ভালোবাসার শেষ পরিণতি ৩য় বা শেষ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
ভালোবাসার শেষ পরিণতি ৩য় বা শেষ পর্ব
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা গল্প নিয়ে। গল্প মানে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা। আসলে মানুষের জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে না বলার মতো নয়। আর বর্তমান ভালোবাসা অনেক ধরনের হয়ে থাকে। তবে সত্যিকারের ভালোবাসার তুলনা হয় না। যারা সত্যিকারের ভালোবাসে তারা মৃত্যু ছাড়া কখনো ভালোবাসার মানুষকে ছেড়ে যায় না। এমনি এক ঘটনা নিয়ে আপনাদের মাঝে এসেছি।এর আগে দুই পর্ব শেয়ার করেছি আপনাদের ভালো লেগেছিল তাই আজ এর শেষ পর্ব নিয়ে এসেছি।তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
যেহেতু আকাশ রিনার সাথে সম্পর্ক করেছে শুধু তার চাচার জন্য। চাচা আকাশকে বলেছে অভিনয় করতে কিন্তু আকাশ সত্যিকারে ভালোবেসেছে। কিন্তু আকাশের চাচা চাই না তাদের সম্পর্ক টিকে থাকুক। কিন্তু আকাশ জীবনের বিনিময়ে হলেও রিনাকে বাঁচাবে। যাইহোক আকাশের চাচা হঠাৎ করেই তাদেরই বাসায় হাজির। যদিও আকাশ রিনাকে সম্পূর্ণ ঘটনা বলেছে।তাই রিনা আকাশকে দেখে ভয়ে হতভম্ব। রিনা কি করবে বুঝতে পারছে না। কোন রকম নিজেকে সামলিয়ে নিল রিনা।তারপর আকাশকে ফোন দিল আকাশ বাসায় চলে আসল।আকাশ তার চাচাকে দেখে অনেক খুশি তবে মনে ভয় কাজ করছে।যাইহোক চাচা অনেক ভালো অভিনয় করল।
সে আকাশকে বলল তোরা বাড়িতে চলে আসবি সব দ্বায়িত্ব আমি নেব।আকাশ খুশি হয়েছে কিন্তু ভয়ে অস্হির। আর আকাশ ভাবতে লাগলো চাচা আমাদের কোন ক্ষতি করবে না তো।কিছু দিনের মধ্যে তাদের মিল হয়ে গেল। আকাশ রিনাকে নিয়ে বাড়িতে যাওয়া আসা করে। এভাবে কয়েক মাস চলে গিয়েছে। একদিন আকাশের চাচা প্লান করল রিনাকে মেরে ফেলার জন্য কিন্তু কিভাবে। এদিকে আকাশ এখন চাচার কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে লাগলো। আকাশের বাসায় আকাশের চাচা কয়েক দিন ছিল। তারপর একদিন আকাশের অফিস থেকে আসতে রাত বেশি হয়ে গেল। আর আকাশের চাচা রিনাকে মারা জন্য তার চায়ে বিষ মিশিয়ে দিল।
আর রিনা চা খেয়ে এসে ভালো লাগছে না বলে রুমে শুয়ে পড়ল।আর কিছু সময়ের মধ্যে রিনা মৃত্যু বরণ করল।তার কিছু সময় পরে আকাশ বাসায় এসে কলিং বেল দিল।কয়েক বার দেবার পরে আকাশে চাচা গিয়ে দরজা খুলে দিল।তারপর আকাশ বললো তুমি দরজা খুলতে এলে রিনা কই।তখন আকাশের চাচা বলল রিনা তো সন্ধ্যায় ঘুমিয়েছে তাই আমি ডাকিনি।এ কথা শোনে আকাশ সোজা তার রুমে গিয়ে রিনাকে ডাক দিল কিন্তু রিনা তো সারাদিল না। তারপর আকাশ গিয়ে তাকে ধাক্কা দিল।সে দেখতে পেল রিনার মুখ দিয়ে ময়লা বের হচ্ছে।তারপর চাচাকে রিনা মারা যাবার কারণ জিজ্ঞাসা করলো কিন্তু চাচা বলল সে ইচ্ছে করে বিষ খেয়েছে।আকাশ তখন বারবার বলতে লাগলো চাচা তুমি কেন এমন করলে।কিন্তু আকাশ ছিল চাচার মধ্যমনি। তাই সাথে সাথে আকাশ আর এক প্যাকেট বিষ গুলিয়ে চাচার সামনে খেয়ে নিন।যদিও চাচা আকাশকে অনেক ঠেকানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু কাজ হয়নি।সাথে সাথে দুজনে মারা গেল। এদিকে চাচা আকাশকে সামনে এভাবে মারা যেতে দেখে সহ্য করতে না পেরে নিজেও বিষ পান করে মারা গেল। সামান্য ভুলের কারণে তিনটি জীবন মূহুর্তে শেষ হয়ে গেল।তাই আমাদের সবার উচিত যেন আমরা নিজের করা ভুল গুলো অন্যের ওপর না ফেলি।আর ভালোবাসা এমনি হওয়া উচিত।
| প্রয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদপুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1925198601464201302?t=xL-tEmBNEPXZDaMNUAxBpA&s=19
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1924847227077587355?t=sKZPeTX_B9W5eWzEdwWXyQ&s=19