রেসিপি: রুই মাছের চচ্চড়ি রেসিপি
ABB ১২ - ফেব্রুয়ারি ২০২৩
বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
আশা করি আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো সুস্থ আছি। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে নতুন ব্লগ করলাম। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো রেসিপি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আমার কাজগুলো শেয়ার করতে অনেক ভালো লাগে। আমি আশা করি আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের আজকে রুই মাছের চচ্চড়ি রেসিপি ভালো লাগবে।
আজ আমি আপনাদের মাঝে খুবই চমৎকার একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম। রুই মাছের চচ্চটি রেসিপি খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। কিছুদিন আগে আমার ঘরের মধ্যে আমার মা রেসিপি তৈরি করেছিল। সোনিয়ার সহযোগিতায় আমি এই রেসিপিটা তৈরি করতে সময় হয়েছে। মাঝে মাঝে রেসিপি তৈরি করার ক্ষেত্রে সোনিয়া এবং আমার মা সহযোগিতা করে থাকেন। তাদের সহযোগিতার কারণে আমি প্রতি সপ্তাহে একটি রেসিপি পোস্ট করতে পারি। আজ আমি যে রেসিপিটি তৈরি করেছি এটি খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। যেকোনো মাছের চচ্চড়ি খেতে আমি খুবই ভালোবাসি। আমি আশা করি আপনাদের সবার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগবে।
উপকরণ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| রুই মাছ | 500 গ্রাম |
| পেঁয়াজ কুচি | ১ কাপ |
| রোসন বাটা | ১ কাপ |
| কাঁচা মরিচ | ৫/৬ টা |
| লবন | পরিমাণমতো |
| তেল | পরিমাণমতো |
| হলুদ | পরিমাণমতো |
| মরিচ | পরিমাণমতো |
ধাপ 1️⃣
প্রথমে কুচি কুচি করে মাছগুলো খুবই সুন্দর ভাবে কেটে নিলাম।
ধাপ 2️⃣
এরপর আলু, পেঁয়াজ, টমেটো, মরিচ একেবারে কুচি কুচি করে ভালো ভাবে কেটে নিলাম।
ধাপ 3️⃣
এরপর একটি পাতিল চুলায় বসিয়ে তেল দিয়ে গরম করে নিলাম। তারপরে পেঁয়াজ কুচি এগুলো দিয়ে দিলাম পাতিলে।
ধাপ 4️⃣
এরপর টমেটো কুচিগুলো দিয়ে দিলাম তারপরে মরিচ কুচি দেওয়ার পরে ধনিয়া পাতা কুচি গুলো দিয়ে দিলাম।
ধাপ 5️⃣
তারপরে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে নিলাম। এরপর আলু কুচিগুলো পাতিলে দিয়ে দিলাম।
ধাপ 6️⃣
তারপরে এক এক করে মরিচের গুঁড়া, হলুদের গুড়া এবং লবণ দিয়ে দিলাম পরিমাণ মতো।
ধাপ 7️⃣
এরপর কিছুক্ষণ ভালোভাবে নেড়েচেড়ে নিলাম। তার কিছুক্ষণ পরে মাছ দিয়ে দিলাম।
ধাপ 8️⃣
এরপর এভাবে কিছুক্ষণ রেখে দেওয়ার পর আবারো ভালোভাবে নেড়েচেড়ে নিলাম।
ধাপ 9
তারপরে আরো কিছুক্ষণ রেখে দিলাম এরপর ই রেসিপিটি সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে গেল। তারপরে পরিবেশনের জন্য নিয়ে নিলাম। এভাবেই আমি আমার আজকের রেসিপি শেষ করি। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
ফাইনাল আউটপুট
আমি আশা করি আজকের রেসিপি আপনাদের সবার অনেক ভালো লাগবে। রেসিপি তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে এজন্য বর্তমানে রেসিপি পোস্ট করার চেষ্টা করি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ক্যামেরা | রিয়েলমি ৭আই |
| পোস্ট তৈরি | #narocky71 |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
"নিজেকে নিয়ে কিছু কথা"
আমার নাম নুরুল আলম রকি। আমার steemit I'd narocky71। আমি বাংলাদেশী নাগরিক । বাংলাদেশে বসবাস করি। তার সাথে সাথে আমি বিশ্বনাগরিক। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি। বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করি। আমি বাংলা ভাষাকে ভালবাসি। আমি ফটোগ্রাফি করতে ও ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে জল রং দিয়ে পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। যখনই আমার সময় এবং হাতে টাকা থাকে তখন ভ্রমণ করতে বেরিয়ে পড়ি। বিশেষ করে আমি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি অনেক বছর আগ থেকে ফটোগ্রাফি করে থাকি। কিন্তু বিশেষ করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি বেশি করা হয়। বর্তমানে তার সাথে আর্ট করতে অনেক ভালোবাসি। বর্তমানে আমি বেশি সময় কাটাই আর্ট শিখতে। বর্তমানে আমার স্বপ্ন, আমি একজন ভালো ফটোগ্রাফার, ও একজন ভালো আর্টিস্ট হব। ( ফি আমানিল্লাহ)
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy


আপনি অনেক সুন্দর করে আমাদের মাঝে রুই মাছ রান্না করে দেখিয়েছেন যেখানে লক্ষ্য করলাম টমেটো ব্যবহার করেছেন পাকা তা তাই এই রেসিপি দেখে নির্ভয়ে বলতে পারি খেতে অনেক সুস্বাদু ছিল। নির্দিষ্ট পরিমাণে ঝাল পেঁয়াজ রসুন লবণ ব্যবহার করেছেন। যে সমস্ত উপাদান গুলো টেবিল আকারে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করে বুঝিয়ে দিয়েছেন কিভাবে রান্না কাজ সম্পন্ন করেছেন। আর এই এত সুন্দর উপস্থাপনা ধাপে ধাপে তুলে ধরেছেন দেখে খুব সহজে বুঝার সম্ভব হল রান্নার ধরনটি।
আপনি ঠিক বলেছেন টেবিলের মাধ্যমে আমি খুবই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। আসলে এ ধরনের রেসিপিগুলো তৈরি করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
https://twitter.com/NARocky4/status/1624604252667781121?t=15JliC-RL3UP7ae0rjqQPw&s=19
সোনিয়া আপুর সহযোগিতাকে খুব সুন্দর করে রুই মাছের চচ্চড়ি রেসিপিটি করেছেন। সোনিয়া আপু আসলে খুব হেল্পফুল একজন পার্সেন। রেসিপিটি দেখে বেশ লোভনীয় লোভনীয় লাগছে ভাইয়া। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মজার এই রেসিপিটির জন্য।
এই কথাটা আপনি একদম ঠিক বলেছেন। সে আসলেই খুব হেল্পফুল একজন মানুষ। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাই মায়ের হাতের রান্না তো পৃথিবীর সেরা রান্না ৷ যা হোক আপনার মা ও সোনিয়া আপু সহযোগিতায় রুই মাছ দিয়ে চচ্চড়ি দারুন হয়েছে ৷ আর রেসেপিটি বেশ লোভনীয় ছিল৷ অনে ধন্যবাদ ভাই এতো সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ৷
আমি সব সময় তাদের সহযোগিতা রেসিপি তৈরি করে থাকি। আসলে প্রথম লাইনটা একদম ঠিক বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
রুই মাছ আমার তেমন একটা ভালো লাগে না তবে আপনার শেয়ার করা রুই মাছের চচ্চরিটি দেখে আমার পুরো খিদে লেগে গেল। আসলে এমন একটি চচ্চড়ি দিয়ে ভাত খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম এবং আপনি প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এমন সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনি ঠিক বলেছেন ভাই মাঝে মাঝে সুন্দর রেসিপি দেখলে আসলেই খিদে লেগে যায়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য
আপনি আপনার মা ও সোনিয়া আপুর সহযোগিতার চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। আসলে এমন ধরনের চচ্চড়ি হলে আর কিছু লাগে না গরম ভাতের সাথে। রুই মাছ এমনিতে অনেক প্রিয়,সেগুলো যদি ছোট ছোট করে কেটে এভাবে রান্না হয় স্বাদ আরো বেড়ে যায়। আপনার রেসিপির কালার দারুণ এসেছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপনি ঠিক বলেছেন চচ্চড়ি করলে গরম ভাতের সাথে খেতে খুবই ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ জানাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
এভাবে যদি কেউ কোন কাজে সহযোগিতা করে তাহলে কাজটি করতে অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। আপনি তো মায়ের কাছ থেকে এবং সোনিয়া আপুর কাছ থেকে অনেক বেশি সহযোগিতা পেয়ে থাকেন রেসিপি করার ক্ষেত্রে।শুনে অনেক ভালো লেগেছে।তবে আপনি রুই মাছের চচ্চড়ি কিন্তু দারুণ করেছেন ভাইয়া দেখেই লোভ সামলানো যাচ্ছে না।বড় মাছ দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে বেশ মজার করে রুই মাছের চচ্চড়ি করেছেন দেখে অনেক লোভনীয় দেখাচ্ছে ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন আপু সহযোগিতা করলে যে কাজ করা হয় সেটি সহজ হয়ে যায়। লোভ সামলাতে না পারলে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
রুই মাছের চচ্চড়ি রেসিপি আমি এই প্রথম দেখলাম। আমি সবসময় ছোট মাছের চচ্চড়ি রেসিপি তৈরি করি কিন্তু রুই মাছ দিও যে এত সুন্দর ভাবে চচ্চড়ি করা যায় তা জানতে পারলাম। আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে মজা হয়েছে আমি এক সময় এভাবে রুই মাছ দিয়ে চচ্চড়ি করে দেখব কেমন লাগে।
কি বলেন আপু। আমরা তো প্রায় সময় এর রেসিপি টা করে বাড়িতে খেয়ে থাকি। সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
যেকোনো মাছের এইভাবে চচ্চড়ি আমার ভীষণ পছন্দ। আপনার রুই মাছের চচ্চড়ি রেসিপিটি দেখে বেশ খেতে ইচ্ছে করছে। মাছের চচ্চড়ি দিয়ে গরম গরম ভাতের সাথে বেশ ভালো লাগে। আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া মজার এই রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি ঠিক বলেছেন আপু গরম ভাতের সাথে খেতে আসলেই খুব ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ছোট মাছের চচ্চড়ি কিন্তু ভাইয়া বড় মাছের চচ্চড়ি থেকে খেতে মজা হয়! আমার খেতে ভালোই লাগে! রুই মাছের মুড়িঘন্ট খাওয়া হয়েছিল কিন্তু চচ্চড়িটা এখনও বাকি! সোনিয়া আপুর সহায়তায় সুন্দর করে রেসিপিটি বর্ণনা করেছেন! খেতেও নিশ্চয় মজা হয়েছে।
তাহলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি চচ্চড়ি খেয়ে ফেলুন তাহলে বুঝবেন আসলে কথা মজা। মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ