এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি। ফটোগ্রাফি পর্ব -২০
কেমন আছেন " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই ? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই খুব ভালো আছেন। আপনাদের আশীর্বাদে আমিও খুব ভালো আছি। আজ আমি আবারও আমার তোলা কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। আশাকরি আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
ছবিতে পতঙ্গটির নাম হল ব্লিস্টার বিটলি। এই পতঙ্গটি সাধারণত গ্রাম অঞ্চলে বেশি দেখা যায় এবং আমরা সবাই এই পতঙ্গটির সাথে পরিচিত। আসলে বাংলায় এই পতঙ্গটিকে কি বলে তা আমার জানা নেই। এই পতঙ্গটি সাধারণত বিভিন্ন উদ্ভিদের পাতা, ফুল, ফল খেয়ে বাঁচে। পতঙ্গটি দেখতে কালো হলেও এর দুপাশে হলুদ রঙের ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। এটি দেখতে ভয়ংকর দেখালেও আসলে এরা কোন প্রাণীকে আক্রমণ করে না। আর এর মুখের সামনে রয়েছে ধারালো দুটি দাঁতের মতো সুর।
এই পতঙ্গটির নাম হল এগোমা। আসলে এই পতঙ্গটিও উদ্ভিদের শাখা প্রশাখা খেয়ে বাঁচে। এই পতঙ্গটি দেখতে কালো হলেও এর গায়ে হলুদ রঙের ডোরাকাটা দাগ রয়েছে। আসলে এই পতঙ্গটিও গ্রামের দিকে বেশি দেখা যায়। আসলে এইসব পতঙ্গের ছবি তোলা খুবই কষ্টকর। কারণ এদের কাছে গেলেই এরা বারবার উড়ে যায়।
এই পাখিটির নাম হলো কমন ট্রান। আসলে এটি একটি অতিথি পাখি। এই পাখিগুলো সাধারণত সমুদ্রর আশেপাশে দেখা যায়। এই পাখিগুলোর প্রধান খাদ্য হলো মাছ। এছাড়াও এরা ছোট ছোট কীটপতঙ্গ খেয়ে থাকে। আসলে এটাকে অতিথি পাখিও বলে আমাদের দেশে। এই পাখিটির নামও আমার বাংলায় অজানা।
পাখিটি ছবিটি তোলা হয়েছে একটা পদ্ম ফুলের চাষের জায়গায়। আসলে গ্রামাঞ্চলের দিকে পদ্ম ফুলের চাষ অনেকটা লাভজনক ব্যবসা এবং এই ফুলের চাহিদা আমাদের দেশে ব্যাপক। আসলে পাখিটি এই পদ্ম চাষের জায়গায় ছোট ছোট মাছ ধরে খাচ্ছিল। অবশ্য আমাকে দেখে পাখিটি আবার উড়ে চলে গেল।
এই পাখিটিকে আমাদের এলাকায় কুচে বক নামে চেনে। আর এই পাখিটির প্রধান খাবার হল মাছ। এছাড়াও এই পাখিটি শামুক, বিভিন্ন কীটপতঙ্গ খেয়ে বাঁচে। এটা আমাদের দেশের একটা কমন পাখি। আসলেই পাখি সারা বছরই আমাদের দেশে দেখা যায়। বিশেষ করে যেসব এলাকায় মাছের চাষ বেশি হয় সেই সব এলাকায় এই পাখির সংখ্যা অনেক বেশি।
আর এই পাখিটা খুবই চালাক। কারণ এদের কাছে যেতেই এরা উড়ে দূরে গিয়ে পালায়। এই পাখিটির নিচের অংশ ধূসর দেখতে হলেও উপরের অংশ কিন্তু সাদা। আর এই পাখিটির ঠোঁট অনেক সূচালো। এই সূচালো ঠোঁটের সাহায্যে এরা খুব সহজেই ছোট ছোট মাছ শিকার করে খায়।
আসলে এইসব পাখির সংখ্যাও দিন দিন কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন অসাধু ব্যক্তিদের শিকারের ফলে এই পাখির সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। এই পাখি আমাদের ফসলকে বিভিন্ন পোকামাকড় হাত থেকে রক্ষা করে।
আসলে দূর আকাশে উড়ে যাওয়া এসব পাখির ছবি তোলা কিন্তু খুবই দুঃসাধ্য একটা ব্যাপার। কারণ এদের দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ছবি তোলা খুবই কষ্টকর। আর আমি যখন ছবিটি তুলছিলাম তখন পাখিটি বসে ছিল মাটিতে। কিন্তু আমাকে দেখতেই উড়ে পালাতে শুরু করল।
আসলে এই ছবিটি একটা পুকুরের সেচ দেবার দৃশ্য। আসলে পুকুরের জল সেচ দিয়ে তারা মাটি কাটছিল। অর্থাৎ পুকুরের গভীরতা বাড়াচ্ছিল। রাস্তার পাশের এই দৃশ্যটি দেখে আমি আমার ক্যামেরায় বন্দি করলাম।
ক্যামেরা পরিচিতি : NIKON
ক্যামেরা মডেল : Nikon D5200
ক্যামেরা লেংথ : 300 mm
তারিখ : 10/05/2022
আশাকরি আজকের এই ফটোগ্রাফিক পোস্টটি আপনাদের খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করতে অবশ্যই ভুলবেন না।
সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।
ওরে ভাই আপনার ফটোগ্রাফি দেখে তো আমি একদম অবাক হয়ে গেছি ।এবং রীতিমতো শখ খেয়ে গেলাম।।
আমার দেখা ফটোগ্রাফির মধ্যে আজকে আপনার ফটোগ্রাফি বেস্ট।।
প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি এতটাই নিখু ঁত যে প্রশংসা করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।।
আমার মনে হচ্ছে এখন ফটোগ্রাফি করার জন্য আপনার কাছ থেকে কিছু টিপস গ্রহণ করার দরকার।।
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভাইয়া পরবর্তীতে আরো ভালো ফটোগ্রাফি আশা করি।
আসলে দাদা আপনাদের মুখের প্রশংসা দেখে আমার এত আগ্রহ বেড়ে যায় যে আমি কবে আরো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করব তাই নিয়ে সব সময় ভালো চিন্তা করি। আপনাদের এই অনুপ্রেরণাই আমাকে সুন্দর সুন্দর ফটোকপি করার জন্য বাধ্য করে।
ভাইয়া আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হলাম। আপনার ফটোগ্রাফির প্রশংসা নতুন করে করার মত ভাষা নেই। তবে এতোটুকুই বলতে পারি আপনি ফটোগ্রাফি নিয়ে এগিয়ে যান জীবনে ভালো কিছু করবেন। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
অবশ্যই আপু আপনাদের আশীর্বাদ থাকলে আমি আরো অনেক সামনে এগিয়ে যেতে পারবো। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
ভাই আপনি যেসব ফটোগ্রাফি গুলো করেছেন দেখে সত্যি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। শুধু একজন পেশাদারী ফটোগ্রাফারের পারে এত সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করতে। আপনি যে একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার তা দেখেই আমি বুঝতে পেরেছি। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে খুবই দারুণ লেগেছে চমৎকার ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আসলে এই পেশাটাই আমাদের মাঝে মাঝে নেশা হয়ে দাঁড়ায়। আমার ভালোলাগা এবং ভালোবাসা থেকেই এই ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালো লাগে।
আসলে এই পেশাটাই আমাদের মাঝে মাঝে নেশা হয়ে দাঁড়ায়। আমার ভালোলাগা এবং ভালোবাসা থেকেই এই ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালো লাগে।
এত সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে চোখ ফেরানো যাচ্ছে না। আপনি কিছু পতঙ্গ এবং পাখির ছবি সুন্দরভাবে ক্যামেরাবন্দী করেছেন এবং আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। প্রতিটি ছবি উপভোগ করার মত। প্রথম ছবিটা আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। সেচ দেয়ার দৃশ্য দেখে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। ধন্যবাদ ভাই।
আসলে আমি সবসময় চেষ্টা করি আপনাদের মনের মত কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আমার পাশে থাকলে আমি আপনাদের আরো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করব। আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাই, আপনার এলোমেলো ফটোগ্রাফিতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পাখি দেখে সত্যি ভীষণ ভালো লাগলো। বিশেষ করে, পদ্ম ফুলের চাষের জায়গায় মাছ খাওয়ার জন্য পাখিটি বসে আছে আর ঠিক সেই মুহূর্তেই আপনি ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি দুর্দান্ত হয়েছে ভাই, শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এই পদ্ম ফুলের পাখিটির ছবি তুলতে গিয়ে আমি পুকুরের পাড়ে আরেকটু হলে পড়ে যাচ্ছিলাম। এটা কিন্তু পোস্টে লিখতে আমি ভুলে গিয়েছিলাম।
অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখতে অসাধারণ সুন্দর লাগছে। আকাশে উড়ন্ত পাখির ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আমার কাছে সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে। খুবই চমৎকার একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।