লাইফ স্টাইল || কাবাবজি রেস্টুরেন্টে চিকেন শর্মা খাওয়ার অনুভূতি।
শুভ দুপুর
আজ ০১ ই জুলাই,
সোমবার ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ।
আসসালামু আলাইকুম,
আমি @nazmul01 ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ থেকে।
হ্যালো "আমার বাংলা ব্লগ" পরিবার। কেমন আছেন সবাই? আশাকরি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হলাম কাবাবজি রেস্টুরেন্টে চিকেন শর্মা খাওয়ার অনুভূতি পোস্ট নিয়ে। আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। চলুন তাহলে শুরু করি।
ছবির অবস্থান :- ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ।
বেশ কিছুদিন আগের কথা, আমি এবং আমার অফিস কলিগরা মিলে প্ল্যান করি একদিন রেস্টুরেন্টে ঘুরতে যাব এবং কিছু খাব। আমি সাদ্দাম ভাই এবং সোহাগ ভাই কখনোই একসঙ্গে অফিস থেকে ছুটি পেতাম না। তাই আমাদের কখনো একসঙ্গে আড্ডা দেওয়া হতো না। তবে একদিন হঠাৎ করেই আমাদের সবার ডিউটি সকাল শিফটে পড়ে যায়। আমরা সবাই সকাল শিফটে ডিউটি করে বিকেলের দিকে অনেকটা সময় হাতে পাই। তখন আমরা মূল্যবান সময়কে কাজে লাগাই, সোহাগ ভাই অনেক ভ্রমণ পিপাসু মানুষ। বিভিন্ন জায়গায় আমার মতো ঘুরতে এবং খেতে খুবই পছন্দ করেন।
তখন আমরা কলিগরা সবাই একসঙ্গে আমাদের ময়মনসিংহ শহরের আকুয়া বাইপাস রোড, রুমডো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর সামনে সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশে কাবাবজি নামে একটি রেস্টুরেন্ট চলে যাই। এই রেস্টুরেন্ট বেশ কিছুদিন ধরে উদ্বোধন হয়ে ছিল। এবং সবচেয়ে সুবিধার বিষয় হলো আমার ফুফাতো ভাই সেই রেস্টুরেন্টে জব করেন। তাই আমরা সবাই পরিকল্পনা করে সন্ধ্যায় রেস্টুরেন্টে ঘুরতে গিয়েছিলাম। নিরিবিলি পরিবেশে রেস্টুরেন্ট এর ডেকোরেশন খুবই সুন্দর ছিল। তখন কাউন্টারে আমার ফুফাতো ভাই ইয়াসিন বসে ছিল। আমি তখন রেস্টুরেন্টের ভিতরের সুন্দর পরিবেশের কিছু ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম। কাবাবজি রেস্টুরেন্টে ফ্যামিলি এবং কাপলের জন্য সুব্যবস্থা ছিল। আমরা তখন ফ্যামিলি বৈঠকে আমার ফুফাতো ভাই সহ চারজন বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এবং বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে সেলফি নিয়েছিলাম।
ছবির অবস্থান :- ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ।
কিছুক্ষণ বসে আড্ডা দেওয়ার পর, আমরা চিকেন শর্মা অর্ডার করে। বেশিরভাগ সময় আমরা রেস্টুরেন্টে গিয়ে ডেজার্ট কিংবা হালকা কিছু খাবার অর্ডার করি। ভারি খাবার তেমন একটা অর্ডার করি না। সোহাগ ভাই বাহিরের খাবার একদমই পছন্দ করেন না। তিনি স্বাস্থ্যের দিক দিয়ে অনেকটাই সচেতন। তিনি শুধু ঘুরতে, ছবি তুলতে এবং আড্ডা দিতেই খুব পছন্দ করেন। তারপর আমি সাদ্দাম ভাই ও সোহাগ ভাই মিলে দুইটি চিকেন শর্মা শেষ করি। কাবাবজি রেস্টুরেন্টের খাবারগুলো খুবই মানসম্মত। তবে যেহেতু আমার ভাই এই রেস্টুরেন্টে জব করেন তাই একটু বাড়তি সুবিধা পেয়েছিলাম। চিকেন শর্মার রোলগুলো অনেকটা মোটা এবং বাড়তি চিকেন দিয়েছিল। চিকেন শর্মা খেতে অনেক টেস্ট ও সুস্বাদু ছিল। যাইহোক চিকেন শর্মা খাওয়ার পর হালকা কোল্ড ড্রিংকস অর্ডার করি। ফাস্টফুড খাওয়ার পর কোল্ড ড্রিংকস না খেলে গ্যাসের অনেক সমস্যা হয়। সত্যি বলতে বাহিরে কিছু খেয়ে কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া আমরা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছি। তাই যত সম্ভব কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া ধীরে ধীরে ত্যাগ করতে হবে। যাইহোক আমার ফুফাতো ভাই ইয়াসিন স্টাইলে বসে কোল্ড ড্রিংকস খাচ্ছিল। আমি তখন তার ফটোগ্রাফি করি।
ছবির অবস্থান :- ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ।
অবশেষে আমরা খাওয়ার পর সবাই মিলে কিছু ফটোগ্রাফি করি। আমি কাবাবজি রেস্টুরেন্টের এর মূল ফটক এর সামনে থেকে একটি সেলফি নিয়েছিলাম। সেখানে সোহাগ ভাই ও সাদ্দাম ভাই খুব দারুণ পোজ নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। এবং সেলফি খুব সুন্দর উঠেছিল। তারপর সাদ্দাম ভাই সোহাগ ভাইয়ের আলাদা আলাদা পোজ নিয়ে ছবি তুলে দিচ্ছিল। আমিও তখন সোহাগ ভাইয়ের পোজ দেখে অনেক হেসেছিলাম। এবং সেই ফাঁকে আমিও সোহাগ ভাইয়ের কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম। তারপর আমরা কিছু সময় রেস্টুরেন্টে অতিবাহিত করে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সবার বাসায় চলে গিয়েছিলাম। সেই দিন আমরা সবাই খুব ভালো সময় কাটিয়ে ছিলাম। যাইহোক এই ছিলো আমার আজকের আয়োজন। আশাকরি আমার কাবাবজি রেস্টুরেন্টে চিকেন শর্মা খাওয়ার অনুভূতি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে। কেমন লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন? আপনাদের সবার মতামত আশা করছি। আজকের মত এখানে বিদায় নিলাম। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ💞।
| বিভাগ | লাইফ স্টাইল। |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি ৯। |
| বিষয় | কাবাবজি রেস্টুরেন্টে চিকেন শর্মা খাওয়ার অনুভূতি। |
| লোকেশন | ময়মনসিংহ সদর , বাংলাদেশ। |
| ফটোগ্রাফার | @nazmul01। |
আমি মোঃ নাজমুল হাসান, আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং ঢাকা বিভাগের ময়মনসিংহ জেলায় থাকি। আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি বাঙালি। বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে আমি গর্ব বোধ করি। আমি একজন শিক্ষার্থী এবং অনার্সে অধ্যয়নরত। আমি বর্তমানে বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছি। ফটোগ্রাফি করতে আমার অনেক ভালো লাগে। তাছাড়া কবিতা,আর্ট করা,ঘুরতে যাওয়া এবং রান্না করা আমার খুবই প্রিয়। প্রিয়জনদের সাথে ঘুরতে যাওয়া এবং বাহিরে খাবার খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। নতুন রেসিপি শেখার আমার খুব আগ্রহ রয়েছে। আমি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে স্টিমিটে জয়েন হয়েছি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটি একটি পরিবারের মতো। আর এই পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অনেক খুশি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
| ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য | এখানে ক্লিক করেন |
|---|
https://x.com/nazmulhasanbd01/status/1807659837591072945?t=fuf3_qlPnv02ssAdLzu5UQ&s=19
ভাইয়া আপনি আপনার কলিকদের সাথে রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলেন দেখে ভালো লাগলো। চিকেন শর্মা খেতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। আপনার কাটানো সুন্দর মুহূর্ত গুলো দেখেও অনেক ভালো লাগলো। রেস্টুরেন্টের ফটোগ্রাফি দেখেও খুবই ভালো লেগেছে ভাইয়া।
আপু সে দিন অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়ে ছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে আপু সুন্দর ভাবে গুছিয়ে কমেন্ট করার জন্য।
বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে বেশ ভালই লাগে। সেই সাথে আপনি একটা কাবাব রেস্টুরেন্টে গিয়েছেন চিকেন শর্মা খাওয়ার জন্য। চিকেন শর্মা খেতে আসলে বেশ ভালই লাগে। সেই সাথে আপনি বন্ধুদের সাথে খুব সুন্দর মুহূর্ত পার করেছেন। ধন্যবাদ বন্ধুদের সাথে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্তটা আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য। ভালো থাকবেন।
আপনিও ভালো থাকবেন আপু। আপনার গঠনমূলক মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম।
চিকেন শর্মা আমার তেমন একটা পছন্দের না। তবে সবার পছন্দ এক হবে এমন টা নয়। আপনি দেখছি কাবাবজি রেস্টুরেন্টে চিকেন শর্মা খাওয়ার অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনারা আড্ডা দেওয়ার ফাঁকে চিকেন শর্মা খেয়েছেন, দেখে বেশ ভালো লাগলো আমার কাছে।
মাঝে মধ্যে আড্ডা দিতে ভালো লাগে আপু। তাই খেতে এবং আড্ডা দিতে রেস্টুরেন্টে গিয়ে ছিলাম। আপনার মতামত পেয়ে খুশি হলাম ভাই, ভালো থাকবেন।
আপনি একটি রেস্টুরেন্টে কলিগদের সাথে চিকেন শর্মা খেতে গিয়েছিলেন।সবাই মিলে সময়টি বেশ উপভোগ করেছেন বুঝতে পারলাম।আসলে একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করার মজাই আলাদা।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মুহূর্তের পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনি ঠিক বলছেন আপু একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করার মজা অনেক। ধন্যবাদ আপু আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ভাইয়া আপনিও আপনার কলিগরা মিলে রেস্টুরেন্টে এ খেতে গিয়েছিলেন দেখে অনেক ভালো লাগলো।সেখানে গিয়ে আপনারা চিকেন শর্মা খেয়েছেন। চিকেন শর্মা খেতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। আপনাদের কাটানো সুন্দর মুহূর্ত গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো এবং আপনার তোলা প্রতিটি ফটোগ্রাফি চমৎকার হয়েছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু, ভালো থাকবেন।
আেনাকে স্বাদু বাদ জানায়।
আপনাদের কলিগরা মিলে কাবাবজি রেস্টুরেন্টে চিকেন শর্মা খাওয়ার অনুভূতি পড়ে অনেক ভালো লাগলো। সোহাগ ভাইয়ের মত আমিও বাহিরের খাবার তেমন পছন্দ করি না। কারন বাংলাদেশের মানুষকে বিশ্বাস নেই। তারা কিসের মধ্যে কি দিয়ে দেয় সেটা চিন্তা করা যায় না। যায়হোক সবাই মিলে খুব সুন্দর একটি মুহর্ত অতিবাহিত করেছেন। ধন্যবাদ।
আপনি ঠিক বলছেন ভাই, আমিও চেষ্টা করছি বাইরের খাবার পরিহার করতে। আপনার মূল্যবান কমেন্ট পড়ে খুবই ভালো লাগলো,ভালো থাকবেন ভাই।