দুর্গাপূজা। পর্ব:- ২০

in আমার বাংলা ব্লগ11 months ago

কেমন আছেন " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই ? আশাকরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই খুব ভালো আছেন। আপনাদের আশীর্বাদে আমিও খুব ভালো আছি। আসলে আজ দুর্গাপূজার বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন ঘটনা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আশাকরি আপনাদের খুব ভালো লাগবে।


1000040961.jpg

1000012178.jpg


আসলে আপনারা আমার আগের পোস্টে মায়ের মূর্তির ছবিটা দেখে আপনাদের খুব ভালো লেগেছে। আসলে সত্যি বলতে কি আমি যতগুলো পুজো দেখেছি এর মধ্যে মায়ের এই মুখের ছবিটা আমার সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে। আসলে ভালো জিনিস দেখতে হলে সেখানে তো সবসময় ভিড় জমবে এটাই স্বাভাবিক। যাইহোক আমরা আর বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না এবং আস্তে আস্তে করে বাইরের দিকে বের হওয়ার জন্য লাইনের মধ্যে ঢুকে গেলাম। কেননা এতক্ষণ আমরা এমন একটা কোনে দাঁড়িয়েছিলাম যেখান থেকে যতই ভিড় আসুক না কেন আমাদের কেউ এক চুল নড়াতে পারবে না। যাইহোক আমরা বের হওয়ার আগে দিদির সাথে এবং আমার গিন্নির সাথে একটা সেলফি নিয়ে নিলাম। যদিও এটা গিন্নির চাপে করা।


1000012179.jpg

1000012180.jpg

1000012185.jpg


আসলে বাইরের ছবি তুলতে আমার যতটা বেশি ভালো লাগে ঠিক তেমনি নিজের সেলফি তুলতে ততটা বেশি খারাপ লাগে। আসলে নিজের খারাপ বলে বিয়ের পর কোন কিছুই থাকতে নেই। এটা হয়তোবা আপনারা যারা বিবাহিত লোক রয়েছেন তারা খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। এরপর আমরা যখন গেটের বাইরে বের হতে লাগলাম তখন দেখলাম যে গেটের বাইরে গেটের ভিতর থেকেও অনেক বেশি ভিড়। আসলে এই পুজোর প্যান্ডেল কেন্দ্র করে অনেক বড় মেলার সৃষ্টি হয়েছে। আর প্রথমেই আমরা দেখতে পেলাম সেই নাগরদোলা। যাইহোক এই নাগর দোলায় জীবনে একবার উঠেছিলাম এবং সেবার আমার শেষ ওঠা। কেননা এই নাগরদোলায় উঠলে আমার প্রচুর পরিমাণে মাথা ঘুরায়।


1000012186.jpg

1000012187.jpg

1000012188.jpg


এরপর আমরা আস্তে আস্তে করে বাইরের দিকে বের হতে লাগলাম এবং দুই পাশের বিভিন্ন ধরনের দোকান দেখতে পেলাম। যদিও রাত তখন প্রায় দুটো বাজে। তাই আমরা অতটা আর দেরি না করে আস্তে আস্তে দ্রুত বাইরের দিকে বের হওয়ার জন্য চেষ্টা করলাম। কিন্তু যতটা দ্রুত বলছি অতটা দ্রুত কখনো আমরা বের হতে পারলাম না। কেননা এখানে প্রচুর পরিমাণ মানুষের সমাগম ঘটেছে। এরপর আস্তে আস্তে বিভিন্ন ধরনের জিনিসের দোকান দেখতে পেলাম এবং আমরা পাশের একটা দোকান থেকে একটু ঝালমুড়ি খেয়ে নিলাম। যদিও ঝাল মুড়ি খাওয়ার ছবিটা আমার তুলতেই মনে ছিল না। কেননা সারারাত হাঁটতে হাঁটতে অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে গেছি এজন্য আর কোন কিছু ভালো লাগছিল না।


1000012189.jpg

1000012190.jpg

এরপর আমরা একটা হাতের কাজের দোকানে এসে পড়লাম যেখানে বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজের জিনিস দেখতে পেলাম। যদিও এই জিনিসগুলো দেখতে সুন্দর তাই আমারও ইচ্ছে করছিল যে দুই একটা কিনে নেওয়ার জন্য। কিন্তু এরপরে আমাদের আরো অনেক পুজো দেখতে হবে বলে আর কোন কিছু কিনলাম না। কেননা কোন একটা যদি জিনিস আমরা কিনে নিই তাহলে কিন্তু এই জিনিসটা হাতে নিয়ে আমাদের পুরোটা পথ ঘুরতে হবে। আসলে পুজো দেখার সময় বিশেষ করে এই সকল আসবাবপত্র কেনার থেকে খাবার জিনিস বেশি কেনা হয়। আসলে সবার উদ্দেশ্য থাকে যে পুজো দেখায় এবং পুজোয় ঘোরাঘুরি করা। বিশেষ করে আমি বিভিন্ন ধরনের খাবার ট্রাই করি যাতে করে বিভিন্ন ধরনের খাবার সম্পর্কে একটু জ্ঞান হয়। আসলে এরপরে আমরা পুজোর মাঠ থেকে বের হয়ে গেলাম।

ক্যামেরা পরিচিতি : Motorola

ক্যামেরা মডেল : Motorola edge 50 pro

ক্যামেরা লেংথ : 5.89 mm



আশাকরি আজকের এই পোস্টটি আপনাদের খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করতে অবশ্যই ভুলবেন না।



সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।



11-20-04-359_512.gif

ধন্যবাদ সবাইকে।

2XmsB3ZF6jJG7218A8ghgBmbB3W4Hm94fHM8vdisDLD4EuDS1mKCnUwr2WPdiRhWod2Rf2CCtBiK8N3pspzqnCWafFzVigrzmtsxCskMPdzGxv6X2qA4C6XCzVtoT7DrPdhaLQmVXDtTsoDBnDnkqY1H7mbiRmNAo6VRbcH65Ky8sUcB6iD2CGuEkfhUpCrHvemi76oe4F.gif

IMG_20210107_075142 (2).jpg

আমার নাম নিলয় মজুমদার। আমি একজন কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র। আমার মাতৃভাষা হলো বাংলা। আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি। আমি একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার। নতুন নতুন জিনিস তৈরী করতে আমি খুব ভালোবাসি। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে আমার খুব ভালো লাগে।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.101
BTC 64278.57
ETH 1825.07
USDT 1.00
SBD 0.38