শীতকালীন কুমড়োবড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের রেসিপি।
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজ আমি আবারো নতুন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। আমি আজ আপনাদের সাথে রেসিপি পোস্ট শেয়ার করতে এসেছি। আপনাদের সাথে রেসিপি পোস্ট শেয়ার করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাই আমি প্রতি সপ্তাহে চেষ্টা করি রেসিপি পোস্ট শেয়ার করার। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব শীতকালীন কুমড়ো বড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের একটি মজাদার রেসিপি। কুমড়ো বড়ি আমার খুবই ভালো লাগে। শীতকালে কুমড়া বড়ি গুলো খেতে বেশি সুস্বাদু লাগে। তারপরও সারা বছর ফ্রিজে সংরক্ষণ করে মাঝে মাঝে খাওয়া হয়। কুমড়ো বড়ি দিয়ে এভাবে ডিম রান্না করলে অনেক মজা লাগে খেতে। তাহলে চলুন আমি কিভাবে শীতকালীন কুমড়ো বড়ি দিয়ে আজ হাঁসের ডিম রান্না করলাম সেই রেসিপিটি আপনাদের সাথে শেয়ার করি।
• কুমড়ো বড়ি
• আলু
• পেঁয়াজ বাটা
• রসুন বাটা
• আদা বাটা
• জিরা গুড়া
• হলুদ গুড়া
• লাল মরিচের গুঁড়া
• ধনিয়া গুড়া
• লবণ
• তেল
প্রথমে ডিমগুলো সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে তেলের উপর সামান্য লবন হলুদ দিয়ে ভেজে নিব।
এরপর তেলের মধ্যে কুমড়া বড়ি গুলো হালকা লাল করে ভেজে নেব। এখানে লক্ষ্য রাখতে হবে বড়ি গুলো যাতে পুড়ে না যায়। পুড়ে গেলে বড়িগুলো খেতে একদমই ভালো লাগবে না।
আবারো তেলের মধ্যে সামান্য লবন হলুদ মিশিয়ে আলু গুলো লাল করে ভেজে নেব।
এখন মসলাগুলো সুন্দর মত কষানোর পালা। তাই প্রথমেই তেলের মধ্যে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা এবং আদা বাটা দিয়ে হালকা ভেঁজে নিব।
বাটা মশলাগুলো ভাঁজা হয়ে আসলে সামান্য পানি দিয়ে গুড়া মশলাগুলো দিয়ে দেব। এখন গুঁড়া মসলাগুলো ভালোভাবে কষিয়ে নিব।
মসলার উপর তেল উঠে আসলে, মশলার মধ্যে পানি দিয়ে দেবো পরিমাণ মতো। পানি উতলানো শুরু করলে দিয়ে দেবো ভেঁজে রাখা আলু, ডিম এবং বড়ি।
এখন ঝোল শুকিয়ে আসলে এক চামচ গরম মশলা দিয়ে নামিয়ে নেব।
এটাই আমার শীতকালীন কুমড়োবড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের রেসিপির ফাইনাল লুক।
আশা করি আমার আজকের রেসিপিটি আপনাদের পছন্দ হয়েছে। রেসিপিটি পছন্দ হলে অবশ্যই মন্তব্যে জানাবেন। আজ এ পর্যন্তই দেখা হবে নতুন কোন পোস্টে ইনশা-আল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম। আমি নীলিমা আক্তার ঐশী। জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি অনার্স ৪র্থ বর্ষের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্রী। আর্ট করা,ঘুরতে যাওয়া এবং রান্না আমার খুবই প্রিয়। প্রিয়জনদের পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়াতে এবং তাদের প্রশংসা শুনতে আমার খুবই ভালো লাগে। নতুন নতুন রেসিপি শেখার আমার খুব আগ্রহ রয়েছে। আমি ২০২৩ সালের জুন মাসে স্টিমিটে জয়েন হয়েছি।আমি বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে জয়েন হয়েছি সবার সাথে বিভিন্ন রেসিপি এবং আর্ট শেয়ার করার জন্য এবং সেই সাথে অন্য সবার থেকে দারুন দারুন সব ক্রিয়েটিভিটি শিখতে। বাংলা ব্লগ কমিউনিটি একটি পরিবারের মত আর এই পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অনেক খুশি।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
কুমড়ো বড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের রেসিপি বেশ ইউনিক একটি রেসিপি লাগলো আমার কাছে। এভাবে কখনো খাওয়া হয়নি। তবে খেতে সুস্বাদু হয়েছে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। দারুন রান্না করেন আপনি দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
উৎসাহমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
হাঁসের ডিম ভুনা বা ভাজা বেশ ভালো লাগে আমার।তবে এই কুমড়ো বড়ি আমি একদমই খেতে পারি না। আপনি খুব মজা করেই রান্না করলেন।যারা খেতে পারে তারা খুব মজা করেই খায়।আপনিও খুব মজা করে খেয়েছেন আপু,তাই না।ধন্যবাদ জানাই আপনাকে সুন্দর এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
জ্বি আপু, এই খাবারটা আমার খুবই প্রিয়। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
কুমড়োবড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের রেসিপি লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করেছেন। আমি অনেক দিন আগে এভাবে খেয়েছিলাম। আজকে আপু আপনার রেসিপি দেখে মনে পড়ে গেলো। এধরনের খাবার গুলো খেতে ভীষণ সুস্বাদু লাগে। নতুন একটি রেসিপি উপহার দিয়েছেন ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মতামত প্রকাশ করার জন্য।
কুমড়োবড়ি দিয়ে হাঁসের ডিম এভাবে কখনো রান্না করে খাওয়া হয়নি। তবে আপনার রেসিপিটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটা খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। আপনি অনেক সুন্দর করে ধাপগুলো গুছিয়ে লিখেছেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
কুমড়ো বড়ি দিয়ে ডিম রান্না করলে খেতে অনেক মজাদার হয়। একদিন বাসায় ট্রাই কইরেন আপু, আশা করি ভালো লাগবে।
শীতকালীন কুমড়োবড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের রেসিপি দেখে খুবই লোভনীয় লাগছে। দেখে বোঝা যাচ্ছে রেসিপিটি খেতে খুবই সুস্বাদু ও মজাদার হয়েছে। পরিবেশন তো খুবই ভালো ছিল। দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। আপনি অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সত্যিই তাই আপু,রেসিপিটি খুবই সুস্বাদু ও মজাদার হয়েছিলো।
ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় যে কুমড়ো বড়ি খেতে পছন্দ করে না এরকম মানুষ খুব কমই আছে। শীতকালীন সময় খাওয়া এই কুমড়ো বড়ি যদি অসময়ে পাওয়া যায় তাহলে তো আরো বেশি সুস্বাদু লাগে বলে আমার মনে হয়। কুমড়ো বড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু ছিল। মজাদার এই রেসিপিটি আমাদের সকলের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
জ্বী ভাইয়া, ঠিক বলেছেন। মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
শীতকালীন কুমড়ো বড়ি দিয়ে হাঁসের ডিমের রেসিপি টা দেখে আমার তো ইচ্ছে করছে খেয়ে নিতে। এভাবে কুমড়ো বড়ি সংরক্ষণ করে রাখলে পরবর্তীতে ওগুলো খাওয়া যায়। এই রেসিপিটা আমার কখনো তৈরি করা হয়নি এবং কি খাওয়া হয়নি। আপনার ধাপ গুলো দেখে এই রেসিপিটা অনেক সহজে শিখে নিতে পেরেছি। আমি তো ভাবছি এই রেসিপিটা একবার তৈরি করে দেখব। এই রেসিপিটার টেস্ট তো একবার করতেই হচ্ছে।
অবশ্যই আপু, বাসায় রেসিপিটা তৈরী করে দেখবেন আশা করি খুব ভালো লাগবে খেতে। ধন্যবাদ আপু।
আমার খুব পছন্দের কুমড়ো বড়ি। শীত কাল আসলেই কুমড়ো বড়ির জন্য মন কেমন করে। তবে আমি অনেক ভাবে কুমড়ো বড়ি রান্না করেছি ।তবে ডিম দিয়ে কখনও রান্না করিনি। রান্নার ধাপ গুলো দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ মজা হবে। আর আমার কাছে তো ভালো লাগবেই। কেননা আমি যে কুমড়ো বড়ি অনেক পছন্দ করি। ভিন্ন রকম একটি রেসিপি শেয়ার করার জনয ধন্যবাদ।
কুমড়ো বড়ি আপনারও খুব পছন্দের জেনে খুব ভালো লাগলো আপু। মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু।
খুবই লোভনীয় লাগছে আপনার আজকের রেসিপিটি। ডিম দিয়ে কুমড়োর বড়া রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি। রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন যা দেখে যে কেউ খুব সহজে তৈরি করতে পারবে। ধন্যবাদ আমাদের মাঝে অনেকে একটু রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রকাশ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
শীতকালে যে কুমড়ার বড়িগুলো তৈরি করা হয় সেগুলো খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনি সেই কুমড়োর বড়ি ব্যবহার করে হাঁসের ডিমের দারুন একটা রেসিপি তৈরি করেছেন। যেহেতু আপনি সবগুলো উপকরণ বেটে ব্যবহার করেছেন তাই আপনার রেসিপিটা খেতে আরো বেশি সুস্বাদু হয়েছে বলে আমার কাছে মনে হয়।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া, রেসিপিটা সত্যিই অনেক সুস্বাদু হয়েছিলো।