এলোমেলো সাতটি ফটোগ্রাফি। ফটোগ্রাফি পর্ব -১৪
কেমন আছেন " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই ? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই খুব ভালো আছেন। আপনাদের আশীর্বাদে আমিও খুব ভালো আছি। আজ আমি আবারও আমার তোলা কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। আশাকরি আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
টুনটুনি পাখি নাচো তো দেখি। আবার কেউ এই পাখিকে শিল্পী পাখিও বলে। কারণ তার ঠোঁট দিয়ে খুব সুন্দর বাসা তৈরি করে। আসলে এক ঝাঁক টুনটুনি পাখির কিচিরমিচির আওয়াজ আমাদের মন কেড়ে নেয়। এই পাখি সাধারণত কীটভোজী। এই পাখির শরীরের উপরের অংশ সবুজ এবং নিচের অংশ ছাই কালারের মত। এই পাখির আকার খুবই ছোট। এই পাখির ডানাগুলো খুবই ছোট। এই পাখি গাছের ছোট কীটপতঙ্গ খেয়ে বাঁচে। এরা ফুলের মধুও কিন্তু খায়।
সাধারণত এই পাখির বংশবৃদ্ধির সময় হলো মার্চ থেকে ডিসেম্বর। কেউ কেউ আবার এই পাখিকে দর্জি পাখিও বলে। এই পাখি সাধারণত গাছের পাতায় ছোট্ট বাসা করে বসবাস করে। এরা বাচ্চা নেওয়ার জন্য প্রথমে সুন্দর করে বাসা তৈরি করে। দেশের এমন কোন গ্রাম বা শহর নেই যেখানে এদের সাক্ষাৎ পাওয়া যাবে না। এই পাখি কখনো স্থির থাকে না। যেন এক দন্ড বসার সুযোগও নেই কোথাও। সাধারণত এই পাখিরা জোড়ায় থাকতে ভালোবাসে। এই পাখির প্রধান শত্রু হলো বিড়াল। কারণ মাটির কাছাকাছি বাসা বাঁধায় বিড়াল সেই সুযোগটি নেয়। কিন্তু বর্তমানকালে মানুষ এদের বড় শত্রু। কারণ মানুষ পাখি মেরে সেটা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এর ফলে পাখির সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে। ফটোগ্রাফি করতে গিয়ে মাঠে দেখা মিলল সেই রাখাল বালকের। এই রাখাল বালকদয় সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছু খেয়ে গরু নিয়ে মাঠে বেরিয়ে পড়ে। মাঠের এক কোনে গরু বেঁধে তারা নিজ কর্মে মনোনিবেশ করে। সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে এবং শেষ বেলাতে গরুর জন্য ঘাস কেটে সংগ্রহ করে বাড়ি ফেরে।
প্রাচীনকালের সভ্যতায় কিছু আধুনিক সভ্যতাও মিশে গেছে এই ছবিটিতে। পুরাতনকালে শুনেছিলাম গরুর গাড়ি এখন দেখি সামনে অতীত আর পিছনে বর্তমান। অর্থাৎ সামনে গরু এবং পিছনে গাড়িটা আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে। আসলে ফসলের সময় এই গরুর গাড়ি দিয়ে রাখাল বালকদয় মাঠ থেকে ফসল ঘরে তোলে। প্রাচীনকালে এই গরুর গাড়ির প্রচলন থাকলেও বর্তমান সময়ে এই গরুর গাড়ির প্রচলন আর নেই।
পুরানে উল্লেখিত সমুদ্রমন্থনের কাহিনী অনেকেরই জানা আছে। অমৃতের সন্ধানে দেবতা ও অসুররা মান্দার পর্বতকে মন্থন দন্ড হিসেবে ব্যবহার করে সমুদ্র থেকে তুলে এনেছিলেন একের পর এক আশ্চর্য সব বস্তু। এই ফুলটিকে আমরা সবাই মান্দারফুল নামে চিনি। এই গাছ বিজ কিংবা শাখা কলমের মাধ্যমে জন্ম নেয়। এই গাছে প্রচুর পরিমাণে কাটা থাকে। এই ফুল যখন ফোটে তখন প্রকৃতি এক অন্যরকম রূপ ধারণ করে। ঔষধ শিল্পেও এই গাছের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।
গ্রীষ্মের দাবাদহে সূর্যের তোলা একটি ছবি। আসলে ছবিটি তুলতে অনেক কষ্ট আছে। আমাদের ফোনে অটোমেটিক সেটিং থাকায় অনেক ভালো ভালো ছবি তোলা সম্ভব। কিন্তু একটা প্রফেশনাল ক্যামেরায় এই ছবি তোলাটি অনেক কঠিন। এই ছবিটা তুলতে হলে সাধারণ কিছু সেটিং জানার প্রয়োজন আছে। ছবিটিতে মনে হচ্ছে সূর্য গাছের ফাঁকে দিয়ে আমার দিকে উঁকি মারছে।
ক্যামেরা পরিচিতি : NIKON
ক্যামেরা মডেল : NIKON D5200
ক্যামেরা লেংথ : 135 mm
তারিখ : 22/04/2017
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়। আসলে মানুষের পেটে যখন ক্ষুধা থাকে তখন সে পশুর মত আচরণ করে। রাস্তার কুকুর যেমন তীব্র ক্ষুধায় রাস্তার পাশের পচা খাবার খায়। তেমনি মানুষও প্রচুর ক্ষুধায় দায়ে পড়ে এইসব নোংরা আবর্জনা খেতে হয়। আসলে ছবিটি বাড়ির ফেরার সময় ছবি। একটা মিষ্টির দোকানের সামনে নোংরা ফেলা ড্রাম হতে একজন পাগল দইয়ের ভার তুলে সেখান থেকে দই খাচ্ছিল। আসলে আমাদের মানুষের এক এক অবস্থানে এক এক রূপ। তাই আমাদের সবার উচিত খাদ্য নষ্ট না করা।
আশাকরি আজকের এই ফটোগ্রাফিক পোস্টটি আপনাদের খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করতে অবশ্যই ভুলবেন না।
সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।
ওয়াও আপনি খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। সত্যি আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে অসম্ভব ভালো লাগলো। বিশেষ করে টুনটুনি পাখির ফটোগ্রাফিটি। এই পাখিটি এখন দেখা যায় না বললে চলে। পাখিটি এখন প্রায় বিলিন হয়ে গেছে। অনেক সুন্দর করে ফটোগ্রাফিগুলো বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আপনি সত্যিই একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার। আপনার প্রত্যেকটি ছবি আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে অনেক ভালো লাগে। বিশেষ করে পাখির ছবিটি এবং গরুসহ মানুষের ছবিটি আমার কাছে অনেক ভালো লাগে লেগেছে। এছাড়াও আপনার ছবির নিচে বর্ণনাগুলো অসাধারণ ছিল, পাখি সম্পর্কে যেভাবে আপনি বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন সত্যি নতুন কিছু জানতে পারলাম।
আমার প্রত্যেকটা ছবি আপনার ভালো লেগেছে জানতে পেরে আমার খুব ভালো লাগলো।
ভাইরে ভাই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম। এক কথায় জাস্ট অসাধারণ ছিল। আপনার কথা আমি আগেই শুনেছি আপনি খুব ভালো ফটোগ্রাফি করে থাকেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।
আসলে ফটোগ্রাফি জানার কোন শেষ নেই। আপনি আপনার যতই ক্রিয়েটিভিটি দেখান না কেন তারপরও কিছু বাকি থেকে যায়।
আপনি টুনটুনি পাখির দারুণ ফটোগ্রাফি নিয়েছেন ভাইয়া মনে হচ্ছে যে কোন জায়গায় দাড়িয়ে বাস্তব পাখি দেখতেছি। এত নিদারুণ ভাবে করেছেন আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালো লাগে। আপনি একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার বলে আমরা এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখার সুযোগ পেয়েছি ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাদের এই সুন্দর সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে বেশ দারুন দারুন ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যি আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি। আপনার ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে গরুর গাড়ির ফটোগ্রাফি। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আসলে বর্তমানে এই গরুর গাড়ির দেখা মেলা ভাগ্যের ব্যাপার।
আপনার ছবিগুলো এলোমেলো মনে হয়নি বরং ভীষণ গোছানো ছিল।
সবগুলো ছবি অসাধারণ ছিল, আর শেষের ছবিটা দেখে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি। আসলে আমরা কত খাবার নষ্ট করি আর কত মানুষ এই খাবার আবর্জনা থেকে কুড়িয়ে খায় 😕
ধন্যবাদ ভাই অসাধারণ ছবিগুলো সুন্দর বর্ননাসহ উপস্থাপন করার জন্য।
বরাবরের মতোই আপনি খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকি। এত চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন সর্বদায়।
দাদা আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আর তার কারণটা হলো আপনি একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার। খুবই চমৎকার চমৎকার ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন যেটা দেখে ভালো লাগলো। সত্যি বলেছেন দাদা ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়। সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
আসলে দাদা ছবিগুলো তুলতে গিয়ে দিনের পর দিন রোদে পুড়ে নিজে একদম কালো হয়ে গেছি।
এটাই তো আসল ফটোগ্রাফারদের কাজ । আপনার জন্য শুভকামনা রইল দাদা।
চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখি আমি সত্যিই রীতিমত মুগ্ধ হয়ে গেলাম। প্রতিটি ফটোগ্রাফির ক্যাপচার করার মতো টা অসাধারণ ছিল যার কারণে দেখতে অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখাচ্ছে। সুন্দর বর্ণনার মাধ্যমে আমাদের মাঝে আপনার এই ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেছেন দাদা। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লেগেছে আমার। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ দাদা।