আমার বাংলা ব্লগ" প্রতিযোগিতা-৪০ | বর্ষাকালীন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি |
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
বন্ধুরা আমি আজকে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি, আমার বাংলা ব্লগের বর্ষাকালীন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় আমার নিজের করা কিছু ফটোগ্রাফি নিয়ে।যদিও এবারের ফটোগ্রাফির আয়োজন টা খুব ভাল ছিল। তবে বৃষ্টির কারণে ফটোগ্রাফি কিভাবে করব সেটার চিন্তায় ছিলাম। অনেক রোদ হচ্ছিল কোন প্রকার বৃষ্টির সাড়া পাচ্ছিলাম না। অবশেষে দু একদিন হলো তাও তেমন বেশি নয় দুই থেকে তিন মিনিটের জন্য বৃষ্টি হলো তাও আবার হালকা-পাতলা ।আবার দেখা গেছে ফেনী ছেড়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে গেলাম বৃষ্টির ফটোগ্রাফি করার জন্য। পরে দেখি সেখানেও বৃষ্টি হয়নি তবে ফেনীতে বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে।আবার ফেনীতে যখন আসি তখন মায়ের কাছে শুনতে পাই গ্রামের বাড়িতে বৃষ্টি হচ্ছে প্রচুর। আর প্রচুর বৃষ্টির কারণে আমাদের পেঁপে গাছ ভেঙে গিয়েছে। তখন তো আর সেখানে যাওয়া সম্ভব নয়। যাতে করে ফটোগ্রাফি করার সুযোগও হয়নি।
যাই হোক সব মিলিয়ে একটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে পড়েছিল বর্ষাকালীন ফটোগ্রাফি খোঁজার জন্য।তাই ভেবেছিলাম এই ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করব না। কারণ ফটোগ্রাফি না থাকলে কি শেয়ার করব । অবশেষে মোবাইলের গ্যালারিতে খুঁজতে গিয়ে বর্ষাকালীন কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পাই যেগুলো আগে করে রেখেছিলাম। হয়তো আপনাদের মাঝে শেয়ার করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।তাই আর দেরি না করে সেগুলো নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লাম এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য।সত্যি বলতে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করতে পারলে অন্যরকম খারাপ লাগা কাজ করে।তাই আজকে আমার নিজের করা কিছু বর্ষাকালীন ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে যাচ্ছি চলুন শুরু করা যাক।
১নং-ফটোগ্রাফি
এই ফটোগ্রাফিতে দেখতে পাচ্ছেন ফুল সজ্জিত প্রাইভেট কারের গ্লাসের উপরে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ফটোগ্রাফিটি করেছিলাম আমার বন্ধুর বিয়ের সময়। তার বিয়ের সময় মোটামুটি সবাই হাইচে করে চলে গিয়েছে। আমিও হাইচে যাওয়ার কথা কিন্তু বেস্ট ফ্রেন্ড বলে কথা আমি হাইচে যাব এটি আমার বন্ধু কোনভাবেই মানতে রাজি নয়।সে বলে আমি নাকি তার সাথে না গেলে বিয়েই করতে যাবে না। তাই তার প্রাইভেট কার এ করে বিয়েতে যেতে হয়েছে। তখন প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিল এমত অবস্থায় কার এর ভেতর থেকে এই ফটোগ্রাফি গুলো করলাম।
Location
#Device:S-G,M32
২নং -ফটোগ্রাফি
একদিন বাইক নিয়ে বের হয়েছিলাম চর এলাহী যাওয়ার জন্য।বের হওয়ার আগেই প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিল হঠাৎ করে বৃষ্টি থেমে গিয়েছে তখন আমরা রওনা হলাম। কিছুদূর যেতে পথে আবার শুরু হয়ে গেল বৃষ্টি আর এত বেশি বৃষ্টি হচ্ছিল যে না থেমে আর পারছিলাম না। তখন একটা জায়গাতে থেমে গিয়েছি। বৃষ্টি এত স্পিডে হচ্ছে আমরা যেখানে দাঁড়িয়েছি সেখানে পর্যন্ত বৃষ্টির ফোঁটার ছিটকে পড়তেছিলো। যাইহোক এরকম জোরালো বৃষ্টিতে ফটোগ্রাফি গুলো করা।
৩নং-ফটোগ্রাফি
একদিন গুটি গুটি বৃষ্টি হচ্ছিল এমতাবস্থায় কোন রিক্সাও পাচ্ছিলাম না বাজারে যাওয়ার জন্য। হঠাৎ রোডের উপরে দেখি একটি কৈ মাছ। এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখি রাস্তার দিক থেকে পানি খালের দিকে নামছে সরু আকারে। আর এই কৈ মাছটি সেই সরু পানির লাইন ধরে রাস্তার উপরে উঠে এসেছে। যেটাকে আমরা গ্রাম বাংলায় উজান মাছ বলে থাকি। তখন মাছটি ধরে নিলাম এবং চিন্তা করলাম এই একটি মাছ বাসায় নিয়েও বা কি হবে তাই আমাদের পুকুরে ছেড়ে দিলাম।
৪নং-ফটোগ্রাফি
এখন যে ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলো অনেক আগের ফটোগ্রাফি। একদিন আমার ফুফাতো বোনের শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলাম, হঠাৎ করে বৃষ্টি হচ্ছিল। আর গ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টি হলে উঠান পার হতে ইট দিয়ে রাখা হয়। কারণ পানি যখন উঠানে ভরপুর হয়ে যায় তখন ইট দিয়ে মানুষ চলাফেরা করে। তখনকার সময় এই ফটোগ্রাফি করেছিলাম। এরপর দেখতে পাচ্ছেন রাস্তার সাথে খালের পানি সমপরিমাণ হয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড বৃষ্টির ফলে খাল পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। এ ফটোগ্রাফিটাও অনেক আগে করা।এরপর দেখতে পাচ্ছেন বৃষ্টি শেষে গরু বেঁধে রেখেছে রোডের উপরে। আর এই সময়ে প্রচুর সবুজ ঘাস গরু খেতে পারে।তবে এই ফটোগ্রাফিটি করলাম আমার ফুফাতো বোনের শ্বশুরবাড়ি থেকে আসার পথে।
৫নং-ফটোগ্রাফি
এখন দেখতে পাচ্ছেন বৃষ্টিময় দিনের শ্যাওলা পড়া একটি রোড।গ্রাম অঞ্চলের এরকম অসংখ্য রোড রয়েছে যদিও এগুলো ফাকা তারপরও এগুলোর উপরে বর্ষাকালে শ্যাওলা পড়ে যায়।একদিন মোবাইল ঘরে রেখে ছাতা নিয়ে বের হয়েছিলাম। পরে আবার এসে ছাতা এবং শ্যাওলা পড়া রোডের ফটোগ্রাফি করলাম।আশা করছি এই দৃশ্যটি আপনাদেরও ভালো লাগবে।
৬নং-ফটোগ্রাফি
এখন দেখতে পাচ্ছেন একজন বৃদ্ধ লোক তার গরুর জন্য তরতাজা সবুজ ঘাস কেটে নিয়ে এসে সেগুলোকে ছোট ছোট করছে। আসলে বর্ষাকালে গরুর খাবারের অভাব হয় না চারদিকে সবুজের সমারোহ থাকে।চারদিকে মনে হয় যেন কেউ সবুজ বিছানার চাদর বিছিয়ে রেখেছে।যাইহোক এই বৃদ্ধ লোকটি তার গরুর জন্য অনেক কষ্ট করে ঘাসগুলো কাটছে আর এটার কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
৭নং-ফটোগ্রাফি
এখন যে দুটি ফটোগ্রাফি দেখতে পাচ্ছেন একটি ফটোগ্রাফিতে গুটি গুটি বৃষ্টি হচ্ছে। সবুজ ব্যাকগ্রাউন্ডে এবং বৃষ্টির ফোঁটা সব মিলিয়ে এই ফটোগ্রাফিটি ভিন্ন রকম রূপ ধারণ করেছে। আর সেটা আজকে আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম।আবার দেখতে পাচ্ছেন বালির উপরে আমের বিচি পড়ে থাকাতে সেই আমের বিচি থেকে আম গাছের চারা উঠে গেছে এবং বৃষ্টির ফোঁটা পড়াতে বালুগুলো আম গাছের চারার উপরে দেখা যাচ্ছে। আশা করছি এই দৃশ্যটিও আপনাদের ভালো লাগবে।
৮নং-ফটোগ্রাফি
গুটি গুটি বৃষ্টি যখন গোলাপ ফুলের পাপড়ির উপরে পড়ে তখন অন্যরকম সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়।মাঝে মাঝে বৃষ্টি হওয়ার পরে বিভিন্ন নার্সারিতে ফটোগ্রাফি করতে গেলে এই ধরনের দৃশ্য চোখে পড়ে। আর তখনই ক্যামেরা বন্দি করে ফেলি। এটি একটি নার্সারি থেকে ফটোগ্রাফি করা যেখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন তিন ধরনের গোলাপ ফুল রয়েছে এবং গোলাপ ফুলের উপরে বৃষ্টির গুটি গুটি ফোটায় এটি আরো সুন্দর লাগছে।
৯নং-ফটোগ্রাফি
বৃষ্টি হওয়ার পর জমিতে একটু পানি হলে তখন ধান রোপনের জন্য অনেকটা উপযোগী হয়ে উঠে।আর আগে থেকে যদি জমি চাষ করা থাকে তাহলে শুধু বৃষ্টির পানি পড়লেই তখন ধানগুলো রোপন করা সহজ হয়ে যায়।তেমনি একটি দৃশ্য আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম। যেখানে দেখতে পাচ্ছেন দলবল নিয়ে একসাথে ধান এর চারা রোপণ করছে।আমিও তাদের সাথে গিয়েছিলাম এবং পানিতে নেমে খুব কাছে থেকে ফটোগ্রাফি গুলো করলাম।ফটোগ্রাফি করতে না করতেই কিছুক্ষণ পর আবার বৃষ্টি চলে আসে।আর তখন আমি সেখান থেকে চলে আসি।
Location
#Device:S-G,M32
১০নং-ফটোগ্রাফি
এখন দেখতে পাচ্ছেন রানী গোলাপের উপরে গুটি গুটি বৃষ্টির ফোটা।যদিও এটি অন্য একটি নার্সারি থেকে ফটোগ্রাফি করা। তবে গোলাপ ফুলের ২৬৩ জাতের মধ্যে এই ধরনের গোলাপ ফুল সচরাচর দেখতে পাওয়া যায় না। তাহলে বুঝেন একদিক থেকে এই আনকমন ফুল আবার এ ফুলের উপরে বৃষ্টির ফোটা,দুটোর সমন্বয়ে ক্যামেরায় বন্দি করার সহজ তর নয়। হয়তো নার্সারিতে যাওয়াতে সেখানে ফুলটি দেখতে পাই আর সেটাই ফটোগ্রাফি করে নিলাম।
১১নং-ফটোগ্রাফি
এখন যে ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলোর মধ্যে দেখা যাচ্ছে কয়েকটি লোক বৃষ্টির শেষে উজান মাছ ধরার জন্য বের হয়েছে।আবার কিছু ছোট ছোট ছেলে বৃষ্টিতে ভিজে খুব আনন্দ উপভোগ করেছে, বোঝা যাচ্ছে। এদিকে দুজন তাদের গরুর জন্য ঘাস কাটছিল পানিতে নেমে। একই দিনের তিনটি চিত্র ফ্রেম আবদ্ধ করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
Location
#Device:S-G,M32
১২নং-ফটোগ্রাফি
এখন যে ফটোগ্রাফি গুলো দেখছেন এগুলো বর্ষাকালে নদীর কুল ভাঙ্গার ফটোগ্রাফি। বর্ষাকাল মানে নদ-নদী খাল বিল পানিতে একাকার হয়ে যাওয়া।এ ফটোগ্রাফি গুলোতে দেখতে পাচ্ছেন নদীর স্রোতের সাথে মাটি ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে পানিতে। আবার দেখা যাচ্ছে একটা জায়গাতে অনেক পানি জমা হয়ে আছে। আবার আরেকটি ফটোগ্রাফিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি নারিকেল গাছ তাই সে ডুবোডুবু অবস্থায়। কিছুদিন আগেও সেখানে গিয়েছিলাম গাছটি মোটামুটি কিছুটা অংশ দাঁড়িয়ে ছিল কিন্তু এখন পানির স্রোতে মাটি ভেঙ্গে গাছটাকে নদীতে ফেলে দিল।
১৩নং-ফটোগ্রাফি
এখন দেখতে পাচ্ছেন একটি লোক কুইচা মাছ,ধরার জন্য এক ধরনের ফাঁদ পেতে সেগুলো জমিতে বসাচ্ছে আর এই দৃশ্যগুলো নিতান্তই বর্ষাকালে দেখা যায়। বর্ষাকালে জমিতে কুইচা মাছ পাওয়া যায়।আর এ ধরনের লোকেরা এরকম ফাঁদ পেতে কুইচা মাছ ধরে এবং সেগুলো চওড়া দামে বিক্রি করে। একদিন বৃষ্টি হওয়ার পর এক বন্ধুর বাড়ির পাশে গিয়েছিলাম সেখানে এই দৃশ্যটি দেখতে পাই এবং সাথে সাথে ফটো তুলে নিলাম।
Location
#Device:S-G,M32
১৪নং-ফটোগ্রাফি
এখন খুব সুন্দর ও রোমান্টিক একটি ফটোগ্রাফি দেখতে পাচ্ছেন। যেখানে বৃষ্টি শেষে একজোড়া রাজহাঁস পানিতে বিচরণ করছে।এ ধরনের চিত্র সচরাচর কম দেখা যায়। বৃষ্টি শেষে যখন বের হয়েছিলাম তখন বাড়ির পাশেই এই ফটোগ্রাফিটি করেছিলাম। দুটো রাজহাঁস পানিতে দুদিকে মুখ করে বিচরণ করছে। এটি আসলে দেখার মত একটি দৃশ্য ছিলো।তাই দেরি না করে ক্যামেরাবন্দি করে ফেললাম। আশা করছি দৃশ্যটি আপনাদেরও চোখ এড়াবেনা।
১৫নং-ফটোগ্রাফি
বৃষ্টির দিনে গ্রাম অঞ্চলে বাইক নিয়ে চলাফেরা খুবই কষ্টকর হয়ে যায়। বিশেষ করে মাটির রোডে চলাফেরাটা বাইকের জন্য অনেক দুঃসাধ্য ব্যাপার হয়ে পড়ে।তাই মাঝে মাঝে গাড়ি এক জায়গাতে রেখে অনেক সময় বাকি অংশটুকু হেঁটেও যেতে হয়। এরপর দেখতে পাচ্ছেন নৌকা করে মানুষ পারাপার হওয়ার দৃশ্য । বৃষ্টিমুখর পরিবেশে বৃষ্টির আগে অথবা পরে এরকম নৌকা করে ঘুরাঘুরি করতে বেশ ভালই লাগে।আবার দেখতে পাচ্ছেন হালকা বৃষ্টি হওয়াতে কৃষক তার জমি চাষ করে রেখেছে। আর অপেক্ষারত রয়েছে কবে আবার বৃষ্টি হবে এবং তখন ধানের চারা রোপন করবে।
Location
#Device:S-G,M32
১৬নং-ফটোগ্রাফি
বর্ষাকাল বা বৃষ্টির দিন মানেই অনাকাঙ্ক্ষিত এক্সিডেন্ট।অনেক সময় বৃষ্টিতে রোড ভেজা থাকে। তখন গাড়ি ব্রেক করলে বরাবর ব্রেক এ কাজ করে না। যার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত এক্সিডেন্ট ঘটতে পারে। একদিন ফেনী থেকে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলাম হঠাৎ সিএনজি থেকে দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিল এরিয়ায় দেখতে পাই একটি বাস এক্সিডেন্টরত অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদিও ঘটনাটি আরো আগে ঘটেছে তবে আমি যাওয়ার পথে এই ঘটনাটি দেখলাম। তখন ফটোটি ক্যাপচার করে নিলাম।
১৭নং-ফটোগ্রাফি
এখন যে ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলো ফেনীতে আমাদের বাসার ছাদের উপরে করেছিলাম। আমাদের বাসা থেকে সামনে অনেক বড় একটি বিল্ডিং রয়েছে। হালকা-পাতলা বৃষ্টি হওয়াতে ছাদের উপরে কিছু পানি জমে রয়েছিল। আর সেই পানিতে ওই বড় বিল্ডিং এর প্রতিবিম্ব দেখা যাচ্ছিল।পানিতে প্রতিবিম্ব আর সরাসরি বিল্ডিং, দুটোর সমন্বয়ে দৃশ্যটি খুব চমৎকার দেখাচ্ছিল। তখন ফটোগ্রাফি করে ফেললাম আর সেটা আজকে আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করলাম।
তো বন্ধুরা আজকে এতটুকু ,আশা করি আগামীতে ভিন্ন রকম ফটোগ্রাফি নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হবো। আর আমার পোস্ট এ যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে সেটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এই বলে আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম।
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনদের সাথে সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | ফটোগ্রাফি |
| ক্যামেরা.মডেল | এম ৩২ |
| ক্যাপচার | @nevlu123 |
| সম্পাদনা | রিসাইজ &সেচুরেশন। |
| অবস্থান | বাংলাদেশ |
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আর Nevlu123 নামে আমার একটি ডিসকোর্ড অ্যাকাউন্ট আছে।বর্তমানে আমার তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, আর সেই তিনটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আমি স্টিমিট এ কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি, তাই ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।


সত্যি ভাইয়া আমি আপনার পোস্টটি পড়ছিলাম আর হাসছিলাম। কি কষ্টই না করলেন আপনি। একবার এদিক তো আর একবার সেদিক। তবুও তো লাভ হলো না কোন। অবশেষে মোবাইল গ্যালারীর ফটোগ্রাফি গুলো নিয়ে ঝাপিয়ে পড়লেন। আরে ঝাপিয়ে পড়ার দরকার কি? পড়ে তো হাত পা ভেঙ্গে যাবে। যে ফটোগ্রাফি করেছেন তাতে আপনার পজিশন ঠেকায় কে। হি হি হি। শুভ কামনা রইল আপনার প্রতি।
শুভ কামনা রইল আপনার প্রতি আপু।
https://twitter.com/Nevlu123/status/1684347674303295488?s=20
দারুন হয়েছে সব ছবি গুলো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই চমৎকার একটি মন্তব্য করার জন্য। 💐🙏💐
একদম চমৎকার একটি ফটোগ্রাফি পর্ব দেখলাম। প্রতিটা ফটোগ্রাফি দেখে বোঝা যাচ্ছে এটা বর্ষার মৌসুমে ক্যাপচার করা আর আপনার ফটোগ্রাফি টাই একদম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য পারফেক্ট। আসলে এই বর্ষার মৌসুমে তেমন বৃষ্টির দেখা নাই বলে আমি এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারলাম না যাই হোক শুভকামনা রইল ভাইয়া।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।🙏এভাবেই সাপোর্ট করে যাবেন এই কামনা করি।।
আপনি বেশকিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। বর্ষাকালীন অনুভূতি গুলো আপনার ফটোগ্রাফিতে পেলাম।খুব ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে দারুন কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। এভাবেই সাপোর্ট করে যাবেন এই কামনা করি।🙏🙏
💐💐🙏🙏💐❤❣❤
যাক আপনি খুব সুন্দর সুন্দর এবং চমৎকার ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। আপনি গ্রামীন বৈচিত্রের বিভিন্ন ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন বর্ষাকালী ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে অনেক ভালো লেগেছে। অবশেষে খুশি হলাম আপনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
মন্তব্যটি পড়ে খুব ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে। 💐📰
বর্ষাকালীন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। বৃষ্টির সময় রাস্তার উপর কৈ মাছ ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্যটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।
প্রতিনিয়ত পাশে থেকে সাপোর্ট করার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।,
আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যি আমি মুগ্ধ হয়েছি ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি চোখ ফেরাতে পারিনি এত সুন্দর ছিল প্রতিটি ফটোগ্রাফি। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মনে হচ্ছে এটা বর্ষাকালের ক্যান্সারের ফটোগ্রাফি। ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য শুভকামনা রইল আপনার জন্য ভাইয়া।
শুভকামনা রইল আপনার জন্য ভাই।❤💐❤
প্রথমেই আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য। দারুণ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন ভাই। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আপনার ফটোগ্রাফির দক্ষতা খুবই ভালো এটা বলতেই হয়। প্রতিটি ফটোগ্রাফি এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে। তবে কৈ মাছ এবং রাজহাঁসের ফটোগ্রাফি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। যাইহোক এতো মনোমুগ্ধকর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
শুভকামনা রইল আপনার জন্য ভাই।💐❤❣❤💐