শীতের সন্ধ্যায় গজা মিষ্টি খাওয়ার অনুভূতি।
শুভ দুপুর 🌅
আজ ৯ ই ডিসেম্বর,
সোমবার ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ।
আসসালামু আলাইকুম,
আমি @nazmul01 ময়মনসিংহ জেলা, বাংলাদেশ থেকে।
হ্যালো "আমার বাংলা ব্লগ" পরিবার। কেমন আছেন সবাই? আশাকরি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হলাম শীতের রাতে গজা মিষ্টি খাওয়ার অনুভূতি পোস্ট নিয়ে। আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। চলুন তাহলে শুরু করি।
এখন শীত আমাদের মাঝে উপস্থিত, শীতের ঠান্ডা আবহাওয়া আমাদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সকালে এবং রাতে প্রচন্ড ঠান্ডা অনুভব হয়। মোটা মোটা কাপড় পরে শীতকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করি সব সময়। কিন্তু শীতের ঠান্ডা আবহাওয়া কিছুতে থামতে চায় না। অবশেষে ঘুমানোর সময় মোটা কম্বল অথবা লেপের দরকার হয়। এইসব কিছুর মধ্যে দিয়েও শীতকাল আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। থাকে না কাদাঁমাটি, নেই কোথাও ঘাম দুর্গন্ধ। পরি পার্টি হয়ে সব সময় থাকা যায় শীতকালের সময়টুকু। কিন্তু আমি যেহেতু কাজের চাপে বাহিরে ঘোরাঘুরি করি। তাই ঠান্ডা জ্বর ও কাশি আমার নিত্যদিনের সঙ্গী। গতকাল রাত থেকে আবারও জ্বর ঠান্ডায় মোটামুটি আক্রান্ত। যাইহোক এইসব কিছু অপেক্ষা করেই আমাদের জীবন। জীবন তার গতিতে ধীরে ধীরে চলতেই থাকবে। তবে এই শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম খাবার গুলো খাওয়ার মজাই আলাদা। গত শনিবার গিয়েছিলাম ফুলবাড়িয়া উপজেলায়। তবে সেখানে যাওয়া হয় অফিসের কাজের জন্য। আমার সঙ্গে ছিল হোসেন ভাই এবং সি আর এম মেশিন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব ভাই। কাজ শেষ করে শীতের সন্ধ্যায় হালকা নাস্তা হিসেবে গজা মিষ্টি খাওয়ার হয়। সেই অনুভূতি শেয়ার করছি আজকে আপনাদের মাঝে।
শীতে সকালে ও সন্ধ্যায় গরম গরম যেকোনো খাবার খাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানোর মত নয়। সঙ্গে যদি বন্ধুর মতো কিছু মানুষ থাকে, তাহলে আড্ডার আরোও বেশি জমে যায়। প্রথমত আমরা মেশিনের কাজ সম্পন্ন করি। মেশিনের কাজ শেষ করে বরাবরের মত কিছু চা নাস্তা খাওয়ার পরিকল্পনা করি। কিন্তু হোসেন ভাই তখন বলে উঠলো আজকে আপনাদেরকে এক ধরনের খাবার খাওয়াবো। যদি আপনারা খেতে চান তাহলে চলেন আমার সঙ্গে। তখন আমরা তিনজন চলে গেলাম ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় বাস স্টপের একটু সামনে। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম গরম গরম গজা মিষ্টি তৈরি হচ্ছে। তৈরি করার পর চিনির সিরার ভিতরে চুবিয়ে রাখা হচ্ছে কিছুক্ষণ। জিলাপি যেভাবে তৈরি করে ঠিক তৈরীর পদ্ধতিটা সেরকম। দেখেই আমার জিভে পানি চলে এসেছে। তখন সিরার ভিতর থেকে তুলে রাখা গজা মিষ্টির আমি কিছু ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম। সেগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি।
শীতের রাতে গরম গরম জিলাপি ও বিভিন্ন পিঠা পাওয়া যায় দোকানে এবং অলিতে গলিতে। তাই সন্ধ্যার পর দিয়ে সবাই বিভিন্ন মুখরাচর খাবার খাওয়ার জন্য ভিড় জমায়। সে দোকানে আগে থেকে তৈরি করা বেশ কিছু গজা মিষ্টি ছিল। তবে সেই মিষ্টিগুলো কিছুটা সাদা এবং শক্ত অবস্থায় ছিল। সেগুলো খাওয়া অন্যরকম টেস্ট। উপরের ছবিতে সেগুলোর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছি।
এরপরে আমরা দোকানের ভিতরে প্রবেশ করে দোকানদার মামাকে গজা মিষ্টি দেওয়ার জন্য বললাম। মুহূর্তে গরম গরম গজা মিষ্টি আমাদের সামনে উপস্থিত। আমি সামনে খাবার রেখে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে পারি না। খাবারকে সামনে নিয়ে চেষ্টা করেছি একটি সেলফি নেওয়ার জন্য। সঙ্গে ছিল মাহবুব ভাই ও হোসেন ভাই। গজা মিষ্টি মুখে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরোটা মুখ রসে ভরে গিয়েছিল। অসাধারণ টেস্ট ও খেতে খুবই সুস্বাদু ছিল। এর আগে আমি শক্তগুলো খেয়েছিলাম। তবে গরম অবস্থায় নরম খাবার গুলো খেতে খুবই মজা হয়। আমরা আবারো কিছু অর্ডার করলাম এবং তৃপ্তি সহকারে তিনটি খেয়ে নিলাম আমি। শীতের সন্ধ্যায় এই ধরনের খাবারগুলো সকলের কাছে খুবই প্রিয়। যেহেতু আপনারা সবাই শীতের সন্ধ্যায় বিভিন্ন রকম খাবার খেয়ে থাকেন। তাই সময় সুযোগ হলে এই গজা মিষ্টি গুলো খাওয়ার চেষ্টা করবেন, আশাকরি খেতে ভালো লাগবে। আমাদের এখানে প্রতি পিস দশ টাকা ছিল। যাইহোক এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। আশাকরি আমার পোস্ট আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। কেমন লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন? আপনাদের সবার মতামত আশা করছি। আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ।💞
| বিভাগ | লাইফ স্টাইল। |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি ৯। |
| বিষয় | শীতের সন্ধ্যায় গজা মিষ্টি খাওয়ার অনুভূতি। |
| লোকেশন | ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ। |
| রাইটার | @nazmul01। |
আমি মোঃ নাজমুল হাসান, আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং ঢাকা বিভাগের ময়মনসিংহ জেলায় থাকি। আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি বাঙালি। বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে আমি গর্ব বোধ করি। আমি একজন শিক্ষার্থী এবং অনার্সে অধ্যয়নরত। আমি বর্তমানে বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছি। ফটোগ্রাফি করতে আমার অনেক ভালো লাগে। তাছাড়া কবিতা,আর্ট করা,ঘুরতে যাওয়া এবং রান্না করা আমার খুবই প্রিয়। প্রিয়জনদের সাথে ঘুরতে যাওয়া এবং বাহিরে খাবার খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। নতুন রেসিপি শেখার আমার খুব আগ্রহ রয়েছে। আমি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে স্টিমিটে জয়েন হয়েছি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটি একটি পরিবারের মতো। আর এই পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অনেক খুশি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
| ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য | এখানে ক্লিক করেন |
|---|
X-Promotion
আমার কাছে তো মনে হয় শীতকাল মানে পিঠা পুলি খাওয়া দাওয়া। আপনারা কয়জন মিলে জিলিপি খাওয়ার জন্য গিয়েছিলেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। শীতকালে এরকম গরম গরম মুখো রোচর খাবারগুলো খেতে ভীষণ নজর লাগে। খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার অনুভূতি জানতে পেরে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকেও আমার অনুভূতিমূলক পোস্ট করে প্রশংসা মূলক কমেন্ট করার জন্য।
শীতকাল মানেই গরম গরম খাবার।আর এই শীতে গরম যেকোনো জিনিস খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আপনারা দেখছি অনেক কয়েকজন মিলে গজা মিষ্টি খেয়েছেন।খুবই সুন্দর একটি মূহুর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। ধন্যবাদ ভাই পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
শীতকালে গরম খাবার খাওয়ার মজা আলাদা। ভাইদের সঙ্গে একসাথে খেয়েছি তাই আরোও বেশি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে ভালো থাকবেন।
শীতের সন্ধ্যায় মজার মজার সব খাবার খেতে অনেক ভালো লাগে। বিশেষ করে এই ধরনের মুখরোচক খাবার গুলো খেতে সবাই পছন্দ করে। ভাইয়া আপনি দারুন সময় কাটিয়েছেন আর খাওয়া দাওয়া করেছেন দেখে ভালো লাগলো।
জি আপু সত্যি দিনটি খুব ভালো ছিল। খুব ভালো সময় কাটিয়েছিলাম, শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম খাবার এক ধরনের ঐতিহ্য বলা যায়। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
গজা মিষ্টিটা আমারও খুব ভালো লাগে। তবে অনেকদিন হলো খাওয়া হচ্ছে না। আপনারা সবাই মিলে একসাথে গজা মিষ্টি খেয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। দেখতে ভীষণ লোভনীয় লাগছে। গজা মিষ্টির এই রসটা সত্যিই অনেক সুস্বাদু। সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপু প্রশংসা মূলক কমেন্ট করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।