মজাদার স্বাদের থাই সূপ রেসিপি ।
১৫ ই চৈএ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ।
১ লা এপ্রিল ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ।
|
|---|
|
|---|
প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।আমি আজকে একটি নতুন রেসিপি পোস্ট করবো।আমি আজকে থাই স্যুপ এর রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।আসলে বেশ কিছু দিন আগে মাথায় আসলো থাই স্যুপ বানাবো কিন্তু সব উপকরন রয়েছে কিন্তু থাই পাতা কিংবা লেমনগ্রাস পাতা নেই। সেই পাতা ছাড়া স্যুপ তৈরি করা বেমানান তারপরও আমি সেইদিন থাই পাতা ছাড়া বানিয়েছি খেতে ভালোই হয়েছে তবে থাই পাতা দিলে আরো ভালো হতো পরে আরকি আমার কাজিন রে বলেছিলাম থাইপাতা ম্যানেজ করে দিতে পরে ও আজ নিয়ে আসলো তারপর কি আজ আবার নতুন করে বানিয়েছি খেতে বেশ ভালোই হয়েছে। আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
চলুন আজকে শুরু করা যাক।
|
|---|
প্রয়োজনীয় উপকরণ |
|---|
| উপকরন | পরিমান |
|---|---|
| ডিমের কুসুম | ৩ টি |
| লেমন গ্রাস | প্রয়োজন মত |
| চিনি | প্রয়োজন মত |
| চিকেন | ১ কাপ |
| লবন | সামান্য |
| চিংড়ি | প্রয়োজনমত |
| আদা | প্রয়োজন মত |
| চিনি | প্রয়োজন মত |
| টমেটো সস | ১ কাপ |
| কনফ্লাওয়ার | ৩ টেবিল চামচ |
প্রস্তুত প্রণালী |
|---|
প্রথমে চিকেন একটু সামান্য তেল, লবন আর আদা বাটা দিয়ে ভেজে নিব,এতে করে চিকেন একস্ট্রা গন্ধ থাকবে না। আপনারা চাইলে না ও ভাজতে পারেন।
তারপর চিংড়ি গুলো ভেজে নিব।
তারপর লেমন গ্রাস থেতলিয়ে নিব।
ডিমের কুসুম ও লেমন গ্রাস পাতা নিব।
আদা ও লেবুর রস নিয়ে নিব।
সস দিয়ে নিব।
সামান্য পানি মিশিয়ে নিব।
সামান্য মরিচের গুঁড়া দিয়ে নিব।
আরো পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিব।
কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে নিব।
ঘন হয়ে আসলে লবন চেক করে নামিয়ে নিব।
তারপর ইচ্ছে মত বাটিতে পরিবেশন করুন ।হয়ে গেলো থাই সূপ রেসিপি । আশা করি সকলের কাছে ভালো লাগবে।
ধন্যবাদ সবাইকে
| ডিভাইস | Galaxy A13 |
|---|---|
| লোকেশন | ঢাকা |
| ফটোগ্রাফি | থাই সূপ এ র রেসিপি |
আপনার রেসিপি দেখে লোভ লেগে গেল। অনেক দিন হলো থাই সূপ রেসিপি খাওয়া হয়নি। আপনি নিজের হাতে সুস্বাদু একটি রেসিপি তৈরি করেছেন।আসলে নিজের হাতে তৈরি জিনিস এর তুলনা হয় না। প্রতি টি ধাপ অনেক সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
স্যুপ আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী বলে আমি মনে করি। অনেক সময় যখন মুখে রুচি থাকে না তখন এমন ঝাল ঝাল এক বাটি স্যুপ খেতে পারলে মুখে রুচি ফিরে। তবে সব সময় রেডিমেড স্যুপ খাওয়া হয়েছে। কখনো এভাবে বাসায় বানিয়ে খাওয়া হয়নি। শিখে রাখলাম কাজে আসবে। ধন্যবাদ আপু দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
রেডিসুপ খেতে আমার তেমন ভালো লাগে না,বাসায় নিজে তৈরি করলে খেতে বেশ ভালো লাগে।ধন্যবাদ
বিভিন্ন ধরনের আইটেম দিয়ে সুস্বাদু সুপ তৈরি করেছেন। দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। এধরনের সুপ শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে যারা রোগী তাদের জন্য অনেক কার্যকরী একটি খাবার। সুপ তৈরির প্রসেস সুন্দরভাবে দেখিয়েছেন কিভাবে তৈরি করতে হবে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আসলেই পুষ্টিগুনে ভরপুর এই ধরনের সুপে।আপনাকে ধন্যবাদ
থাই সূপ রেসিপি দেখেই মনে হচ্ছে অনেক মজাদার হয়েছে খেতে ।আমি এই রেসিপিটা কোনদিন তৈরি করে খাইনি আপনি অনেক সুন্দর ভাবে রেসিপিটা কিভাবে তৈরি করতে হয় ধাপে ধাপে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। একদিন চেষ্টা করবো বাড়িতে তৈরি করে খেতে কেমন লাগে।
থাই সুপ রেসিপি, কিভাবে তৈরি করতে হয় সে সম্পর্কে কোন ধারণা ছিল না তবে আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে সুপ কিভাবে তৈরি করতে হয় সেটা সম্পর্কে আপাতত কিছুটা ধারণা পেলাম। তাছাড়া আপনি এই পোস্টের মাধ্যমে সুপ তৈরি করার পদ্ধতি গুলো তুলে ধরেছেন শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আমি মনে করি সারাদিন রজা রাখার থাই স্যুপ খেলে অনেক ভালো ৷ কারন এটা খাওয়ার রুচি ঠিক রাখে ৷ আপনি অনেক সুন্দর করে ধাপ গুলো সাজিয়ে উপস্থাপন করেছেন ৷ দেখে ভালো লাগলো ৷ অনেক ধন্যবাদ আপু
এভাবে কখনো নিজের হাতে থাই সুপ তৈরি করে খাওয়া হয়নি। দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে।আপনার রেসিপি দেখে শিখে নিয়েছি অবশ্যই বাসায় কিন্তু তৈরি করে খেয়ে দেখব। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপু বানিয়ে দেখবেন,আশা করি ভালো লাগবে।ধন্যবাদ আপনাকে
স্বাদের থাই সূপ রেসিপি দেখে তো যে কেউ খেতে চাইবে। রেস্টুরেন্টে খাওয়া হয়েছে। তবে এভাবে বাসায় কখনো খাইনি। আজকে আপনার পোস্ট এর মাধ্যমে দেখে ভালো লাগলো। ইউনিক রেসিপি ছিলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
এ কথা ঠিক যে থাই স্যুাপে থাই পাতা না দিলে খাবার স্বাদটাই নষ্ট হয়ে যায়। আপনি কিন্তু বেশ সুন্দর ও লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা আজকের রেসিপিটি আমার কাছে দেখে মনে হয়েছে বেশ সুস্বাদুি একটি রেসিপি। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।