সবাই কেমন আছেন আশা করি রমজানের খুশিতে আল্লাহর অশেষ রহমাতে অনেক ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আমি ও আল্লাহর অশেষ রহমাতে অনেক ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ। আমার পোস্টের ১০% সাই ফক্স ও ৫% এবিবি স্কুল।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে কথা বলবো। হিংসা পতনের মূল কথাটা কত টুকু সত্য। জি কথাটা ১০০% সত্য যে যাঁর মধ্যে হিংসা অহংকারে বড়া। তাকে আমরা কেউ পছন্দ করি না। তাকে আমরা কেউ পছন্দ করি না যাঁর মধ্যে হিংসা অহংকার থাকে। তাহলে সে অন্যদের প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য প্রকাশের মাধ্যমে অহংকার প্রকাশ করে থাকে। আর চিরন্তন এটাই সত্য যে হিংসুকরা কোন মানুষের কাছে প্রিয় হতে পারে না।আর বিশেষ করে আমাদের সৃষ্টিকর্তা অহংকারিদের পছন্দ করে না। আর এটাও চিরন্তন সত্য কথা যে হিংসুকরা কোন দিন সৃষ্টি কর্তার বানানো জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
আসলে কি বলবো আমাদের সমাজে দিন দিন হিংসা অহংকার বেড়ে চলছে। আমরা কেউ কারো ভালো চাই না। অন্য কাউকে ভালো চলতে ভালো খেতে দেখলে আমাদের সহ্য হয় না। আমাদের একটু টাকা পয়সা বা সম্পদ বেশী হলেই। আমরা অন্যকে তুচ্ছ করে দেখি বা অন্যকে ছোট করে দেখি।কিন্তু এটা একদম ঠিক না। নিজেকে বড় মনে করা আর অন্যকে ছোট করে দেখা এটা একদমি ভালো কাজ না। তুমি যদি নিজেকে অহংকার মুক্ত রাখতে চাও তাহলে অবশ্যই তুমি নিজেকে নিজে ছোট করে দেখো। তাতে হোক তোমার থেকে কেউ নিচু পর্যায়ের মানুষ তাকেও বড় করে দেখো।দেখবা তাহলে হিংসা অহংকার তোমাকে পাকরাও করতে পারবে না। আমাদের একটু টাকা পয়সা বেশি হলেই। যে অন্যকে ছোট করে দেখবো এটা মোটেই ভালো কাজ না। কারন টাকাপয়সা ক্ষণস্থায়ী এটা এই আছে এই নেই।সৃষ্টি কর্তা তোমাকে দিছে আবার নিতে কতোখন।তাই সৃষ্টি কর্তার দেওয়া জিনিস নিয়ে অহংকার করা ঠিক না।
হতে পারে একদিন তোমার টাকা পয়সা ছিল আজ নেই।তখন তুমি কি করবা আর এটা সত্য যে হিংসা পতনের মূল। আস্তে আস্তে দিন দিন এই হিংসার কারনে তোমার আমার পতন ঘটবেই এটাই সত্য। দেখবেন হিংসুক মানুষরা সব সময় কপাল কুচকে থাকে। চেহারায় অন্য রকম একটা ভাব নিয়ে থাকে। অন্যদের প্রতি চরম এক ঘৃণা ফুটে ওঠে তার কথাবার্তা ও আচারনে।আমাদের নিকট ওই মানুষ টাই সব থেকে প্রিয় যার কথা বার্তা ব্যাবহার সুন্দর। এবং আমারা তাকেই স্বাভাবিক ভাবে পছন্দ করি যার চরিত্র অনেক সুন্দর। কারণ উত্তম চরিত্র মানুষগুলোকে আমরা সবাই পছন্দ করি।হিংসুক মানুষ গুলিকে কেউ আমরা পছন্দ করি না। কারন যার কথা বার্তা ব্যবহার ভালো না তার কাছে আমরা সহজে যাই না। কারন আমরা জানি তার কথা বার্তা কেমন এজন্য কোন কাজেও তার কাছে যাই না। কারন একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন হিংসুকরা যেমন মানুষের কাছে অপছন্দ ঠিক তার থেকেও অপছন্দ হলো আমাদের সৃষ্টি কাছে। সৃষ্টিকর্তা একদমি অহংকার মানুষদের পছন্দ করে না। আমাদের কথায় কাজে থাকতে হবে মধুরতা ভালোবাসা। আমারা যে যত বড়োই পোস্টের মানুষ হইনা কেন আমাদের সাধারন মানুষের মতো সবার সাথে কথা বলতে হবে।তাহলে মানুষ অবশ্যই আমাদেরকে ভালোবাসবে ও পছন্দ করবে।
কথা বলতে গেলে অনেক কথা শুধু কি আমাদের টাকা পয়সা সম্পদের অহংকার না। আমরা বিভিন্ন ক্ষেএে বিভিন্ন জিনিস নিয়ে অহংকার দেখাই। মনে করেন কেউ একটু উচ্চ শিক্ষিত মানুষ অনেক বড় ডিগ্রি অর্জন করছে।তখন তার মুল্য অন্য রকম হয়ে যায় ঠিক আছে কষ্ট অনেক কষ্ট করে পড়াশুনা করেছে। এখন তার কাছে তার মুল্য বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা এখানেও হিংসা দেখাই এটা একদম ঠিক না।কারণ ওই পড়াশুনা শিখে কি লাভ যে পড়াশুনা মানুষকে শিক্ষা না দেয়। ঠিক আছে তুমি কষ্ট করে পড়াশুনা করেছো কিন্তু এর মুল্য তুমি তখনি পাবা। যখন তুমি অন্যকে শিখাইবা। কারণ ওই ব্যক্তি সর্বোত্তম যে নিজে শিক্ষা অর্জন করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়। আমরা নিজে নিজে জ্ঞান অর্জন করবো।আর বলবো যে আমি একা একশো আমি সব পারি।এটা একটা বোকামি কথা ছাড়া আর কিছুই না। সৃষ্টিকর্তা সবাইকেই কম বেশি জ্ঞান দিছে কেউ এটায় পারদর্শী কেউ ওটায় পারদর্শী। তাই বলে কাউকে ছোট করে দেখার সুযোগ নাই।আমাদের কষ্টের অর্জিত জ্ঞান অর্জন তখনই মুল্য হবে।যখন আমরা এই জ্ঞান থেকে অন্যকে শিক্ষানের চেষ্টা করবো।
জ্ঞানী বেক্তি বিনয়ী হবেন, এটাই স্বাভাবিক। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে মানুষ এটাই আশা করে। ফলে শিক্ষক কোন ধরনের খারাপ আচারন করলে সবাই অবাক হয়ে যায়। ঠিক তেমনি প্রত্যেকটা মানুষি তার নিজ নিজ ক্ষেএে জ্ঞানী।তাই আমাদের উচিত সবার সাথেই নরম ভদ্র ভাবে কথা বলা।এবং অহংকারকে এড়িয়া চলা।প্রকৃত জ্ঞান মানুষের অন্তচক্ষু খুলে দেয়।পৃথিবীর খুব অল্প মানুষেরাই জ্ঞান অর্জন করে।কোন মানুষই সবজান্তা হয়ে উঠতে পারে না। তাই জ্ঞান নিয়ে অহংকার করা ঠিক না।জ্ঞান নিয়ে অহংকার করলে সেই জ্ঞান দিয়ে ভালো হয় না। নিজের সীমিত জ্ঞান নিয়ে নিরহংকার হলেই সবার কাছে তার সম্মান বাড়ে।যাইহোক আমরা সবাই অহংকার মুক্ত হই আর এটাই আমাদের জন্য ভালো হবে এবং কল্যাণ হবে।
যাইহোক আজ এ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সবসময় এই কামনা রইলো। আমার লেখার মধ্যে যদি কোন ভুলটুল হয়।তবে সবাই ক্ষমা করবেন।
💘আমার পোস্টটি মনযোগ❣️ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে💓 জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন🍒।
এটাই সত্য যে হিংসুকরা কোন মানুষের কাছে প্রিয় হতে পারে না।আর বিশেষ করে আমাদের সৃষ্টিকর্তা অহংকারিদের পছন্দ করে না।
আপনার পোষ্টের মাধ্যমে অত্যন্ত বাস্তব ধর্মী এবং চিরন্তন সত্য একটি বক্তব্য আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। হিংসুক ব্যক্তিরা ইহকাল ও পরকাল দুই জায়গাতেই ক্ষতিগ্রস্ত। তারা আমাদের সমাজে প্রত্যেক জায়গায় ঘৃণিত এবং অবহেলিত হয়ে থাকে। ক্ষণস্থায়ী জীবনে আমরা কয়েকদিনের অতিথি মাত্র। তাই ক্ষণস্থায়ী জীবন কে কেন্দ্র করে আমাদের সকলের সাথে সহনশীল আচরণ করা উচিত। চমৎকার এই কথাগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার এই কথাটি আমার খুবই ভালো লেগেছে। আসলেই হিংসা পতনের মূল। আপনার এই কথাটি থেকে অনেক কিছু শিখলাম। আপনার লেখা পড়ে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আপনার এই পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্য মঙ্গল কামনা করি।
অহংকার সব সময় পতন এর মূল। কিন্তু আমরা এটাই ভুলে যাই সব সময়। নিজের যায়গা থেকে একটু উপরে উঠলেই আমাদের অনেক অহংকার শুরু হয়। কিন্তু একবার আমরা এটাও ভাবিনা যে অহংকার পতন এর মূল। যত বড়ই হোক না কেনো। একদিন অহংকার মাটিতে নামিয়ে নিয়ে আসবে।
কারণ ওই ব্যক্তি সর্বোত্তম যে নিজে শিক্ষা অর্জন করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।
আপনার এই কথাগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে ভাই। তবে আসলে সত্যি কথা বলতে সমাজে চলতে সেই ভাবে। যার টাকা বেশি আমরা থাকি বেশি সম্মান করি। তখন সেই আরো নিজেকে অনেক বড় মনে করে। আসলে আমি মনে করি যে যারা অহংকার করে তাদের দোষ না দিয়ে আমাদের নিজেদের দোষ দেওয়া উচিত। কারণ আমরা নিজেরাই তাদেরকে উপরে উঠে দিয়েছি ।খুব সুন্দর করে বাস্তবধর্মী কিছু কথা লিখেছেন ভাই। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
সৃষ্টি কর্তা তোমাকে দিছে আবার নিতে কতোখন।তাই সৃষ্টি কর্তার দেওয়া জিনিস নিয়ে অহংকার করা ঠিক না।
একদম খাঁটি কথা বলেছেন ভাই। আমি নিজেও মনে করি কোনো মানুষকে ছোট করে দেখা একদমই ঠিক না। এই অস্থায়ী পৃথিবীতে আজ আছি কাল নেই। আমাদের উচিত সবার সাথে মিলে মিশে থাকা। যে ছোটকে বড় করে দেখে আল্লাহ তার প্রতি খুশি হয়ে যান। আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো।
হিংসা আসলে খুবই খারাপ একটি অভ্যাস। এটা আসলে আমাদের পরিত্যাগ করা উচিত। তবেই কিন্তু আমার সমাজটা খুবই সুন্দর হবে। আপনি অনেক সুন্দর করে এটা লিখেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
বিশেষ করে আমাদের সৃষ্টিকর্তা অহংকারিদের পছন্দ করে না
আসলে বিষয়গুলো সত্যিই আমাদের জন্য দুঃখজনক কেননা আমরা সব সময় আমাদের নিজেদের অবস্থান নিয়ে অনেক বড়াই করতে থাকি। আর যারা আমাদের নিচে রয়েছে তাদেরকে নিয়ে আমরা হিংসা করতে থাকে। কিন্তু আমাদের সকলের বোঝা উচিত এই জিনিসটি আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তা পছন্দ করেন না। যার ফলে হিংসুক মানুষের শেষ পরিণতি হয় ধ্বংস।
আপনার পোষ্টের মাধ্যমে অত্যন্ত বাস্তব ধর্মী এবং চিরন্তন সত্য একটি বক্তব্য আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। হিংসুক ব্যক্তিরা ইহকাল ও পরকাল দুই জায়গাতেই ক্ষতিগ্রস্ত। তারা আমাদের সমাজে প্রত্যেক জায়গায় ঘৃণিত এবং অবহেলিত হয়ে থাকে। ক্ষণস্থায়ী জীবনে আমরা কয়েকদিনের অতিথি মাত্র। তাই ক্ষণস্থায়ী জীবন কে কেন্দ্র করে আমাদের সকলের সাথে সহনশীল আচরণ করা উচিত। চমৎকার এই কথাগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
জি ভাই আপনার কথা গুলো শুনে খুবই ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার এই কথাটি আমার খুবই ভালো লেগেছে। আসলেই হিংসা পতনের মূল। আপনার এই কথাটি থেকে অনেক কিছু শিখলাম। আপনার লেখা পড়ে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আপনার এই পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্য মঙ্গল কামনা করি।
সুন্দর একটা মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
অহংকার সব সময় পতন এর মূল। কিন্তু আমরা এটাই ভুলে যাই সব সময়। নিজের যায়গা থেকে একটু উপরে উঠলেই আমাদের অনেক অহংকার শুরু হয়। কিন্তু একবার আমরা এটাও ভাবিনা যে অহংকার পতন এর মূল। যত বড়ই হোক না কেনো। একদিন অহংকার মাটিতে নামিয়ে নিয়ে আসবে।
সুন্দর একটা মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার এই কথাগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে ভাই। তবে আসলে সত্যি কথা বলতে সমাজে চলতে সেই ভাবে। যার টাকা বেশি আমরা থাকি বেশি সম্মান করি। তখন সেই আরো নিজেকে অনেক বড় মনে করে। আসলে আমি মনে করি যে যারা অহংকার করে তাদের দোষ না দিয়ে আমাদের নিজেদের দোষ দেওয়া উচিত। কারণ আমরা নিজেরাই তাদেরকে উপরে উঠে দিয়েছি ।খুব সুন্দর করে বাস্তবধর্মী কিছু কথা লিখেছেন ভাই। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
একদম খাঁটি কথা বলেছেন ভাই। আমি নিজেও মনে করি কোনো মানুষকে ছোট করে দেখা একদমই ঠিক না। এই অস্থায়ী পৃথিবীতে আজ আছি কাল নেই। আমাদের উচিত সবার সাথে মিলে মিশে থাকা। যে ছোটকে বড় করে দেখে আল্লাহ তার প্রতি খুশি হয়ে যান। আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো।
সুন্দর একটা মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
হিংসা আসলে খুবই খারাপ একটি অভ্যাস। এটা আসলে আমাদের পরিত্যাগ করা উচিত। তবেই কিন্তু আমার সমাজটা খুবই সুন্দর হবে। আপনি অনেক সুন্দর করে এটা লিখেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে বিষয়গুলো সত্যিই আমাদের জন্য দুঃখজনক কেননা আমরা সব সময় আমাদের নিজেদের অবস্থান নিয়ে অনেক বড়াই করতে থাকি। আর যারা আমাদের নিচে রয়েছে তাদেরকে নিয়ে আমরা হিংসা করতে থাকে। কিন্তু আমাদের সকলের বোঝা উচিত এই জিনিসটি আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তা পছন্দ করেন না। যার ফলে হিংসুক মানুষের শেষ পরিণতি হয় ধ্বংস।
জি একদম রাইট
সুন্দর একটা মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।