ডিম দিয়ে চিচিঙ্গা ভাজি রেসিপি।
২৩ ই আষাঢ় ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ।
৫ ই জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ।
|
|---|
|
|---|
| উপকরন | পরিমান | |||
|---|---|---|---|---|
| চিচিঙ্গা | প্রয়োজনমতো | |||
| পেঁয়াজ | প্রয়োজনমতো | |||
| লবন | সামান্য | টি | ||
| তেল | পরিমান মতো | |||
| কাঁচা মরিচ | ৪/৫ টি |
প্রস্তুত প্রণালী |
|---|
১ম ধাপ |
|---|
প্রথমে একটি কড়াইতে তেল গরম করে নিবো।
২য় ধাপ |
|---|
তারপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিব।
৩য় ধাপ |
|---|
কাঁচা মরিচ দিয়ে দিব।
৪র্থ ধাপ |
|---|
লবন দিয়ে দিব।
৫ম ধাপ |
|---|
চিচিঙ্গা গুলোকে ছোট ছোট টুকরা করে নিয়ে পেঁয়াজ লাল লাল হওয়ার পর দিয়ে দিব।
৬ ষ্ঠ ধাপ |
|---|
উল্টে পাল্টে নিয়েছি।
৭ম ধাপ |
|---|
চিচিঙ্গা গুলো সিদ্ধ হওয়ার পর ডিম গুলো দিয়ে দিব।
৮ম ধাপ |
|---|
মিশিয়ে নিয়েছি।
৯ম ধাপ |
|---|
তারপর লবন চেক করে নামিয়ে নিব।
হয়ে গেলো আমার আজকের রেসিপি। গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
তাহলে কেমন হয়েছে অব্যশই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।
তাহলে আজকে এই অব্দি।আবার আসবো অন্যকোন দিন অন্যকোন পোস্ট নিয়ে সেই অব্দি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ
| device | Galaxy A13 |
|---|---|
| Location | Dhaka |
ডিসকর্ড লিংক:
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
বাবুর মনে হয় কোন শারীরিক সমস্যা হয়েছে। সেজন্য খুবই বেশি জ্বালাচ্ছে আপু। যাই হোক আপু আপনি সবকিছু সামলানোর পরেও দারুন একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখি খুবই ভালো লাগলো। আপনার রেসিপি চমৎকার হয়েছে।
হুম,বেশ সর্দি লেগে গিয়েছে।
আসলে আপু বাচ্চারা অসুস্থ হলে যা হয় আরকি। আর ছোট বাচ্চাদের চোখে ঘুম নেই বলেই চলে। চিচিঙ্গা ডিম দিয়ে খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। তবে অনেকদিন হলো খাওয়া হয়না। রেসিপি দেখে লোভ লেগে গেল। নিশ্চয়ই অনেক মজা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপু আমার মেয়ের মনে হয় একেবারেই ঘুম নেই। আর কান এত পাতলা কোন একটা আওয়াজ করা যায় না।ধন্যবাদ আপু
বেশ ব্যস্ততার মাঝেও পোস্ট শেয়ার করেছেন। যাইহোক, ডিম দিয়ে এরকম চিচিঙ্গা ভাজি খেতে খুবই ভালো লাগে। এর সাথে চিংড়ি মাছ দিলে কিন্তু আরো বেশি সুস্বাদু হয়। আমাদের বাসায় ও মাঝে মাঝে এরকম চিচিঙ্গা ভাজি তৈরি করা হয়। সুস্বাদু একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
আমার কাছেও এমন ভাজি খেতে বেশ লাগে,চিংড়ি দিয়ে কখনও খাওয়া হয়নি।
ছোট বাচ্চা নিয়ে কোন কাজ করা সত্যিই ভীষণ কষ্টকর আপু। ডিম দিয়ে অসাধারণ সুন্দর করে চিচিঙ্গা ভাজি রেসিপি করেছেন আপু আপনার রেসিপিটি দেখতে ভীষণ লোভনীয় হয়েছে। খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে তা রেসিপির ফটোগ্রাফি দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ধাপে ধাপে চমৎকার সুন্দর করে রন্ধন প্রণালী আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর চিচিঙ্গা ও ডিম দিয়ে রেসিপিটি করে। আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
কষ্টকর মানি,সে আর বলতে।আর আমার বাচ্চাটা বেশি জ্বালায়।
চিচিঙ্গা ভাজি আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে কোনদিন ডিম দিয়ে চিচিঙ্গা ভাজি খাওয়া হয়নি। আপনার আজকের রেসিপিটা দেখে অনেক ভালো লাগলো। রেসিপির পরিবেশন টা দেখে বোঝা যাচ্ছে ভাজিটা অনেক সুস্বাদু হয়েছে। রান্নার ধাপ গুলো বেশ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ডিম দিয়ে একদিন খেয়ে দেখবেন,আশা করি খেতে বেশ ভালো লাগবে।ধন্যবাদ
প্রথমেই আপনার বাচ্চাদের সুস্থতা কামনা করছি। আপনি ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও আমাদের মাঝে সুন্দর পোস্ট উপহার দিলেন। ডিম দিয়ে চিচিঙ্গা ভাজি আমি অনেক খেয়েছি। তবে আপনার মতো তৈরি করে কখনো খাওয়া হয়নি। দারুণ রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
বর্তমান সময়ে আবহাওয়া খুব খারাপ। যেনো ভালো থাকা মুশকিল হয়ে পড়েছে। তবে ছোটদের খুব কষ্ট হচ্ছে। আপনার বাবুর জন্য দোয়া রইল তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ। ডিম দিয়ে চিচিঙ্গা ভাজি খেতে অনেক মজাদার লাগে। আমিও এভাবে খেতে পছন্দ করি।
ঠিক বলেছেন আবহাওয়া টাই অসুস্থ বানিয়ে দিচ্ছে। ধন্যবাদ
আপু আপনার বেবি বড় হলে সবকিছু ঠিক হবে।ডিম খেতে আমি অনেক পছন্দ করি। ডিম যেভাবেই রান্না করা হোক খেতে ভালো লাগে। এই সবজিগুলো দিয়ে ডিম রান্না করলে কিংবা ভাজি করলে খেতে অনেক ভালো লাগে। চমৎকার হয়েছে আপনার রেসিপি। ভালো লেগেছে আমার।
যত বড় ততই জ্বালায় বেশি মনে হয়🤣🤣
ডিম দিয়ে কখনো এভাবে চিচিঙ্গা ভাজি করে খাওয়া হয়নি আপু।দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে খেতেও নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হয়। একদিন বাসায় বানিয়ে খেয়ে দেখব আপু। অসংখ্য ধন্যবাদ মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।