চটজলদি দুপুরের খাবার। মাংসভাজি রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালই আছে। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।
একদিন দুপুরের কিছু ঝটপট রান্নার রেসিপি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি।আমি রান্নায় বেশি দক্ষ নই। তারপরও রান্না করতে আমার খুব ভালো লাগে। আমার আপনজনরা আমার রান্না করা খাবার খেয়ে অনেক প্রশংসা করে। আর প্রশংসা শুনতে কার না ভালো লাগে বলেন। নিজের রান্নার প্রশংসা শুনতে আমার খুব বেশি ভালো লাগে। তাই আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে এসেছি, আগের দিনের বেঁচে যাওয়া রান্না করা মাংসের ভাজি রেসিপি।
উপকরণ সমূহ :
যেহেতু মুরগির মাংস আগেই অনেক রকমের মসলা দিয়ে রান্না করা সেহেতু এই মাংস ভাজিতে বেশি মসলার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু মুরগির মাংস ভাজি করার পূর্বে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে। আর মাংস ভাজিতে পেঁয়াজের পরিমাণ একটু বেশি দিলে খেতে বেশি মজা লাগে। যেকোনো রান্না মাংস এভাবে ভাজি করলে অনেক ইয়াম্মি হবে। যাদের রান্না মাংস আর খেতে মন চায় না তারা রান্না করা মাংস এভাবে ভাজি করে খেতে পারেন।
রন্ধনপ্রণালী
ধাপ-১
প্রথমে আমি তেল গরম করে আলু,লবণ এবং হলুদ দিয়ে একটু ভাজা ভাজা করে নেব।
ধাপ-২
আলু একটু ভাজা ভাজা হয়ে আসলে এর মধ্যে দিয়ে দেবো পেয়াজ কুচি এবং কাঁচা মরিচ কুচি।
ধাপ-৩
আলু, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে তার মধ্যে দিয়ে দেবো কুচি করে কেটে রাখা মাংসগুলো।
ধাপ-৪
এখন চুলার আঁচ মিডিয়াম করে একটু সময় নিয়ে মাংসগুলো ভালোভাবে ভাজতে হবে।
ধাপ-৫
যেহেতু মাংস আগে থেকেই রান্না করা সেহেতু এই মাংসগুলো ভাজি করতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হয় না।
ধাপ-৬
এটাই আমার ভাজি করা মাংসের মজাদার লুক। এখন এটা মজা করে খাওয়ার পালা।
মাংস ভাজির সঙ্গে আমি দুপুরে আরো কিছু আইটেম করেছিলাম সেগুলোও আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আমাদের ছোট্ট সংসার হওয়ায় আইটেমগুলোর পরিমাণও খুব কম কম।
বেগুন ভর্তা
পটল ভাজি
মুরগির মাংস ভাজি
প্রায়ই আমি এভাবে মাংস ভাজি করে খেয়ে থাকি। আপনারা বাড়িতে অবশ্যই ট্রাই করবেন। আশা করি ভালো লাগবে। আজ আর নয়।সময় নিয়ে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
আল্লাহ হাফেজ
আসসালামু আলাইকুম। আমি নীলিমা আক্তার ঐশী। আমি একজন হাউজ ওয়াইফ এবং স্টুডেন্ট। আমি অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। আর্ট এবং রান্না আমার খুবই প্রিয়। আমি বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে জয়েন হয়েছি সবার সাথে বিভিন্ন রেসিপি এবং আর্ট এবং রেসিপি শেয়ার করার জন্য। সেই সাথে এখানে সবার সাথে ভালো সময় কাটানো সম্ভব হবে আমি আশা করি। বাংলা ব্লগ কমিউনিটি একটি পরিবারের মত আর এই পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অনেক খুশি।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
মাংস ভুনা করে খাওয়ার পর যখন কিছু মাংস থেকে যায় তখন এভাবে আমিও আলু দিয়ে ভাজি করে খাই। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ এবং আলু দিয়ে মাংস ভাজি খেতে অনেক ভালো লাগে। আপু আপনি অনেক সুন্দর করে এই রেসিপি তৈরি করেছেন এবং আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপু আপনার রেসিপি খুবই লোভনীয় লাগছে।
ধন্যবাদ আপু। আপনার মতামত পেয়ে খুব ভালো লাগছে।
রান্না করার মুরগির মাংস সাথে আলু কুচি কুচি করে কেটে ভাজলে খেতে খুবই মজা লাগে। বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে এমন খাবার খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনি আমাদের মাঝে আজকে ইউনিক একটি রেসিপি তুলে ধরেছে। মূলত এরকম রেসিপি আমরা খুব কমই খেয়ে থাকি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি মজাদার একটি ইউনিক রেসিপি এত সুন্দরভাবে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। এত সুন্দর কমেন্ট করে আমাকে উৎসাহিত করার জন্য।
বাহ্ দারুন তো চমৎকার একটি রেসিপি তো দেখছি শেয়ার করেছেন। এমন করে রান্না করা মুরগীর মাংস দিয়ে কখনও ভাজি তো খায়নি। আপনি তো দেখছি বেশ মজাদার এর একটি ইউনিক রেসিপি শেয়ার করলেন। বেশ অসাধারন মনে হয়েছে আমার কাছে রেসিপি। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু। আপনার মূল্যবান মন্তব্য দেওয়ার জন্য।
রান্নার প্রশংসা শুনতে সবারই ভালো লাগে। আর এতে করে রান্না আরও বেশি ভালো হয়।আপনার পরিবারের সবাই আপনার রান্না করা খাবার খেয়ে খুব প্রশংসা করেন জেনে ভীষন ভালো লাগলো। আপনার আজকের এই মাংস ভাজি রেসিপিটি আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে এমন ভাজা মাংস খেতে খুবই সুস্বাদু হয়।ধন্যবাদ আপু রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আপনার সুন্দর মতামতের জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু
বুঝতেই পারছি আপু এই খাবারটা তৈরি করতে আপনার খুব একটা সময় লাগে নি। আসলে মাংস যদি থেকে যায় তখন আমিও এই রেসিপিটা তৈরি করে থাকি। আর এটি তৈরি করলে সবাই খুব পছন্দ করে খেতে। আপনার রেসিপিটা দেখে বুঝতে পারছি সুমন ভাইয়া অনেক মজা করে খেয়েছিলেন। আমার কাছেও কিন্তু রান্নার প্রশংসা শুনতে অনেক ভালো লাগে। আর আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করে সবাইকে খাওয়াতে অনেক পছন্দ করি। ভালো লাগলো রেসিপিটা তৈরি করার পদ্ধতি দেখে।
জ্বী আপু যেহেতু এই মাংস আগে থেকে রান্না করা তাই এটা ভাজি করতে খুব একটা সময়ের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু মাংস রান্নার থেকে ভাজিটা খেতেই আমার কাছে বেশি মজার লাগে। ধন্যবাদ আপু আপনার মূল্যবান মতামত প্রকাশের জন্য।
আপনি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের একটা রেসিপি তৈরি করে আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এর আগে আমি এইভাবে কোনদিন আলোর সাথে মাংস ভাজি করে খাইনি। তাই আপনার তৈরি করা এই রেসিপিটা আমার কাছে নতুন ধরনের একটা রেসিপি বলে মনে হয়েছে।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার মূল্যবান মতামত দেওয়ার জন্য।
অনেক সুন্দর একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এটি আমার কাছে নতুন একটি রেসিপি। কেননা এর আগে আমি কখনো রান্না করা মুরগির মাংসের সঙ্গে আলু ভাজি করা দেখিনি। আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে বেশ সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ আপু অনেক সুস্বাদু এই রেসিপিটা। আপনি বাসায় ট্রাই করবেন এবং আমাকে জানাবেন কেমন হয়েছিল।
বাহ্! অসাধারণ একটা রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন আপু।আমি কোনদিন এইরকম রেসিপি দেখি নাই এবং খাইনি।আপনি সম্পূর্ণ নতুন একটা রেসিপি আমাদের মাঝে তুলে ধরছেন। আপনার রেসিপি আমার কাছে খুব ভালো লাগছে।আপনি রেসিপির ধাপ গুলো অনেক সুন্দর ভাবে সাজিয়ে উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর এবং গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
ইউনিক একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। এভাবে রান্না করা মুরগির মাংস আলু দিয়ে ভাজি করে খাওয়া হয়নি। দেখে বোঝা যাচ্ছে রেসিপিটি খেতে খুবই মজা হয়েছে। এভাবে একদিন ট্রাই করে দেখব। সুস্বাদু ও মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
অবশ্যই ট্রাই করবেন আপু খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। ট্রাই করলে অবশ্যই জানাবেন কেমন হয়েছিল খেতে।
আসলে মুরগির মাংস আমাদের অনেকেরই প্রায় প্রতি সপ্তাহেই করা হয়। একইভাবে খেতে ভালোও লাগে না। তাই রান্নার ধরনে এভাবে ভ্যারিয়েশন এনে খেলে মজা করে খাওয়া যায়। আপনাকে ধন্যবাদ আপু সুন্দর ভাবে মাংসভাজির রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি মতামত দেওয়ার জন্য।