বিকেলবেলা খাওয়া দাওয়ার মূহুর্ত
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমরা আজকের পোস্ট।
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আসলে কয়েক দিন আগে আমরা বিকেল বেলা ট্রেন দেখতে গিয়েছিলাম। আসলে আমরা ভেবেছিলাম কিছু সময়ের মধ্যে ঘুরে আসব।কিন্তু অনেক সময় লেগে গিয়েছিল। যাইহোক যেহেতু বিকেল বেলা বাচ্চারা অনেক সময় ধরে ঘোরাঘুরি করেছে।আসলে ঘুরতে যাব আর কিছু খাব না, তা কি করে হয়৷ তবে বাচ্চারা খাবে কুলফিমালাই। সত্যি বলতে এখানের কুলফি মালাই অনেক মজার।তাই তারা বেশিরভাগ সময় এই দোকান থেকে কুলফি মালাই খায়। আবার মাঝে মাঝে তার বাবা চাচারা নিয়ে আসে।
আমরা বেশকিছু কাজ সেরে চলে আসলাম পুরি খেতে। আসলে বাচ্চারা গরম গরম পুরি খেতে অনেক পছন্দ করে। তবে আমরা তো সব সময় বাইরে যায় না। তাই বাড়িতে আনলে বেশিরভাগ সময় ঠান্ডা হয়ে যায়।তাই ভাবলাম যেহেতু এসেছি তাই একটু গরম গরম পুরি খেয়ে যায়।আসলে বাইরে যাব আর খাব না তা কি করে হয়। তাইতো আমার চলে গেলাম পুরির দোকানে।পুরি গুলো অনেক ভালো। আরো রয়েছে সমুচা, আলুর চপ, সিঙ্গারা । আসলে মোটামুটি হিসেবে সকাল বিকেলে বেশ ভালোই বেচাকিনা হয় । তারপর আমরা ছয়টি পুরি দিতে বললাম। দোকানদার বললো একটু বসেন পুরি গুলো ভেজে নেয়।
তারপর আমার ছোট মেয়ে গিয়ে তারাতাড়ি টেবিলে বসলো।আর বড় মেয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। কারণ টেবিলে খাবার না আসা পর্যন্ত সে টেবিলে বসবে না। যাইহোক কয়েক মিনিট পরে দোকানদার পুরি রেডি করে টিবিলে দিয়ে দিল। আসলে বাচ্চারা খাবার দেবার আগে অনেক খুশি। কিন্তু খাবার দেওয়ার পরে একটা খেলেই হয়ে যায়।আসলে বাচ্চারা খাবার চেয়ে খাবার দেখে খুশিই বেশি হয়।
তারপর দোকানদার পুরি দিল তারা কোন রকম খেল। অবশেষে আমি আরো কিছু পুরি নিয়ে আসলাম। সত্যি বলতে বাসায় এসে বলবে পুরি খাব। তারজন্য আরো বেশি করে নিয়ে এলাম। তারপর তারা গেল কুলফিমালাই খাওয়ার জন্য। আসলে দোকানদার মালাই মাত্র বানাই। বললো আগের বানানো মালাই সব শেষ হয়ে গেছে। এখন বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দেবে তারপরের দিন বিক্রি করবে। পরে আমার দুই মেয়েকে দুটি কুলফি মালাই দিল। বরফ ছাড়া ওরা বললো আম্মু এটা শুধু দুধ ভালো লাগে না।তারপর আমি ১০০ টাকা দিয়ে এসেছি পরের দিন পাঠিয়ে দেবে। আর দুইটির টাকা নেয়নি। যাইহোক হালকা খাওয়া দাওয়া হলেও বেশ ভালো লেগেছে। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | LGK30 |
| লোকেসন | ফরিদ পুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
ছোট বাচ্চারা কুলফি মালাই খেতে খুবই পছন্দ করে। যেমনটা আপনার বাচ্চা অনেক পছন্দ করেছে তারপর পুরী খাবার হোটেলে গিয়ে খেয়েছেন । ছোট বাচ্চাদের নিয়ে মাঝে মাঝে এরকম খাওয়া-দাওয়া করাটা তাদের জন্য অনেক আনন্দের বিষয় এই অনুভূতিটা এখন আর পাইনা ভালো লাগলো পড়ে।
জি ভাইয়া বাচ্চারা এমন খাওয়া দাওয়া করতে অনেক মজা পায়, বড় হলে এই অনুভূতি গুলো হারিয়ে যায়।ধন্যবাদ আপনাকে।
বাচ্চারা যেই খাবারটি খেতে পছন্দ করে সেটার জন্যই বায়না করে আপু। যাই হোক আরো কিছু এক্সট্রা পুরি নিয়ে নিয়েছেন ভালোই করেছেন। না হলে বাসায় এসে আবার খেতে চাইত। অনেক ভালো লাগলো আপু আপনার এই পোস্ট পড়ে। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আসলে আপু দিলে খাবে না, তবে আসার পরে বলবে এখন খাব,,ধন্যবাদ আপু মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
গোধূলি বিকেলে গরম গরম পুরি খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম। খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্ত বেশ চমৎকার ভাবে উপভোগ করেছেন। আপনার পোস্ট টি পড়ে খুব ভালো লাগলো। আসলে বাচ্চারা আইসক্রিম চকলেট চিপস খেতে বেশ পছন্দ করে। এত সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
বিকেল বেলায় এ ধরনের খাওয়া-দাওয়া বেশ ভালো লাগে। যদি হালকা ঘুরাঘুরি করা হয় সাথে খাওয়া দাওয়া হয় মুহূর্তটির বেশ ভালো যায়। বাচ্চারা তো এমনই বাইরে যাওয়া মানে হচ্ছে যে খাওয়া-দাওয়া করা। তাছাড়া আফসোস হলো বাচ্চাদেরকে কুলপিমালাই খাওয়াতে পারেননি সেজন্য। তবে মুহূর্তটি খুবই দারুণ কাটিয়েছেন এবং পুরি আমার অনেক ভালো লাগে খেতে।
সত্যি আপু অনেক সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছি, ধন্যবাদ আপনাকে গঠন মূলক মন্তব্য করার জন্য।
আমরা সারাদিন যতই খাই না কেন, বিকেলবেলা একটু নাস্তা না করলে ভালো লাগে না। আর বিকেলের নাস্তা গুলোতে ভাজাপোড়া গুলোই খেতে বেশি ভালো লাগে। আপু মেয়েকে নিয়ে পুরি কুলফি মালাই খেয়েছেন। ভালো একটা সময় কাটিয়েছেন এবং আমাদের মাঝে সেটা শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।
সত্যি বলেছেন ভাইয়া বিকেল বেলা একটু ভাজা পুরা খেলে অনেক ভালো লাগে, ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
মাঝেমধ্যে এজাতীয় খাবার খেতে ভালো লাগে। তাই আমিও অনেক সময় সিঙ্গারা অথবা পুরি খাওয়ার জন্য হোটেলে বসে পড়ি। আপনার ছোট মেয়ে তো আগে থেকেই রেডি কিন্তু বড় মেয়েটা না পাওয়া পর্যন্ত লজ্জা পাচ্ছে বুঝতে পারলাম। যাইহোক খুবই ভালো লাগলো সুন্দর এই মুহূর্তটা আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখে।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ ভাইয়া।