ভালোবাসার জয় তৃতীয় বা শেষ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্ট।
ভালোবাসার জয় তৃতীয় বা শেষ পর্ব
ভালোবাসার জয় গল্পের তৃতীয় বা শেষ পর্ব। নিশি যখন কাবিনের ছবি দিয়ে চলে গেল। এদিকে এই ছবি দেখে তার বাবা সবাই দুঃখে ভেঙে পড়ল। আসলে এভাবে চলে যাওয়াতে তার বাবা মার দুঃখের শেষ ছিল না। আসলে বাবা মা একটা সন্তানকে কতো কষ্ট করে লালন পালন করে তা শুধু বাবা মাই জানে। আর কোন বাবা মা চায় না যে তাদের সন্তান খারাপের দিকে যাক।এত দিন লালন পালন ও পড়াশোনা করানোর পর কোন সন্তান যদি এভাবে চলে যায়, তাহলে বাবা মার মেনে নিতে কষ্টই হয়। তারপর কি আর করা নিশি তো তার ভালোবাসার মানুষকে ছাড়া বাঁচবে না আর নিশির বাবা তো নিশির ভালোবাসার মানুষকে মেনে নেবে না।তাই নিশি তার ভালোবাসার মানুষকে পাবার জন্য চলে গেছে।
আসলে নিশির তার শুধু বাবা নয় তার চাচা ও দাদুর কাছে ছিল চোখের মনি।এদিকে নিশি সবাইকে বোকা বানিয়ে চলে গিয়েছে তার ভালোবাসার মানুষের কাছে। তবে নিশি যার সাথে গিয়েছে সেই নিশিকে অনেক ভালো বাসে। যেহেতু নিশি ও নিরব পালিয়ে বিয়ে করেছে তাই তারা কারো বাসায় না গিয়ে চলে গেল কুয়াকাটা হোটেলে। সেখানে দুজনেই অনেক ভালো করে ঘোরাঘুরি করছে।আসলে নিরবের একটা বাইক ছিল তাই নিরব নিশিকে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগে বাইকটা বিক্রি করেদিয়েছে।নিরব তো কিছুই করে না তবে বাইকের টাকা দিয়ে দুজনে আনন্দ সহকারে ঘুরছে। নিশি ও বেশ সুখে আছে নিরবের সাথে। তবে নিরব ভয়ে আছে টাকা পয়সা না থাকলে ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়,সেই কথা ভাবতে লাগল নিরব।তবে নিশি বলেছে সে কখনো নিরবকে ছেড়ে যাবে না।ইতি মধ্যে নিশির স্বামী একটা প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরি পেল। তখন দুজনে মিলে বেশ ভালোই চলতে লাগল ।আসলে আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন।
সত্যি কথা নিরব নিশিকে নিজের থেকে অনেক ভালোবাসে। শুধু একটাই ভয় নিশি যেন তাকে ছেড়ে চলে না যায়।যাইহোক দুজনে মিলে বেশ ভালোই ঘোরাঘুরি করেছে।হাজার বাধা পেরিয়ে নিশি ও নিরব দুজনে বেশ ভালো আছে। আসলে সত্যিকারের ভালো বাসা এমনি। আর ভালোবাসা কখনো ধনী গরিব মানে না। ভালোবাসা হলো মনের মিলন। তাই নিশি আজ নিরবের সাথে শুধু ভালোবাসার জোরে চলে গিয়েছে সবাইকে ফেলে। তবে আর যাইহোক নিশি কিন্তু এখন পর্যন্ত অনেক সুখে আছে। যদিও নিশির বাবা মা নিশিকে আনতে গিয়েছিল কিন্তু নিশি আসে নি।নিশির বাবা মা নিশিকে অনেক বুঝিয়েছে কয়েক দিন পরে তুমি কিন্তু না খেয়ে থাকবে। নিশি বলেদিয়েছে না খেয়ে থাকলে দুজন সুখে থাকব।কিন্তু তোমাদের অট্টালিকায় এমন সুখ নেই। থাক তুমি তোমার অর্থ সম্পদ নিয়ে। ।সত্যি নিশির মতো মেয়ের জন্য আজ ও ভালোবাসা টিকে থাকে। নিশির স্বামীর টাকা পয়সা কম থাকলেও নিশি অনেক সুখে আছে।আসলে টাকা পয়সায় কখনো সুখ দেয় না। তবে বেঁচে থাকতে হলে টাকা পয়সা দরকার। নিশি প্রামাণ করেদিয়েছে কম টাকা পয়সায় ও সুখে থাকা যায়।যাইহোক অবশেষে তাদের মিলন হয়েছে জেনে অনেক ভালো লাগল।এখন তারা সুখে সংসার করছে ।
আজ এই পর্যন্তই। গল্পটি ভালো লাগলে আবার আসবো নতুন কোন গল্প নিয়ে। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
নিশি এবং নিরবের মিলনের কথা শুনে সত্যি ভীষণ ভালো লেগেছে আপু। আসলে এরকম মেয়েদের জন্য এখনও পর্যন্ত ভালোবাসা টিকে রয়েছে। নিশি ঠিকই বলেছে টাকা পয়সা, অর্থ সম্পদ কখনো কাউকে সুখ এনে দিতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য এমনিতে টাকার প্রয়োজন আছে, কিন্তু অল্প টাকা হলেও সুখে থাকা যায়। অনেকদিন পর ভালোবাসার মিলনের একটা গল্প পড়ে ভীষণ ভালো লেগেছে। খুবই সুন্দর একটা গল্প নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয়েছেন। তৃতীয় পর্বের মাধ্যমেই গল্পটা শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তাদের মিলন হয়েছে এটা জেনেই ভালো লেগেছে।
সত্যি ভাইয়া ভালোবাসার মিলন হলে আসলে ভালো লাগে, আপনাদের ভালো লাগলে আবারো আসবো নতুন কোন গল্প নিয়ে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালোবাসার মাঝখানে টাকা-পয়সা কখনো সুখ বয়ে আনে না সবে মাত্র ভালোবাসাটা সুখবর আনতে পারে যদি দুজনার মনের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে এবং কোন প্রকার যেন ফাটল না ধরে তখনই সে প্রেম সার্থক হয় আপনার এই গল্পের শেষ পর্যায়ে এসে তাদের মনের মিলন দেখে সত্যি আমার ভালো লেগেছে। এ পর্যায়ে ভালোবাসাকে বাস্তব ভালোবাসা বলা হয় যার ভিতরে রিয়ালিটি বিদ্যমান।