স্বাধীনতা দিবসের বিকেলে ছোট ভাইদের সাথে কাটানো কিছু মুহূর্ত
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে সোমবার, মার্চ ২৭/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। হয়তোবা সকলেই জানেন এখন বাংলাদেশ এবং ভারতের রমজান মাস চলছে। যার ফলে এখন প্রায় মানুষই রমজানের দিনগুলো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। এই কারণে অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের খুব একটা মাথা ব্যাথা নেই এই সময়ে। অন্য বছরগুলোতে আমরা ২৬ শে মার্চ কে কেন্দ্র করে নানা ধরনের আয়োজন করে থাকি। কিন্তু রমজান মাস হবার কারণে এ বছরে আমরা আমাদের স্কুলে ২৬ শে মার্চ কে কেন্দ্র করে কোন ধরনের আয়োজন করেছিলাম না।
২৬শে মার্চ আমাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই দিবসকে কেন্দ্র করে বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বনভোজনের আয়োজন করা হয়। আমরাও প্রত্যেক বছর এই ধরনের আয়োজন করে থাকে আমাদের স্কুলে। শুধুমাত্র রমজান মাস হবার কারণে এ বছর আমরা এই আয়োজন করতে ব্যর্থ হলাম।
তারপরও এটা যখন জাতীয় দিবস তাই প্রত্যেকটি সরকারি বেসরকারি অফিস আদালত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই দিবসটা পালন করা বাধ্যতামূলক। যেহেতু এটা রাষ্ট্রীয় দিবস তার কারণে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের এই দিবস পালন করা বাধ্যতামূলক। এই বছরের রমজান হবার কারণে রাষ্ট্রীয়ভাবেও বাধা ধরা কোন নিয়ম ছিল না। শুধুমাত্র একটা নিয়মই দেয়া হয়েছিল যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে।
সেই কারণে আমাদের স্কুলেও আমরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন রেখেছিলাম ছাত্র-ছাত্রী সহ প্রত্যেকটি শিক্ষককে ছুটি প্রদান করেছিলাম। সকালের দিকে আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ শামসুল হক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। যেহেতু আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বড় মোটরসাইকেল নিয়ে এবং তিনার পায়ে একটু সমস্যা রয়েছে একই সাথে রমজান মাস। সকল সমস্যার কথা চিন্তা করে তিনি ভাবলেন যে বিকেলের দিকে তিনি পতাকা নামাতে আসতে পারবেন না। পরে তিনি আমাকে বললেন বিকালের দিকে পতাকা নামিয়ে ফেলার জন্য। প্রধান শিক্ষকের কথা অনুযায়ী আমি আসরের নামাজের শেষে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলাম। আমার সাথে আরও দুজন ছিল যারা আমার সাথে স্কুলে এসেছিল। পতাকা নামানোর কাজ শেষ হয়ে যাবার পরে আমরা সেই পতাকা এবং আমাদের স্কুলকে একত্রিত করে বেশ কিছু ছবি তুললাম। আমরা তিনজনই ছবি তোলার কাজে এতটাই মগ্ন হয়ে গিয়েছিলাম যে ইফতারের সময় হয়ে যাচ্ছে বিষয়টা ভুলেই গিয়েছি। পরে হঠাৎ মোবাইলে ঘড়িতে চোখ পড়তেই দেখতে পেলাম আর মাত্র ২০ মিনিট পরেই ইফতারি হবে। তখন কোন রকমে জোরে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়িতে চলে আসলাম ইফতারি করার জন্য।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
জি ভাই প্রতিবছরই দেখি ২৬মার্চকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন রকম আয়োজন করা হয়।তার পাশাপাশি নিয়মগুলোও পালন করা হয়।তবে এবার যেহেতু রমজান মাস সেই হিসেবে আনুষ্ঠানিকতা বাদ গেল তবে পতাকা উত্তোলন বাধ্যতামূলক ছিল। যাইহোক বিকেলে আপনি এবং আপনার ফ্রেন্ড মিলে পতাকা নামিয়েছেন এবং সেই অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।অনেক ধন্যবাদ ভাই,ভালো থাকবেন,রমজানের শুভেচ্ছা রইল।
রমজান মাসের জন্যই মূলত এবছর ২৬ শে মার্চ বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করা হলো না।
❤❤❤❤
জি ভাইয়া সারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমার স্কুলের কথা মনে পড়ে গেল আপনার পোস্টটি পড়ে ভাইয়া। আপনারা তিনজনে খুব ভালো সময় কাটিয়েছেন। আসলে আপনারা ছবি তোলাতে অনেক বেশি মগ্ন হয়ে গিয়েছিলেন হয়তো সেজন্য ইফতারের সময়ের কথা আপনারা ভুলে গিয়েছেন 😁। ভালো লাগলো পোস্টটি পড়ে ভাইয়া ধন্যবাদ আপনাদের কাটানো সুন্দর মুহূর্তটুকু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এ ধরনের কাজগুলো আমারও ছোটবেলার স্কুলের কথা মনে করিয়ে দেয়।