প্রতাবপুর জমিদার বাড়ি শেষ পর্ব।
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
শিশুসুলভ পোষ্ট ও কমিউনিটির সৃজনশীলতা রক্ষার্থে আমি চেষ্টা করব একেক দিন একেক বিষয় নিয়ে হাজির হতে।
বন্ধুরা আমি আজকে আপনাদের সামনে ছোট্ট করে একটি ভৌতিক বাড়ির গল্প শেয়ার করতে যাচ্ছি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আসলে যেই বাড়িটির গল্প বলতে যাচ্ছি সেই বাড়িটির নাম হচ্ছে প্রতাবপুর বড়বাড়ি। যেটি সেবার হাট প্রতাবপুর গ্রামে অবস্থিত।
তবে আমাদের জুনিয়র একটি টিম সেখানে গিয়ে কয়েকটি হরর নাটক বানিয়েছে।নাটকটির কাহিনী তারা বেশ ভালো ভাবে সাজিয়েছিল। সত্যি বলতে যে কেউ গেলে সেখানে প্রথমে ভয় পাবে, কেননা জঙ্গল গাছপালা সবকিছু এমন ভাবে গ্রাস করে ফেলেছে।পুরো এরিয়া জুড়ে মনে হবে এটি কোন ভূতের আস্তানা।
Location
#Device:S.G-M32
সেখানে রয়েছে সারি সারি নারিকেল গাছ। সারি সারি সুপারি গাছ, কলা গাছ এবং কাঁঠাল গাছ সহ আরো নামা জানা অনেক গাছ। কিছু কিছু দেওয়ালে অনেক বড় বড় বটগাছ উঠে গিয়েছে, যেটা দেখতে ভারী সুন্দর লাগে।এদিক থেকে সেই বাড়িতে যদি দুপুরবেলা যাওয়া হয় তখনও নাকি এ্যাবনরমাল কিছু অ্যাক্টিভিটিস দেখা যায়।আর সেটিও লোকোমুখের শোনা কথা। কারণ আমরা কখনো দেখিনি শুধু গল্প শুনেছি।
Location
#Device:S.G-M32
তবে সেখানে ছিনতাইকারী থাকে এটা খুব কম সংখ্যক লোকে জানে। শুধু যার সাথে ঘটে সেই জানে।অনেক সময় দেখা যায় কোন সিঙ্গেল লোকজন সেখানে গেলে,তখন একদল ছিনতাইকারী তাদের উপরে হানা দেয়। এই রকম ঘটনা কয়েকবার ঘটেছে।
Location
#Device:S.G-M32
একবার আমরা বাইক নিয়ে তিনজন গিয়েছিলাম সেখানে ঘুরার জন্য। তখন হঠাৎ দুটি ছেলের চিৎকার শুনতে পাই। তখন সামনে গিয়ে দেখি তারা রক্তাক্ত অবস্থায় বের হয়ে আসছে বিল্ডিং থেকে। তখন আমরা জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে? তখন তারা বলে যে সেখানে কিছু ছেলে পেলে এসে, তাদেরকে মারধর করে মোবাইল মানিব্যাগ সহ হাতের ঘড়ি, সব ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।
Location
#Device:S.G-M32
তখন আমরা সেখানে গিয়ে দেখি আসলে কেউ নেই। তখন চিন্তা করলাম যে আমাদের প্রবেশের গতিধারা তারা বুঝতে পেরেছে।যার কারণে সেখান থেকে ভেগে গেছে। আর এদিক থেকে অসহায় দূর থেকে আসা দুটি ছেলেকে মারধর করে সবকিছু ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।
Location
#Device:S.G-M32
তার মানে এই বাড়িতে ভূতের যেমন ভূমিকা রয়েছে, তেমনি ভূমিকায় রয়েছে কিছু ডাকাত দল অথবা ছিনতাইকারীর, যেটা মানুষকে সব সময় বিপদে ফেলে।যাই হোক বন্ধুরা, তারপরও এই রকম বিপর্যয় থাকা সত্ত্বেও মানুষজন সেখানে ঘুরতে, ফটোগ্রাফি করতে বেশ আনন্দ উপভোগ করে।
Location
#Device:S.G-M32
আর আমি মনে করি সেখানে যেতে হলে চার-পাঁচজন লোক একসাথে যাওয়াটা ভালো। আর যদি সিঙ্গেল যাওয়া হয় সেটা অনেক বড় রিক্স হয়ে যায়। কারণ সেখানে ডাকাতের অথবা ছিনতাইকারীর কবলে পড়া সম্ভাবনা খুবই বেশি থাকে।
যাই হোক বন্ধুরা এই ছিল ছোট্ট পরিবেশে এই রাজ বাড়ি বা বড় বাড়ির গল্প।আশা করি সামনে অন্য কোনদিন, অন্য কোন গল্প নিয়ে উপস্থিত হব ধন্যবাদ।
তো বন্ধুরা আজকে এতটুকু ,আশা করি আগামীতে ভিন্ন রকম গল্প নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হবো। আর আমার পোস্ট এ যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে সেটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এই বলে আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম।
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
|---|
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনদের সাথে সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক
ফোনের বিশদ বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| বিভাগ | গল্প (ফটোগ্রাফি) |
| মডেল | M32 |
| ফটোগ্রাফার | @nevlu123 |
| সম্পাদনা | শুধু সেচুরেশন |
| অবস্থান | বাংলাদেশ। |
আমি বাংলাদেশ থেকে এমদাদ হোসেন নিভলু। আমার স্টিমিট আইডি হল @ nevlu123। আমি ফেনী জেলায় থাকি। আমার কাজ কম্পিউটার শেখানো, আমার একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। যেখানে আমি স্টিমিট কাজের পাশাপাশি আমার সময় কাটাই। @nevlu123 নামে আমার একটি ডিসকর্ড অ্যাকাউন্ট আছে। আমার বয়স এখন 30 বছর। আমি জাতিগতভাবে মুসলিম বা আমি মুসলিম কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি, তাই ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি।


https://twitter.com/Nevlu123/status/1590907070047744000?s=20&t=h_AOE8gObmr-_j2_jw0mQg
আমার কাছে তো খুবই ভালো লেগেছে প্রতাপপুর জমির তার বাড়িতে ঘুরতে গিয়ে। জায়গাটা বেশ সুন্দর খুবই ভালো মুহূর্ত উপভোগ করেছিলাম। আপনি আজকে সেই প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি নিয়ে গল্প লিখেছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো। উপস্থাপনা কিন্তু অসাধারণ ছিল। সত্যি আপনার দক্ষতার যতই প্রশংসা করি কমতি হয়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।।।
ভাই আপনি প্রতাবপুর জমিদার বাড়ির যে গল্পটা তুলে ধরেছেন সেটা আসলে আমার মনে ও একটা ভয়ের সঞ্চার করেছে।কারণ এসব ভৌতিক গল্প শুনলে সত্যিই আমার অনেক ভয় লাগে। ভাইয়া আগে এমন অনেক ভিটা বা জঙ্গল ছিল যেখানে দিনের বেলায়ও মানুষ যেতে ভয় পেত। কিন্তু এখন এরকম ভিটা বা জঙ্গল খুব একটা দেখা যায় না।
খুব চমৎকার ও সাবলীল ভাষায় মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।