হঠাৎ জন্মদিনের গিফট কিনা ||১০% বেনিফিসিয়ারি লাজুক শেয়ালের
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টঃ
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি একটি পোস্ট নিয়ে। পোস্টটি হলো হঠাৎ জন্মদিনের গিফট কেনা।আসলে আমার এক ভাতিজার ছেলের জন্মদিন। কয়েক দিন আগে আমাদের দাওয়াত দিয়ে গেছে। তাই আমি ভাবছিলাম জন্মদিন খেয়ে টাকা দিয়ে দেব। কিন্তু আমার মেয়ে জন্মদিন খেয়ে কিছুতেই টাকা দেবে না। তাই আজ সকালে যখন একজন গিফট কিনে এনেছে, তখন আমার মেয়ে বলল আগে বাবুর জন্য গাড়ি কিনে আনো।কি আর করা সকালে নাস্তা বানিয়ে মেয়েকে স্কুলে দিয়ে চলে গেলাম গিফট কেনার জন্য। তবে সময় অনেক কম ছিল কারণ দুপুরে আমাদের সবারই দাওয়াত ছিল তাই আমি সকাল সকাল বেরিয়ে পড়লাম। তো চলুন শুরু করি আমার আজকের পোস্ট।
প্রথমে আমি গেলাম পান্ডা কেনার জন্য, আসলে পান্ডা গুলো দেখতে অনেক সুন্দর। বেশ কিছু দিন আগে আমার মেয়েকে বড় একটা পান্ডা কিনে দিয়েছি। পান্ডাটা দেখতে অনেক সুন্দর ছিল। তাই ভাবলাম বাবুর জন্য বড় একটা পান্ডা কিনে নিই।কিনতে গিয়ে দেখলাম যে পান্ডা মেয়ের জন্য পাঁশটাকা দিয়ে কিনেছি, সেই পান্ডা আজ চেয়েছে সাতশ টাকা। তারপর আবার সাইজে একটু ছোট। কি আর করা পান্ডা না নিয়ে চলে গেলাম অন্য দোকানে।
তারপর চলে গেলাম গাড়ি কিনার জন্য। আসলে আমার মেয়ে বলে দিয়েছিল রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি আনার জন্য। তাই আমি আর বেশি না ঘুরে রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি নিলাম।আসলে দুদিন আগে আমার মেয়ের জন্য একটা রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি নিয়েছি। তাই সেই দোকানে গিয়ে চারশত টাকা নিয়ে একটা গাড়ি নিলাম। যেহেতু সময় অনেক কম ছিল তাই গাড়িটা দেখে কিনে নিলাম। যেহেতু আমাদের পরিবারের সবারই দাওয়াত ছিল তাই ভাবলাম অন্য আর একটা জিনিস কিনে দিই।তারপর গেলাম টকিং টম কেনার জন্য।আসলে টকিং টম একটা কিনে পার পায়নি।
আমি টকিং টম একটা কিনে, মেয়ের আব্বুকে ফোন দিলাম।এখন দোকান থেকে বের হয়ে চলে এসেছি। তারপর মেয়ের আব্বু আমাকে বলল তুমি আর একটা টকিং টম কিনে নিয়ে এসো। তা না হলে আমার মেয়ে তোমাকে গিফট দিতে দেবে না। তাই আমি দুটা টকিং টম কিনলাম ৮০০ টাকা দিয়ে। সত্যি এসে মেয়েকে বললাম এটা গিফট দেবে, সে বলল না আমি রেখে দেব। তারপর ওরটা দিলাম তখন অনেক খুশি। যাইহোক অল্প সময়ে বেশ ভালোই খেলনা কিনেছি। আশাকরি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | LGK30 |
| লোকেসন | লিংক |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
হঠাৎ করেই হোক আর দিন খান করে হোক না কেন জন্মদিনে কাউকে গিফট করা খুব একটা আনন্দের বিষয়। আপনি আপনার ভাতিজার ছেলের জন্য জন্মদিনের উপহারস্বরূপ টকিং টম কিনেছেন এবং এটা কেনার পরে আপনি ভাইয়ের কাছে ফোন দিয়েছেন।যা গল্প সময়ে অনেক কিছুই কিনেছেন দেখছি। ভালো লাগলো আপনার ভাতিজার ছেলের জন্মদিনের গিফট গুলো কিনে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
জি ভাইয়া কাউকে গিফট দেওয়া সত্যি আনন্দের বিষয়, ধন্যবাদ আপনাকে।
কেউ দাওয়াত দিলে আমি বেশ চিন্তায় পরে যাই কি গিফট দেবো তা নিয়ে। পরে অবশ্য মাথা থেকে কিছু একটা বুদ্ধি বের হয়।
যাক আপনি গিফট কেনা নিয়ে পোস্ট করেছেন, দেখে ভালো লাগলো দুটো উপহার কিনতে পেরেছেন। আজকাল জিনিসপত্র ভীষণ দামী। যাক পোস্টটি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই।
এখানে পাঁচশ টাকা হবে আপু।
কি জানি ভাইয়া আমি তো পাঁচশ টাকা দিয়ে কিনেছিলাম কিন্ত আজ পারিনি।আজকাল জিনিসপত্রের অনেক দাম ধন্যবাদ আপনাকে।
গিফট পেতে সবাই ভালবাসে ছোট কিংবা বড়। আপনি আপনার ভাতিজার ছেলের জন্মদিনের জন্য গিফট কিনতে গেলেন,আর সেই অনুভূতি শেয়ার করেছেন পড়ে খুব ভাল লাগলো। আসলে সব কিছুর দাম খুব বেড়ে গেছে।তারপরেও আপনি বেশকিছু খেলনা কিনলেন জেনে ভাল লাগলো।ধন্যবাদ আপু।
জি আপু সব কিছুর দাম অনেক বেড়ে গেছে, ধন্যবাদ আপু।
টাকা না দিয়ে একটা গাড়ি কিনছেন আসলে টাকাগুলো খরচ হয়ে যায় কিন্তু জিনিস কেনা হয় না। আপনার মেয়ে ঠিক বলছে জিনিস কিনতে হবে গিফট দিতে হবে কিন্তু টাকা দেওয়া যাবে না।ঠিক কথা বলছেন সবকিছু ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে ডাবল ডাবল দাম হয়ে গেছে জিনিসের।অবশেষে একটি রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি নিয়ে আসলেন দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে।আপনার ব্লগটি পড়ে অনেক ভালো লেগেছে সুন্দর কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেছেন।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপু।
আপনার ভাতিজার ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে তার জন্য গিফটি কেনার মূহুর্ত গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো ৷ আপনি তো টাকা দিতে চেয়েছেন ৷ কিন্তু আপনার মেয়ের কারনে আপনি গিফট কিনেছেন ৷ যা হোক ভালো হয়েছে ৷ আপু এখন সব জিনিসের দাম ৷ আপনি দুটি টকিং টম কিনেছেন আর একটি গাড়ি ৷
ভাল ছিল টকিং টম গুলো দেখতে ৷
আপনার ভাতিজার ছেলের জন্মদিন জন্মদিনে খুব সুন্দর গিফট কিনে ফেলেছেন। যেন ভালো লাগলো আপু। আসলে কাউকে গিফট দেওয়া খুবই আনন্দের । গিফট দেওয়া নিয়ে আমরা অনেক সময় চিন্তার মধ্যে পড়ে যায় কি গিফট দেওয়া যেতে পারে। আপনি দুটি গিফট দেয়ার জন্য নিয়েছেন। আসলে কোন অনুষ্ঠানে টাকা দিলে তেমন কোনো আনন্দ পাওয়া যায় না। গিফট দিলে সবাই অনেক খুশি হয়। গিফট কেনার এত সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া টাকা দেওয়ার মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় না, তবে গিফটের মধ্যে অনেক ভালো আনন্দ পাওয়া যায়। ধন্যবাদ আপনাকে।
আমিও আপনার মেয়ের মতই জন্মদিন বা কোন অনুষ্ঠানে টাকা দেলে কেমন যেন লাগে। উপহারটাই ভালো মনে হয়। তবে বাচ্চাদের উপহার কেনা আমার জন্য খুবই ঝামেলার একটা ব্যাপার। যাই হোক আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
সত্যি ভাইয়া গিফট দেওয়া ভালোই লাগে, ধন্যবাদ আপনাকে।
টকিং টমটা আমার অনেক বেশি পছন্দ হয়েছে। তাছাড়া এটি গিফট হিসেবেও বেশ ভালো। আর রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি টাও বেশ ভালো হয়েছে জন্মদিনের গিফট হিসেবে। আশা করছি আপনার দেওয়া গিফট পেয়ে আপনার ভাতিজার ছেলে অনেক খুশি হবে।
ঠিক বলেছেন টকিং টম দেখে অনেক খুশি হয়েছে, ধন্যবাদ আপনাকে।