"আমার বাংলা ব্লগ" প্রতিযোগিতা - ৪৮ || আমার করা শীতকালীন ফটোগ্রাফি
সবাই কেমন আছেন?
আশাকরি আপনারা সবাই সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভালো আছেন। ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক বড় একটি শখ। বাংলা ব্লগে ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা দেখে আমি অনেক খুশি হয়েছিলাম। আমি কিছু ফটোগ্রাফি করেছি। প্রকৃতি তার নানা রূপ বদলায় ও বিভিন্ন রূপে সাজে। বিভিন্ন রূপের সৌন্দর্য বিভিন্ন রকম হয়। প্রকৃতির সৌন্দর্যগুলো উপভোগ করতেও বেশ ভালো লাগে। যখনই মন খারাপ হয় প্রকৃতির সৌন্দর্যের দিকে তাকালে মনে এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য সৃষ্টিকর্তার তৈরি। শুধু প্রয়োজন আমরা একটু সৌন্দর্যকে অনুভব করা। যাই হোক আমার বাংলা ব্লগে ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য সকলে এডমিন মডারেটরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনেক অসাধারণ অসাধারণ ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম। এছাড়াও আমি নিজেও অংশগ্রহণ করতে চলে আসলাম । এবার ফটোগ্রাফিতে যাওয়া যাক। আমি নিচে আমার তোলা কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলাম।
- শীতের সকালের ফটোগ্রাফি।
আমি মাঝে মাঝে নামাজ পড়ে সামান্য হাঁটতে বের হই। শীতের সকালের আবহাওয়া অনেক ফ্রেশ ও শীতল থাকে। এটি আমাদের দেহের জন্য খুবই ভালো। এই ফ্রেশ আবহাওয়ায় আজকেও সকালেও হাঁটতে বের হয়েছিলাম কিছু ফটোগ্রাফির উদ্দেশ্যে ।
- ঘন কুয়াশার ফটোগ্রাফি।
শীতের সকালে চারদিকে ঘন কুয়াশা ঘিরে থাকবেই। সকাল ছয়টা পনেরো বা বিষ হবে, সূর্য উঠলেও তার দেখা মিলছে না ঘন কুয়াশার জন্য। এমন প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে গ্রামে প্রকৃতির কাছ থেকেই উপভোগ করতে হবে। নিশ্চয়ই শহুরে মানুষেরা অনেক বড় জিনিস মিস করছে।
- রাস্তার পাশের কিছু বস্তুর ফটোগ্রাফি।
হাঁটতে হাঁটতে রাস্তায় চারিপাশে বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি করি। মাশরুমের চারিপাশে শিশিরবিন্দু জমে থাকতে দেখেই ফটোগ্রাফি করি। কচুপাতায় চারিপাশে শিশিরবিন্দু জমে থাকা দৃশ্যটাও বেশ ভালো লাগে তাই ফটোগ্রাফি করি। আর দূর্বা গাছের উপর শিশির বিন্দু জমে থাকার দৃশ্য শুধু দেখলেই উপভোগ করা সম্ভব হবে।
- সূর্য মামার ওকে দেওয়ার ফটোগ্রাফি।
প্রকৃতির পিছন থেকে উঁকি দিচ্ছে। রাস্তার পাশে ফুল পড়ে দেখতে পেয়ে হাতে নিলাম এবং সূর্য আমার সাথে কয়েকটি ফটোগ্রাফি করে নিলাম।
- ফুলের ফটোগ্রাফি।
হাঁটতে বের হওয়ার সময় বাড়ির আমি বয়সে দুটো মেয়ে ও দুটো বাচ্চা মেয়েকে নিয়ে বের হয়েছিলাম। ছোট মেয়ে দুটো ফুল গাছে দেখতে পেরে অনেকগুলো ফুল টেনে ছিড়ে নিল। প্রথমে বকা দিয়েছিলাম কিন্তু পরবর্তীতে নিজের ফটোগ্রাফির জন্য কাজে আসলো। কিন্তু এভাবে ফুল ছেড়ে আমার মোটেও পছন্দ না কারণ কতক্ষণ মানুষ হাতে রাখে ফুল? কিছুক্ষণ পর তো মাটিতেই ছুড়ে ফেলে দিবে। ফুল সব সময় কাছে ভালো লাগে।
- বাঁশঝাড়ে শিশির বিন্দুর ফটোগ্রাফি।
শীতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে এই দৃশ্যই যথেষ্ট বলে মনে করি আমি। শীতের সৌন্দর্যের মধ্যে শিশিরবিন্দু জমে থাকা অন্যতম। বাঁশঝাড়ে শিশির বিন্দু জমে ছিল এখন ফোঁটা ফোঁটা হয়ে নিচে ঝরে পড়ছে।
ফটোগ্রাফি ডিভাইসঃ SM-A225F
ফটোগ্রাফারঃ
| আশা করি আপনাদের সকলের কাছে আমার আজকের এই ফটোগ্রাফির পোস্টটি ভালো লেগেছে। কেমন লেগেছে তা অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। ভুলক্রটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |
|---|
আপু এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি প্রতিযোগিতার জন্য দারুন সব ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। সত্যিই প্রকৃতি বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন রূপ সেজে ওঠে। প্রকৃতির এই রূপ দেখলে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে শীতের কুয়াশামাখা ভোরের ফটোগ্রাফি করেছেন। প্রতিটা ফটোগ্রাফি খুবই চমৎকার হয়েছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনার এই অসাধারণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানাই আপু।
এই সুন্দর মন্তব্য প্রকাশ করে উৎসাহিত করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্রথমে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাতে চাই আপু। আপনি খুবই সুন্দর সুন্দর শীতকালীন ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে থেকে আমার কাছে ঘাসের উপর জমে থাকা শিশিরবিন্দুর ফটোগ্রাফি খুবই ভালো লেগেছে।
শিশিরবিন্দুর ফটোগ্রাফি গুলো সকলের ভালো লেগেছে শুনে খুব ভালো লাগলো। উৎসাহ মূলক মন্তব্য পেলে কাজ করার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়।
রাস্তার পাশেই এমন কত শত সৌন্দর্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে... আমাদের সঠিক দেখার চোখ নেই বলে তা অবলোকন করতে পারি না। আপনার সেই চোখ আছে, আপনি তার মাধ্যমে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এত সিম্পল কিন্তু মুগ্ধ করার মতোন কিছু ছবি শেয়ার করার জন্য। 😍😍
আমাদের চারিপাশেই সকল সৌন্দর্য আমাদেরকে ঘিরে রেখেছে। আমরা জাস্ট একটু ঘুরে দেখলেই বুঝতে পারি যাইহোক আপু আপনার এই মন্তব্য পড়ে বেশ ভালো লেগেছে ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।