|| ভাইফোঁটা উপলক্ষে দাদার জন্য গিফট কেনার মুহূর্ত ||
নমস্কার বন্ধুরা
আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি আবারও নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পোস্ট করতে বেশ ভালো লাগে, সেই সাথে সাপ্তাহিক ধারাবাহিকতাও বজায় থাকে। সব সময় একই ধরনের পোস্ট করতে আসলে কারোরই ভালো লাগেনা। সেই জন্যই পোষ্টের মধ্যে ভিন্নতা আনলে পাঠকের যেমন ভালো লাগে ঠিক তেমনি লেখকেরও ভালো লাগে। চলুন তাহলে বেশি কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
আমার আজকের পোষ্টের বিষয়বস্তু এতক্ষণে নিশ্চয়ই পোষ্টের টাইটেল দেখে বুঝে গেছেন। হ্যাঁ ভাইফোঁটার আগের দিন রাতে দাদার জন্য গিফট কিনতে গিয়েছিলাম, তখনই এই ফটোগুলো তুলেছিলাম। যেহেতু অনেক বছর পর আমি এ বছর ভাইফোঁটা দিয়েছি তাই এই অনুভূতিটা আমার কাছে ছিল অনেক বেশি আনন্দময়। সাধারণত বড় ভাইরা ছোট বোনেদেরকে উপহার দেয়, তবে আমি ছোট বোন হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবছর যেকোনো অনুষ্ঠানে দাদা যেমন আমাকে উপহার দেয় ,আমিও তেমনি উপহার দেই। যাইহোক ভাইফোঁটার আগের দিন রাতে মধ্যমগ্রামে অবস্থিত স্টার মলে গিয়েছিলাম। যেহেতু এটা অনেক বড় একটা শপিং মল তাই এর ভিতরেই বিভিন্ন আলাদা আলাদা ব্র্যান্ডের আর নরমাল দোকানপাট রয়েছে। এছাড়া ভেতরে রেস্টুরেন্টও রয়েছে। রয়েছে বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের গেম খেলার জায়গা , থ্রিডি সিনেমা হল ইত্যাদি।
বাড়ি থেকে যেহেতু ঠিক করে বেরিয়েছিলাম প্যান্টালুন্সে যাব , তাই শপিং মলের ভিতরে ঢুকে সরাসরি প্যান্টালুনসেই চলে গেলাম। সেখানে গিয়ে প্রথমে বেশ কয়েকটি গেঞ্জি দেখছিলাম , তবে অনেকক্ষণ ঘাটাঘাটি করার পর আমার কাছে খুব বেশি ভালো লাগছিল না ডিজাইনগুলো তাই সেগুলো দেখা বাদ দিয়ে দিলাম। তারপর চারিদিক ঘোরাঘুরি করার পর, আমার বাজেটের মধ্যে পছন্দ সই কয়েকটি শার্ট দেখতে পেলাম, তাই দ্রুত সেখানে চলে গেলাম। সেখান থেকে বেশ কয়েকটি শার্ট আমার পছন্দ হয়েছিল , সেগুলোর কয়েকটা ছবি তুলে আমার এক বন্ধুকে দিয়েছিলাম পছন্দ করে দেওয়ার জন্য। কারণ ছেলেদের জিনিস খুব একটা কেনা হয় না বছরে হাতেগোনা কয়েকবার ছাড়া সেই জন্যই খুব বেশি আইডিয়া আমার নেই। তাই বন্ধুর সাহায্য নিয়ে নিয়েছিলাম।
তবে শপিংমলে কেনাকাটা করতে গেলে যেহেতু জিনিসের গায়ে দাম লেখা থাকে সেই জন্যই দাম বেশি নেওয়ার বা কম নেওয়ার , বা এক একজনের কাছ থেকে এক একরকম দাম নেওয়ার কোনো চান্স থাকে না ,সকলের কাছ থেকেই সমান দাম নেওয়া হয়। তবুও একবার দেখিয়ে নিয়েছিলাম বন্ধুকে পুরোপুরি ভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য, এই জিনিসের এরকম দাম কিনা। তারপর আমার বিশ্বস্ত বন্ধু যখন বলেই দিল যে জিনিসপত্রের দাম একদম ঠিকঠাক আছে তখন আমি নিশ্চিন্তভাবে আমার পছন্দ মত একটি শার্ট দাদার জন্য কিনে নিলাম। আর সেটা নিয়ে পরের দিন ফোঁটা দেওয়ার জন্য চলে গেলাম।
এই শার্ট টা নিয়েছিলাম দাদার জন্য, যেহেতু দাদার আর আমার দুজনেরই পছন্দের রং নীল তাই আমার কাছে নেভি ব্লু কালারের এই শার্ট টা পারফেক্ট মনে হচ্ছিল ওর জন্য। তারপর বাড়ি নিয়ে গিয়ে যখন দেখলাম বেশ পছন্দ হয়েছে আর বিকেলে দেখলাম সেটা গায়ে দিয়েই ঘুরতে বেরোলো, তাই দেখে আমিও খুশি হয়ে গেলাম। আসলে যাকে গিফট দেওয়া হয় তার পছন্দ হলেই গিফট দেওয়ার আসল সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায়।
| পোস্ট বিবরণ | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| ডিভাইস | realme 8i |
| ফটোগ্রাফার | @pujaghosh |
আপনি আপনার দাদার জন্য সুন্দর একটি শার্ট কিনেছেন। ঠিকই বলেছেন, গিফট পছন্দ হওয়ার মধ্যেই আসল সার্থকতা রয়েছে। ছেলেদের জিনিস কেনায় আমারও কোন আইডিয়া নেই। আপনি আপনার বিশ্বস্ত বন্ধুর সহযোগিতা নিয়ে শপিং করেছেন। আসলে প্রতি সপ্তাহে ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করতে ভালো লাগে। যাই হোক ভাই ফোঁটা উপলক্ষে কেনাকাটার মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু, গিফট পছন্দ হওয়ার মধ্যেই আসলে স্বার্থকতা। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
যেহেতু আগে থেকেই সিলেক্ট করে রেখেছিলেন আপনার দাদার জন্য কিছু একটা গিফট কিনবেন তবে প্রথমের দিকে টি-শার্ট দেখেছিলেন তবে সেটা পছন্দ না হওয়ার কারণে আবার শার্ট দেখেছেন। তবে আপনার দাদা যেহেতু নীল রঙ বেশি পছন্দ করে তবে তার গায়ে নেভি ব্লু শার্ট বেশ ভালো মানাবে কারণ নেভি ব্লু সবার গায়ে বেশ মানানসই।
হ্যাঁ ভাই ঠিক বলেছেন, নেভি ব্লু সবার গায়ে বেশ মানানসই।ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ভাইফোঁটা উপলক্ষে দাদার জন্য নেভিব্লু কালারের শার্ট কিনলেন দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো আপু। আর আপনার কেনা শার্ট পড়ে আপনার দাদা বিকালে ঘুরতে বের হয়েছে এটা দেখে নিশ্চয়ই আপনি অনেক খুশি হয়েছেন। খুব ভালো লাগলো আপু আপনার অনুভূতিমূলক পোস্ট পড়ে।
হ্যাঁ আপু, দাদা শার্ট টি পড়েছিল বলে আমি অনেক বেশি খুশী হয়েছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ভাই ফোঁটায় মূলতো দাদারা গিপ্ট দিয়ে থাকেন এবং যদি ভাইকে ফোঁটা দেয়া হয় সে ক্ষেত্রে দিদি ভাইকে ফোঁটা দেয়ার পর গিপ্ট করে থাকে।কিন্তুু আপনার দাদাকে গিপ্ট দেয়াটা খুব ভালো লাগলো আমার।কারণ দাদাদের কে গিপ্ট দিলে খুব খুশি হয়। গিপ্ট পেতে কার না ভালো লাগে।ঠিক বলেছেন দিদি এক দরের দোকান গুলোতে একজনের কাছে কম অন্য জানের কাছে বেশি দাম নেয়ার কোন সুযোগ নাই জন্য ভালো লাগে।আপনার বন্ধু আপনার দাদার শার্ট কিনতে সাহায্য করেছে জেনে ভালো লাগলো।আপনার ও আপনার দাদা একই কালার পছন্দ জেনে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ দিদি দাদার জন্য শপিং করার পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ দিদি , একটু আলাদা ভাবে বোন হলেও আমি দাদাকে সবসময় গিফট কিনে দেই। আমি সবসময় চেষ্টা করি আমার কাছের মানুষদের গিফট কিনে দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ আপনাকে।