🇧🇩 🖤 শোকের ডালি মাথায় নিয়ে বাঙালি জাতিকে আবার কাঁদাতে ফিরে এলো আগস্ট মাস।
আজ রবিবার, ১লা আগস্ট ২০২১ খৃষ্টাব্দ।
১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলংকময় অধ্যায়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, কতিপয় মাথামোটা ক্ষমতা লোভি রাজনৈতিক নেতার নেতৃত্বে, বিপদগামী সেনা সদস্যদের হাতে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতিরজনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপরিবারে বুলেটের আঘাতে, ঝাঁঝরা হয়ে সাহাদত বরন করেন। এদিন থেকে বাঙালি জাতির ললাটে এ কলঙ্কময় কালিমাখা অধ্যায়ের অবতারণা হয়।
বাংলাদেশে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার অংগ সংগঠন গুলো ১৫কে শোক দিবস হিসেবে পালন করে থাকে।
বাংলাদেশে বর্তমান আওয়ামীলিগ সরকার, আগস্ট মাসকে শোকের মাষ ঘোষণা করে, ১৫ আগস্ট রাস্ট্রিয় ভাবে জাতীয় শোক দিবস পালন করে আসছে।
১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নং বাড়িতে এ নির্লজ্জ হত্যা যজ্ঞ চালায়।
এময় তারা বঙ্গবন্ধুর সাথে তার সহ ধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা, বড়ছেলে শেখ কামাল,২য় ছেলে শেখ জামাল, ছোট অবুঝ পুত্র শেখ রাসেল, নব বিবাহিত পুত্র বধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল এবং তার একমাত্র ছোট ভাই আবু নাসের কে একই সাথে হত্যা করেন।
ঘাতকদল একসময়, বেইলি রোডের সরকারি বাসা আক্রমণ করে, সেখানে হত্যা করে , বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছোট্ট মেয়ে বেবি সেরনিয়াবাত, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, তার মেয়ের ছেলে (দৌহিত্র) সুকান্ত আব্দুল্লাহ বাবু,রব সেরনিয়াবাতের ভাইয়ের ছেলে শহিদ সেরনিয়াবাত ও আব্দুল নঈম খান রিন্টু কে।
পার্শ্ববর্তী আরেকটি বাড়িতে, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল মনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মনিকেও নির্মম ভাবে খুন করে ঘাতক দল।
বিদেশে অবস্থান করায়, ঐ পরিবারের মাত্র ২ জন সদস্য জীবনে বেচে যায়, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা, এরা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, ১৯ ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের রাস্ট্রিয় ক্ষমতায়, অধিষ্ঠিত হলে ১৫ আগস্ট শোক দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। এখন অবধি এর ধারাবাহিকতা চলছে।
বন্ধুরা,
আগস্ট মাস নিয়ে লেখা আজ এখানেই।
গোটা মাস জুড়ে আরও কিছু লেখার ইচ্ছে নিয়ে আজ এখানেই শেষ করলাম।
💝আমার সোনার বাংলা --------------
----- মা তোর বদন খানি মলিন হলে,
আমি নয়-ন ওমা আমি নয়ন জলে ভাসি।
সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি♥️।