আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টঃ
নুডলসের পায়েস রান্নার রেসিপি

বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে । আসলে নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে যেমন ভালো লাগে, খেতে ও তেমন ভালো লাগে।আমি প্রতি নিয়ত চায় বাচ্চাদের নতুন কিছু তৈরি করে দিতে। সত্যি বলতে নিজের হাতে তৈরি করা জিনিসের মজাই অন্য রকম। আজ কয়েক দিন ধরে আমি ও আমার বড় মেয়ে অসুস্থ ছিলাম। গতকাল থেকে বড় মেয়েটা একটু সুস্থ হয়েছে কিন্তু আবার ছোটটার আবার জ্বর ও ঠান্ডা লেগেছে। তাই সকাল বেলা বলছে আমাকে একটু নুডলস রান্না করে দেও।তাই ভাবলাম সব সময় তো সুপ নুডলস খায় আজ একটু নুডলসের পায়েস তৈরি করে দেয়। যেই ভাবা সেই কাজ, তারপর শুরু করে দিলাম।রান্না শেষে যখন মেয়েকে খাওয়াতে নিলাম সে খাবে না, আসলে জ্বরের কারণে কিছুই খেতে ভালো লাগছে না। তখন মনটা অনেক খারাপ লাগল। তারপর বড় মেয়েকে দিলাম সে কিছু খেয়ে বলল আম্মু ভালো হয়েছে রেখে দাও পরে খাব।আসলে জ্বর থেকে উঠেছে তাই ওই খেতে পারছে না।যাইহোক আপনাদের ভাই আবার মিষ্টি অনেক পছন্দ করে, অবশেষে তাকে দিয়ে দিলাম। সে খেয়ে বলল অনেক ভালো হয়েছে। সত্যি ভালো হয়েছে কিন্তু বাচ্চাদের জ্বরের জন্য খেতে পারছে না। যাইহোক তাহলে শুরু করি আমার আজকের পোস্ট।


১.ম্যাগি নুডলস
২.কিচমিচ
৩.এলাচ,দারচিনি ও তেজপাতা
৪.চিনি
৫.দুধ
৬.লবন

ধাপ-১

প্রথম আমি এক প্যাকেট ম্যাগি নুডলস নিয়েছি।তারপর নুডলস প্যাকেট থেকে এভাবে কিছুটা ছাড়িয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২

এখন চুলাই একটি কড়াই বসিয়ে তেল দিয়ে দিলাম। তারপর তেল গরম হয়ে আসলে ভেঙে রাখা নুডুলস গুলো দিয়ে ভেজে নেব। একটু লাল হয়ে আসলে নামিয়ে নেব।
ধাপ-৩

তারপর সেই কড়াইতে আর একটু তেল দিয়ে কিছু কিচমিচ দিয়ে দেব।কিচমিচ গুলো এভাবে হয়ে আসলে নামিয়ে নেব। তারপর কিছু দুধ দিয়ে দেব।
ধাপ-৪

এখন একটা তেজপাতা দিয়ে দেব। এখন কিছু চিনি দিয়ে দেব। চিনি গলে আসলে এলাচ দারচিনি দিয়ে দেব।
ধাপ-৫

এখন ভেজে রাখা নুডলস গুলো দিয়ে দেব। তারপর ভেজে রাখা কিচমিচ গুলো দিয়ে দেব।কিচমিচ গুলো দিয়ে আরো কিছু ক্ষণ রান্না করে নেব। এভাবে হয়ে আসলে নামিয়ে নেব।
ধাপ-৬

এখন একটি বাটিতে তুলে পরিবেশন করব। আসলে গরম গরম খেতে অনেক মজা হয়েছে। আপনারা চাইলে এভাবে একদিন রান্না করতে পারেন।আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

আমি পারুল। আমার ইউজার নেম
@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

নুডুলস দিয়ে মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। এভাবে নুডুলস দিয়ে পায়েস রান্না করে কখনো খাওয়া হয়নি। দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই মজা হয়েছে। আসলে সব সময় একই রকম রান্না না করে রান্নার মাঝে একটু ভিন্নতা আনলে খেতে খুবই ভালো লাগে।আর শরীর অসুস্থ থাকলে কোন কিছুই খেতে ভালো লাগে না। সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
সত্যি আপু রান্নার মধ্যে মাঝে মাঝে ভিন্নতা আনলে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপনাকে।
নুডলসের পায়েস রান্নার রেসিপি এ ধরনের রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি। কিন্তু খেতে খুব ইচ্ছে করছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক লোভনীয় ছিল। প্রতিটি ধাপ অনেক দক্ষতার সহিত তৈরি করে দেখিয়েছেন। ইনশাল্লাহ একদিন এভাবে তৈরি করে খেতে পারব শিখে নিলাম ধন্যবাদ।
জি ভাইয়া অনেক লোভনীয় ছিল, অবশ্যই একদিন তৈরি করবেন, ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে নুডুলস দিয়ে পায়েস রান্না করা এই প্রথম আমি দেখলাম। আপনার এই রেছিপিটা আমি বাড়িতে চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা রেছিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জি ভাইয়া একদিন অবশ্যই তৈরি করবেন, অনেক মজা,ধন্যবাদ আপনাকে
জ্বি আপু আপনার মতো আমিও চেস্টা করি বাবুকে ভিন্ন ভিন্ন খাবার দেওয়ার। তবে কখনও দেখিনি যে নুডলস এর পায়েস বানানো যায়।আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে বাবুকে রান্না করে খাওয়ানো যাবে।ধন্যবাদ আপু দারুণ রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
সত্যি আপু বাচ্চারা ভিন্ন ভিন্ন খবার খেতে অনেক পছন্দ করে, জি আপু একদিন অবশ্যই তৈরি করবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
বাচ্চারা অনেক সময় এক ভাবে নুডুলস খেয়ে বিরক্ত হয়ে যায় তখন এভাবে নুডুলসের পায়েস তৈরি করে খাওয়ালে তারা খুব মজা পাবে। আপনার তৈরি নুডলসের পায়েস দেখতে বুঝতে পারছি খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। আপনি খুবই মজাদার রেসিপি শেয়ার করেছেন। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
জি আপু অনেক সুস্বাদু হয়েছিল,ধন্যবাদ আপনাকে।
নুডলসের দারুণ একটি নতুন রেসিপি দেখতে পেলাম আজ ৷ এভাবে কখনো খাওয়া হয়নি আমার ৷ অনেক সুন্দর ভাবে নুডলসের পায়েস তৈরি করেছেন ৷ এভাবে রান্না করলে বাচ্চারা খেতে পছন্দ করবে নিশ্চয়ই ৷ ধন্যবাদ আপনাকে মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ৷
জি ভাইয়া এভাবে একদিন তৈরি করবেন, অনেক ভালো লাগবে, ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি এবং আপনার মেয়ে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন সেটাই প্রত্যাশা করি। আসলে মানুষের অসুস্থতা মুখের রুচি কেড়ে নেয় যখন সুস্থ হয় আবার বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে মন চায়। নুড লুসের পায়েস রেসিপি তৈরি দারুণ হয়েছে আপু অনেক ভালো লাগলো।
আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপনাকে।
শুনে অনেক খারাপ লাগলো আপু আপনার ছোট মেয়ে অসুস্থ হয়েছে যেনে। আপনার ছোট মেয়ের জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল। ঠিক বলেছেন আপু নিজের হাতে তৈরি করা জিনিসের মজাই অন্যরকম। নুডস এর তৈরি এই পায়েস আমার কাছেও খেতে অনেক ভালো লাগে। আমিও বাসায় মাঝে মাঝে এভাবে তৈরি করার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ আপনাকে
আপনার মাঝে মাঝে এভাবে চেষ্টা করেন যেন অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপু।
নুডুলসের পায়েস অনেক মজা আপু আমি কিন্তু নিজে করি নাই তবে অন্য এক জায়গায় খেয়েছি। আপনি তো দেখছি অনেক উপকরণ দিয়েছেন এতগুলো উপকরণ দিলে খেতে সত্যি অনেক মজার হবে। বিশেষ করে পায়েসের মধ্যে আমার নারকেল এবং কিসমিস দিলে অনেক ভালো লাগে। অসুস্থ অবস্থায় বাচ্চারা একদম কিছু খেতে চায় না। যখন সুস্থ হয়ে উঠবে তখন আবার ঘন ঘন খেতে চাইবে। রেসিপিটা বেশ ভালই লেগেছে আমার কাছে।
আপু রেসিপিটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপু মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আপু আপনি আনকমন একটি রেসিপি আজ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আমি কখনও নুডুলসের পায়েস খাইনি।আপনি ও আপনার মেয়ের সুস্থতা কামনা করছি। ধন্যবাদ আপু।
আপু এভাবে তৈরি করে খেতে পারেন অনেক ভালো লাগবে। ধন্যবাদ আপু।