//জেনারেল রাইটিং:-আমার শৈশব জীবনের এক মজার কাহিনি //
"সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি" |
|---|
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর ভাই ও বোনেরা, মুসলিম ভাই ও বোনদের জানাই আসসালামু আলাইকুম সনাতন ধর্মালম্বী ভাই ও বোনদের জানাই আদাব এবং অন্যান্য ধর্ম অবলম্বনকারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।প্রতি দিনের মত আজকেও আপনাদের মাঝে আরেকটি বিষয় নিয়ে উপস্থিত হলাম। আজকের বিষয় হচ্ছে আমার শৈশবের এক মজার কাহিনি আসলে আজকে হঠাৎ করে একটি ছোট বেলার কথা মনে পড়লো।তাই ভাবলাম আপনাদের মাঝে কাহিনি টি শেয়ার করি।যদিও সেই ছোট বেলার জীবন ফিরে পাবো না।কিন্তু এগুলো কাহিনি মনে পড়লে খুবই ভালো লাগে। হয়তে আপনাদের মাঝে কাহিনি টি শেয়ার করলে আপনাদেরো ভালো লাগবে।তাহলে দেরি না করে শুরু করা যাক।
আপনারা হয়তো সবাই সাইকেল চালাতে পারেন এটা আমি আশা করি। তবে সাইকেল চালাতে হলে প্রথমে আমাদেরকে এটা শিখতে হয়। আর এই সাইকেল চালাতো আমরা কেউ বড় হয়ে শিখি নাই। হয়তো সবাই আমরা ছোট বেলায় এই সাইকেল নিয়ে পড়ে ছিলাম।আসলে আগের যুগের মানুষ সাইকেল দিয়ে সব জায়গায় যাওয়া-আসা করতো।বলতে গেলে আগের দিনে সাইকেলের অনেক প্রচলন ছিলো।যাইহোক যখন আমরা সাইকেল চালাই বা চালা শিখি তখন কিন্তু আমাদের মধ্যে ভয় ভয় কাজ করে।
আমরা যারা খুব ছোটতে সাইকেল চালায় শিখছি। এই সাইকেল চালানো কিন্তু আমরা দুই বা একদিনে শিখি নাই।হয়তো কারো এক সপ্তাহ না হয় কারো দুই সপ্তাহ, বা কারো অনেক সময় চলে গেছে। তারপর সাইকেল চালানো শিখছে।তবে যাই হোক আমি কিন্তু সাইকেল চালানো খুব তাড়াতাড়ি শিখছি এবং আমি মনে করি যে, অনেকেই আমার মত আছে যারা দুই দিন বা তিন দিনে সাইকেল চালানো শিখে গেছে।যাইহোক ছোটতে যখন সাইকেল চালাতাম। তখন কিন্তু সাইকেল চালানোর এক ধরনের নেশা হয়ে গেছিলো।তো আমি যখন প্রথম প্রথম সাইকেল চালানো শিখি।
একদিন আমার ফ্রেন্ড বলতে আছে যে,মানে আমার বন্ধু বলে যে চল সাইকেল নিয়ে এক জায়গায় ঘুরতে যাবো।আমি যেহেতু নতুন সাইকেল চালানো শিখছি তাই একটু ভয় ভয় কাজ করছিলো।আর এটা স্বাভাবিক যে কিছু শিখলে সেটা প্রথম প্রথম ভয় কাজ করে। যখন আমরা এই বিষয়ে খুব দক্ষতা হবো বা খুব পুরাতন হবো তখন কোন সমস্যা হবে না।তো তার কথামতো আমি সাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হলাম। রাস্তায় যেহেতু অনেক ধরনের মানুষ থাকে বা চলাফেরা করে। এখন দেখে শুনেই তো যাওয়া উচিত আমাদের।
আর এই দিকে আমি যেহেতু নতুন সাইকেল চালানো শিখছি। তাই একটু খুব সাবধানে সাইকেল চালাচ্ছি। তো এইভাবে চালাতে চালাতে অনেক দূরে চলে গেলাম। তো সামনে হঠাৎ করে একটা ভ্যান চলে আসলো। আমাদের গ্রাম অঞ্চলে আমরা এগুলোকে ভ্যান বলে থাকি। আর আগের যুগ থেকে এগুলো আমরা ভ্যান বলে সবাই পরিচিত। যাইহোক যখন হঠাৎ করে ভ্যান সামনে চলে আসলো আমার মাথা কাজ করতে ছিলো না।যেহেতু আমি নতুন সাইকেল চালাই এবং কিভাবে ব্রেক ধরবো, কিভাবে সাইকেল স্লো করবো, কিছুই মাথায় আসছিল না।
তো যখন মাথা কাজ করতেছিল না তখন আমি সঙ্গে সঙ্গে ভ্যানের মধ্যে আমার সাইকেলটি লাগিয়ে দিলাম। তবে সাইকেলটি লাগিয়ে দেওয়ার পর আমার কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আর আমি তখন অনেক চিকন ছিলাম।সাইকেল লাগার সঙ্গে সঙ্গে আমি লাফ দিয়ে দূরে পড়ে গেছি। এটা হচ্ছে আমার জীবনের প্রথম সাইকেল চালানো নিয়ে ভ্যানের সঙ্গে এক্সিডেন্ট। এটা এক্সিডেন্ট নাও বলা চলে। যেহেতু আমি নতুন এটা স্বাভাবিক একটা ভ্যানের সঙ্গে, একটা সাইকেলের সঙ্গে লাগতেই পারে। তবে যে ভ্যানের সঙ্গে আমার সাইকেল লাগালাগি হয়েছিল। সেই ভ্যানওয়ালা বুঝতে পারছে যে নতুন এই জন্য কিছু বলেনি আমাকে।
তো পরে ভ্যানওয়ালা চলে গেলো।এবং আমি সাইকেল নিয়ে আবার বন্ধুর সাথে বাসায় আসলাম।এখন বাসার বাইরে যে ঘটনা ঘটছে এটা তো বাসায় বলা যাবে না। কারণ এই ঘটনা বললে তো পরের দিন থেকে আমার হাতে আর সাইকেল দিবে না। এইজন্যে কাউকে কিছু আমরা না বলে আবার আগের মত সাইকেল চালাতাম।যাইহোক জীবনের প্রথম এই কাহিনীটা আমার হয়েছে যেটা এখন মনে করলে কেমন যেনো লাগে।হয়তো আপনাদের শৈশব জীবনের সাথে এই কাহিনীটা মিল হতে পারে।তো আপনারা যখন প্রথম সাইকেল চালানো শিখছেন বা কি হয়েছে না হয়েছে এটা সবাই কমেন্ট করে জানাবেন। তো আজকের মত আমি এখানেই বিদায় নিলাম। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ডিভাইস | Tecno camon 20 |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @polash123 |
| লোকেশন | দিনাজপুর |
| আসসালামুআলাইকুম,আমার নাম মোঃ পলাশ সরকার রাজু । আমার স্টিমিট ইউজার নেম @polash123 আমি দিনাজপুর জেলার, পার্বতীপুর উপজেলার একজন বাসিন্দা। আমি পড়া শুনা করি এবং পড়াশোনার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করি। আমি ক্রিকেট খেলতে অনেক ভালোবাসি।আর ক্রিকেট খেলা দেখতেও খুব ভালবাসি।মাঝে মাঝে সময় পেলে যে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করি। আর অংকন করতেও ভালবাসি।আপনারা সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ ও নিরাপদে থাকবেন। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
https://x.com/Polashislam681/status/1824017486993604666?t=cXfF6FA2nTnD_E8t9UQCtA&s=19
আসলে ভাইয়া শৈশব আমাদের কতো স্মৃতি বলে বুঝানো মুশকিল। আমার মনে হয় সবার জীবনে শৈশবের অনেক স্মৃতি রয়েছে। আপনার সাইকেল চালানোর অভিজ্ঞতা পড়ে অনেক ভালো লাগলো। আসলে এমন ভ্যান গাড়িতে লাগাটা স্বাভাবিক। যাইহোক সবচেয়ে বড় কথা বাসায় বললে আর কিন্তু বের হওয়া যেত না।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
শৈশবের কিছু কিছু স্মৃতি আজও আমাদের মনের খাতায় দাগ কেটে থাকে। চাইলেও সেই স্মৃতিগুলো মন থেকে কখনো সরে যায় না স্মৃতি হয়ে রয়ে যায় চিরকাল।আজ আপনি শৈশবে প্রথমবার সাইকেল চালানোর অভিজ্ঞতা বেশ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া। যা পড়ে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ছোট বেলার এসব গল্প কাহিনি মনে পড়লে আসলেই ভীষণ ভালো লাগে ৷ খুবই সুন্দর এবং আনন্দময় ছিলো এই দিন গুলো ৷ আমিও ছোট বেলায় সাইকেল চালানো শিখেছি ৷ আমারও সাথে দু-একবার এমন ঘটনা ঘটেছে ৷ তাই আপনার এই মজার গল্পটা পড়ে সেই হারানো দিনের আনন্দটা অনুভব করতে পারছি ৷ যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে , এমন মজার একটা গল্প শেয়ার করার জন্য
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
প্রত্যেকের শৈশব আনন্দের।ঠিক তেমনি আপনার শৈশবের মজার একটি কাহিনী এই পোস্টে শেয়ার করেছেন।এই সাইকেল চালানো যে কি কঠিন একটা ব্যাপার লাগে আমার কাছে।তবে ছেলেরা শৈশবেই একপর্যায় শিখে যায় সাইকেল চালানো।ভালো লাগলো পোস্টটি।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করে আমাকে উৎসাহিত করার জন্য।
খুব সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপনি৷ আজকে আপনার মাধ্যমে আপনার শৈশব স্মৃতি পড়ে খুবই ভালো লাগলো৷ আসলে সকলের শৈশব স্মৃতি রয়েছে এবং ছোটবেলার স্মৃতি গুলো পড়লে অনেকটাই ভালো লাগে৷ আজকে আপনার কাছ থেকে এরকম সাইকেল চালানোর মুহূর্ত পড়ে খুবই ভালো লাগলো৷ অসংখ্য ধন্যবাদ৷