ঘড়ি
ABB ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো সুস্থ আছি। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে নতুন ব্লগ শুরু করলাম। আমি প্রতি সপ্তাহে একটি করে রাইটিং পোস্ট লেখার চেষ্টা করি। আজ আমি খুবই সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতেছি। আমি আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে।
ঘড়ি
ঘড়ি আমাদের সবারই খুব পরিচিত। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে সারাদিন আমরা অসংখ্য বার ঘড়ির দিকে তাকাই। অর্থাৎ সারাদিনই আমরা অসংখ্যবার ঘড়ি দেখি। অর্থাৎ সময় দেখি। আমি মনে করি ঘড়ি যদি না থাকতো তাহলে কেমন হতো? মানুষের সময়ের গুরুত্ব কি বুঝতো? সময় অনুযায়ী কি ভাবে কাজ করতো? দিন অথবা রাত কিভাবে নির্ধারণ করা হতো? অনেক প্রশ্নই আমার মাথায় এসেছে। কিন্তু এর কোন সঠিক ব্যাখ্যা বের করতে পারি নাই।
কিন্তু আমি এটা মনে করি যে সময় অথবা ঘড়ি যদি না থাকতো তাহলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতো। এজন্য ঘড়ির গুরুত্ব অপরিসীম। ঘড়ি আবিষ্কার করেছিলেন Peter Henlein। আমার জানামতে ঘড়ি আবিষ্কার করা হয় 1505। কিন্তু ১৫০৫ সালের আগেও মানুষ বিভিন্নভাবে সময় নির্ধারণ করত। এই বিষয় নিয়ে অনেক তর্কবিতর্ক রয়েছে আমাদের পৃথিবীতে।
কিন্তু বর্তমানে স্মার্ট ঘড়ি এর প্রবণতা একদম বেশি। কারণ সাধারণ ঘড়ি থেকে স্মার্ট ঘড়ি এর মধ্যে আমরা একসাথে অনেক কিছু দেখতে পাই। এই স্মার্ট ঘড়ি গুলোর মাধ্যমে আমরা সময় দেখার সাথে সাথে, হাঁটাচলা মনিটর, হার্ট রেট, ফিটনেস মনিটর ইত্যাদি তথ্য গুলো দেখতে পারি। এগুলো দৈনন্দিন জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দিন দিন প্রযুক্তি যত বেশি ডেভেলপ হচ্ছে তত বেশি মানুষের জন্য সুবিধা হচ্ছে। কারণ আগে আমরা একটি ঘড়ির মধ্যে শুধু সময় দেখতে পেতাম। কিন্তু বর্তমানে একটি ঘড়ির মধ্যে অনেক কিছু একসাথে দেখা যায়। দিনে দিনে ঘড়ির আপডেট হচ্ছে। এটি আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু ঘরে যদি না থাকতো তাহলে দৈনন্দিন জীবনটা কেমন হতো। এই বিষয়টা আমার মাথায় একদমই আসে না। কারণ সারা দিনের মধ্যে অসংখ্যবার আমরা হার্ট রেট দেখি অর্থাৎ সময় দেখে। সব সময় আমরা সময় অনুযায়ী চলাফেরা করি। আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি সকালটা কখন হলো। আমার খাওয়া-দাওয়া কাজ কতটা সময়ের মধ্যে করতে হবে। অফিস অথবা চারকি কয়টা থেকে করতে হবে। অফিস শেষ হবে কয়টায়। কয়টার মধ্যে বাসায় আসতে হবে। কয়টার মধ্যে দুপুরে খেতে হবে। ছেলেমেয়েদের কয়টায় স্কুলে পাঠাতে হবে। রাতে কয়টায় বাসায় যেতে হবে। পরিবারকে কতটা সময় দিতে হবে। রাতে কয়টায় খেতে হবে। এবং কয়টায় ঘুমাতে হবে তাও আমরা ঘড়ি দেখেই নির্ধারণ করি। তাহলে ঘড়ি বিহীন কি আমরা অচল।
হে তা তো অবশ্যই আমরা আসলেই অচল। কারণ সময় আমাদের বলে দেয় কখন কোন কাজ করতে হবে। এজন্য আমি সব সময় বলি সময়ের কাজ সময়ে করা ভালো। যেমন "কালকের কাজ আজকে করুন, আজকের কাজ এখনই এই মুহূর্তে করুন"। তাহলে সফলতা নিশ্চিত হবে। তা না হলে আমাদের জীবনের সফলতা কোনভাবে আসবে না। সময়ের কাজ সময়ে করতে পারলেই যে কোন ক্ষেত্রেই আমরা সফলতা পাব। আমি মনে করি সময়ের কাজ সময়ে করার জন্যই ঘড়ি আবিষ্কার হয়েছে। যেন আমরা সময় দেখেই কাজগুলো করতে পারি। এবং সময়ের মধ্যে করতে পারি।
নিজেকে নিয়ে কিছু কথা
আমার নাম নুরুল আলম রকি। আমার steemit I'd narocky71। আমি বাংলাদেশী নাগরিক । বাংলাদেশে বসবাস করি। তার সাথে সাথে আমি বিশ্বনাগরিক। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি। বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করি। আমি বাংলা ভাষাকে ভালবাসি। আমি ফটোগ্রাফি করতে ও ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে জল রং দিয়ে পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। যখনই আমার সময় এবং হাতে টাকা থাকে তখন ভ্রমণ করতে বেরিয়ে পড়ি। বিশেষ করে আমি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি অনেক বছর আগ থেকে ফটোগ্রাফি করে থাকি। কিন্তু বিশেষ করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি বেশি করা হয়। বর্তমানে তার সাথে আর্ট করতে অনেক ভালোবাসি। বর্তমানে আমি বেশি সময় কাটাই আর্ট শিখতে। বর্তমানে আমার স্বপ্ন, আমি একজন ভালো ফটোগ্রাফার, ও একজন ভালো আর্টিস্ট হব। ( ফি আমানিল্লাহ)
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy

পোষ্টের মধ্যে এই লেখাটা আমার খুবই অনুপ্রেরণা দেয়। কিছুদিন আগে আমিও লেখাটা নিয়ে একটি পোস্ট করেছি। যে কালকের কাজ আজকে করুন, আজকের কাজ এখনই করুন। এ লেখাটা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা দেয়। আসলে সময়ের গুরুত্ব দেওয়া আমাদের খুবই দরকার। সময়ের গুরুত্ব দেওয়ার জন্যই সময় অথবা ঘড়ি তৈরি করা হয়েছে। ১৫০৫ সালে ঘড়ি গঠিত হয়েছে তা আমার জানা ছিল না আগে। লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো।
লেখাটি চিন্তা করে করে আমি নিজেও অনেক অনুপ্রাণিত হই। তোমার মন্তব্য পেয়ে খুব আনন্দিত হলাম। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ
https://twitter.com/NARocky4/status/1624270788756123648?t=ouTYIS-no9b3axe69FVJmw&s=19
ভাইয়া ঘড়ি ছাড়া দিন কিংবা রাত নির্ধারন করা যায় তো,এই যেমন সূর্য ডুবলে অন্ধকার, আর অন্ধকার হলেই রাত😉😉।হা হা।যাই হোক আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ঘড়ির ভূমিকা অপরিসীম। ঘড়ি আবিষ্কার এর আগে সূর্য দিকে তাকিয়ে নাকি সময় নির্ধারণ করতো।তবে এই সময়ে আসলেই আমরা ঘড়ি ছাড়া একেবারেই অচল।ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে
ঠিক বলেছেন আপু ঘটি ছাড়াও বর্তমানে আমরা একেবারে অচল। আমরা সময় দেখেই প্রত্যেকটা কাজ করি।
ভাইয়া ঘড়ি ছাড়া দিন কিংবা রাত নির্ধারন করা যায় তো,এই যেমন সূর্য ডুবলে অন্ধকার, আর অন্ধকার হলেই রাত😉😉।হা হা।যাই হোক আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ঘড়ির ভূমিকা অপরিসীম। ঘড়ি আবিষ্কার এর আগে সূর্য দিকে তাকিয়ে নাকি সময় নির্ধারণ করতো।তবে এই সময়ে আসলেই আমরা ঘড়ি ছাড়া একেবারেই অচল।ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারনে দুইবার একই কমেন্ট হয়ে গিয়েছে। দুঃখিত
আপনার এই মন্তব্য দুইবার হয়ে গিয়েছে।
এ কারণেই বলা হয় সময় ও স্রোত কাহারো জন্য অপেক্ষা করে না। আজকের কাজ কালকে করবো চিন্তা করলে সেখানে সফলতা আসার সম্ভবনা খুবই কম। আর কালকের কাজ যদি আজকে করে রাখি তাহলে সফলতা আসবেই। ধন্যবাদ মোটিভেশন মূলক একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। আপনি ঠিক বলেছেন সময় এবং স্রোত কাহারো জন্য অপেক্ষা করে না। পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
তোমাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ মোটিভেশনাল একটি ব্লগ শেয়ার করার জন্য।
সময় হলো জীবনের চাবি কাঠি ৷ সময় না হলে জীবনের অর্থ জীবনকে নিয়ে চিন্তা থাকতো না ৷ আমরা প্রতিনিয়ত সমযের সাথে জড়িত ৷ আপনি যেটা বললেন ১৫০৫ সালে ঘড়ি আবিষ্কার করেছে ৷ আর তারও আগে মানুষ সূর্য কে দেখে সময় নির্ধারন করেছিল ৷ সর্বোপরি আপনি অনেক সুন্দর একটি ব্লগ উপস্থাপনা করলেন ৷ অনেক ভালো লাগলো ভাই ৷
আপনি ঠিক বলেছেন ভাই সময় না থাকলে জীবন নিয়ে এত চিন্তা করা হতো না। আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে অনেক আনন্দিত হলাম ভাই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার এই পোস্ট পড়ে আমি একটা বিষয় বুঝতে পারলাম আপনি খুব সুন্দর চিন্তা ধারার মধ্য দিয়ে আজকের এই পোস্ট লিখেছেন। যেখানে সময়ের মূল্য উঠে এসেছে এবং বুঝতে পারলাম আপনি কতটা সেনসিটিভ একজন মানুষ। হয়তো এখন স্মার্ট ঘড়ির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি তাও ভালো-মন্দ যে দিকটাই হোক না কেন মোবাইল থেকেও মানুষ সময়ের দিকে নজরদারি করে রাখে। আর সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে এই জন্য যে এখন অনেক কিছুতেই ঘড়ির ব্যবস্থা রয়েছে। যা থেকে সময় সচেতন হওয়া যায়।
আসলে আমরা যদি সময়ের কাজ সময়ে শেষ করি , তাহলে পরের দিনের জন্য কাজ জমে থাকে না। প্রিয় ভাই আপনার মন্তব্য পেয়ে অনেক আনন্দিত হলাম। জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
আপনার আজকের পোস্টটি পড়ে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আসলে ভাইয়া আমরা সময় ছাড়া বা ঘড়ি ছাড়া একদমই অচল। আর ঘড়ি থাকায় আমরা সময়ের কাজগুলো সময় করতে পারি বা কখন কি করতে হবে আমরা বুঝতে পারি। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ঘরে যদি না থাকতো তাহলে মানুষ সময়কে মূল্য দিত না। অনেক বেশি সময় নষ্ট করত। আপনার মন্তব্য পেয়ে অনেক আনন্দিত হলাম আপু। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সময়ই জীবন।মানুষরা শুধু বর্তমানে সময়েই সীমাবদ্ধ।ঘড়ি নিয়ে বেশ ইনফরমেটিভ একটি পোস্ট লিখেছেন।অনেক নতুন বিষয় সম্পর্কে জানলাম।আমি কিন্তু এখনো সেই নর্মাল ঘড়িই ব্যবহার করি। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর ইনফরমেটিভ পোস্টের জন্য।
আজ কয়েকদিন যাবত এই বিষয় নিয়ে অনেক বেশি চিন্তা করতেছি ভাই। এজন্য এই পোস্টটা লিখে নিলাম। মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঘড়ি ঘড়ি হচ্ছে মানুষের জীবনের একটি চাবিকাঠি। কারণ ঘড়ি দেখে মানুষ সময় নির্ধারণ করে এবং সকল কাজের মূল্যায়ন করে।১৫০৫ সালে ঘড়ি আবিষ্কার হয়েছে এর আগে মানুষ বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতো। আসলে গড়ে আসার কারণে মানুষের জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন হয়েছে। কারণ সময়কে মানুষ মূল্যায়ন করা শিখেছে। যেমন কালকের কাজ আজকে করুন। আজকের কাজ এখন করুন। আপনি অনেক বাস্তব কথা লিখেছেন।
ঘড়ি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে অনেক ভালো লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।