই হোক আমরা ও ছোটবেলায় কাজিনরা মিলে বেড়াতে যেতাম।এটা ঠিক এখন আর সেই মজাটা নেই। হ্যা এগুলো তৈরি করতে অনেক সময় লাগে,তারপর ও আপনাদের ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রথমত আপনি তাড়াতাড়ি যেন সুস্থ হয়ে উঠেন।এই কামনা রইল।এই সিজনে সবারই শরীরটা একটু খারাপ। আমারও শরীরটা ভালো না।যাই হোক আপনার বানানো রঙিন কাগজের তৈরি ঘর সাজানোর ডাইটি খুবই দারুণ👌। দেখতে খুব সুন্দর লাগছে 🥰।আমিও এটি বাসায় একদিন বানাবো। এত সুন্দর একটি ডাই পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আপনার সুস্থ্যতা কামনা করছি, আমার বানানো ডাই ফুলটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।আশা করি আপনিও বানাতে পারবেন।ধন্যবাদ
যে আপু একদম ঠিক বলেছেন বাচ্চারা যখন দুষ্টুমি করে তখন বেশ ভালই লাগে। যাই হোক সকাল সকাল পোস্ট করে ভালোই করেছেন। সুন্দর একটি ডাই প্রজেক্ট শেয়ার করেছেন আপনি। ঘরে সাজিয়ে রাখলে বেশ ভালোই লাগবে।
আপু বাচ্চারা দুষ্টামি করলে প্রথম প্রথম ভালো লাগে ঠিক,কিন্তু পরে আর ভালো লাগে না।ধন্যবাদ আপু সুন্দর মতামত দেওয়ার জন্য।
রঙিন কাগজ দিয়ে সুন্দর একটি আইডিয়া শেয়ার করেছেন আপু।এই ধরনের ফুল বিয়ে বাড়ীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাজানো হয়ে থাকে। আসলে রঙিন কাগজ দিয়ে যে কোন ধরনের জিনিস তৈরি করলে বেশ ভালো লাগে। আপনি ধাপগুলো অনেক সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত।আর ছোট বেলায় যখন পরীক্ষা শেষ হতো সাথে মায়ের কাছে বায়না ধরতাম নানা বাড়ি যাওয়ার জন্য। আসলে এগুলো শুধু স্মৃতি হয়ে আছে।এই মুহূর্ত গুলো আসলে কত মজা হয় সেটা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।
বিয়ে বাড়ির গেট কিংবা প্যান্ডেলে ঝুলিয়ে রাখলে দেখতে বেশ ভালো লাগে।হ্যা মায়ের সাথে নানুর বাড়ি যাওয়ার মজাই আলাদা।ছোটবেলা টাই অন্যরকম।
এটা ঠিক বলেছেন আপু যে মামার বাড়িতে যে কি আনন্দ সেটা সেই ছোট্ট বেলা বুঝেছি ৷ তবে এখন আর তেমন আনন্দ পাই না ৷ যা আপনার বাচ্চা আর আর আপনার ভাইয়ের বাচ্চারা মিলে তো অনেক আনন্দ করছে তাহলে ৷
যা হোক খুব অনেক সুন্দর একটি রঙিন কাগজ দিয়ে ঘড় সাজানো ফুলদানি বানিয়েছেন ৷ দেখে অনেক ভালো লাগলো এভাবে করে বিভিন্ন ডিজাইন তৈরি করলে ঘড় দেখতে ভালোই লাগবে ৷
ধন্যবাদ আপু ৷
আসলে বড় হওয়ার পর আনন্দ গুলো কেমন জানি হয়ে যায়। ওদের মজা দেখে আমাদের ও বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ
আমার কাছে রঙিন কাগজ দিয়ে বিভিন্ন রকম জিনিস তৈরি করে ঘর সাজাতে ভীষণ ভালো লাগে। আপনি আজকে রঙিন কাগজ ব্যবহার করে অসাধারণ একটি ঘর সাজানোর ডাই তৈরি করেছেন যা দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে আমার কাছে। নিচের অংশে রঙিন কাগজগুলো চিকন চিকন করে কেটে দেওয়ার কারণে খুবই সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে এবং মনমুগ্ধকর লাগছে। এরকম জিনিস গুলো তৈরি করতে অনেক দক্ষতা, ধৈর্য এবং সময়ের প্রয়োজন হয়। ঘরে এটি সাজিয়ে রাখলে ভীষণ ভালো লাগবে। যাইহোক শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আমারও ভালো লাগে রঙিন কাগজ দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে,যদিও আমি তেমন পারি না।নিচের অংশ চিকন হওয়াতে আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ
রঙিন কাগজ দিয়ে ঘর সাজানোর ডাই দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। রঙিন কাগজের তৈরি জিনিসগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। নিচের অংশে চিকন করে রঙিন কাগজ কেটে লাগিয়ে দেওয়ার কারণে দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। তৈরি করার প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এত সুন্দর একটি ডাই প্রোজেক্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
রঙিন কাগজ দিয়ে ঘর সাজানোর দারুন একটা পদ্ধতি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন আপু। আসলে এই ধরনের রঙিন কাগজ দিয়ে ঘর সাজালে সেগুলো দেখতে দারুন লাগে। আর এই ধরনের কাজে খরচের পরিমাণটাও অনেক কম হয়।