আলু ও কাঁঠালের বিচি দিয়ে পাঙ্গাস মাছের রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আলু ও কাঁঠালের বিচি দিয়ে পাঙ্গাস মাছের রেসিপি
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| পাঙ্গাসমাছ | ৫পিচ |
| পিঁয়াজ কুঁচি | পরিমাণ মত |
| আদাবাদা | ১ চামচ |
| রসুনবাটা | ১ চামচ |
| হলুদ গুঁড়ো | ১চামচ |
| মরিচের গুঁড়ো | ১ চামচ |
| ধনের গুঁড়ো | ১/২চামচ |
| জিরার গুঁড়ো | ১/২ চামচ |
| আলু ও কাঁঠালের বিচি | পরিমাণ মতো |
| লবন | স্বাদমতো |
| তেল | পরিমাণ মতো |
ধাপ-১
প্রথমে আমি কয়েক পিচ মাছ নিয়েছি। তারপর মাছগুলো হলুদ ও লবন দিয়ে মাখিয়ে নিলাম।
ধাপ-২
তারপর চুলাই একটি কড়াই বসিয়ে দিলাম। কড়াই গরম হয়ে আসলে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দেব।
ধাপ-৩
তেল গরম হয়ে আসলে মাখিয়ে রাখা মাছ গুলো দিয়ে দেব। মাছ গুলো দিয়ে দুপাশ ভালো করে ভেজে নেব তুলে নেব।
ধাপ-৪
সেই তেলে কেটে রাখা পিঁয়াজ কুঁচি দিয়ে দেব। পিঁয়াজ বাদামি রঙের হয়ে আসলে আদাবাটা ও রসুন বাটা দিয়ে দেব।
ধাপ-৫
এখন হলুদ,মরিচ ও ধনের গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নেব। তারপর কেটে ধুয়ে রাখা আলু ও কাঁঠালের বিচি দিয়ে দেব।
ধাপ- ৬
তরকারি দিয়ে বেশ কিছু ক্ষণ কষিয়ে তারপর সিদ্ধের জন্য পানি দিয়ে দেব। পানি ফুটে আসলে ভেজে রাখা মাছ গুলো দিয়ে দেব।
ধাপ-৭
ঝোল কমে আসলে জিরার গুঁড়ো দিয়ে দেব। জিরার গুঁড়ো দিয়ে আর একটু জ্বালিয়ে নেব। এখন একটি বাটিতে তুলে পরিবেশন করব। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আপনি ঠিকই বলেছেন পাঙ্গাস মাছ খেতে আমরা অনেকেই পছন্দ করি কারণ এই মাছে কাটা থাকে না। আমার একটু বেশি পছন্দের মাছ হচ্ছে পাঙ্গাস। আমার অন্য কোন মাছ কিনা না বেশিরভাগ সময় পাঙ্গাস মাছ কেনা হয় বাড়িতে খাওয়ার জন্য। আপনি খুবই লোভনীয় একটা রেসিপি তৈরি করেছেন পাঙ্গাস মাছের। খুবই মজা করে খাওয়া হয়েছিল দেখে বুঝতে পারছি। আপনার উপস্থাপনা দেখে যে কেউ তৈরি করতে পারব। বেশ ভালো ছিল আপনার আজকের রেসিপি।
জি ভাইয়া অনেক মজা করে খেয়েছি, ধন্যবাদ আপনাকে।
কাঁঠালের বিচি আমার খুবই প্রিয় সবজি। তবে এ বছর এখনো খাওয়া হয়নি। মাছ দিয়ে কাঁঠালের বিচি রান্না করলে খেতে অনেক ভালো লাগে। এছাড়া মাংস দিয়ে রান্না করলেও খেতে অনেক ভালো লাগে। আলু ও কাঁঠালের বিচি দিয়ে পাঙ্গাস মাছের রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
আপু আমরাও এবার প্রথম খেলাম কাঁঠালের বিচি। আমার কাছে ও অনেক ভালো লাগে। আর আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগল আপু, ধন্যবাদ আপনাকে।
আহা পাঙ্গাশ মাছ হলে আর কি লাগে বলুন, ভীষণ পছন্দ করি মাছটি। আলু এবং কাঁঠালের বিচি দিয়ে সুস্বাদু একটি খাবার প্রস্তুত করেছেন আপু। অনেক ধন্যবাদ আপু চমৎকার রেসিপি ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য।
প্রশংসানীয় মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
আসলে ঋতু বৈচিত্র্যময় এই বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ফল পাওয়া যায়। এই সময়ে কাঁঠালের বিচি যেটা সবজি হিসেবে আমরা ব্যবহার করে থাকি। খুব সুন্দর করে কাঁঠালের বিচি দিয়ে পাঙ্গাস মাছের রেসিপি করেছেন অনেক ভালো লাগলো।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল,ধন্যবাদ আপনাকে।
আলু এবং কাঁঠালের বিচি দিয়ে এভাবে পাঙ্গাস মাছের রেসিপি তৈরি করলে কিন্তু খেতে একটু বেশি ভালো লাগে। এই রেসিপিটা আমার অনেক বার খাওয়া হয়েছিল। আপনি পাঙ্গাশ মাছ দিয়ে রেসিপিটি তৈরি করেছেন। আসলে পাঙ্গাশ মাছ আমরাও খেয়ে থাকি। কাটা না থাকার কারণে এই মাছটি খেতে সবার কাছেই ভালো লাগে। খুবই লোভনীয়ভাবে রেসিপিটা তৈরি করেছেন দেখে আমার তো জিভে জল চলে এসেছে। বেশ লোভনীয় ছিল আপনার রেসিপিটা। উপস্থাপনার মাধ্যমে আমাদের মাঝে খুবই সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন।
সত্যি আপু কাটা না থাকার কারণে সবারই অনেক ভালো লাগে, ধন্যবাদ আপনাকে।
পাঙ্গাস মাছ আলু দিয়ে রান্না করে খুব সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। রান্নার প্রণালী খুব সুন্দর হয়েছে। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দরভাবে ছবি ও বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। রান্নার পরিবেশন ভালো হয়েছে। ধন্যবাদ আপু।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
ব্যক্তিগতভাবে আমি পাঙ্গাস মাছ অনেক বেশি পছন্দ করি তবে আপনার মত করে এরকম ভাবে কখনো কাঁঠালের বিচি দিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়নি। যদিও কাঁঠালের বিচি আমি তেমন একটা খেতে পছন্দ করি না তবে আপনার এই পাঙ্গাস মাছ দিয়ে কাঁঠালের বিচি রান্নার এই রেসিপিটি আমার কাছে দেখেই মনে হয়েছে অনেক বেশি সুস্বাদু এবং লোভনীয়। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ভাইয়া এভাবে একদিন তৈরি করে খেতে পারেন অনেক মজা, ধন্যবাদ আপনাকে।
কাঁঠালের বিচি ভর্তা করে এবং শুটকি মাছ দিয়ে রান্না করে অনেক খাওয়া হয়েছে। তবে মাছ দিয়ে রান্না করে কখনো খাওয়া হয়নি। আলু ও কাঁঠালের বিচি দিয়ে পাঙ্গাস মাছের রেসিপি দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে দারুণ হয়েছে। ভিন্ন ধরনের রেসিপি খেতে আমার খুব ভালো লাগে। রেসিপির উপস্থাপনা এবং পরিবেশনাও এককথায় চমৎকার হয়েছে। যাইহোক ধাপে ধাপে এতো মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপনাকে।
এখন যেহেতু কাঁঠালের সিজন তাই প্রচুর পরিমাণ কাঁঠালের বিচিও পাওয়া যাবে। কাঁঠালের বিচি দিয়ে তরকারি রান্না করে খেলে কিংবা ভর্তা করে খেলেও অনেক মজা লাগে। আপনি কাঁঠালের বিচি দিয়ে পাঙ্গাশ মাছ রান্না করেছেন দেখতে অনেক বেশি লোভনীয় দেখাচ্ছে। ঠিক বলছেন বাচ্চারা পাঙ্গাস মাছ খেতে অনেক পছন্দ করেন কারন পাঙ্গাস মাছ একটু কাটা কম তাই।
জি আপু এখন কাঁঠালের সিজন তাই কাঁঠালের বিচি অনেক পাওয়া যাবে। তবে কাঁঠালের বিচি রান্না ও ভর্তা দুটিই আমার অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু।
কাঠালের বিচি যদিও আমি খাইনা। তবে শুনেছি এটি অনেক পুষ্টিকর সবজি। আপনি তো দেখছি বেশ পাকা রাধুনী। বেশ সু্ন্দর করে পাঙ্গাস মাছ আর আলুর সাথে মিশিয়ে কাঠালের বিচি রান্না করে নিলেন। দেখেই তো মনে হচ্ছে বেশ মজাদার একটি রেসিপি হয়েছে।
জি ভাইয়া অনেক মজার রেসিপি, মাঝে মাঝে খেয়ে দেখবেন অনেক ভালো লাগবে।ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু আমি তো ভাইয়া না। আমি তো আপু।
ও আচ্ছা ভুল হয়েছে আপু