গ্রামের বিয়ে (জেনারেল পোস্ট )
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
৯ ই ডিসেম্বর ২০২৪
আমি হয়তো প্রথম গিয়েছি বিদায় একটু ভয় ভয় লেগেছে মনে হচ্ছিলো এই মনে হয় গাড়ি উল্টিয়ে নিচে পরে যাবে।আসলে আমার একটু গ্রামে কমই যাওয়া হয় কিন্তু এবার ফুপাতো ভাইয়ের মেয়ের বিয়েতে বেশ বড় অনুষ্ঠান করেছে বারবার বলেছে যেতে।প্রথমে ভেবেছিলাম যাবো না একে তো মেয়ে অনেক ছোট তার উপর গ্রামে হালকা হালকা ঠান্ডা পরে।তারপর আমার বড় বোনের রিকুয়েষ্ট এবং কেন জানি হঠাৎ যেতে মন চাইলো
আমার শুক্রবারে ক্লাস থাকে তা উপেক্ষা করেই আমার যাওয়া।যাই হোক আমরা সকাল সকাল রওনা দিয়েছিলাম যেহেতু গ্রাম রাত হয়ে গেলে বেশ ভয়ের ব্যাপার।যাই হোক আমরা বিকেল চারটায় গাড়ি থেকে নামি আমাদের নিতে আমার ফুপাতো বোনের ছেলে আসে আমাদের গাড়িতে উঠিয়ে তারপর ও একটা কাজে চলে যায়।
যাই আমরা যাচ্ছি তো যাচ্ছি লোকেশন অনুযায়ী অবশেষে আমরা কথা মত জায়গায় নামলাম ফুপু আমাদের নিতে রাস্তায় দাড়িয়ে ছিলো কিন্তু আমরা অন্যদিকের রাস্তা দিয়ে বাড়িতে চলে এসেছি।যেহেতু আমরা বিয়ের আগের দিন গিয়েছি, দেখলাম বেশ কাজ করছে সবাই মিলে।গ্রামে একটা জিনিস ভালো লাগে মিলেমিশে সবাই থাকে।যাই হোক আমরা যাওয়া মাএই শরবত দিলো।তাদের আবার গেটের সামনে যাওয়াতে আমাদের কি কি জানি দিয়ে আপ্যায়ন করলো।
যাই হোক আমরা একটু ফ্রেশ হয়ে সবার সাথে কথা বললাম। সবাই ব্যস্ত কাজে।গায়ের হলুদের প্রোগ্রাম হবে বউ গিয়েছে পার্লারে।আসলে এখন গ্রাম ও বেশ আধুনিক হয়ে গিয়েছে, এখন গ্রামের মানুষ ও বেশ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করে বিয়ের। যাই হোক তাদের নাকি আবার ডিজেও আসবে, আমার ছেলের তো কোন ঘুম নেই এত পথ জার্নি করে এসেছে কোন ক্লান্ত নেই।
যাই হোক বিশাল মিউজিক বক্স আবার ডিজে একেবারে শহর কেও হার মানায়,আমার বাচ্চা ছোট বিদায় আমি ঘরেই ছিলাম রাত বারোটা বাজেও ছেলে ঘুমাতে আসে না পরে জোর করে নিয়ে এসে ঘুম পারাই, পরের দিন সকাল সকাল বউ পার্লারে চলে যায়।গ্রাম হিসেবে বেশ ভালো করেই সাজিয়েছে। বউ একটা লেহেঙ্গা পড়েছে।বউ এর বয়স এত বেশি না তবে জামাই এর বয়স ও কম।দুইজনকে বেশ ভালোই মানিয়েছে।যাই হোক তবে গ্রামের একটা খাবার আমার বেশ ভালো লাগে তা হচ্ছে দই। আমি দই বানানোর পুরো রেসিপি বসে বসে দেখেছি।
অনেক গুলো আইটেন করেছে,রোষ্ট,ফ্রাই,, গরু, খাসি,ভর্তা, চিংড়ি দিয়ে করলা,পাবদা মাছ,দই আর কি কি যেন।খাবারগুলো বেশ ভালোই হয়েছে আসলে গ্রামের খাবারের স্বাদই আলাদা। আমি সবগুলো থেকেই একটু একটু স্বাদ নিয়েছি।গ্রামে গিয়ে ভালোই লেগেছে। ও বিয়ের দিন সকালে গ্রামে অনেক রকমের পিঠা দেওয়া হয় দুইজনের বাড়িতেই, ছেলে পক্ষরা পিঠা পাঠিয়েছি আমাদের সকালের নাস্তায় পিঠা, মুড়ি র মোয়া দিয়েছিলো।
আবার আসবো অন্য কোনো দিন ,অন্য কোন ব্লগ নিয়ে ,সেই অব্দি ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায়।
এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ
| device | samsung SM-A217F |
|---|---|
| Location | Dhaka |
| Photograpy | plant |
| link | location |
আমি রাহিমা খাতুন নেভি। আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর B.S .C করেছি। আমার ভালো লাগে নতুন নতুন জিনিস দেখতে এবং শিখতে।আমার বাংলা ব্লগের সাথে সকল নিয়ম কানুন মেনে থাকতে চাই।
ডিসকর্ড লিংক:
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আপনি তো বিয়ে বাড়িতে বেশ আনন্দ করলেন আপু।
গ্রামের বিয়েতে আমার বেশ ভালো লাগে। বিশেষ করে খাওয়া দাওয়া গুলো বেশ মজার হয়। অবশেষ আপনি
গ্রামের বিয়েতে যেয়ে বেশ আনম্দ করলেন। অনেক ধন্যবাদ আপু বিষয়টি সবার সাথে।শেয়ার করার জন্য।
বিয়ে বাড়ি আপনার বেশ ভালই কেটেছে দেখলাম। বর্তমানে গ্রাম বলে আর গ্রাম নিয়ে আমাদের এদিকেও গ্রামে বেশ বড়সড় বিয়েই হয় এবং পার্লারে বউকে খুব সুন্দর করে যত্ন নিয়ে সাজায়। এখানেও বিয়ের কনেকে সুন্দর করে সাজিয়েছে।
গ্রামের বিয়েতে আলাদা রকমের আনন্দ পাওয়া যায়। সবাই খুব আন্তরিক হয়।আপনি আপনার ফুপাতো ভাইয়ের মেয়ের বিয়েতে গ্রামে গিয়ে ভালো ই আনন্দ করেছেন।তবে আপনার চাইতে আপনার ছেলে বেশী আনন্দ করেছিল মনে হচ্ছে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে অনুভূতি গুলো শেয়ার করেছেন। অনেক ধন্যবাদ জানাই আপু শেয়ার করার জন্য।
এটা অবশ্য ঠিক বলেছেন আপু মাঝে মাঝে রিকোয়েস্ট উপেক্ষা করা যায় না। অবশেষে যেতেই হয়। তবে মাঝে মাঝে এরকম প্রোগ্রামগুলোতে গেলে কিন্তু ভালোই লাগে আপু। গ্রামের রাস্তাঘাট খারাপ হলে চলাচল করা সত্যিই অনেক মুশকিল হয়ে যায়।