ঈদের কেনাকাটা শুরু দ্বিতীয় পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টঃ
ঈদের কেনাকাটা শুরু দ্বিতীয় পর্ব
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আসলে এখন রমজান মাস। আর এবার রমজান মাসে যে হারে গরম পড়ছে বলার মতো নয়।তারপরে বারো মাসে এক মাস আমাদের জন্য রোজা ফরজ করা হয়েছে। আসলে কয়েকদিন আগে আমি বাচ্চাদের নিয়ে মার্কেটে গিয়েছিলাম ঈদের কেনাকাটা করার জন্য। তার এক পর্ব আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম। আজ ও আর এক পর্ব নিয়ে এসেছি। আজকের পর্বে আমি আপনাদের সাথে শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রি পিস ও বাচ্চাদের সুতি ফ্রক কিনা শেয়ার করব।আসলে ঈদ মানে আনন্দ। ঈদের আনন্দ সবারই সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য একটু কেনাকাটা তো করতেই হয়। তবে এবার গরমের জন্য ভেবেছিলাম কিছু কিনব না। কিনব না বলেই একটু একটু করে অনেক কিছু কিনা হয়েগেছে।যাইহোক আস্তে আস্তে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেব।সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।
আগে আমি আমার বাচ্চাদের সকল জিনিস কিনে দিয়েছি।সত্যি বাচ্চাদের সব কিছু কিনলেও মনে হয় না যে কিনা হয়েছে। যাইহোক যেহেতু ওদের আগে অনেক কিছু কিনা হয়েছে তাই আমি আগে গিয়েছিলাম শাড়ির দোকানে। আসলে বছর পরে একবার আসে ঈদ, তাই তো দুই একটা কাপড় কিনতেই হয় মা ও শাশুড়ির জন্য। তার জন্য কাপড়ের দোকানে যাওয়া। সত্যি বর্তমান কাপড় চোপড়ের এত দাম বলার মত নয়।যেহেতু সবাই অনেক দামি দামি শাড়ি দিয়েছে, তাদের অনেক অনেক শাড়ি হয়েছে, তাই আর বেশি দামের দিকে না এগিয়ে দুজনের জন্য দুটি শাড়ি কিনলাম। তবে কমের ভিতরে বলতে দুটি সুতি শাড়ি ১৯ টাকা নিয়েছে।
আসলে ঈদ বলে কথা। যদিও ঈদের কিছু দিন আগে দুটি থ্রি পিস বানানো হয়েছে। তাই আর থ্রি পিস নেওয়ার ইচ্ছে আমার নেই।সত্যি বলতে ইচ্ছে থাকলেও এখন কোন টেইলাস অর্ডার নেবে না। তারপরে ও আপনাদের ভাই টাকা দিয়েছে থ্রি পিস কিনার জন্য। অবশেষে বাসায় পড়ার জন্য দুটি বাটিক থ্রি পিস কিনেছি।তারপর আপনাদের ভাইয়ের জন্য কিছু না কিনলে কেমন হয়। তাই দুটি লুঙ্গি কিনেছি। আসলে শার্ট প্যান্ট তো আগেই বানানো হয়েছে। আমি কখনো লুঙ্গি কিনিনি এই প্রথম। তবে দুঃখের বিষয় হলো লুঙ্গি দুটি এনেছি ১৪ শত টাকা দিয়ে, কিন্তু টাকা যায় হোক লুঙ্গি ও ভালো তবে আপনাদের ভাই অনেক লম্বা তাই সামান্য শর্ট হয়েছে। এখন কি করব বুঝা মুশকিল। একটা পড়ছে আর একটা সে পড়বে না। এখন চেঞ্জ করার মত সময় নেই। ঈদের পড়ে ফেরত নেবে কিনা বলা যায় না।
এখন আবার আসলাম মেয়েদের জন্য সুতি ফ্রক কিনার জন্য। আসলে পার্টি ড্রেস গুলো সব সময় পরা যায় না। তবে সবাই এখন বাচ্চাদের টাকা দেয়, আর কিনাকাটা আমাকেই করতে হয়। আগে তার বড় চাচার টাকা দিয়ে জামা জুতা, কসমেটিক ইত্যাদি কিনা হয়েছে। এখন তার দাদু ও নানুর টাকা দিয়ে আর কিছু কিনা হয় নাই। তবে তার বাবার টাকা দিয়ে আবার দুই বোনের জন্য দুটি সুতি ফ্রক কিনে আনলাম। আসলে বাচ্চারা সুতি জামা পড়ে অনেক মজা পায়। তবে সুতি জামা গুলো সব সময় পড়ার জন্য অনেক ভালো। আমি ঈদ ছাড়া বেশির ভাগ সময় সুতি জামা কিনে দিই। যাইহোক আমাদের ঈদের আরো কেনাকাটা আছে সেগুলো নিয়ে হয়তো আবার আসব।সব কিছু মিলে বেশ ভালোই কেনাকাটা করা হলো। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | LGK30 |
| লোকেসন | লিংক |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।