ফটোগ্রাফি পোস্ট:শীতের সকালের শিশির ভেজা ফটোগ্রাফি।

in আমার বাংলা ব্লগ2 years ago

হ্যালো..!!

আমার প্রিয় বন্ধুরা,

আমি @purnima14 বাংলাদেশী,

আজ- ১১জানুয়ারি, শনিবার, ২০২৪ খ্রিঃ



কভার ফটো


1000009367.jpg

কয়েকটি ছবি একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।



আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমি নিজেও ভালো আছি। আমি সবসময় চেষ্টা করি নিজেকে হাসি খুশি রাখার। আমি আপনাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট শেয়ার করে থাকি। আমি "আমার বাংলা ব্লগের" মাধ্যমে আপনাদের সামনে আমার ক্রিয়েটিভিটি তুলে ধরবো। শীতকাল আমাদের সকলেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে। আমিও শীতকাল অনেক পছন্দ করি।শীতকাল অনেকদিন হলো আমাদের মাঝে এসে উপস্থিত হয়েছে। অনেক আগে হেমন্তকালে শীতের কুয়াশার ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। শীতকালে কোন ফটোগ্রাফি এখনো শেয়ার করা হয়নি। আজ কিছু শীতকালীন সকালের ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। চলুন তাহলে আমার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আসি।



ফটোগ্রাফি নং-১


1000009371.jpg

ক্যাপশন: কুয়াশা মোড়ানো মেঠো পথ।
ডিভাইস: গুগোল পিক্সেল ৭ প্রো
ক্যামেরা: ৫০মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া

আমার প্রথম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে কুয়াশা মোড়ানো মেঠো পথের ফটোগ্রাফি। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি কুয়াশা ভেদ করে সূর্যি মামা দেখা দেয়নি। বাড়ি এসেছি তিনদিন হলো।বাড়ি আসার পর থেকে ভেবে রেখেছিলাম কুয়াশা মোড়ানো শীতের সকালের ফটোগ্রাফি করব। তাই আজ সকালে আমি ফটোগ্রাফি করার উদ্দেশ্যে ফোন নিয়ে আমাদের বাড়ির পেছনের মাঠে যাই। কোন কিছু দেখা যাচ্ছিল না। যতই এগোই কুয়াশা যেন আমার সাথে এগোচ্ছিল। অনেকদিন পর এরকম একটা শীতের সকাল দেখলাম। ঘাসের উপর শিশির দানা এরকম একটি সকালে হাঁটতে খুব ভালো লাগছিল। এই সুন্দর ফটোগ্রাফিটি আমি আমাদের বাড়ির পিছনের মাঠ থেকে করেছি।

ফটোগ্রাফি নং-২


1000009370.jpg

ক্যাপশন: কুয়াশার চাদরের মাঝে সূর্যি মামা।
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া


আমার দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি তে রয়েছে কুয়াশার চাদরের মাঝে সূর্যি মামা। আমি যখন মাঠে হেঁটে বেড়াচ্ছিলাম তখন পূর্ব দিকে খেয়াল করি সূর্যি মামা উঠছে। প্রতিদিন সকালে অনেক আগে সূর্যি মামা উঠে যায়। আজ একটু বেশিই কুয়াশা ছিল। কুয়াশার চাদর কে ভেদ করে সূর্যি মামা যখন আলতো করে তার আলো ছড়াই দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগে। আজকে আমি যখন ফটোগ্রাফিটি করেছিলাম তখন সূর্য্যি মামার আলো একেবারেই দেখা যাচ্ছিল না বলা চলে। মাঝে মাঝে এরকম আবহাওয়া বেশ ভালই লাগে। এই ফটোগ্রাফিটি পূর্ব আকাশের দিক করে ক্যাপচার করেছিলাম।

ফটোগ্রাফি নং-৩


1000009372.jpg

ক্যাপশন: সরিষা ফুল।
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া

চারিদিকে তো এখন সরিষা ফুলের বাহার জমেছে। সরিষা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য আমাদেরকে মুগ্ধ করছে। আজ সকালে সরিষা ফুলের ডগায় ডগায় শিশির দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগছিল। হলুদ পাপড়ির উপর ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি। শিশির ভেজা সরিষা ফুলগুলো যেন বেশি সুন্দর লাগছিল। সরিষা ফুলের ডগা থেকে শিশির ফোঁটা নিচের দিকে পড়ছিল।এই সুন্দর সরিষা ফুলের ফটোগ্রাফিতে আমার কাছে তো দারুন লেগেছিল।

ফটোগ্রাফি নং-৪


1000009368.jpg

ক্যাপশন: খেজুর পাতা।
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭প্রো।
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া


আমার এই ফটোগ্রাফিতে রয়েছে খেজুর পাতা। শিশির জমে থাকা চিরল চিরস খেজুর পাতা দেখতে কত মিষ্টি তাই না। আসলে আমার চারপাশে যা দেখি সবাই আলাদা আলাদাভাবে সুন্দর। শীতের সময় ফোঁটায় ফোঁটা শিশির জমা চিত্রগুলো যেন আরো বেশি ভালো লাগে। খেজুরের রসের কথা শুনলেই আমাদের জিভে জল এসে যায়। খেজুরির রস সবারই প্রিয়। এটা একটি ছোট্ট খেজুর গাছের পাতা। মাঠ থেকে আসার সময় একটি ছোট্ট খেজুর গাছ থেকে এই পাতাগুলো ফটোগ্রাফি করে রেখেছিলাম।


ফটোগ্রাফি নং-৫


1000009373.jpg

ক্যাপশন: কচু পাতা।
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭ প্রো
ক্যামেরা: ৫০মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১ জানুয়ারি২০২৫ খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া

আমার কাছে মনে হয় কচুর পাতায় শেষের জমলে সব থেকে বেশি ভালো লাগে। কচুর পাতাকে যতই ভেজানো যায় না কেন সে ভেজেনা। সুন্দর একটি কচি সবুজ পাতার উপর ফোঁটায় ফোঁটায় শিশির জমে ছিল। আমি অনেক সময় নিয়ে একটি কচু পাতা খুঁজে বের করেছিলাম। আমার বোন গিয়েছিল আমার সাথে। এই কচু পাতাটি দেখে আমার বোন আমাকে বলল দিদি এটা ফটোগ্রাফি করো। বোনের কথাতেই এই সুন্দর কচু পাতার ফটোগ্রাফিটি ক্যাপচার করেছিলাম।


ফটোগ্রাফি নং-৬


1000009369.jpg

ক্যাপশন:কলাপাতা।
ডিভাইস:গুগল পিক্সেল ৭প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১জানুয়ারি ২০২৫খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া

আমার এই ফটোগ্রাফিতে রয়েছে একটি কচি কলাপাতার ফটোগ্রাফি। কলা পাতা যখন বড় হয়ে যায় সাধারণত সেটা গারো সবুজ বর্ণ ধারণ করে। এই কলাপাতাটি সবেমাত্র কিছুদিন হলো গাছ থেকে বেরিয়েছে তাই এর রং হালকা সবুজ বর্ণের। কচি পাতার উপর শিশির ফোঁটা দারুন লাগছিল কিন্তু। আমি ফটোগ্রাফি ক্যাপচার করার আগেই অনেক শিশির ফোঁটা
কলা পাতা থেকে গড়িয়ে পড়েছিল। যতটুকু শিশির ছিল তাতেই এর সৌন্দর্য ফুটে উঠেছিল।


ফটোগ্রাফি নং-৭


1000009374.jpg

ক্যাপশন: ঘাস।
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
তারিখ: ১১ জানুয়ারি ২০২৫খ্রিঃ
লোকেশন:কুষ্টিয়া

আমার সর্বশেষ ফটোগ্রাফি তে রয়েছে শিশির ভেজা বিভিন্ন রকমের ঘাস। ঘাসের উপর শিশির ফোঁটা দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগে। দুর্বা ঘাসের উপর শিশির ফটো দেখতে অনেক বেশি সুন্দর লাগে। আমিতো ঘাস খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এখানে অনেক ধরনের ঘাস একসাথে ছিল। সেখান থেকে একটি সুন্দর ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করেছি। যদিও এই ফটোগ্রাফিটা খুব একটা সুন্দর হয়নি। শীতকালীন ফটোগ্রাফিক গুলো করতে অনেক ভালো লাগছিল।
আজ এই পর্যন্তই।



প্রিয় বন্ধুরা,আমার আজকের ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে সবসময় পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন।



আমি কে !

Screenshot_20231102_205038_Facebook-01.jpeg

আমি পূর্ণিমা বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @purnima14। আমি আমার মাতা-পিতা এবং নিজের মাতৃভূমি ও মাতৃভাষাকে ভালবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সিভিল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, কবিতা লিখতে ও আবৃত্তি করতে, গান শুনতে, যেকোনো ধরনের রেসিপি তৈরি করতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত



সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
@purnima14



VOTE@bangla.witness as witness witness_proxy_vote.png
OR
SET @rme as your proxy
witness_vote.png

standard_Discord_Zip.gif

Sort:  
 2 years ago 
1000009624.png1000009623.png1000009625.png1000009626.png

Daily task

 last year 

শীতের সকালের শিশির ভেজা বিভিন্ন দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যি আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে। বিশেষ করে সূর্যি মামার উকি দেওয়ার ফটোগ্রাফিটি আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে। দারুন একটি ফটোগ্রাফির পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 2 years ago 

ঠিক বলেছেন আপু প্রায় মানুষের শীতকাল পছন্দ। তেমনি আমিও শীতকাল খুব পছন্দ করি। শীতের সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করে তুলে। আপনি আজ শীতকালীন বেশ চমৎকার সব ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। প্রতিটা ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে। শিশির ভেজা পাতা গুলো দেখতে খুব ভালো লাগে। তাছাড়া শীতের সময়ে কুয়াশা মাখা গ্ৰামের দৃশ্য দেখতে আরও বেশি ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু এত চমৎকার সব ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।

 last year 

আমিও শীতকাল অনেক পছন্দ করি। শীতকালে কুয়াশা ঢাকা পরিবেশ আসলে অনেক সুন্দর। কচি পাতার ডগায় শিশির ফোটা জমলে দেখতে সত্যি অসাধারণ লাগে। ফটোগ্রাফি গুলা আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো আপু। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

 2 years ago 

আপনার পোস্টে শীতের সকালের জীবন তো চিত্র ফুটে উঠেছে। একদম কুয়াশা ভেদ করে ফাঁকা স্থানগুলোতে ঘুরতে যেতে অনেক ভালো লাগে আমার। তবে ঠান্ডার মুহূর্তে বের হওয়াটা অনেক কঠিন থাকে। ভালো লাগলো পাতায় পাতায় জমে থাকা শিশির কণা। কচুর পাতায় জমে থাকা শিশির বিন্দুগুলো যেন একদম নজর কাড়ার মত।

 last year 

হ্যাঁ ভাই , আমি চেষ্টা করেছি ফটোগ্রাফির মাধ্যমে শীতকালের সকালে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার। ঠিক বলেছেন, সকালবেলা ঠান্ডার মধ্যে বের হওয়াটা অনেক কষ্টের। ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

 2 years ago 

শীতের সকালে শিশির ভেজা ঘাস ও পাতার চিত্রগুলো বেশ দারুন হয়েছে। আপনার প্রতিটি ফটোগ্ৰাফি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে, বিশেষ করে কলা পাতা এবং ঘাসের ফটোগ্রাফিটি বেশি ভালো লেগেছে। আসলে শীতের সকালে ফটোগ্ৰাফি করতে অনেক বেশি ভালো লাগে।

 last year 

ফটোগ্রাফি করতে যতটা ভালো লাগে সকালের দৃশ্যগুলো নিজের চোখে দেখতে তার থেকে বেশি ভালো লাগে। শীতকালে যদিও ঠান্ডায় বের হওয়া কঠিন তবুও সুন্দর এই মুহূর্তগুলো দেখার জন্য বের হয়েছিলাম। ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।

 2 years ago 

শীতকাল আসলেই চমৎকার। শীতের সময়টাতে প্রকৃতি নতুনরূপে সাজে। আপনি তো বাড়িতে এসে চমৎকার ফটোগ্রাফি করেছেন। সরিষা ফুল, কচু পাতার ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে।

 last year 

হ্যাঁ ভাইয়া, শীতকাল অনেক সুন্দর একটি। সেদিন সকাল বেলা ফটোগ্রাফি করার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম। ফটোগ্রাফি থেকে বাস্তবে মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে বেশি ভালো লাগছিল। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

 2 years ago 

শীতের সকালের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। কুয়াশাচ্ছন্ন প্রকৃতির ফটোগ্রাফি চমৎকার লাগছে দেখতে। শিশির ভেজা প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর হয়েছে। আপনি সত্যি দারুন ফটোগ্রাফি ক্যাপচার করেন। ভালো লাগলো সবগুলো ফটোগ্রাফি দেখে। ধন্যবাদ আপু।

 last year 

ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো আপু। আমি চেষ্টা করেছি ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দরভাবে ক্যাপচার করার। আপনার মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

 2 years ago 

আজকের শেয়ার করা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। শীতের সময় এই ফটোগ্রাফি করতে ভীষণ ভালো লাগে আমার কাছে। ‌ ঘুম থেকে উঠে সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এটা সত্যি বলেছো খেজুরের রস সবারই খুব প্রিয়। তুমি সত্যিই দারুন ফটোগ্রাফি করতে শিখে গেছো। প্রতিটি ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 last year 

আমার কাছেও ফটোগ্রাফি করতে অনেক ভালো লাগছিল। বাস্তবে মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে আরো বেশি ভালো লাগছিল। হ্যাঁ খেজুরের রস সবারই খুব প্রিয়। চেষ্টা করি সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করার। ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে জেনে খুব ভালো লাগলো। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 2 years ago 

দারুন আপু। আজ আপনি আমার পছন্দের মত করে অনেকগুলো ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। আমি শিশির ভেজা ঘাস পাতা এমনকি কুয়াশা ঘেরা প্রকৃতি অনেকদিন দেখি নাই। আজ আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে আমার পছন্দ কুয়াশা ভরা সকালের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভীষণ ভালো লাগলো।

 2 years ago 

আমারও অনেকদিন দেখা হতো না। তাই আজ সকাল বেলা যখন সুযোগ পেয়েছিলাম শীতের সৌন্দর্যটা দেখে আসলাম। ভোরের কুয়াশা গুলো বাস্তবে দেখতে আরো বেশি সুন্দর লাগছিল। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 2 years ago 

শীতের সকালে প্রকৃতির দৃশ্য গুলো খুবই সুন্দর ভাবে ফুটে উঠে। আপনি শিশির ভেজা দৃশ্যগুলোর ফটোগ্রাফি করেছেন। তাই দেখে খুবি ভালো লেগেছে আমার।

 last year 

আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.100
BTC 62210.62
ETH 1769.88
USDT 1.00
SBD 0.38